ওপেন নিউজ ২৪
সর্বশেষ

নেত্রকোনা দুর্গাপুর পৌরসভার রাস্তা ও ড্রেনেজ সংকটে চরম ভোগান্তি,দ্রুত সমাধানে ডেপুটি স্পিকারের হস্তক্ষেপ কামনা স্থানীয়দের!

নেত্রকোণার দুর্গাপুর পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ পাড়া এলাকায় বৃষ্টির পানি ও রাস্তা সংকট চরমে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের। ওই এলাকাটি যেন দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়নবঞ্চিত এক বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছে। দক্ষিণপাড়া মন্দির সংলগ্ন বাচ্চু বিশ্বাসের বাড়ি থেকে শুরু করে আব্দুল আলীর বাড়ি পর্যন্ত প্রায় ৪শ মিটার এলাকায় বসবাসরত ২৫ থেকে ৩০টি হিন্দু ও মুসলিম পরিবার বছরের পর বছর ধরে একটি ন্যূনতম চলাচলযোগ্য রাস্তার অভাবে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। মঙ্গলবার(২৮ এপ্রিল) দুপুরে ঘটনার সসরেজমিনে গেলে এমন ভোগান্তির চিত্র দেখা যায়।  স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, এই এলাকাটিতে এখনো পর্যন্ত কোনো পাকা কিংবা কাঁচা রাস্তা নির্মাণ করা হয়নি। ফলে প্রতিদিনের নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজকর্ম—স্কুল, বাজার কিংবা চিকিৎসার জন্য যাতায়াত—সবই চরম দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে করতে হয়। বিশেষ করে শিশু, নারী ও বয়স্কদের জন্য পরিস্থিতি আরও কষ্টকর হয়ে ওঠে।বর্ষা মৌসুম শুরু হতে না হতেই দুর্ভোগ বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই পুরো এলাকা পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে, সৃষ্টি হচ্ছে দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা। কাদা ও পানিতে ডুবে থাকা পথ দিয়ে চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। অনেক সময় জরুরি প্রয়োজনে রোগীকে হাসপাতালে নেওয়াও কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।সবচেয়ে হৃদয়বিদারক বিষয় হলো—এলাকায় কোনো ব্যক্তি মারা গেলে তাকে শ্মশানে নেওয়ার মতোও কোনো উপযুক্ত রাস্তা নেই। ফলে স্বজনদের লাশ নিয়ে চরম দুর্ভোগ ও বিড়ম্বনার শিকার হতেও দেখা গেছে। যা একটি সভ্য সমাজে অত্যন্ত দুঃখজনক ও অমানবিক বাস্তবতা হিসেবে দেখা দিয়েছে।এই পরিস্থিতিতে এলাকাবাসী নেত্রকোনা- ১ আসনের সদস্য সদস্য ও ডেপুটি স্পিকার সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি বিনীত আবেদন জানিয়েছেন, যাতে দ্রুত একটি টেকসই ও চলাচলযোগ্য রাস্তা নির্মাণ করা হয়। তাদের বিশ্বাস, জনবান্ধব নেতৃত্বের আন্তরিক উদ্যোগে এই দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধান সম্ভব।অন্যদিকে, একই ওয়ার্ডের ঝুমা তালুকদারের রাইস মিল থেকে প্রফেসর মোহনলাল বিশ্বাস বাড়ি পর্যন্ত এলাকায় পানি নিষ্কাশনের কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় বর্ষা এলেই তীব্র জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। ড্রেনেজ ব্যবস্থার অভাবে জমে থাকা পানি দীর্ঘদিন ধরে স্থির থাকে, যা পরিবেশ দূষণ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে। এতে মশার উপদ্রব বাড়ছে এবং ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগের আশঙ্কাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।স্থানীয়রা জানান, একাধিকবার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হলেও এখনো পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। ফলে তাদের দুর্ভোগ দিন দিন বাড়ছেই।এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। একটি টেকসই রাস্তা নির্মাণ এবং আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা চালু করা হলে এই অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটবে এবং তারা ফিরে পাবে একটি নিরাপদ ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ভারপ্রাপ্ত) ও পৌর প্রশাসক মো.মিজানুর রহমান জানান,অল্প বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা ওর রাস্তা উপছে পানি গিয়ে মানুষের চলাচলের ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে। এটা শুনে সত্যিই কষ্ট লাগলো। আমি খোঁজ নিয়ে দেখছি। যতদ্রুত সম্ভব সমাধানকল্পে প্রয়োজনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
৩ ঘন্টা আগে

নেত্রকোনা দুর্গাপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস পালিত

সরকারি খরচে বিরোধ শেষ,সবার আগে বাংলাদেশ' এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নেত্রকোণার দুর্গাপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস-২০২৬। বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের উদ্যোগে বিচার বিভাগ দুর্গাপুর চৌকি আদালত এ দিবস উদযাপনের আয়োজন করে।মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে দুর্গাপুর চৌকি আদালতের সামনে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে দিবসের উদ্বোধন করেন সিনিয়র সিভিল জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মো. রফিকুল ইসলাম। সকাল থেকেই আদালত প্রাঙ্গণ ও আশপাশ এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, আইনজীবী,সেবা গ্রহিতা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এতে অংশগ্রহণ করেন।র‌্যালিটি পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় আদালত প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, অসহায় ও দুস্থ মানুষের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সরকারি আইনগত সহায়তা কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষকে এ সেবার বিষয়ে সচেতন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা। এসময় উপস্থিত ছিলেন দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান, দুর্গাপুর উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি তোবারক হোসেন খোকন,দুর্গাপুর সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি ওয়ালি হাসান কলি,দুর্গাপুর সাংবাদিক সমিতির সদস্য সচিব সৈকত সরকার,প্রবীণ আইনজীবী শাহনেওয়াজ আকঞ্জি, এডভোকেট সুরঞ্জন দাস, শহিদুল ইসলাম রেণু, আনোয়ার হোসেন আনসারি, এডভোকেট শরবিন্দু শেখর রায়,অ্যাডভোকেট সেলিম মৃধা, সাংবাদিক রাজেশ গৌড়,সাংবাদিক আনিসুল হক সুমন, সাংবাদিক আল আমিন হাওলাদার,ব্র্যাকের প্রতিনিধি প্রমূখ ।অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী পর্বে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে শান্তি, ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের প্রতীকী বার্তা প্রদান করা হয়, যা উপস্থিত সকলের মাঝে এক ভিন্ন আবহ সৃষ্টি করে।বক্তারা আরও বলেন, লিগ্যাল এইড কার্যক্রমকে তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দিতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে, যাতে কোনো মানুষ অর্থের অভাবে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত না হয়।
৪ ঘন্টা আগে

সালথায় অধিদপ্তরের আয়োজনে কৃষকদের নিয়ে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত

ফরিদপুরের সালথায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে কৃষকদের নিয়ে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) দিনব্যাপী উপজেলা পরিষদের হলরুমে প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচার এ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন এন্টারপ্রেনরশিপ এ্যান্ড রেসিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার) প্রকল্পের আওতায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এই কর্মসূচিতে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে মোট ১০০জন কৃষক কৃষাণীসহ জনপ্রতিনিধি  বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন ও এনজিও কর্মকর্তারা অংশ নেয়।উপজেলা কৃষি অফিসার (কৃষিবিদ) সুদর্শন শিকদারের সভাপতিত্বে এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ফরিদপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. শাহাদুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার দবির উদ্দিন, ফরিদপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (পিপি) আবুল হোসেন মিয়া, ফরিদপুর অঞ্চলের পার্টনার প্রকল্পের সিনিয়র মনিটরিং অফিসার মো. হাফিজ হাসান।আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. খায়ের উদ্দিন আহমেদ, উপজেলা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ম্যানেজার রফিকুল ইসলাম, সালথা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. নুরুল ইসলাম নাহিদ। কংগ্রেস কর্মসূচিতে কীটনাশক মুক্ত ফল, সবজি, ডাল, তেল, আধুনিক সেচ পদ্ধতি, কৃষক স্মার্ট কার্ড, বীজ উৎপাদন, নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষা, জৈব সার, নারী ও তরুণ উদ্যোক্তাদের উদ্যোগসমূহকে বিকশিত করাসহ মোট ১০টি বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। 
২১ ঘন্টা আগে
নাটোরের লালপুর উপজেলায় বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ হারিয়েছে আট বছরের শিশু আব্দুল্লাহ

নাটোরের লালপুর উপজেলায় বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ হারিয়েছে আট বছরের শিশু আব্দুল্লাহ

বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল একমাত্র সন্তানেরনাটোরের লালপুর উপজেলায় বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ হারিয়েছে আট বছরের শিশু আব্দুল্লাহ। সোমবার (২৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার মোহরকয়া হাটপাড়া এলাকায় মর্মান্তিক এ ঘটনা ঘটে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অটোরিকশাচালক আল আমিন বাড়িতে অটোরিকশা চার্জ দিতে গিয়ে হঠাৎ বিদ্যুতায়িত হয়ে পড়েন। বিদ্যুতের তারে আটকে অসহায়ভাবে চিৎকার করতে থাকেন তিনি। বাবার সেই আর্তনাদ শুনে ছোট্ট ছেলে আব্দুল্লাহ ছুটে আসে। পরিস্থিতির ভয়াবহতা না বুঝেই বাবাকে বাঁচানোর চেষ্টা করতে গিয়ে বাবাকে স্পর্শ করলে সেও বিদ্যুতের তীব্র ঝাঁকুনিতে আক্রান্ত হয়।এসময় মা আসমা খাতুন দ্রুত বাড়ির মেইন সুইচ বন্ধ করে সাহসিকতার পরিচয় দেন। এতে আল আমিনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও গুরুতর আহত হয়ে পড়ে শিশু আব্দুল্লাহ।পরে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।নিহত আব্দুল্লাহ স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলের নার্সারির ছাত্র এবং আল আমিন-আসমা খাতুন দম্পতির একমাত্র সন্তান ছিল। একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়েছেন তার পরিবার ও স্বজনরা।
৫ মিনিট আগে
নেত্রকোনা দুর্গাপুর পৌরসভার রাস্তা ও ড্রেনেজ সংকটে চরম ভোগান্তি,দ্রুত সমাধানে ডেপুটি স্পিকারের হস্তক্ষেপ কামনা স্থানীয়দের!

নেত্রকোনা দুর্গাপুর পৌরসভার রাস্তা ও ড্রেনেজ সংকটে চরম ভোগান্তি,দ্রুত সমাধানে ডেপুটি স্পিকারের হস্তক্ষেপ কামনা স্থানীয়দের!

নেত্রকোণার দুর্গাপুর পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ পাড়া এলাকায় বৃষ্টির পানি ও রাস্তা সংকট চরমে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের। ওই এলাকাটি যেন দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়নবঞ্চিত এক বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছে। দক্ষিণপাড়া মন্দির সংলগ্ন বাচ্চু বিশ্বাসের বাড়ি থেকে শুরু করে আব্দুল আলীর বাড়ি পর্যন্ত প্রায় ৪শ মিটার এলাকায় বসবাসরত ২৫ থেকে ৩০টি হিন্দু ও মুসলিম পরিবার বছরের পর বছর ধরে একটি ন্যূনতম চলাচলযোগ্য রাস্তার অভাবে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। মঙ্গলবার(২৮ এপ্রিল) দুপুরে ঘটনার সসরেজমিনে গেলে এমন ভোগান্তির চিত্র দেখা যায়।  স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, এই এলাকাটিতে এখনো পর্যন্ত কোনো পাকা কিংবা কাঁচা রাস্তা নির্মাণ করা হয়নি। ফলে প্রতিদিনের নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজকর্ম—স্কুল, বাজার কিংবা চিকিৎসার জন্য যাতায়াত—সবই চরম দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে করতে হয়। বিশেষ করে শিশু, নারী ও বয়স্কদের জন্য পরিস্থিতি আরও কষ্টকর হয়ে ওঠে।বর্ষা মৌসুম শুরু হতে না হতেই দুর্ভোগ বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই পুরো এলাকা পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে, সৃষ্টি হচ্ছে দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা। কাদা ও পানিতে ডুবে থাকা পথ দিয়ে চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। অনেক সময় জরুরি প্রয়োজনে রোগীকে হাসপাতালে নেওয়াও কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।সবচেয়ে হৃদয়বিদারক বিষয় হলো—এলাকায় কোনো ব্যক্তি মারা গেলে তাকে শ্মশানে নেওয়ার মতোও কোনো উপযুক্ত রাস্তা নেই। ফলে স্বজনদের লাশ নিয়ে চরম দুর্ভোগ ও বিড়ম্বনার শিকার হতেও দেখা গেছে। যা একটি সভ্য সমাজে অত্যন্ত দুঃখজনক ও অমানবিক বাস্তবতা হিসেবে দেখা দিয়েছে।এই পরিস্থিতিতে এলাকাবাসী নেত্রকোনা- ১ আসনের সদস্য সদস্য ও ডেপুটি স্পিকার সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি বিনীত আবেদন জানিয়েছেন, যাতে দ্রুত একটি টেকসই ও চলাচলযোগ্য রাস্তা নির্মাণ করা হয়। তাদের বিশ্বাস, জনবান্ধব নেতৃত্বের আন্তরিক উদ্যোগে এই দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধান সম্ভব।অন্যদিকে, একই ওয়ার্ডের ঝুমা তালুকদারের রাইস মিল থেকে প্রফেসর মোহনলাল বিশ্বাস বাড়ি পর্যন্ত এলাকায় পানি নিষ্কাশনের কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় বর্ষা এলেই তীব্র জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। ড্রেনেজ ব্যবস্থার অভাবে জমে থাকা পানি দীর্ঘদিন ধরে স্থির থাকে, যা পরিবেশ দূষণ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে। এতে মশার উপদ্রব বাড়ছে এবং ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগের আশঙ্কাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।স্থানীয়রা জানান, একাধিকবার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হলেও এখনো পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। ফলে তাদের দুর্ভোগ দিন দিন বাড়ছেই।এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। একটি টেকসই রাস্তা নির্মাণ এবং আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা চালু করা হলে এই অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটবে এবং তারা ফিরে পাবে একটি নিরাপদ ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ভারপ্রাপ্ত) ও পৌর প্রশাসক মো.মিজানুর রহমান জানান,অল্প বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা ওর রাস্তা উপছে পানি গিয়ে মানুষের চলাচলের ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে। এটা শুনে সত্যিই কষ্ট লাগলো। আমি খোঁজ নিয়ে দেখছি। যতদ্রুত সম্ভব সমাধানকল্পে প্রয়োজনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
৩ ঘন্টা আগে
অনলাইন কেসিনো জুয়া বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

অনলাইন কেসিনো জুয়া বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

অনলাইন কেসিনো জুয়া বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনানিজস্ব প্রতিবেদক:বাংলাদেশে অনলাইন কেসিনো ও জুয়া ভয়াবহ সামাজিক সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ থেকে শুরু করে যুব সমাজের একটি বড় অংশ এই অবৈধ অনলাইন জুয়ার সাথে জড়িয়ে পড়ছে। এর ফলে পরিবারে অশান্তি, আর্থিক সংকট, ঋণগ্রস্ততা, এমনকি মারামারি ও অপরাধের ঘটনাও বাড়ছে বলে স্থানীয়দের দাবি।সচেতন মহলের মতে, সহজলভ্য মোবাইল অ্যাপ ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে জুয়ার বিস্তার ঘটায় বিভিন্ন বয়সের মানুষ আসক্ত হয়ে পড়ছেন। এতে অনেক পরিবারে ভাঙন ও সামাজিক অবক্ষয় দেখা দিচ্ছে।এ প্রেক্ষাপটে দেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর কাছে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন উদ্বিগ্ন নাগরিকরা। তারা অবৈধ অনলাইন কেসিনো সাইট বন্ধ, সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানান।বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কঠোর নজরদারি ও প্রযুক্তিগত নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি আসক্তদের পুনর্বাসন ও কাউন্সেলিং ব্যবস্থাও জরুরি হয়ে পড়েছে। অন্যথায় এই সমস্যা ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন
সালথায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রকাশিত নিউজের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

সালথায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রকাশিত নিউজের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

ফরিদপুরের সালথায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনলাইনে প্রকাশিত নিউজের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সিংহপ্রতাপ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো সাহেবুল ইসলাম।  সোমবার (৬ এপ্রিল)  সন্ধায় সালথা তেলের পাম্প সংলগ্ন গণমাধ্যম কর্মীদের অফিসে সালথায় কর্মরত সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সহকারী শিক্ষক মো. সাহেবুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আমি সিংহপ্রতাব সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। গতকাল ৫ এপ্রিল কয়েকটি অনলাইন পোর্টালে আমার নামে নানা অভিযোগ এনে ভিত্তিহীন মিথ্যা ও বানোয়াট বিষয় তুলে ধরে আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে ভুয়া নিউজ করা হয়েছে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি স্বঘোষিত শিক্ষক নেতা নই, আমি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক। এই কমিটি আগেই অনুমোদন করে এনেছি। শিক্ষকদের মধ্যে বিভাজন থাকায় কমিটি প্রকাশ করিনি।  আমার বিরুদ্ধে আনা ১৪দিন জেল খাটার অভিযোগটি মিথ্যা। ওই মামলায় আমি মাত্র একদিন জেলে থেকে আদালতের রায়ে বেকসুর খালাস পেয়েছি। আমি স্কুলে নিয়মিত ক্লাস নেই। ক্লাস শেষ করে উপজেলায় আসি। আমি কোন কোচিং করাই না, রেজুলেশনের মাধ্যমে অতিরিক্ত ক্লাস নেই। কোন প্রাইভেট বাণিজ্য করি না। অথচ একটি পক্ষ আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন নিউজ করেছে।  আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।  উল্লেখ্য যে, ৫ এপ্রিল শিক্ষক নেতা মো. সাহেবুল ইসলামের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে সংবাদ প্রকাশিত হয়। 
০৬ এপ্রিল ২০২৬
হাতিয়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার অনুষ্ঠান

হাতিয়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার অনুষ্ঠান

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে হাতিয়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার(১২ মার্চ) সন্ধ্যায় নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলা শহর কলেজ রোডস্থ 'হাতিয়া প্রেসক্লাব' প্রাঙ্গণে এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। হাতিয়া প্রেসক্লাবের নির্বাচিত সভাপতি মো. ফিরোজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে আলোচনা করেন, হাতিয়া মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির সভাপতি মাওলানা একিউএম ইদ্রিস, মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি আ.ন.ম হাসান, এখন টিভির নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি নাসিম শুভ প্রমুখ। হাতিয়া প্রেসক্লাবের সদস্য ছায়েদ আহামেদ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তারা সামাজিক দায়বদ্ধতার উপর অবিচল থেকে গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহবান জানান। এসময় উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান, পুলিশ প্রশাসন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারি, চ্যানেল আই এর নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি আলাউদ্দিন শিবলী, নাগরিক টিভির প্রতিনিধি মো. সোহেল উদ্দিন, হাতিয়া প্রেসক্লাবের সদস্যবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার দুই শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন হাতিয়া প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা আমির হামজা। পরে দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং মুসলিম উম্মাহসহ আক্রান্ত ইরান ও ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের জন্য বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা জিয়াউল হক।
১৯ মার্চ ২০২৬
নেত্রকোনা দুর্গাপুরে শুরু হচ্ছে হিফজুল কুরআন হামদ-নাত ও আজান প্রতিযোগিতা-২০২৬

নেত্রকোনা দুর্গাপুরে শুরু হচ্ছে হিফজুল কুরআন হামদ-নাত ও আজান প্রতিযোগিতা-২০২৬

১৯ মার্চ ২০২৬
অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরার আত্মহত্যা

অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরার আত্মহত্যা

জনপ্রিয় অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরা আত্মহত্যা করেছেন। দেশের বেসরকারি একটি গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে অভিনেতার শ্বশুরবাড়ি পরিবার।শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে।অভিনেতা বর্তমানে নেপালে আছেন। তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি এখন কথা বলার মতো অবস্থায় নেই।জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ৪১ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন ইকরা। ২০১০ সালের ৯ নভেম্বর মাত্র ১৯ বছর বয়সে তারা পালিয়ে বিয়ে করেছিলেন আলভী-ইকরা।দীর্ঘ ১৪ বছর পর ২০২৪ সালে তাদের বিয়ের খবরটি প্রকাশ্যে আসে। তাদের সংসারে প্রিয়মায়া নামে একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
১ ঘন্টা আগে
কোন ছবি নেই !
কোন ছবি নেই !
কাউনিয়ার মীরবাগ বাসস্ট্যান্ডে ভেজাল কৃষি ওষুধ জব্দ করে ধ্বংস করেছে প্রশাসন।

কাউনিয়ার মীরবাগ বাসস্ট্যান্ডে ভেজাল কৃষি ওষুধ জব্দ করে ধ্বংস করেছে প্রশাসন।

রংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় কৃষিতে ব্যবহারের নামে বাজারজাত করা ভেজাল ওষুধ জব্দ করে ধ্বংস করেছে প্রশাসন। উপজেলার মীরবাগ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত যৌথ অভিযানে এসব ভেজাল কৃষি ওষুধ উদ্ধার করা হয়। অভিযানের পর বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।আজ রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ দুপুর ১টায় পরিচালিত অভিযানে এ সব ভেজাল কৃষি ওষুধ জব্দ করা হয়।জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র কৃষকদের কাছে বিভিন্ন নামি কোম্পানির মোড়ক ও বোতলে ভেজাল কৃষি ওষুধ সরবরাহ করে আসছিল বলে অভিযোগ ছিল। এসব ওষুধ ব্যবহার করে অনেক কৃষক কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ায় সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।অভিযানে নেতৃত্ব দেন কাউনিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানিয়া আক্তার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অংকন পাল এবং কাউনিয়া থানা পুলিশের একটি টিম। অভিযান চলাকালে পাঁচ কার্টন বোতলজাত ভেজাল কৃষি ওষুধ জব্দ করা হয়। যার মধ্যে ‘এমিস্টার টপ’ ও বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নামে প্রায় ৫০ বোতল তরল ওষুধ পাওয়া যায়।কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, এসব ওষুধ কৃষিতে ব্যবহারের জন্য বিক্রি করা হলেও মানহীন ও ভেজাল হওয়ায় কৃষকদের জন্য বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হতে পারত। ভেজাল ওষুধ ব্যবহারে ফসলের রোগ দমন না হয়ে বরং ফসল নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকে। পাশাপাশি মাটির উর্বরতা কমে যাওয়া, পরিবেশ দূষণ এবং কৃষকদের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কাও থাকে।পরে জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ ও কৃষি সুরক্ষার স্বার্থে জব্দকৃত সব ভেজাল কৃষি ওষুধ ঘটনাস্থলেই মাটিতে পুঁতে ধ্বংস করা হয়। এ সময় স্থানীয় লোকজনও উপস্থিত ছিলেন।উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, কৃষকদের সঙ্গে প্রতারণা করে কেউ যেন ভেজাল কৃষি উপকরণ বাজারজাত করতে না পারে, সে বিষয়ে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। ভেজাল সার, বীজ, কীটনাশক ও কৃষি ওষুধের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।স্থানীয় কৃষকরা প্রশাসনের এ পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ভেজাল কৃষি ওষুধের কারণে কৃষকরা বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তাই এসব অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
১৯ মার্চ ২০২৬
নিজের নিরাপত্তা চেয়ে ভয়ে কাঁদছেন ঝিনুক—অভিযুক্ত স্বামী ডিএমপির ট্রাফিক ইনস্পেক্টর

নিজের নিরাপত্তা চেয়ে ভয়ে কাঁদছেন ঝিনুক—অভিযুক্ত স্বামী ডিএমপির ট্রাফিক ইনস্পেক্টর

ঢাকা মহানগরীর তুরাগ থানা এলাকায় যৌতুকের টাকা দাবি করে গৃহবধূকে শারীরিক নির্যাতন ও জখম করার অভিযোগ উঠেছে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আছিয়া আক্তার ঝিনুক (২০) তুরাগ মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিয়ের পর থেকেই আছিয়া আক্তার ঝিনুকের স্বামী মো. জলিল মিয়া ও তার পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন সময় যৌতুকের নামে টাকা-পয়সা দাবি করে আসছিলেন। অভিযোগকারী জানান, তাদের বিয়ের পর থেকে ধাপে ধাপে ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা দিতে তাকে বাধ্য করা হয়। এমনকি প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের একটি মোবাইল ফোন কিনে দিতেও বাধ্য করা হয় তাকে।ঝিনুক অভিযোগে আরও বলেন, তিনি গর্ভবতী থাকাকালীনও স্বামীর নির্যাতন থেকে রেহাই পাননি। সর্বশেষ ১৪ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ সন্ধ্যা ৬টার দিকে স্বামী জলিল মিয়া পুনরায় ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। টাকা দিতে অসম্মতি জানালে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা তাকে মারধর করে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম হয়।জানা গেছে, অভিযুক্ত ট্রাফিক ইনস্পেক্টর (টিআই) জলিল মিয়া বর্তমানে ধউর ট্রাফিক পুলিশ বক্স, ট্রাফিক পশ্চিম জোন, উত্তরা ট্রাফিক বিভাগ, ডিএমপি–তে কর্মরত।এ বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাইলে টিআই জলিল মিয়া বলেন—আমি তাকে নোটিশ পাঠিয়েছি, বিষয়টি আদালত দেখবে। আমাকে অভিযোগ দিয়ে কিছুই করতে পারবে না, কারণ আমি আইনের লোক।”অপরদিকে, ধারাবাহিক নির্যাতনে আছিয়া আক্তার ঝিনুকের শারীরিক অবস্থা অবনতি হওয়ায় আত্মীয়স্বজনের পরামর্শে তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন এবং নিজের ও অনাগত সন্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনগত সহায়তা চান।এ বিষয়ে তুরাগ মডেল থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই অপূর্ব বলেন—জলিল স্যার আমাদের উপরস্থ কর্মকর্তা। তাকে এভাবে কিছু জিজ্ঞেস করতে পারি না। তদন্তের মাধ্যমে সব জানা যাবে।তুরাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন—“অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ঘটনা বিষয়ে উত্তরা ট্রাফিক বিভাগের ডিসি–র সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন—আমি বিষয়টি অবগত নই। যদি এমন অভিযোগ সত্যি হয়ে থাকে, তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিজস্ব প্রতিনিধি