ওপেন নিউজ ২৪
সর্বশেষ

লড়াইয়ে অকুতোভয়: সংরক্ষিত নারী আসনে যোগ্য মুখ অ্যাডভোকেট কানিজ কাউসার

রাজপথ আদালত ও মানবাধিকারের লড়াইয়ে আপোষহীন এক জাতীয়তাবাদী নেতৃত্ব এডভোকেট কানিজ কাউসার।বিএনপি'র দুঃসময় চট্টগ্রামের আদালত পাড়ায় নিত্যদিন গায়েবী মামলায় জর্জরিত দলের নেতাকর্মীদের বিনা প্রারিশ্রমিকে আইনি সহায়তা দিয়ে পাশে ছিলেন তিনি।চট্টগ্রামের কাট্টলীর ঐতিহ্যবাহী নাজির বাড়ী, এটি একটি ইতিহাস,একটি আদর্শিক ধারার উত্তরাধিকার। যুগে যুগে এ পরিবার থেকে চট্টগ্রাম তথা সারা বাংলাদের নেতৃত্ব সৃষ্টি হয়েছে। সেই পরিবারেরই কন্যা এডভোকেট কানিজ কাউসার চৌধুরী আজ জাতীয়তাবাদী রাজনীতির অঙ্গনে সাহসী,দৃঢ়চেতা এবং আপসহীন এক কণ্ঠ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।তিনি এমন এক পরিবারে জন্ম নিয়েছেন যেখানে রাজনীতি ছিল দায়বদ্ধতার নাম, দেশপ্রেম ছিল বিশ্বাসের ভিত্তি, আর সংগ্রাম ছিল প্রতিদিনের বাস্তবতা। ভাষা সৈনিক, প্রবীণ রাজনীতিবিদ, সমাজসেবক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত বদিউল আলম চৌধুরীর আদর্শিক উত্তরসূরি হিসেবে তিনি ছোটবেলা থেকেই দেখেছেন কিভাবে অন্যায়ের সামনে মাথা নত না করে দাঁড়াতে হয়। তার মাতা মরহুমা লুৎফা বেগম সুরাইয়া চৌধুরী ছিলেন দক্ষিণ চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী ডেমুশিয়া জমিদার পরিবারের কন্যা, রাজনৈতিকভাবে সচেতন এবং দৃঢ়চেতা এক নারী। পারিবারিক ঐতিহ্য, রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও নৈতিক শিক্ষার সমন্বয়ে গড়ে ওঠে কানিজ কাউসার চৌধুরীর ব্যক্তিত্ব।ছয় ভাইবোনের মধ্যে তিনজন সরাসরি জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। বড় বোন ডঃ নাজনীন কাউসার চৌধুরী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সচিব পদে দায়িত্ব পালন করছেন। বড় ভাই আহমেদ উল আলম চৌধুরী ছাত্রদল ও যুবদলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করে বর্তমানে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হিসেবে দায়িত্বে আছেন এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। ছোট ভাই মাহমুদ উল আলম চৌধুরী জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের অর্থ সম্পাদক এবং মহানগর যুবদলের সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরিবারটি কেবল রাজনৈতিকভাবে পরিচিত নয়, তারা প্রতিকূল সময়ে পরীক্ষিত, সংকটে অবিচল এবং আদর্শে দৃঢ়। এডভোকেট কানিজ কাউসার চৌধুরী জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের আজীবন সদস্য , তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। তিনি জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন ( জিসাস) এর চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি ও জিয়া পরিষদের সহ- সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০২১ সালের ২৪ শে ফেব্রুয়ারি মেয়র নির্বাচন বাতিল চেয়ে মামলার অন্যতম আইনজীবী ছিলেন এডভোকেট কানিজ কাউসার।শিক্ষাজীবনে এডভোকেট কানিজ কাউসার চৌধুরী ছিলেন মেধাবী ও শৃঙ্খলাবদ্ধ।১৯৯১ সালে সেন্ট স্কলাস্টিকা গার্লস হাই স্কুল থেকে এসএসসি,১৯৯৩ সালে সরকারি সিটি কলেজ থেকে এইচএসসি,১৯৯৫ সালে চট্টগ্রাম কলেজ থেকে স্নাতক এবং ১৯৯৮ সালে চট্টগ্রাম আইন কলেজ থেকে এলএলবি সম্পন্ন করেন।২০০২ সালের ২৯ জানুয়ারি আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর থেকে টানা ২৪ বছর ধরে আইন পেশায় সক্রিয় আছেন।তিনি আদালতে এজিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বর্তমানে অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি ( অতি: জিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের প্যানেল আইনজীবী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন।আইন তার কাছে শুধু জীবিকা নয়,ন্যায় প্রতিষ্ঠার একটি দৃঢ় হাতিয়ার।ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতির মাঠে সক্রিয় ছিলেন। চট্টগ্রাম আইন কলেজে ছাত্রদলের মহিলা সম্পাদিকা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ছাত্রদলের পক্ষে নির্বাচন করেন। ১৯৯৫ সালে জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন জিসাসের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন এবং চট্টগ্রাম মহানগর জিসাসের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে সংগঠন গড়ে তোলার কাজে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন। ১৯৯৬ সালের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় চট্গ্রাম নাসিমন ভবনের সামনে "গণতন্ত্র মঞ্চে" টানা পনের দিন সাংস্কৃতিক কর্মসূচি পরিচালনা করেন। রাজনীতি তার কাছে ক্ষমতার সিঁড়ি নয়, এটি বিশ্বাসের জায়গা, এটি দায়বদ্ধতার অঙ্গীকার।জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাথে তার সম্পৃক্ততা কেবল নামমাত্র নয়, কার্যকর ও দৃশ্যমান। তিনি আইনজীবী ফোরামের নানা পদে আসিন থেকে নানা গুরুত্ব পূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। গত সতের বছর ধরে রাজনৈতিক মামলা পরিচালনায় তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। ১/১১ এর সময় থেকে শুরু করে অদ্যাবদি রাজনৈতিক মামলায় তাঁর সরব উপস্হিতি ছিলো। তাছাড়া তিনি ২০২১ সালে মেয়র নির্বাচনের অনিয়ম নিয়ে মামলার অন্যতম আইনজীবী ছিলেন। সেই মামলায় জয়লাভ করে করে বর্তমান মেয়র দায়িত্ব পালন করছেন। ২০০৬ সালে আইনজীবী ফোরামের প্যানেল থেকে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যকরী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন এবং সর্বোচ্চ ভোটের মধ্যে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন।১ /১১ পট পরিবর্তনের পর যখন বিএনপির ওপর দুঃসময়ের ছায়া নেমে আসে, তখন তিনি তার সিনিয়রের সহযোগী হিসেবে প্রতিটি রাজনৈতিক মামলায় সক্রিয় উপস্থিতি রাখেন।আদালত প্রাঙ্গণে ভয়ভীতি,চাপ,নজরদারি উপেক্ষা করে তিনি যুক্তি, আইনের ব্যাখ্যা এবং সাংবিধানিক অধিকারের প্রশ্নে দৃঢ় অবস্থান নেন।২০১৭ সালে নয়াপল্টনে জনাব তারেক রহমানের সাথে স্কাইপি সংলাপে অংশ নিতে যখন অনেকেই ভীত ছিলেন, এবং ভয়ে ঢাকা যাচ্ছিলেন না তখন তার নেতৃত্বে চারজন মহিলা আইনজীবী সাহসিকতার সাথে অংশগ্রহণ করেন। ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি দেশনেত্রীর বেগম খালেদা জিয়া’র রায়ের দিন চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গণে আইনজীবীদের বিক্ষোভে তিনি সম্মুখ সারিতে ছিলেন। সেদিন আইনজীবী ফোরামের " স্বেচ্ছায় কারাবরণ" কর্মসূচীতে সারাদিন সক্রিয় অংশ গ্রহন করেন। গ্রেফতার হওয়া নেতাদের আইনি সহায়তায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ডা:শাহাদাত হোসেনকে সেদিন গ্রেফতার করে মাগরিবের পর আদালতে হাজির করে, তিনি সেদিন একমাএ নারী আইনজীবী হিসেবে আদালতে উপস্হিত ছিলেন। ২০২১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি মেয়র নির্বাচনের অনিয়মের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় অন্যতম আইনজীবী ছিলেন। মামলায় দায়ের দিন তিনিই একমাএ নারী আইনজীবী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।জুলাই আন্দোলন তার জীবনের এক ঐতিহাসিক অধ্যায়। জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের প্রতিদিনের কর্মসূচিতে তিনি বিক্ষোভ, মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচিতে সম্মুখ সারিতে ছিলেন। ৩১ জুলাই মার্চ ফর জাস্টিস কর্মসূচিতে ছাত্রদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যে আটজন আইনজীবী ব্যারিকেড তৈরি করেছিলেন, তিনি ছিলেন তাদের একজন। প্রবল বৃষ্টি উপেক্ষা করে সারাদিন মাঠে ছিলেন। সেদিন তাঁর বক্তব্য ছাএ- জনতাকে অনুপ্রানিত করে। হিউম্যান রাইটার্স ফাউন্ডেশন থেকে জুলাই আন্দোলনে আইনি সহযোগিতা দেওয়ার জন্য যে আইনজীবী প্যানেল করে সেখানে তাঁর নাম শীর্ষে ছিলো। ৪ আগস্ট চট্টগ্রামে ভয়াবহ পরিস্থিতিতে ছাত্ররা যখন বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নেয়, তিনি বিকেলে সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্ধার করেন। নিজের পরিবার বিপদে পড়তে পারে জেনেও দায়িত্ব এড়িয়ে যাননি। তার এই অবস্থান চট্টগ্রামের আইনজীবী সমাজ ও সাধারণ মানুষের কাছে গর্বের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।তিনি লিগ্যাল এইডের সদস্য হিসেবে দুই শতাধিক দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মামলা বিনা ফিতে পরিচালনা করেছেন। সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে কাজ করেছেন।মুসলিম এডুকেশন সোসাইটির আজীবন সদস্য, চট্টগ্রাম কলেজ প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী পরিষদের আজীবন সদস্য, বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটার্স ফাউন্ডেশনের আকবর শাহ থানার সভাপতি, চট্টগ্রাম ডায়াবেটিস সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য,সিটি কর্পোরেশনের সিএলসিসির সদস্য, কাট্টলী নুরুল হক চৌধুরী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি, আমরা চাঁটগাঁ বাসীর সহ- সভাপতি, চট্টগ্রাম কলেজ ফাউন্ডেশনের মানবাধিকার সম্পাদকসহ অসংখ্য সংগঠনে দায়িত্ব পালন করছেন।শিক্ষা, মানবাধিকার, সামাজিক উন্নয়ন ও নাগরিক অধিকার নিয়ে তিনি সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন।তিনি প্রমাণ করেছেন রাজনৈতিক পরিচয় মানে শুধু মিছিল নয়, দায়িত্বও। তিনি দেখিয়েছেন আইনজীবী মানে কেবল আদালত নয়, সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা। তিনি দেখিয়েছেন নারীর নেতৃত্ব মানে প্রতীকী উপস্থিতি নয়, কার্যকর অবস্থান। দুর্দিনে তিনি অনুপস্থিত ছিলেন না। প্রতিটা আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন। ভীতির সময়ে তিনি নীরব ছিলেন না। চাপের সময়ে তিনি আপস করেননি। রাজপথে যেমন দৃঢ়, আদালতে তেমনি যুক্তিনির্ভর, অনলাইনে তেমনি স্পষ্টভাষী।তার এবং তার পরিবারের ত্যাগ নিছক দাবি নয়, এটি প্রমাণিত ইতিহাস। বহুবার রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়েছেন। নজরদারি, চাপ, ভয়ভীতি সবকিছুর মধ্যেও অবস্থান বদলাননি। তিনি জানেন আদর্শের পথ সহজ নয়। তবু তিনি সে পথেই হাঁটছেন। কারণ তার কাছে রাজনীতি মানে ক্ষমতা নয়, বিশ্বাস। তার কাছে আইন মানে সুবিধা নয়, ন্যায়। তার কাছে সংগ্রাম মানে প্রদর্শন নয়, দায়িত্ব।আজ সময় এসেছে এই ত্যাগী, সাহসী, পরীক্ষিত নেতৃত্বের যথাযথ মূল্যায়ন করার। তিনি কেবল একটি রাজনৈতিক দলের কর্মী নন, তিনি একটি ধারার প্রতিনিধি। তিনি এমন এক প্রজন্মের মুখ, যারা ভীতির সংস্কৃতি মানে না, অন্যায়ের সাথে আপস করে না, গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের প্রশ্নে নীরব থাকে না।ইতিহাস যখন এই সময়কে মূল্যায়ন করবে,তখন প্রতিকূল সময়ে যারা সামনে দাঁড়িয়েছিল তাদের তালিকায় এডভোকেট কানিজ কাউসার চৌধুরীর নাম উজ্জ্বল হয়ে থাকবে। তিনি লড়েছেন আদর্শের প্রশ্নে আপোষহীন থেকে লড়াই চালিয়ে গেছেন। তার মতো দৃঢ় চেতা জাতীয়তাবাদের বিষয়ে আপোষহীন,জুলাই যোদ্ধা কে সংরক্ষিত নারী আসনে চট্টগ্রাম বাসী দেখতে চাই।আজ সময় এসেছে এই ত্যাগী, সাহসী, পরীক্ষিত নেতৃত্বের যথাযথ মূল্যায়ন করার। তিনি কেবল একটি রাজনৈতিক দলের কর্মী নন, তিনি একটি ধারার প্রতিনিধি। তিনি এমন এক প্রজন্মের মুখ, যারা ভীতির সংস্কৃতি মানে না, অন্যায়ের সাথে আপস করে না, গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের প্রশ্নে নীরব থাকে না।​ইতিহাস যখন এই সময়কে মূল্যায়ন করবে, তখন প্রতিকূল সময়ে যারা সামনে দাঁড়িয়েছিল তাদের তালিকায় এডভোকেট কানিজ কাউসার চৌধুরীর নাম উজ্জ্বল হয়ে থাকবে। তিনি লড়েছেন আদর্শের প্রশ্নে আপোষহীন থেকে, লড়াই চালিয়ে গেছেন সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে। তার মতো দৃঢ়চেতা, জাতীয়তাবাদের প্রশ্নে আপোষহীন এবং নিবেদিতপ্রাণ নেতৃত্বকেই আজ সংরক্ষিত নারী আসনে চট্টগ্রামবাসী দেখতে চায়। মাঠপর্যায়ে তাঁর ত্যাগ এবং সাধারণ মানুষের প্রতি তাঁর মমত্ববোধ তাঁকে এই পদের জন্য একজন যোগ্যতম প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। চট্টগ্রামের মাটি ও মানুষের অধিকার রক্ষায় তাঁর মতো একজন লড়াকু সৈনিকের কণ্ঠস্বর জাতীয় সংসদে ধ্বনিত হওয়া সময়ের দাবি।
১১ ঘন্টা আগে

সালথায় অবৈধ তেল বাণিজ্য: ভ্রাম্যমাণ আদালতে যুবকের অর্থদণ্ড

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় অবৈধভাবে জ্বালানি তেল ক্রয় ও পরিবহনের অভিযোগে এক যুবককে অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে একটি ট্রলি গাড়িতে করে ৩২০ লিটার ডিজেল বহন করছিলেন দুই ব্যক্তি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পরে প্রাথমিক তদন্তে নিশ্চিত হওয়া যায়, তারা সালথার মনোয়ারা ফিলিং স্টেশন থেকে অবৈধভাবে তেল সংগ্রহ করেছিলেন।এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তেল বহনকারী মিকাইল হোসেন (২১) নামের এক যুবককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে জব্দ করা তেল সংশ্লিষ্ট পেট্রোল পাম্পে বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. দবির উদ্দিন বলেন, “জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। কোনো অনিয়মের তথ্য পেলে দ্রুত প্রশাসনকে জানাতে সচেতন মহলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।”
১২ ঘন্টা আগে

লালমোহনে জমি বিরোধে চাচার হামলায় তিন ভাতিজী আহত, আতঙ্কে পরিবার থানায় অভিযো

ভোলার লালমোহনে দীর্ঘদিনের জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে একই পরিবারের মধ্যে সংঘাত চরম আকার ধারণ করেছে। অভিযোগ উঠেছে, চাচার নেতৃত্বে ধারাবাহিক হামলায় আহত হয়েছেন তিন ভাতিজী। ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে এবং ভুক্তভোগী পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আব্দুল হামিদ মৃত্যুবরণ করার পর তার স্ত্রী ও চার সন্তান অসহায় হয়ে পড়েন। পরিবারের উপার্জনক্ষম কেউ না থাকায় তারা বাধ্য হয়ে চট্টগ্রামে চলে যান। এই সুযোগে মৃতের বড় ভাই ইসমাইল হাওলাদার ধীরে ধীরে তাদের রেখে যাওয়া জমিজমা ভোগদখলে নেন বলে অভিযোগ রয়েছে।দীর্ঘদিন পর সন্তানরা বড় হলে প্রায় তিন বছর আগে তারা নিজ গ্রামে ফিরে আসেন। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে কিছু জমি ফিরে পেয়ে সেখানে ঘর তুলে বসবাস শুরু করেন। তবে সেই বিরোধের অবসান হয়নি; বরং সময়ের সঙ্গে তা আরও তীব্র হয়ে ওঠে।ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, তারা মাঝে মাঝে গ্রামে এলে প্রতিনিয়ত হুমকি, হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হন। সর্বশেষ ঈদ উপলক্ষে গ্রামে এসে আবারও হামলার শিকার হন তারা।গত মঙ্গলবার সকালে পরিবারের এক শিশুকে কেন্দ্র করে ঘটনার সূত্রপাত ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, শিশুটি পুকুরে মাছ ধরতে গেলে ইসমাইল হাওলাদার তাকে মারধর করেন। এ সময় শিশুটির মা কুলসুম, খালা জিনাদ নুসাইবা ও রাবেয়া প্রতিবাদ জানাতে এগিয়ে গেলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। অভিযুক্তদের মধ্যে ইসমাইল হাওলাদার, তার নাতি ইলিয়াস, শফিকসহ আরও কয়েকজন নারী-পুরুষ ছিলেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।হামলার সময় এলোপাতাড়ি মারধর ও ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করা হয়। এতে গুরুতর আহত হন কুলসুম (৩২), জিনাদ নুসাইবা (২৫) ও রাবেয়া (২২)। স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। গুরুতর অবস্থায় কুলসুমকে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।উল্লেখ্য, আহতদের মধ্যে জিনাদ নুসাইবা একটি অনুমোদিত আইপি টেলিভিশন CHDNews24-এর প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার পরদিন বুধবারও অভিযুক্তরা আবার বাড়িতে গিয়ে হামলার চেষ্টা চালায়। এ সময় আতঙ্কে ভুক্তভোগীরা ঘরের ভেতরে অবস্থান নেন। হামলাকারীরা বাড়ির চারপাশে ভাঙচুর চালায় এবং পুকুরে যাওয়ার পথসহ বাইরে যাতায়াতের রাস্তা কাঁটার বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেয়।ভুক্তভোগী জিনাদ নুসাইবা জানান, জমির ন্যায্য অধিকার ও পারিবারিক পুকুর ব্যবহারের বিষয় নিয়ে কথা বলার জেরেই এই হামলা হয়েছে। হামলার সময় তাকে লক্ষ্য করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাতের চেষ্টা করা হলে বড় বোন কুলসুম প্রতিরোধ করতে গিয়ে গুরুতর আহত হন।তিনি আরও জানান, তারা ঘরের ভেতরে অবরুদ্ধ অবস্থায় থেকে জানালার ফাঁক দিয়ে ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন এবং বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানান। থানায় যোগাযোগ না পেয়ে জরুরি সেবা নম্বরে কল করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।এ ঘটনায় জিনাদ নুসাইবা লালমোহন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তবে অভিযোগ পাওয়ার পরও দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়ার বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে।অভিযুক্ত ইসমাইল হাওলাদার অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, জমি নিয়ে তাদের মধ্যে পূর্বে থেকেই ভাগাভাগি ছিল এবং কিছু জমি ভাতিজাদের কাছ থেকে ক্রয় করা হয়েছে।এদিকে ভুক্তভোগী পরিবার অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, দ্রুত আইনি ব্যবস্থা না নিলে পারিবারিক এই বিরোধ আরও বড় সংঘাতে রূপ নিতে পারে।
০১ এপ্রিল ২০২৬
নেত্রকোণার হাওর অঞ্চলে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল

নেত্রকোণার হাওর অঞ্চলে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল

নেত্রকোণার হাওরাঞ্চলে আকস্মিক পাহাড়ি ঢল ও বন্যায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতির মধ্যেই কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের নবনিযুক্ত ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন এবং হাওরাঞ্চলের পানি সমস্যার জন্য বিগত সরকারের অনিয়ম ও দুর্নীতিকে দায়ী করেছেন।বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিকেলে কলমাকান্দা উপজেলার বড়খাপন ইউনিয়নের কাউয়ার বাড়ি খাল ও তৎসংলগ্ন প্লাবিত এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, “এ অঞ্চলের মানুষের একমাত্র উপার্জন কৃষি। হঠাৎ ফসল পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় অনেকেই কিছুই পাবেন না। আমরা নতুন দায়িত্ব নিয়েছি, প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাঁধের ব্যবস্থা ও কৃষকদের জন্য অনুদান দেওয়া হয়েছে। আমি নিজেও একজন কৃষকের সন্তান। কৃষকের সুবিধার্থে যা করা প্রয়োজন আমরা করব, ইনশাআল্লাহ।”ডেপুটি স্পিকার অতীত সরকারের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে বলেন, “গত ১৫-২৫ বছরে হাওরাঞ্চলে কোনো নদী বা খাল খনন করা হয়নি। উল্টো বিভিন্ন স্থানে বাঁধ দিয়ে দলীয় নেতারা মাছ চাষের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করেছেন। নদী-খালের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল। আমরা নতুন বাংলাদেশে এমন অনিয়মের জন্য ন্যায়বিচার চাই।”তিনি আরও জানান, বর্তমান সরকার দেশে খাল ও নদী খননের বৃহৎ প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এর আওতায় হাওরাঞ্চলের খালগুলোও খনন করা হবে। নেত্রকোণার হাওর অঞ্চলের প্রায় ৪২ হাজার হেক্টর জমির ফসল বর্তমানে ঝুঁকির মুখে রয়েছে। তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির বিষয়টি তুলে ধরে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্টদের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম মিকাইল ইসলাম, সহকারি কমিশনার (ভূমি) মাহমুদুল হাসান, কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সিদ্দিক হোসেন, ডেপুটি স্পিকারের একান্ত সচিব সাইফুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সাইদুর রহমান ভূইয়া, বড়খাপন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম শফিক, কলমাকান্দা প্রেসক্লাব সভাপতি শেখ শামীমসহ স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।পরিদর্শনের সময় কৃষকরা তাদের দুর্দশার কথা তুলে ধরেন এবং সহায়তার জন্য ডেপুটি স্পিকারকে অনুরোধ করেন।
৩ ঘন্টা আগে
নেত্রকোণার হাওর অঞ্চলে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল

নেত্রকোণার হাওর অঞ্চলে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল

নেত্রকোণার হাওরাঞ্চলে আকস্মিক পাহাড়ি ঢল ও বন্যায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতির মধ্যেই কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের নবনিযুক্ত ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন এবং হাওরাঞ্চলের পানি সমস্যার জন্য বিগত সরকারের অনিয়ম ও দুর্নীতিকে দায়ী করেছেন।বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিকেলে কলমাকান্দা উপজেলার বড়খাপন ইউনিয়নের কাউয়ার বাড়ি খাল ও তৎসংলগ্ন প্লাবিত এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, “এ অঞ্চলের মানুষের একমাত্র উপার্জন কৃষি। হঠাৎ ফসল পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় অনেকেই কিছুই পাবেন না। আমরা নতুন দায়িত্ব নিয়েছি, প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাঁধের ব্যবস্থা ও কৃষকদের জন্য অনুদান দেওয়া হয়েছে। আমি নিজেও একজন কৃষকের সন্তান। কৃষকের সুবিধার্থে যা করা প্রয়োজন আমরা করব, ইনশাআল্লাহ।”ডেপুটি স্পিকার অতীত সরকারের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে বলেন, “গত ১৫-২৫ বছরে হাওরাঞ্চলে কোনো নদী বা খাল খনন করা হয়নি। উল্টো বিভিন্ন স্থানে বাঁধ দিয়ে দলীয় নেতারা মাছ চাষের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করেছেন। নদী-খালের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল। আমরা নতুন বাংলাদেশে এমন অনিয়মের জন্য ন্যায়বিচার চাই।”তিনি আরও জানান, বর্তমান সরকার দেশে খাল ও নদী খননের বৃহৎ প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এর আওতায় হাওরাঞ্চলের খালগুলোও খনন করা হবে। নেত্রকোণার হাওর অঞ্চলের প্রায় ৪২ হাজার হেক্টর জমির ফসল বর্তমানে ঝুঁকির মুখে রয়েছে। তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির বিষয়টি তুলে ধরে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্টদের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম মিকাইল ইসলাম, সহকারি কমিশনার (ভূমি) মাহমুদুল হাসান, কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সিদ্দিক হোসেন, ডেপুটি স্পিকারের একান্ত সচিব সাইফুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সাইদুর রহমান ভূইয়া, বড়খাপন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম শফিক, কলমাকান্দা প্রেসক্লাব সভাপতি শেখ শামীমসহ স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।পরিদর্শনের সময় কৃষকরা তাদের দুর্দশার কথা তুলে ধরেন এবং সহায়তার জন্য ডেপুটি স্পিকারকে অনুরোধ করেন।
৩ ঘন্টা আগে
অনলাইন কেসিনো জুয়া বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

অনলাইন কেসিনো জুয়া বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

অনলাইন কেসিনো জুয়া বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনানিজস্ব প্রতিবেদক:বাংলাদেশে অনলাইন কেসিনো ও জুয়া ভয়াবহ সামাজিক সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ থেকে শুরু করে যুব সমাজের একটি বড় অংশ এই অবৈধ অনলাইন জুয়ার সাথে জড়িয়ে পড়ছে। এর ফলে পরিবারে অশান্তি, আর্থিক সংকট, ঋণগ্রস্ততা, এমনকি মারামারি ও অপরাধের ঘটনাও বাড়ছে বলে স্থানীয়দের দাবি।সচেতন মহলের মতে, সহজলভ্য মোবাইল অ্যাপ ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে জুয়ার বিস্তার ঘটায় বিভিন্ন বয়সের মানুষ আসক্ত হয়ে পড়ছেন। এতে অনেক পরিবারে ভাঙন ও সামাজিক অবক্ষয় দেখা দিচ্ছে।এ প্রেক্ষাপটে দেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর কাছে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন উদ্বিগ্ন নাগরিকরা। তারা অবৈধ অনলাইন কেসিনো সাইট বন্ধ, সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানান।বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কঠোর নজরদারি ও প্রযুক্তিগত নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি আসক্তদের পুনর্বাসন ও কাউন্সেলিং ব্যবস্থাও জরুরি হয়ে পড়েছে। অন্যথায় এই সমস্যা ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন
দলবদল ও ক্ষমতার ছত্রছায়ায় অধ্যক্ষ আব্দুস সালাম: প্রশ্নের মুখে রাজনৈতিক অবস্থান

দলবদল ও ক্ষমতার ছত্রছায়ায় অধ্যক্ষ আব্দুস সালাম: প্রশ্নের মুখে রাজনৈতিক অবস্থান

সিরাজগঞ্জের কাজীপুর অঞ্চলে অধ্যক্ষ আব্দুস সালামকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে। দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলেও বাস্তবে আওয়ামী লীগ নেতাদের ঘনিষ্ঠ হয়ে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, অধ্যক্ষ আব্দুস সালাম কাজীপুর পৌরসভার প্রথম প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি নির্বাচনের মাধ্যমে পৌর মেয়রও নির্বাচিত হন। তবে ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই তার রাজনৈতিক অবস্থানে বড় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাবেক প্রভাবশালী নেতা মোহাম্মদ নাসিম এবং তার পুত্র মোহাম্মদ তানভীর শাকিল জয়-এর আস্থাভাজন হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন আব্দুস সালাম। অভিযোগ রয়েছে, বিএনপির কাজীপুর উপজেলা সাধারণ সম্পাদক পদে থাকলেও গত প্রায় দেড় দশক ধরে দলীয় কোনো কর্মসূচিতে তাকে সক্রিয়ভাবে দেখা যায়নি। বরং বিভিন্ন জাতীয় দিবস ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের হয়ে কাজ করতে দেখা গেছে তাকে।একাধিক স্থানীয় নেতা-কর্মীর দাবি, রাজনৈতিক সুবিধা হাসিলের জন্য তিনি বারবার অবস্থান পরিবর্তন করেছেন। আওয়ামী লীগ নেতাদের ঘনিষ্ঠতা অর্জনের মাধ্যমে নিজ প্রভাব বিস্তারই ছিল তার মূল লক্ষ্য বলে অভিযোগ ওঠে।বর্তমানে তিনি কাজীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ সেলিম রেজা-এর ব্যক্তিগত সঙ্গী হিসেবে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন বলেও জানা গেছে। এতে করে তার রাজনৈতিক আনুগত্য নিয়ে আরও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে স্থানীয়দের মাঝে।এ বিষয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল এবং ক্ষমতার সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলা গণতান্ত্রিক রাজনীতির জন্য অশনিসংকেত। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের ফলে তৃণমূলের রাজনীতিতে বিভ্রান্তি ও অসন্তোষ বাড়তে পারে।এদিকে, অধ্যক্ষ আব্দুস সালামের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য জানতে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
২২ মার্চ ২০২৬
হাতিয়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার অনুষ্ঠান

হাতিয়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার অনুষ্ঠান

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে হাতিয়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার(১২ মার্চ) সন্ধ্যায় নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলা শহর কলেজ রোডস্থ 'হাতিয়া প্রেসক্লাব' প্রাঙ্গণে এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। হাতিয়া প্রেসক্লাবের নির্বাচিত সভাপতি মো. ফিরোজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে আলোচনা করেন, হাতিয়া মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির সভাপতি মাওলানা একিউএম ইদ্রিস, মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি আ.ন.ম হাসান, এখন টিভির নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি নাসিম শুভ প্রমুখ। হাতিয়া প্রেসক্লাবের সদস্য ছায়েদ আহামেদ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তারা সামাজিক দায়বদ্ধতার উপর অবিচল থেকে গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহবান জানান। এসময় উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান, পুলিশ প্রশাসন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারি, চ্যানেল আই এর নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি আলাউদ্দিন শিবলী, নাগরিক টিভির প্রতিনিধি মো. সোহেল উদ্দিন, হাতিয়া প্রেসক্লাবের সদস্যবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার দুই শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন হাতিয়া প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা আমির হামজা। পরে দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং মুসলিম উম্মাহসহ আক্রান্ত ইরান ও ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের জন্য বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা জিয়াউল হক।
১৮ মার্চ ২০২৬
নেত্রকোনা দুর্গাপুরে শুরু হচ্ছে হিফজুল কুরআন হামদ-নাত ও আজান প্রতিযোগিতা-২০২৬

নেত্রকোনা দুর্গাপুরে শুরু হচ্ছে হিফজুল কুরআন হামদ-নাত ও আজান প্রতিযোগিতা-২০২৬

১৮ মার্চ ২০২৬
অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরার আত্মহত্যা

অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরার আত্মহত্যা

জনপ্রিয় অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরা আত্মহত্যা করেছেন। দেশের বেসরকারি একটি গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে অভিনেতার শ্বশুরবাড়ি পরিবার।শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে।অভিনেতা বর্তমানে নেপালে আছেন। তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি এখন কথা বলার মতো অবস্থায় নেই।জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ৪১ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন ইকরা। ২০১০ সালের ৯ নভেম্বর মাত্র ১৯ বছর বয়সে তারা পালিয়ে বিয়ে করেছিলেন আলভী-ইকরা।দীর্ঘ ১৪ বছর পর ২০২৪ সালে তাদের বিয়ের খবরটি প্রকাশ্যে আসে। তাদের সংসারে প্রিয়মায়া নামে একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কোন ছবি নেই !
কোন ছবি নেই !
রবি মৌসুমে ধান ফসল উৎপাদনে কৃষকরা সাফল্য অর্জন করবেন, বলে আশা করেছেন।

রবি মৌসুমে ধান ফসল উৎপাদনে কৃষকরা সাফল্য অর্জন করবেন, বলে আশা করেছেন।

(মোঃ হাসিব পেসকার) কলাপাড়া উপজেলা প্রতিনিধি।রবি মৌসুমে ধান ফসল উৎপাদনে কৃষকদের সাফল্য।মোঃ বেল্লাল কৃষক , জানান যেবাংলাদেশ কৃষকরা রবি মৌসুমে ধান ফসল উৎপাদনে সঠিক পদ্ধতি ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফসলের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করতে সক্ষম হয়েছেন। এই মৌসুমে বোরো ধান, গম, সরিষা, মসুর ডাল, মটরশুঁটি, লাউ, শিম, টমেটো ইত্যাদি ফসল ভালো ফলন হয়েছে।কৃষকরা জানিয়েছেন, এই মৌসুমে ফসলের দাম ভালো থাকায় তারা লাভবান হয়েছেন। রবি মৌসুমে ফসল উৎপাদনের জন্য কৃষকরা সঠিক পদ্ধতি ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করেছেন, যার ফলে ফসলের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে।রবি মৌসুমের প্রধান ফসল বোরো ধান, যা দেশের মোট ধান উৎপাদনের প্রায় ৬০ ভাগ অবদান রাখে। এছাড়াও, রবি মৌসুমে গম, আলু, সরিষা, মসুর, খেসারি, পেঁয়াজ, রসুন ও বিভিন্ন শাকসবজি (বাঁধাকপি, ফুলকপি, টমেটো, লাউ ইত্যাদি) চাষ করা হয় । এতে কৃষকরা খুব আনন্দ উপভোগ করেন। এবং স্থানীয় কৃষকদের কাছে এগিয়ে জানতে পারলাম, তারা বলেছেন গত বছরের তুলনায় এই বছর ধান ফসলে বেশি লাভবান হওয়ার আশা করছেন। এই বছর ঝড় বৃষ্টি না হওয়ায় কারনে কিছুটা লাভবান হবে। স্থানীয় কৃষকরা বলেন আমাদের উপজেলা নির্বাহী অফিসার যেন আমাদের কৃষকদের ওপর যেন একটু নজর রাখেন।
১৮ মার্চ ২০২৬
নিজের নিরাপত্তা চেয়ে ভয়ে কাঁদছেন ঝিনুক—অভিযুক্ত স্বামী ডিএমপির ট্রাফিক ইনস্পেক্টর

নিজের নিরাপত্তা চেয়ে ভয়ে কাঁদছেন ঝিনুক—অভিযুক্ত স্বামী ডিএমপির ট্রাফিক ইনস্পেক্টর

ঢাকা মহানগরীর তুরাগ থানা এলাকায় যৌতুকের টাকা দাবি করে গৃহবধূকে শারীরিক নির্যাতন ও জখম করার অভিযোগ উঠেছে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আছিয়া আক্তার ঝিনুক (২০) তুরাগ মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিয়ের পর থেকেই আছিয়া আক্তার ঝিনুকের স্বামী মো. জলিল মিয়া ও তার পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন সময় যৌতুকের নামে টাকা-পয়সা দাবি করে আসছিলেন। অভিযোগকারী জানান, তাদের বিয়ের পর থেকে ধাপে ধাপে ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা দিতে তাকে বাধ্য করা হয়। এমনকি প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের একটি মোবাইল ফোন কিনে দিতেও বাধ্য করা হয় তাকে।ঝিনুক অভিযোগে আরও বলেন, তিনি গর্ভবতী থাকাকালীনও স্বামীর নির্যাতন থেকে রেহাই পাননি। সর্বশেষ ১৪ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ সন্ধ্যা ৬টার দিকে স্বামী জলিল মিয়া পুনরায় ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। টাকা দিতে অসম্মতি জানালে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা তাকে মারধর করে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম হয়।জানা গেছে, অভিযুক্ত ট্রাফিক ইনস্পেক্টর (টিআই) জলিল মিয়া বর্তমানে ধউর ট্রাফিক পুলিশ বক্স, ট্রাফিক পশ্চিম জোন, উত্তরা ট্রাফিক বিভাগ, ডিএমপি–তে কর্মরত।এ বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাইলে টিআই জলিল মিয়া বলেন—আমি তাকে নোটিশ পাঠিয়েছি, বিষয়টি আদালত দেখবে। আমাকে অভিযোগ দিয়ে কিছুই করতে পারবে না, কারণ আমি আইনের লোক।”অপরদিকে, ধারাবাহিক নির্যাতনে আছিয়া আক্তার ঝিনুকের শারীরিক অবস্থা অবনতি হওয়ায় আত্মীয়স্বজনের পরামর্শে তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন এবং নিজের ও অনাগত সন্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনগত সহায়তা চান।এ বিষয়ে তুরাগ মডেল থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই অপূর্ব বলেন—জলিল স্যার আমাদের উপরস্থ কর্মকর্তা। তাকে এভাবে কিছু জিজ্ঞেস করতে পারি না। তদন্তের মাধ্যমে সব জানা যাবে।তুরাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন—“অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ঘটনা বিষয়ে উত্তরা ট্রাফিক বিভাগের ডিসি–র সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন—আমি বিষয়টি অবগত নই। যদি এমন অভিযোগ সত্যি হয়ে থাকে, তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিজস্ব প্রতিনিধি