বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ওপেন নিউজ ২৪
সর্বশেষ

দুর্গাপুর গাওকান্দিয়া ইউনিয়নে শরিফা আক্তারের নেতৃত্বে ধানের শীষের গণসংযোগে জনতার উৎসাহপূর্ণ সাড়া

নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার গাওকান্দিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এর পক্ষে জোরালো ধানের শীষের গণসংযোগ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউনিয়নের স্থানীয় নেত্রী শরিফা আক্তার এ গণসংযোগের নেতৃত্ব দেন এবং সকল ওয়ার্ডে সাধারণ মানুষকে অংশগ্রহণে উৎসাহিত করেন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মহাসচিব ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তিনি সরাসরি জনগণের সঙ্গে আলাপ-চার্চা করেন, তাদের সমস্যা শুনেন এবং শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি, স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়ন, কৃষি ও স্থানীয় অবকাঠামো উন্নয়নের বিষয়গুলোতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, “গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ধানের শীষই একমাত্র পথ। আমি আপনাদের সঙ্গে থাকব, আপনারা ভোটের মাধ্যমে পরিবর্তনের নেতৃত্ব দেবেন।” তিনি আরও যোগ করেন, “জনগণ যখন সঙ্গে থাকে, তখন যে কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব।”গণসংযোগে গাওকান্দিয়ার নারী, পুরুষ, যুবক ও প্রবীণরা উপস্থিত ছিলেন। তারা ব্যারিস্টার কায়সার কামালের পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এবং ধানের শীষে ভোট দিয়ে এলাকার উন্নয়ন নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন। শিশু-কিশোররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে গণসংযোগকে প্রাণবন্ত করে তুলেছে, তাদের কণ্ঠে স্লোগান শুনে পুরো এলাকায় উৎসাহের পরিবেশ সৃষ্টি হয়।শরিফা আক্তার বলেন, “ব্যারিস্টার কায়সার কামাল একজন যোগ্য, সৎ ও জনবান্ধব নেতা। তাঁর নেতৃত্বেই গাওকান্দিয়া ইউনিয়ন ও দুর্গাপুরের জনগণ উন্নয়নের আলো দেখতে পাবে। আমরা সকলেই তাঁর পাশে রয়েছি এবং ধানের শীষে বিজয় নিশ্চিত করব।”এদিনের গণসংযোগে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। পথসভা, সংলাপ ও সরাসরি জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনের মাধ্যমে ভোটারদের মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। জনগণও প্রার্থী ও দলের প্রতি আস্থা প্রকাশ করেছেন, যা আগামী নির্বাচনের ক্ষেত্রে শক্তিশালী ইতিবাচক বার্তা হিসেবে বিবেচিত হবে।গণসংযোগের সমাপ্তিতে এলাকাবাসী ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে ছবি তুলেছেন, হাত মেলান এবং তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষার কথা ব্যক্ত করেছেন। এ ধরনের সরাসরি সংযোগ স্থানীয় জনগণের মনোবল বাড়াচ্ছে এবং ধানের শীষের প্রতি সমর্থন আরও দৃঢ় করছে।
৭ ঘন্টা আগে

সিরাজগঞ্জ-১ আসনে ধানের শীষের পক্ষে গণসংযোগ- ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের অঙ্গীকারে মাঠে বিএনপি নেতাকর্মীরা

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জ-১ (কাজিপুর ও সদর আংশিক) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মোঃ সেলিম রেজার পক্ষে গণসংযোগ ও জনসংযোগ কার্যক্রম জোরদার করেছে বিএনপি। সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা মোস্তফা জামানের নেতৃত্বে বুধবার দিনব্যাপী নির্বাচনী গণসংযোগ অনুষ্ঠিত হয়।কাজিপুর ও সদর উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ও হাট-বাজার এলাকায় দলীয় নেতাকর্মীরা সাধারণ ভোটারদের সাথে সরাসরি মতবিনিময় করেন। এ সময় ভোটারদের খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি বিএনপির ৩১ দফা সংস্কার কর্মসূচি ও ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক রূপরেখা তুলে ধরা হয়। নেতৃবৃন্দ বলেন, জনগণের মৌলিক অধিকার, বিশেষ করে ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারই বিএনপির মূল লক্ষ্য।গণসংযোগকালে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ডাঃ এম এ লতিফ, উপদেষ্টা শফিউল আলম ডলার, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক খোরশেদ আলম মিন্টু, সহ-প্রচার সম্পাদক জিন্নাহ সরদার, সদর উপজেলা বিএনপির নেতা আবু কায়েস ভূইয়া কর্নেল, বিএনপি নেতা রানা আহমেদ, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ তাইবুল হাসান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আকাশ খন্দকার, সদস্য সোহেল রানা হামিদ ও পৌর জাসাসের সভাপতি সাইফুল ইসলাম।মির্জা মোস্তফা জামান বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে মানুষ ভোট দেওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত। জনগণের সেই অধিকার ফিরিয়ে আনতেই বিএনপি মাঠে রয়েছে। সিরাজগঞ্জ-১ আসনের মানুষ পরিবর্তন চায়, আর সেই পরিবর্তনের প্রতীক ধানের শীষ।”এ সময় প্রার্থী মোঃ সেলিম রেজা বলেন, “জনগণের পাশে থেকে এলাকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করাই আমার অঙ্গীকার। নির্বাচিত হলে এলাকার মানুষের কণ্ঠ সংসদে তুলে ধরব।”স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে আলাপচারিতায় নেতাকর্মীরা জানান, এলাকায় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, কর্মসংস্থানের অভাব, কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য না পাওয়া এবং তরুণদের কর্মহীনতা বড় সমস্যা হিসেবে উঠে এসেছে। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে এসব বিষয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে নেতৃবৃন্দ আশ্বাস দেন।গণসংযোগে অংশ নেওয়া স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, নির্বাচনী প্রচারণায় সরাসরি নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে তারা সন্তুষ্ট এবং এলাকার বাস্তব সমস্যা নিয়ে কথা বলার সুযোগ পাচ্ছেন।
৮ ঘন্টা আগে

কাউনিয়ায় তিস্তা নদী থেকে রাত–দিন বালু লুট, নীরবে সক্রিয় একাধিক চক্র

কাউনিয়ায় তিস্তা নদী থেকে রাত–দিন বালু লুট, নীরবে সক্রিয় একাধিক চক্ররংপুরের কাউনিয়া উপজেলার বালাপাড়া ও মধুপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে তিস্তা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পাচারের অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাতের আঁধার থেকে শুরু করে প্রকাশ্য দিবালোকে একাধিক সংঘবদ্ধ চক্র এই বালু লুটে জড়িত।স্থানীয়রা জানান, রাত গভীর হলেই বালু সিন্ডিকেটের তৎপরতা বেড়ে যায়। ভারী ট্রাক ও ডাম্পার দিয়ে নদী থেকে বালু উত্তোলন ও পরিবহনের কারণে সড়কের পাশের বসতবাড়ির মানুষ ঠিকমতো ঘুমাতে পারছেন না। শব্দদূষণ ও ঝুঁকিপূর্ণ যান চলাচলের কারণে সারাক্ষণ আতঙ্কে দিন কাটছে তাদের।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন, প্রতিদিনই তিস্তা নদী থেকে বিপুল পরিমাণ বালু চুরি করে বিক্রি করা হচ্ছে। তবে ভয় ও নিরাপত্তাজনিত কারণে অনেকেই ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি।এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে এই অবৈধ কার্যক্রম চললেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। এতে করে নদীর স্বাভাবিক পরিবেশ ও তীরবর্তী এলাকার স্থায়িত্ব মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও এলাকাবাসীর মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তাদের দাবি, মাঝে মধ্যে দু–একটি অভিযান পরিচালনা করে গাড়ি আটক করা হলেও পরে মোটা অঙ্কের টাকা লেনদেনের মাধ্যমে সেই গাড়ি ছেড়ে দেওয়া হয়। যদিও এসব অভিযোগের বিষয়ে কেউ প্রকাশ্যে বক্তব্য দিতে রাজি হননি।এলাকাবাসীর একাংশের অভিযোগ অনুযায়ী, এই বালু চুরির সঙ্গে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরাও জড়িত। তাদের দাবি, যুবলীগের এক নেতা ও সাবেক ইউপি সদস্য আশরাফুল ইসলাম এবং বহিষ্কৃত স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা বাবলু সরকার বাবু এই সিন্ডিকেটের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।এ বিষয়ে কাউনিয়া উপজেলা ভূমি সহকারী কমিশনার (এসি ল্যান্ড) অংকন পাল বলেন, “অবৈধ বালু উত্তোলন প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। হাতে–নাতে ধরা পড়লে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
১০ ঘন্টা আগে
ফ্যামিলি–কৃষক কার্ড বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি মনজুরুল ইসলামের

ফ্যামিলি–কৃষক কার্ড বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি মনজুরুল ইসলামের

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন–২০২৬ কে সামনে রেখে দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার ১নং শিবরামপুর ইউনিয়নের ভেলা পুকুর বাবুরহাটে মতিয়ারের মিল চাতালে ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে এক বিশাল নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর–১ (বীরগঞ্জ–কাহারোল) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী মোঃ মনজুরুল ইসলাম।শিবরামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ সহিম উদ্দিন আহমেদ–এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভাটি সঞ্চালনা করেন মোহাম্মদ আলী সরকার।সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দিনাজপুর জেলা বিএনপির উপদেষ্টা মোঃ রেজওয়ানুল ইসলাম রিজু, বীরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুর রহিম প্রধান, উপজেলা বিএনপির সদস্য বাবু সুভাষ দাসসহ দলীয় নেতৃবৃন্দ।বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে সাধারণ মানুষের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নারীদের ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রতিমাসে দুই হাজার টাকার নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ক্রয় করতে পারবে। পাশাপাশি দেশের কৃষকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে কৃষক কার্ড চালু করে সার, বীজ ও কৃষি উপকরণ সহজলভ্য করা হবে, যাতে কৃষকরা সরাসরি সরকারি সহায়তার সুফল পান।বক্তারা আরও বলেন, ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের এই লড়াইয়ে ধানের শীষই জনগণের একমাত্র ভরসা। তাই আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোঃ মনজুরুল ইসলামকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান তাঁরা।জনসভায় বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
৪ ঘন্টা আগে
দুর্গাপুর গাওকান্দিয়া ইউনিয়নে শরিফা আক্তারের নেতৃত্বে ধানের শীষের গণসংযোগে জনতার উৎসাহপূর্ণ সাড়া

দুর্গাপুর গাওকান্দিয়া ইউনিয়নে শরিফা আক্তারের নেতৃত্বে ধানের শীষের গণসংযোগে জনতার উৎসাহপূর্ণ সাড়া

নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার গাওকান্দিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এর পক্ষে জোরালো ধানের শীষের গণসংযোগ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউনিয়নের স্থানীয় নেত্রী শরিফা আক্তার এ গণসংযোগের নেতৃত্ব দেন এবং সকল ওয়ার্ডে সাধারণ মানুষকে অংশগ্রহণে উৎসাহিত করেন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মহাসচিব ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তিনি সরাসরি জনগণের সঙ্গে আলাপ-চার্চা করেন, তাদের সমস্যা শুনেন এবং শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি, স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়ন, কৃষি ও স্থানীয় অবকাঠামো উন্নয়নের বিষয়গুলোতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, “গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ধানের শীষই একমাত্র পথ। আমি আপনাদের সঙ্গে থাকব, আপনারা ভোটের মাধ্যমে পরিবর্তনের নেতৃত্ব দেবেন।” তিনি আরও যোগ করেন, “জনগণ যখন সঙ্গে থাকে, তখন যে কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব।”গণসংযোগে গাওকান্দিয়ার নারী, পুরুষ, যুবক ও প্রবীণরা উপস্থিত ছিলেন। তারা ব্যারিস্টার কায়সার কামালের পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এবং ধানের শীষে ভোট দিয়ে এলাকার উন্নয়ন নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন। শিশু-কিশোররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে গণসংযোগকে প্রাণবন্ত করে তুলেছে, তাদের কণ্ঠে স্লোগান শুনে পুরো এলাকায় উৎসাহের পরিবেশ সৃষ্টি হয়।শরিফা আক্তার বলেন, “ব্যারিস্টার কায়সার কামাল একজন যোগ্য, সৎ ও জনবান্ধব নেতা। তাঁর নেতৃত্বেই গাওকান্দিয়া ইউনিয়ন ও দুর্গাপুরের জনগণ উন্নয়নের আলো দেখতে পাবে। আমরা সকলেই তাঁর পাশে রয়েছি এবং ধানের শীষে বিজয় নিশ্চিত করব।”এদিনের গণসংযোগে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। পথসভা, সংলাপ ও সরাসরি জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনের মাধ্যমে ভোটারদের মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। জনগণও প্রার্থী ও দলের প্রতি আস্থা প্রকাশ করেছেন, যা আগামী নির্বাচনের ক্ষেত্রে শক্তিশালী ইতিবাচক বার্তা হিসেবে বিবেচিত হবে।গণসংযোগের সমাপ্তিতে এলাকাবাসী ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে ছবি তুলেছেন, হাত মেলান এবং তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষার কথা ব্যক্ত করেছেন। এ ধরনের সরাসরি সংযোগ স্থানীয় জনগণের মনোবল বাড়াচ্ছে এবং ধানের শীষের প্রতি সমর্থন আরও দৃঢ় করছে।
৭ ঘন্টা আগে
গরমে বছরে নষ্ট ২৫ কোটি কর্মদিবস, দেশের আর্থিক ক্ষতি ২১ হাজার কোটি টাকা

গরমে বছরে নষ্ট ২৫ কোটি কর্মদিবস, দেশের আর্থিক ক্ষতি ২১ হাজার কোটি টাকা

আজ মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকার একটি হোটেলে ‘অ্যান আনসাসটেইনেবল লাইফ: দ্য ইমপ্যাক্ট অব হিট অন হেলথ অ্যান্ড দ্য ইকোনমি অব বাংলাদেশ’ শীর্ষক এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘যখন তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায়, তখন কর্মীদের উৎপাদনশীলতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। এর ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।’গবেষণায় ১৯৭৬-২০২৩ সাল পর্যন্ত দেশের তাপমাত্রা ও আপেক্ষিক আর্দ্রতা বিশ্লেষণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ২০২৪ সালে ১৬ হাজারের বেশি মানুষের ওপর পরিচালিত ২ ধাপের জরিপের তথ্যও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।তথ্যানুযায়ী, ১৯৮০ সাল থেকে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও অনুভূত তাপমাত্রা (‘ফিলস লাইক টেম্পারেচার’) ৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়েছে। এর ফলে ডায়রিয়া, দীর্ঘস্থায়ী কাশি, শ্বাসযন্ত্রের রোগ ও ক্লান্তি বেড়েছে। তাপপ্রবাহের কারণে মানসিক স্বাস্থ্যসমস্যা, যেমন বিষণ্নতাও বৃদ্ধি পেয়েছে।বিশ্ব ব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যাঁ পেসমে বলেন, ‘তীব্র গরম শুধু মৌসুমি সমস্যা নয়, এর প্রভাব সুদূরপ্রসারী। আমরা বাংলাদেশে দেখছি, ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা আমাদের স্বাস্থ্য, উৎপাদনশীলতা ও দেশের অর্থনীতিকে প্রভাবিত করছে। সমন্বিত পদক্ষেপের মাধ্যমে তাপপ্রবাহের প্রভাব মোকাবিলা সম্ভব।’বর্তমানে উচ্চ তাপমাত্রার ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ পৃথিবীতে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। রাজধানী ঢাকা তাপের সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত শহর, যেখানে তাপসূচক জাতীয় গড়ের তুলনায় প্রায় ৬৫ শতাংশ বেশি বেড়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘গ্রীষ্মকালে ডায়রিয়া ও দীর্ঘস্থায়ী কাশির ঘটনা শীতকালের তুলনায় দ্বিগুণ হয়। নারীরা তাপজনিত অসুস্থতায় বেশি ভোগেন। গরমের মাসগুলোতে বিষণ্নতা ও উদ্বেগ বাড়ে, যা বয়সের সঙ্গে বেড়ে চলে। ৫০-৬৫ বছর বয়সীদের মধ্যে তাপজনিত সমস্যা সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।’এসব শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার কারণে শীতকালের তুলনায় গ্রীষ্মকালে আর্থিক ক্ষতি বেশি হয়। বিশ্ব ব্যাংকের সিনিয়র অপারেশনস অফিসার ও প্রতিবেদনের সহ-লেখক ইফফাত মাহমুদ বলেন, ‘গরমে স্বাস্থ্য সমস্যা ও উৎপাদনশীলতা কমার মধ্যে সুস্পষ্ট যোগসূত্র দেখা গেছে।’বিশ্ব ব্যাংক তাপপ্রবাহ থেকে জীবন-জীবিকা ও অর্থনীতিকে রক্ষা করার জন্য জরুরি ও সমন্বিত পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে। প্রতিবেদনে তাপপ্রবাহ ব্যবস্থাপনার জন্য বহু-খাতভিত্তিক জাতীয় প্রস্তুতি বাড়ানো, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে সজ্জিত করা ও শহরাঞ্চলে সবুজায়ন বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন
সিরাজগঞ্জ-১ আসনে ধানের শীষের পক্ষে গণসংযোগ- ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের অঙ্গীকারে মাঠে বিএনপি নেতাকর্মীরা

সিরাজগঞ্জ-১ আসনে ধানের শীষের পক্ষে গণসংযোগ- ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের অঙ্গীকারে মাঠে বিএনপি নেতাকর্মীরা

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জ-১ (কাজিপুর ও সদর আংশিক) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মোঃ সেলিম রেজার পক্ষে গণসংযোগ ও জনসংযোগ কার্যক্রম জোরদার করেছে বিএনপি। সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা মোস্তফা জামানের নেতৃত্বে বুধবার দিনব্যাপী নির্বাচনী গণসংযোগ অনুষ্ঠিত হয়।কাজিপুর ও সদর উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ও হাট-বাজার এলাকায় দলীয় নেতাকর্মীরা সাধারণ ভোটারদের সাথে সরাসরি মতবিনিময় করেন। এ সময় ভোটারদের খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি বিএনপির ৩১ দফা সংস্কার কর্মসূচি ও ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক রূপরেখা তুলে ধরা হয়। নেতৃবৃন্দ বলেন, জনগণের মৌলিক অধিকার, বিশেষ করে ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারই বিএনপির মূল লক্ষ্য।গণসংযোগকালে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ডাঃ এম এ লতিফ, উপদেষ্টা শফিউল আলম ডলার, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক খোরশেদ আলম মিন্টু, সহ-প্রচার সম্পাদক জিন্নাহ সরদার, সদর উপজেলা বিএনপির নেতা আবু কায়েস ভূইয়া কর্নেল, বিএনপি নেতা রানা আহমেদ, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ তাইবুল হাসান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আকাশ খন্দকার, সদস্য সোহেল রানা হামিদ ও পৌর জাসাসের সভাপতি সাইফুল ইসলাম।মির্জা মোস্তফা জামান বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে মানুষ ভোট দেওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত। জনগণের সেই অধিকার ফিরিয়ে আনতেই বিএনপি মাঠে রয়েছে। সিরাজগঞ্জ-১ আসনের মানুষ পরিবর্তন চায়, আর সেই পরিবর্তনের প্রতীক ধানের শীষ।”এ সময় প্রার্থী মোঃ সেলিম রেজা বলেন, “জনগণের পাশে থেকে এলাকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করাই আমার অঙ্গীকার। নির্বাচিত হলে এলাকার মানুষের কণ্ঠ সংসদে তুলে ধরব।”স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে আলাপচারিতায় নেতাকর্মীরা জানান, এলাকায় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, কর্মসংস্থানের অভাব, কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য না পাওয়া এবং তরুণদের কর্মহীনতা বড় সমস্যা হিসেবে উঠে এসেছে। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে এসব বিষয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে নেতৃবৃন্দ আশ্বাস দেন।গণসংযোগে অংশ নেওয়া স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, নির্বাচনী প্রচারণায় সরাসরি নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে তারা সন্তুষ্ট এবং এলাকার বাস্তব সমস্যা নিয়ে কথা বলার সুযোগ পাচ্ছেন।
৮ ঘন্টা আগে
সিরাজগঞ্জে রওশন আরা বেগম হাফিজিয়া মাদ্রাসার উদ্যোগে ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে

সিরাজগঞ্জে রওশন আরা বেগম হাফিজিয়া মাদ্রাসার উদ্যোগে ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ছোনগাছা আকন্দ বাড়িতে অবস্থিত রওশন আরা বেগম হাফিজিয়া মাদ্রাসার উন্নয়ন ও দ্বীনি কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে এক ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।আগামী ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ (বুধবার) ছোনগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। মাহফিলের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম (লিটন), নির্বাহী প্রকৌশলী (অবসরপ্রাপ্ত), বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এবং রওশন আরা বেগম হাফিজিয়া মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ইঞ্জিনিয়ার মো. সেলিম বাদশা, জেনারেল ম্যানেজার (অপারেশন), কুশিয়ারা কম্পোজিট নিট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, সেম্বরা, সাভার, ঢাকা।প্রধান বক্তা হিসেবে ওয়াজ পেশ করবেন হযরত মাওলানা আলহাজ্ব মো. আনোয়ার উল্লাহ (মজনু), সাবেক অধ্যক্ষ, ছোনগাছা ফাযিল মাদ্রাসা, সিরাজগঞ্জ।এছাড়াও বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন—হযরত মাওলানা মো. শহিদুল ইসলাম আনসারী, খাদেম, ফুরফুরা শরীফ, সিরাজগঞ্জ;হযরত মাওলানা ইসমাইল হোসেন সিরাজী, শিক্ষক, সারুল ইসলাম মডেল মাদ্রাসা, সিরাজগঞ্জ;হযরত মাওলানা শোয়াইব আহম্মেদ যযাম, খামারগাতী জামে মসজিদ, সিরাজগঞ্জ।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন—জনাব আলহাজ্ব মো. আবু বক্কর সিদ্দিক, পুলিশ পরিদর্শক (ডিএমপি), ঢাকা;জনাব আব্দুল্লাহ আল মামুন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সিরাজগঞ্জ;জনাব ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমান, আর্কিটেক্ট ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সিরাজগঞ্জসহ দেশবরেণ্য ওলামায়ে কেরাম।মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দ্বীনি শিক্ষা বিস্তার ও মাদ্রাসার অবকাঠামোগত উন্নয়নকে এগিয়ে নিতেই এ ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। মাহফিল সফল করতে সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষভাবে আহ্বান জানানো হয়েছে।অনুষ্ঠানটি সার্বিকভাবে পরিচালনা করবে রওশন আরা বেগম হাফিজিয়া মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটি।
৩১ জানুয়ারি ২০২৬
কে. এম রুবেলের ৫ম বিবাহবার্ষিকী উদযাপন

কে. এম রুবেলের ৫ম বিবাহবার্ষিকী উদযাপন

জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সভাপতি কে. এম. রুবেলের ৫ম বিবাহবার্ষিকী উদযাপন হয়েছে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সী-বিচ এলাকার একটি মনোরম রেস্টুরেন্টে।অনুষ্ঠানে বন্দর জোনের সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ ফুলেল শুভেচ্ছা, কেক কাটা এবং উপহার প্রদানের মাধ্যমে দিনটি স্মরণীয় করে তোলেন। ছিল প্রাণবন্ত আড্ডা, ভালোবাসা বিনিময় ও আনন্দঘন মুহূর্ত।উপস্থিত সাংবাদিকরা কেএম রুবেল ও তাঁর জীবনসঙ্গীর সুখী, শান্তিপূর্ণ ও দীর্ঘস্থায়ী দাম্পত্য জীবনের জন্য শুভকামনা জানান।  দাম্পত্য জীবনের এই মাইলফলক আনন্দের পাশাপাশি অনুপ্রেরণাও জাগিয়েছে সবার মাঝে।
৩০ অক্টোবর ২০২৫
জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫ –এর আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান কাউনিয়ায় অনুষ্ঠিত

জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫ –এর আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান কাউনিয়ায় অনুষ্ঠিত

জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫ –এর আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান কাউনিয়ায় অনুষ্ঠিতরংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় উৎসবমুখর পরিবেশে জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫ এর আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। সকালে উপজেলা চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়, যা উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে অনুষ্ঠানের স্থানে এসে শেষ হয়।অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মহিদুল হক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. মো. এ আর এম আল মামুন।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেনতানিয়া আক্তার, কৃষি অফিসার, কাউনিয়া উপজেলা এসআই ব্রজ গোপাল কর্মকার, সেকেন্ড অফিসার, কাউনিয়া থানা বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, খামারি, শিক্ষক, সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ প্রদর্শনীতে প্রদর্শিত প্রাণিসম্পদ ও উপকরণ প্রদর্শনীতে নানা জাতের প্রাণিসম্পদ ও খাদ্যউপকরণ প্রদর্শিত হয়, যার মধ্যে ছিলগরু ছাগল ভেড়া হাঁস মুরগি কোয়েল পাখি বিভিন্ন জাতের উন্নতমানের ঘাস গো-খাদ্য ও আধুনিক খামার ব্যবস্থাপনার উপকরণ আলোচনা সভায় বক্তারা স্থানীয় খামারিদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ, মানসম্মত উৎপাদন, এবং প্রাণিসম্পদ উন্নয়নে সরকারের নানা উদ্যোগ তুলে ধরেন। পরে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শ্রেষ্ঠ খামারি ও স্টল মালিকদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫–এর কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ ঘোষণা করা হয়।
৩১ জানুয়ারি ২০২৬
কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !