শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারি ২০২৬
ওপেন নিউজ ২৪
সর্বশেষ

মুসলমান-হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সবার জন্য সমান অধিকার নিশ্চিত করা হবে—বিরিশিরিতে আদিবাসী উঠান বৈঠকে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল

বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান—সব ধর্মের মানুষের জন্য সমান অধিকার, নিরাপত্তা ও সুযোগ নিশ্চিত করা হবে বলে দৃঢ় অঙ্গীকার করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় আইন বিষয়ক সম্পাদক ও নেত্রকোনা-১ (দুর্গাপুর–কলমাকান্দা) আসনের মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে দুর্গাপুর উপজেলার বিরিশিরি ইউনিয়নের বারইপাড়া, করুনীয়া, শিরবির ও কাপাসাটিয়া বাজার এলাকায় আদিবাসীদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী নির্বাচনী উঠান বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।উঠান বৈঠকে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন,মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান—আমি নির্বাচিত হলে সবাই সমান অধিকার ভোগ করবে। ধর্ম নয়, মানুষ হিসেবেই রাষ্ট্র সকল নাগরিককে দেখবে। আমি কোনো বৈষম্যে বিশ্বাস করি না।তিনি আরও বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর ও টেকসই পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। স্থানীয়ভাবে আদিবাসীদের তৈরি নান্দনিক পোশাক ও হস্তশিল্পের কারখানা স্থাপন করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে এবং এসব পণ্য দেশীয় চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিদেশে রপ্তানির উদ্যোগ নেওয়া হবে।উঠান বৈঠকে অংশ নেওয়া শত শত আদিবাসী ভোটার ও শিক্ষার্থীরা তাদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা, নিরাপত্তাহীনতা, শিক্ষা, সুপেয় পানি ও কর্মসংস্থানের সমস্যার কথা তুলে ধরেন। দশম শ্রেণির এক আদিবাসী শিক্ষার্থী বলেন,আমরা সবসময় অবহেলিত। আমাদের উন্নয়নে কোনো সরকার কার্যকর ভূমিকা রাখেনি। আপনি নির্বাচিত হলে আমাদের জন্য কী করবেন?এর জবাবে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন,সবার আগে বাংলাদেশ। আদিবাসী বা বাঙালি বলে কিছু নেই—আমরা সবাই বাংলাদেশি। আপনারাও এই দেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ। পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও অধিকার রক্ষায় বিএনপি কাজ করবে।কলেজপড়ুয়া আরেক শিক্ষার্থী আদিবাসী এলাকায় সুপেয় পানির সংকট ও নিরাপত্তাহীনতার বিষয়টি তুলে ধরলে তিনি বলেন,বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে মাদক, কিশোরগ্যাং ও ইভটিজিংয়ের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন করা হবে। আদিবাসী মেয়েরা আমার সন্তান, আমার বোন। ইউনিয়নভিত্তিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে এবং পাহাড়ি এলাকায় সুপেয় পানির স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করা হবে।তিনি বলেন,মাদকের কারণে শুধু দুর্গাপুর নয়, কলমাকান্দা উপজেলাও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। মাদক থেকেই জন্ম নিচ্ছে কিশোরগ্যাং ও ইভটিজিং। আমি এমপি নির্বাচিত হলে এসব অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান থাকবে।ব্যারিস্টার কায়সার কামাল আরও জানান, দুর্গাপুরে অনার্স কোর্স চালু, আদিবাসী ও নারী শিক্ষার্থীদের জন্য নার্সিং কলেজ স্থাপনে সহায়তা, বিজ্ঞানভিত্তিক কৃষি প্রকল্প গ্রহণ এবং খেলাধুলাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে।শেষে তিনি বলেন,আপনাদের আস্থা ও ভোট চাই। আমি দুর্নীতি করবো না, কাউকে দুর্নীতি করতে দেবো না। সুযোগ পেলে আমার দেওয়া প্রতিটি ওয়াদা বাস্তবায়ন করবো—ইনশাআল্লাহ।”
১৩ ঘন্টা আগে

নেত্রকোনা দুর্গাপুর আগাড় অনির্বাণ শিক্ষানিকেতনে শিক্ষার্থীদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা

নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের অন্যতম বিদ্যাপিঠ আগাড় অনির্বাণ শিক্ষানিকেতনে শিক্ষার্থীদের মাঝে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারী) দিনব্যাপি নানা আয়োজনে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।আগাড় অনির্বাণ শিক্ষানিকেতনের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ সেলিম মিয়া'র সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল বারেক। এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. বজলুর রহমান আনসারী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্গাপুর সাংবাদিক সমিতির সভাপতি ওয়ালি হাসান কলি,দুর্গাপুর ইউনিয়ন বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন, ওয়ার্ড বিএনপি'র সভাপতি জসিম উদ্দীন,গোপালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক হাসিনা আক্তার,সহকারী শিক্ষক জহিরুল ইসলাম সহ স্কুলের শিক্ষক, ৬ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক, শিক্ষার্থী অভিভাবকগণ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা শেষে, বিদ্যালয়ের মাঠে ১২টি ইভেন্টে শিশুদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
১৪ ঘন্টা আগে

পহরডাঙ্গায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলমের বিশাল নির্বাচনী জনসভা

পহরডাঙ্গায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলমের বিশাল নির্বাচনী জনসভাস্টাফ রিপোর্টার : মোঃ লিটন সিকদারনড়াইল-১ সংসদীয় আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও নড়াইল জেলা বিএনপির সভাপতি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলমের বিশাল নির্বাচনী জনসভা পহরডাঙ্গা ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে পহরডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে এ জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম। সভায় সভাপতিত্ব করেন ১০নং পহরডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বিএম নজরুল ইসলাম কাবুল।বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নড়াগাতী থানা বিএনপির সভাপতি খান মতিউর রহমান, কালিয়া উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আসজাদুর রহমান মিঠু, নড়াগাতী থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ডা. বুলবুল কবির, নড়াগাতী থানা বিএনপির সহ-সভাপতি ঠাকুর আবুল আজম, সারাফত হোসেন (সব), ইকবাল শিকদার, আলিম শেখসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।সভা সঞ্চালনা করেন ১০নং পহরডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শিকদার কোবাদ হোসেন এবং অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মোঃ নুর আলম মোল্যা।বক্তব্যে বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “জনগণের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে বিএনপি ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছে। জনগণের সমর্থনে নির্বাচিত হলে নড়াইল-১ আসনের সার্বিক উন্নয়ন ও মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করবো।”জনসভায় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে জনসভাটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়।
১৫ ঘন্টা আগে
মানবতার ফেরিওয়ালাকে ঘিরে জনতার প্রত্যাশা, ধানের শীষের পক্ষে আইনজীবীদের হৃদয়ছোঁয়া গণসংযোগ

মানবতার ফেরিওয়ালাকে ঘিরে জনতার প্রত্যাশা, ধানের শীষের পক্ষে আইনজীবীদের হৃদয়ছোঁয়া গণসংযোগ

মানবতা, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়ে পরিচিত এক মানবতার ফেরিওয়ালাকে ঘিরে জনতার ভালোবাসা ও প্রত্যাশা আরও দৃঢ় হয়ে উঠছে। নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা–দুর্গাপুর) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী, বিএনপির কেন্দ্রীয় আইন বিষয়ক সম্পাদক ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মহাসচিব ব্যারিস্টার কায়সার কামালের পক্ষে দুর্গাপুর পৌর শহরে অনুষ্ঠিত হলো আবেগঘন গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি।বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল খালেক মিলনের নেতৃত্বে প্রায় ৪০ জন আইনজীবীর একটি সুসংগঠিত টিম শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে এ কর্মসূচিতে অংশ নেন। টিমে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট তাহমিনা আক্তার হাশেমী, অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান আতিক, অ্যাডভোকেট জোনায়েতুল্লাহ সোহেব, অ্যাডভোকেট জিল্লুর রহমান , অ্যাডভোকেট মোঃ জিন্নাহ রবি, অ্যাডভোকেট মোঃ আসাদুজ্জামানসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।দুর্গাপুর পৌর শহরের প্রধান সড়ক, বাজার ও জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় আইনজীবীরা ধানের শীষের লিফলেট হাতে সাধারণ মানুষের দুয়ারে দুয়ারে পৌঁছে যান। তারা ভোটারদের কাছে ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিয়ে বলেন, তিনি সব সময় অসহায়, নিপীড়িত ও বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং আগামীতেও জনগণের অধিকার রক্ষায় আপসহীন থাকবেন।আইনজীবী নেতারা বলেন,ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ক্ষমতার রাজনীতিতে নয়, মানুষের রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন। তিনি নির্বাচিত হলে দুর্গাপুর-কলমাকান্দা হবে ন্যায়, মানবতা ও উন্নয়নের মডেল।গণসংযোগকালে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া ও ভালোবাসা ছিল লক্ষণীয়। অনেকেই বলেন, দীর্ঘদিন পর তারা একজন মানবিক, সাহসী ও ন্যায়পরায়ণ নেতৃত্বের সন্ধান পাচ্ছেন। ধানের শীষের প্রতি তাদের সমর্থন জানিয়ে পরিবর্তনের আশায় ব্যারিস্টার কায়সার কামালের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তারা।এই কর্মসূচি দুর্গাপুর পৌর শহরের রাজনীতিতে নতুন আশার আলো ছড়িয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
১ ঘন্টা আগে
মুসলমান-হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সবার জন্য সমান অধিকার নিশ্চিত করা হবে—বিরিশিরিতে আদিবাসী উঠান বৈঠকে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল

মুসলমান-হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সবার জন্য সমান অধিকার নিশ্চিত করা হবে—বিরিশিরিতে আদিবাসী উঠান বৈঠকে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল

বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান—সব ধর্মের মানুষের জন্য সমান অধিকার, নিরাপত্তা ও সুযোগ নিশ্চিত করা হবে বলে দৃঢ় অঙ্গীকার করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় আইন বিষয়ক সম্পাদক ও নেত্রকোনা-১ (দুর্গাপুর–কলমাকান্দা) আসনের মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে দুর্গাপুর উপজেলার বিরিশিরি ইউনিয়নের বারইপাড়া, করুনীয়া, শিরবির ও কাপাসাটিয়া বাজার এলাকায় আদিবাসীদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী নির্বাচনী উঠান বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।উঠান বৈঠকে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন,মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান—আমি নির্বাচিত হলে সবাই সমান অধিকার ভোগ করবে। ধর্ম নয়, মানুষ হিসেবেই রাষ্ট্র সকল নাগরিককে দেখবে। আমি কোনো বৈষম্যে বিশ্বাস করি না।তিনি আরও বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর ও টেকসই পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। স্থানীয়ভাবে আদিবাসীদের তৈরি নান্দনিক পোশাক ও হস্তশিল্পের কারখানা স্থাপন করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে এবং এসব পণ্য দেশীয় চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিদেশে রপ্তানির উদ্যোগ নেওয়া হবে।উঠান বৈঠকে অংশ নেওয়া শত শত আদিবাসী ভোটার ও শিক্ষার্থীরা তাদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা, নিরাপত্তাহীনতা, শিক্ষা, সুপেয় পানি ও কর্মসংস্থানের সমস্যার কথা তুলে ধরেন। দশম শ্রেণির এক আদিবাসী শিক্ষার্থী বলেন,আমরা সবসময় অবহেলিত। আমাদের উন্নয়নে কোনো সরকার কার্যকর ভূমিকা রাখেনি। আপনি নির্বাচিত হলে আমাদের জন্য কী করবেন?এর জবাবে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন,সবার আগে বাংলাদেশ। আদিবাসী বা বাঙালি বলে কিছু নেই—আমরা সবাই বাংলাদেশি। আপনারাও এই দেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ। পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও অধিকার রক্ষায় বিএনপি কাজ করবে।কলেজপড়ুয়া আরেক শিক্ষার্থী আদিবাসী এলাকায় সুপেয় পানির সংকট ও নিরাপত্তাহীনতার বিষয়টি তুলে ধরলে তিনি বলেন,বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে মাদক, কিশোরগ্যাং ও ইভটিজিংয়ের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন করা হবে। আদিবাসী মেয়েরা আমার সন্তান, আমার বোন। ইউনিয়নভিত্তিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে এবং পাহাড়ি এলাকায় সুপেয় পানির স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করা হবে।তিনি বলেন,মাদকের কারণে শুধু দুর্গাপুর নয়, কলমাকান্দা উপজেলাও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। মাদক থেকেই জন্ম নিচ্ছে কিশোরগ্যাং ও ইভটিজিং। আমি এমপি নির্বাচিত হলে এসব অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান থাকবে।ব্যারিস্টার কায়সার কামাল আরও জানান, দুর্গাপুরে অনার্স কোর্স চালু, আদিবাসী ও নারী শিক্ষার্থীদের জন্য নার্সিং কলেজ স্থাপনে সহায়তা, বিজ্ঞানভিত্তিক কৃষি প্রকল্প গ্রহণ এবং খেলাধুলাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে।শেষে তিনি বলেন,আপনাদের আস্থা ও ভোট চাই। আমি দুর্নীতি করবো না, কাউকে দুর্নীতি করতে দেবো না। সুযোগ পেলে আমার দেওয়া প্রতিটি ওয়াদা বাস্তবায়ন করবো—ইনশাআল্লাহ।”
১৩ ঘন্টা আগে
গরমে বছরে নষ্ট ২৫ কোটি কর্মদিবস, দেশের আর্থিক ক্ষতি ২১ হাজার কোটি টাকা

গরমে বছরে নষ্ট ২৫ কোটি কর্মদিবস, দেশের আর্থিক ক্ষতি ২১ হাজার কোটি টাকা

আজ মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকার একটি হোটেলে ‘অ্যান আনসাসটেইনেবল লাইফ: দ্য ইমপ্যাক্ট অব হিট অন হেলথ অ্যান্ড দ্য ইকোনমি অব বাংলাদেশ’ শীর্ষক এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘যখন তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায়, তখন কর্মীদের উৎপাদনশীলতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। এর ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।’গবেষণায় ১৯৭৬-২০২৩ সাল পর্যন্ত দেশের তাপমাত্রা ও আপেক্ষিক আর্দ্রতা বিশ্লেষণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ২০২৪ সালে ১৬ হাজারের বেশি মানুষের ওপর পরিচালিত ২ ধাপের জরিপের তথ্যও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।তথ্যানুযায়ী, ১৯৮০ সাল থেকে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও অনুভূত তাপমাত্রা (‘ফিলস লাইক টেম্পারেচার’) ৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়েছে। এর ফলে ডায়রিয়া, দীর্ঘস্থায়ী কাশি, শ্বাসযন্ত্রের রোগ ও ক্লান্তি বেড়েছে। তাপপ্রবাহের কারণে মানসিক স্বাস্থ্যসমস্যা, যেমন বিষণ্নতাও বৃদ্ধি পেয়েছে।বিশ্ব ব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যাঁ পেসমে বলেন, ‘তীব্র গরম শুধু মৌসুমি সমস্যা নয়, এর প্রভাব সুদূরপ্রসারী। আমরা বাংলাদেশে দেখছি, ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা আমাদের স্বাস্থ্য, উৎপাদনশীলতা ও দেশের অর্থনীতিকে প্রভাবিত করছে। সমন্বিত পদক্ষেপের মাধ্যমে তাপপ্রবাহের প্রভাব মোকাবিলা সম্ভব।’বর্তমানে উচ্চ তাপমাত্রার ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ পৃথিবীতে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। রাজধানী ঢাকা তাপের সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত শহর, যেখানে তাপসূচক জাতীয় গড়ের তুলনায় প্রায় ৬৫ শতাংশ বেশি বেড়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘গ্রীষ্মকালে ডায়রিয়া ও দীর্ঘস্থায়ী কাশির ঘটনা শীতকালের তুলনায় দ্বিগুণ হয়। নারীরা তাপজনিত অসুস্থতায় বেশি ভোগেন। গরমের মাসগুলোতে বিষণ্নতা ও উদ্বেগ বাড়ে, যা বয়সের সঙ্গে বেড়ে চলে। ৫০-৬৫ বছর বয়সীদের মধ্যে তাপজনিত সমস্যা সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।’এসব শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার কারণে শীতকালের তুলনায় গ্রীষ্মকালে আর্থিক ক্ষতি বেশি হয়। বিশ্ব ব্যাংকের সিনিয়র অপারেশনস অফিসার ও প্রতিবেদনের সহ-লেখক ইফফাত মাহমুদ বলেন, ‘গরমে স্বাস্থ্য সমস্যা ও উৎপাদনশীলতা কমার মধ্যে সুস্পষ্ট যোগসূত্র দেখা গেছে।’বিশ্ব ব্যাংক তাপপ্রবাহ থেকে জীবন-জীবিকা ও অর্থনীতিকে রক্ষা করার জন্য জরুরি ও সমন্বিত পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে। প্রতিবেদনে তাপপ্রবাহ ব্যবস্থাপনার জন্য বহু-খাতভিত্তিক জাতীয় প্রস্তুতি বাড়ানো, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে সজ্জিত করা ও শহরাঞ্চলে সবুজায়ন বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন
রক্ত ও জীবন দিয়ে হলেও হকের পথে বিজয়ের চেষ্টা করব: শাহ আকরাম আলী

রক্ত ও জীবন দিয়ে হলেও হকের পথে বিজয়ের চেষ্টা করব: শাহ আকরাম আলী

ফরিদপুরের সালথায় ১০ দলীয় জোট মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আল্লামা শাহ আকরাম আলী বলেছেন, "ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়—হক সবসময় বিজয়ী হয় আর নাহক পরাজিত। ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র নতুন কিছু নয়। আমরা দৃঢ় মনোবল নিয়ে ময়দানে আছি। প্রয়োজনে রক্ত ও জীবন দিয়ে হলেও হকের পথে বিজয় অর্জন করব ইনশাআল্লাহ।"​বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে সালথা বাইপাস সড়কে 'একতাবদ্ধ ছাত্রসমাজ' আয়োজিত এক বিশাল প্রচারণা সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।​আসন্ন নির্বাচনে রিকশা প্রতীকের সমর্থনে আয়োজিত এই সমাবেশে আল্লামা শাহ আকরাম আলী যুবসমাজের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, দেশ ও ইসলামের ক্রান্তিলগ্নে যুব সমাজকে পূর্ণোদ্যমে এগিয়ে আসতে হবে। প্রতিকূলতা ডিঙিয়ে হকের ঝাণ্ডা সমুন্নত রাখাই এখনকার প্রধান লক্ষ্য।​নাসিরুদ্দিন খানের সভাপতিত্বে এবং হাফেজ আবু মোছার সঞ্চালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আল্লামা শাহ আকরাম আলীর জ্যেষ্ঠ পুত্র ​মুফতি ইমরান হুসাইন, জেলা ছাত্র মজলিসের সভাপতি ​হাফেজ সামচুল হক, সালথা উপজেলা ছাত্র শিবিরের সভাপতি ​হুসাইন আহমেদ, বাইতুল মাল সম্পাদক ​আব্দুল আল মামুন, সালথা উপজেলা ছাত্র মজলিসের সাংগঠনিক সম্পাদক ​আব্দুস সোবহান, ​এছাড়াও উপজেলা ছাত্র মজলিসের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ ফয়েজুল্লাহ আবু মুসাসহ জোটের স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন।​​সমাবেশ শেষে রিকশা প্রতীকের সমর্থনে একটি মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি সালথা বাইপাস সড়কের গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহ প্রদক্ষিণ করে। এসময় নেতাকর্মীরা হকের পথে বিজয় এবং রিকশা প্রতীকের পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দেন। সাধারণ ভোটারদের মাঝেও লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে প্রচারণা চালানো হয়।
২৮ জানুয়ারি ২০২৬
সিরাজগঞ্জে রওশন আরা বেগম হাফিজিয়া মাদ্রাসার উদ্যোগে ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে

সিরাজগঞ্জে রওশন আরা বেগম হাফিজিয়া মাদ্রাসার উদ্যোগে ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ছোনগাছা আকন্দ বাড়িতে অবস্থিত রওশন আরা বেগম হাফিজিয়া মাদ্রাসার উন্নয়ন ও দ্বীনি কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে এক ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।আগামী ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ (বুধবার) ছোনগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। মাহফিলের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম (লিটন), নির্বাহী প্রকৌশলী (অবসরপ্রাপ্ত), বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এবং রওশন আরা বেগম হাফিজিয়া মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ইঞ্জিনিয়ার মো. সেলিম বাদশা, জেনারেল ম্যানেজার (অপারেশন), কুশিয়ারা কম্পোজিট নিট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, সেম্বরা, সাভার, ঢাকা।প্রধান বক্তা হিসেবে ওয়াজ পেশ করবেন হযরত মাওলানা আলহাজ্ব মো. আনোয়ার উল্লাহ (মজনু), সাবেক অধ্যক্ষ, ছোনগাছা ফাযিল মাদ্রাসা, সিরাজগঞ্জ।এছাড়াও বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন—হযরত মাওলানা মো. শহিদুল ইসলাম আনসারী, খাদেম, ফুরফুরা শরীফ, সিরাজগঞ্জ;হযরত মাওলানা ইসমাইল হোসেন সিরাজী, শিক্ষক, সারুল ইসলাম মডেল মাদ্রাসা, সিরাজগঞ্জ;হযরত মাওলানা শোয়াইব আহম্মেদ যযাম, খামারগাতী জামে মসজিদ, সিরাজগঞ্জ।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন—জনাব আলহাজ্ব মো. আবু বক্কর সিদ্দিক, পুলিশ পরিদর্শক (ডিএমপি), ঢাকা;জনাব আব্দুল্লাহ আল মামুন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সিরাজগঞ্জ;জনাব ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমান, আর্কিটেক্ট ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সিরাজগঞ্জসহ দেশবরেণ্য ওলামায়ে কেরাম।মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দ্বীনি শিক্ষা বিস্তার ও মাদ্রাসার অবকাঠামোগত উন্নয়নকে এগিয়ে নিতেই এ ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। মাহফিল সফল করতে সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষভাবে আহ্বান জানানো হয়েছে।অনুষ্ঠানটি সার্বিকভাবে পরিচালনা করবে রওশন আরা বেগম হাফিজিয়া মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটি।
২৬ জানুয়ারি ২০২৬
কে. এম রুবেলের ৫ম বিবাহবার্ষিকী উদযাপন

কে. এম রুবেলের ৫ম বিবাহবার্ষিকী উদযাপন

জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সভাপতি কে. এম. রুবেলের ৫ম বিবাহবার্ষিকী উদযাপন হয়েছে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সী-বিচ এলাকার একটি মনোরম রেস্টুরেন্টে।অনুষ্ঠানে বন্দর জোনের সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ ফুলেল শুভেচ্ছা, কেক কাটা এবং উপহার প্রদানের মাধ্যমে দিনটি স্মরণীয় করে তোলেন। ছিল প্রাণবন্ত আড্ডা, ভালোবাসা বিনিময় ও আনন্দঘন মুহূর্ত।উপস্থিত সাংবাদিকরা কেএম রুবেল ও তাঁর জীবনসঙ্গীর সুখী, শান্তিপূর্ণ ও দীর্ঘস্থায়ী দাম্পত্য জীবনের জন্য শুভকামনা জানান।  দাম্পত্য জীবনের এই মাইলফলক আনন্দের পাশাপাশি অনুপ্রেরণাও জাগিয়েছে সবার মাঝে।
৩০ অক্টোবর ২০২৫
জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫ –এর আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান কাউনিয়ায় অনুষ্ঠিত

জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫ –এর আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান কাউনিয়ায় অনুষ্ঠিত

জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫ –এর আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান কাউনিয়ায় অনুষ্ঠিতরংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় উৎসবমুখর পরিবেশে জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫ এর আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। সকালে উপজেলা চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়, যা উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে অনুষ্ঠানের স্থানে এসে শেষ হয়।অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মহিদুল হক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. মো. এ আর এম আল মামুন।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেনতানিয়া আক্তার, কৃষি অফিসার, কাউনিয়া উপজেলা এসআই ব্রজ গোপাল কর্মকার, সেকেন্ড অফিসার, কাউনিয়া থানা বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, খামারি, শিক্ষক, সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ প্রদর্শনীতে প্রদর্শিত প্রাণিসম্পদ ও উপকরণ প্রদর্শনীতে নানা জাতের প্রাণিসম্পদ ও খাদ্যউপকরণ প্রদর্শিত হয়, যার মধ্যে ছিলগরু ছাগল ভেড়া হাঁস মুরগি কোয়েল পাখি বিভিন্ন জাতের উন্নতমানের ঘাস গো-খাদ্য ও আধুনিক খামার ব্যবস্থাপনার উপকরণ আলোচনা সভায় বক্তারা স্থানীয় খামারিদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ, মানসম্মত উৎপাদন, এবং প্রাণিসম্পদ উন্নয়নে সরকারের নানা উদ্যোগ তুলে ধরেন। পরে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শ্রেষ্ঠ খামারি ও স্টল মালিকদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫–এর কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ ঘোষণা করা হয়।
২৬ জানুয়ারি ২০২৬
কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !