
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ঢাকা মহানগর উত্তর-এর দারুসসালাম থানা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল খানের বিরুদ্ধে জমি দখল, চাঁদাবাজি, রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তার ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর বিরুদ্ধে অতীতের একাধিক মামলা ও সাধারণ ডায়েরির (জিডি) তথ্য উল্লেখ করে নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এক অভিযোগকারী।
২০২৩ সালের ১৬ মে জাম্বানীর হোসেন নামের এক ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। এতে সোহেল খান ছাড়াও মাসুদ খান, ছলিম মোল্লা ও সোয়াদ খানের নাম উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগকারীর দাবি, অভিযুক্তরা এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন। বিএনপির পদ-পদবি ও রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে জমি দখল, চাঁদাবাজি এবং ক্ষমতার প্রভাব খাটানোর অভিযোগও করা হয়েছে।
অভিযোগপত্রে সোহেল খানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে দায়ের হওয়া ৫টি মামলা ও ৬টি সাধারণ ডায়েরির তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—মিরপুর থানার মামলা নং-২৩ (০৮/০৭/২০০৫), পিটিশন মামলা নং-৫৩৬/২০০৪, সাভার থানার অস্ত্র মামলা নং-২৯ (১১/৯৮), ঢাকা দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত ৫ম আদালতের মামলা নং-৪২৩/৯৫ এবং সাভার থানার মামলা নং-৩১ (১)/৯৭।
এ ছাড়া সাভার থানার জিডি নং-৫৭০ (১০/১১/২০০৬), ১০০৬ (১৭/১১/২০০৫), ১৭১৫, ১৪৫৭ (২৭/১০/২০০৪), ৭৯১ (১৪/০৮/২০০৪) এবং মিরপুর থানার জিডি নং-২০১৩ (২২/০৫/২০০৭) উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগকারী দাবি করেন, ভয়ে সাধারণ মানুষ প্রকাশ্যে অভিযোগ করতে সাহস পান না। তাই গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে তদন্ত করে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জোড় দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।































































এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।