বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ওপেন নিউজ ২৪
সর্বশেষ

সালথায় রিকশার ভোট চাওয়ায় মাদরাসার শিক্ষককে চাকরিচ্যুতের অভিযোগ

ফরিদপুরের সালথায় ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে রিকশা মার্কায় ভোট চাওয়ার অভিযোগে হাফেজ মো. মুকতার হুসাইন (৫০) নামে কওমী মাদরাসার এক শিক্ষক চাকরিচ্যুত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আজ মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে সালথা উপজেলা খেলাফত মজলিস কার্যালয়ে জরুরী সংবাদ সম্মেলন করে এই তথ্য জানান তিনি। ভুক্তভোগী শিক্ষক হাফেজ মুকতার হুসাইন উপজেলার ভাওয়াল ইউনিয়নের ইউসুফদিয়া রহমানিয়া তালতলা মাদরাসার হিফজ বিভাগের শিক্ষক। তিনি নগরকান্দার উপজেলার ইশ্বর্দী গ্রামের বাসিন্দা। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী হাফেজ মুকতার হুসাইন তার বক্তব্যে বলেন, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে মাদরাসায় ক্লাস নিচ্ছিলাম। এ সময় মাদরাসার মোহতামিম মাওলানা হেদায়েত উল্লাহর ভাই কাইয়ুম মোল্যা ও স্থানীয় ফজলুল মাতুব্বর মাদরাসায় এসে আমাকে ক্লাস রুম থেকে ডেকে নেয়। এরপর তারা প্রথমে আমার প্রশংসা করে বলেন, আপনি রিকশা মার্কায় ভোট চান ও হুজুরের নির্বাচনী সভায় অংশ গ্রহণ করেন? উত্তরে আমি বলি, হ্যা হুজুরকে আমি ভালবাসি তাই ভোট চাই। এই কথা বলার পর কাইয়ুম মোল্যা আমাকে খারাপ ভাষায় গালাগালি করে ও হুমকি দেয়। পরে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ আমার বোকেয়া বেতন দিয়ে আমাকে বিদায় করে দিল। আমি এ ঘটনার ন্যায় বিচার চাই। সংবাদ সম্মেলনে ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে সালথা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, ফরিদপুর-২ আসনের ১১ দলীয় জোট মনোননীত প্রার্থী আল্লামা আকরাম আলী হুজুরের পক্ষে ভোট চাওয়ায় আমাদের একজন কর্মীকে হুমকি দেওয়া হয়েছে। এমনটি তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। আমরা ১১ দলের পক্ষ থেকে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।  তিনি আরো বলেন, সালথা ও নগরকান্দায় সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ নেই। আমাদের নেতাকর্মীদের বিভিন্ন জায়গায় হুমকি-ধামকি দেওয়া হচ্ছে। বিরোধী পক্ষ থেকে বারবারই এসব কাজ করা হচ্ছে। এসব ঘটনার বিষয় সালথা উপজেলা সহকারী রিটানিং কর্মকর্তাকে জানানো হলেও কোনো তদন্ত বা ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। হুমকি ও গালাগালি করার বিষয়টি অস্বীকার করে মাদরাসার মোহতামিমের ভাই কাইয়ুম মোল্যা বলেন,  ওনাকে কোনো হুমকি-ধামকি দেওয়া হয়নি। তিনি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ করেছেন। ওনি আগেও একবার মাদরাসা থেকে চাকরি ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। পরে আবার চাকরিতে যোগ দিয়েছেন। মাঝে মাঝে তিনি ছাত্রের মারধর করেন। তারপরেও ওনি একজন হাফেজ দেখে সম্মান করে আমরা কিছু বলি নাই। কিন্তু ওনি কয়দিন ধরে ক্লাস চলাকালে মাদরাসা ছাত্রদের কাছে রিকশার ভোট চান এবং চাপ দেন। ছাত্রদের পরিবারের কাছে ভোট চাইতে বলেন। এতে মাদরাসার পরিবেশ নষ্ট হয়। তাই আজকে সকালে আমরা মাদরাসার গিয়ে হুজুরকে এভাবে ভোট নিষেধ করি। পরে তিনি উল্টো হুমকি-ধামকি দিয়ে মাদরাসা থেকে বের হয়ে যান। সালথা উপজেলা সহকারী রিটানিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে তা সঠিক নয়। তারা আজ পর্যন্ত আমাকে একটা লিখিত অভিযোগও দেয়নি। এমনকি আমার কার্যালয়ের সামনে একটি অভিযোগ বাক্স রাখা হয়েছে। সেখানেও ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে কোনো হুমকি-ধামকি বা নির্বাচনী কাজে বাধা দোওয়ার কোনো অভিযোগ দেয়নি।  
১৩ ঘন্টা আগে

গোপালগঞ্জে যুবক গ্রেপ্তার, এলাকায় ব্যবসায়ীদের মিষ্টি বিতরণ

গোপালগঞ্জে যুবক গ্রেপ্তার, এলাকায় ব্যবসায়ীদের মিষ্টি বিতরণ                         স্টাফ রিপোর্টার : লিটন শিকদারউলপুর বাজারের ব্যবসায়ীরা মিষ্টি বিতরণ করেন। গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় অন্তর মোল্লা (৩০) নামের এক যুবকের গ্রেপ্তারের খবরে তাঁর এলাকায় মিষ্টি বিতরণ করেছেন ব্যবসায়ীরা। আজ বুধবার সকালে সদর উপজেলার উলপুর ইউনিয়নের রাউতখামার গ্রাম থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তার অন্তর রাউতখামার গ্রামের মিজান মোল্লার ছেলে।বৌলতলী তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মোল্লা আফজাল হোসেন বলেন, ৫ আগস্টের পরে অন্তর মোল্লা উলপুর বাজারের ব্যবসায়ী ও আশপাশ এলাকার বাসিন্দাদের অত্যাচার, নির্যাতন, চাঁদাবাজি করে অতিষ্ঠ করে তুলেছেন। এই কারণে তাঁর গ্রেপ্তারে খবর শুনে উলপুর বাজারের ব্যবসায়ীরা এলাকায় মিষ্টি বিতরণ করেছেন।উলপুর বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, অন্তর মোল্লার চাঁদাবাজি, অত্যাচার, নির্যাতনে সাধারণ মানুষ আতঙ্কে ছিল। ব্যবসায়ীরা ঠিকমতো ব্যবসা করতে পারেননি। কয়েক দিন আগে তিনি এক স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণার গাড়ি ও কর্মীদের উলপুর বাজারে আটকে গাড়ি ভাঙচুর ও টাকা ছিনতাই করেন।গোপালগঞ্জ থানার এসআই আবুল কালাম বলেছেন, অন্তর মোল্লা গোপালগঞ্জ থানা, যাত্রাবাড়ী থানার একাধিক মামলার আসামি। তাঁকে ১৬ জুলাই গোপালগঞ্জে এনসিপির সভাস্থলে হামলার মামলায় আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
১৪ ঘন্টা আগে

নড়াইলের কালিয়ার চাঁচুড়ী বাজারে উপচে পড়া জনসমাগম, প্রধান অতিথি ওবায়দুল্লাহ কাইসার

চাঁচুড়ী বাজারে উপচে পড়া জনসমাগম, প্রধান অতিথি ওবায়দুল্লাহ কাইসারস্টাফ রিপোর্টার : মোঃ লিটন সিকদারনড়াইলের কালিয়া উপজেলার চাঁচুড়ী বাজার বাবুর মাঠে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে এক বিশাল নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিকেলে আয়োজিত এই জনসভায় হাজারো নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ঢল নামে। জনসভাকে কেন্দ্র করে পুরো চাঁচুড়ী বাজার ও আশপাশের এলাকা উৎসবমুখর পরিবেশে পরিণত হয়।সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন নড়াইল-১ (৯৩) সংসদীয় আসনের দাড়িপাল্লা প্রতীকের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওলানা ওবায়দুল্লাহ কাইসার। তিনি বলেন, দেশের চলমান রাজনৈতিক সংকট থেকে উত্তরণে ইসলামী আদর্শভিত্তিক সৎ, যোগ্য ও আল্লাহভীরু নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা, ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ এবং দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে জামায়াতে ইসলামী দীর্ঘদিন ধরে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।তিনি আরও বলেন,“দীর্ঘদিন ধরে এ দেশের মানুষ শোষণ, দুর্নীতি ও অনিয়মের শিকার। জনগণ এখন পরিবর্তন চায়। সেই পরিবর্তনের সূচনা করতে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে জামায়াতে ইসলামীকে বিজয়ী করতে হবে।”জনসভায় বিশেষ অতিথি ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে দলের সাংগঠনিক শক্তি আরও জোরদার করা, তৃণমূল পর্যায়ে গণসংযোগ বৃদ্ধি এবং নির্বাচনী মাঠে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। তারা বলেন, একটি শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে জনগণের বিপুল সমর্থনে জামায়াতে ইসলামী বিজয় অর্জন করবে।সমাবেশে কালিয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নসহ আশপাশের এলাকার নেতাকর্মী ও সমর্থকরা অংশগ্রহণ করেন। মাঠ ছাড়িয়ে আশপাশের সড়কেও বিপুল জনসমাগম সৃষ্টি হয়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নেত্রকোনা দুর্গাপুরে শহীদ পরিবারের দৃপ্ত কণ্ঠে ব্যারিস্টার কায়সার কামালের পক্ষে ধানের শীষে ভোটের প্রচারণা

নেত্রকোনা দুর্গাপুরে শহীদ পরিবারের দৃপ্ত কণ্ঠে ব্যারিস্টার কায়সার কামালের পক্ষে ধানের শীষে ভোটের প্রচারণা

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও শহীদের রক্তের ঋণ শোধের অঙ্গীকার নিয়ে নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার বিরিশিরি ইউনিয়নে ধানের শীষের পক্ষে আবেগঘন ও জোরালো প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছেন ৩৬ জুলাই অভ্যত্থানের অন্যতম শহীদ সাইফুল ইসলাম সেকুলের পরিবার।শহীদ পরিবারের পক্ষ থেকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী, কেন্দ্রীয় বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মহাসচিব ব্যারিস্টার কায়সার কামালের পক্ষে সাধারণ মানুষের কাছে ভোট প্রার্থনা করা হয়। এ সময় শহীদের পরিবারের নারী-পুরুষ, তরুণ-তরুণীসহ সকল সদস্য স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই প্রচারণায় অংশ নেন।প্রচারকালে শহীদ সাইফুল ইসলাম সেকুলের পরিবারের সদস্যরা আবেগভরা কণ্ঠে বলেন, আমাদের সন্তানের রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া হবে না। ময়মনসিংহ বিভাগীয় সমাবেশে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জননেতা তারেক রহমান আমাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। তিনি আমাদের আশ্বস্ত করেছেন—বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে আমার ছেলেকে যারা নির্মমভাবে হত্যা করেছে, তাদের বিচার অবশ্যই নিশ্চিত করা হবে। একই সঙ্গে তিনি আমাদের পাশে সব সময় থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার করেছেন।তারা আরও বলেন, এই আশ্বাস আমাদের নতুন করে সাহস জুগিয়েছে। আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞা করেছি—ধানের শীষের সাথেই থাকবো। কলমাকান্দা ও দুর্গাপুরবাসীর কাছে আমাদের আহ্বান, আপনারা ধানের শীষে ভোট দিয়ে ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে বিজয়ী করুন। শহীদের আত্মার শান্তি ও ন্যায়বিচারের পথ এভাবেই প্রশস্ত হবে।এই প্রচারণায় শিশুদের অংশগ্রহণ ছিল বিশেষভাবে হৃদয়স্পর্শী। ছোট ছোট শিশুরা মিছিলে অংশ নিয়ে স্লোগান দেয়, আমরা যদি ভোটার হতাম, ধানের শীষে ভোট দিতাম। তারা উপস্থিত বড়দের উদ্দেশে আবেগঘন কণ্ঠে বলে, আমরা ভোট দিতে পারি না, কিন্তু আপনারা পারেন—ধানের শীষে ভোট দিন।শিশুদের এই নির্ভীক ও আবেগী উচ্চারণ এলাকাজুড়ে এক ভিন্ন মাত্রার আবহ সৃষ্টি করে এবং সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক আলোড়ন তোলে।প্রচার-প্রচারণা চলাকালে শহীদ পরিবারের সকল সদস্য, এবং আশপাশের নারীরা অংশগ্রহণ এবং বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। শহীদের আত্মত্যাগের স্মৃতি, ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের প্রত্যয়ে ধানের শীষের এই প্রচারণা দুর্গাপুর-কলমাকান্দা অঞ্চলে নতুন আশার আলো জ্বালিয়ে
১০ ঘন্টা আগে
গোপালগঞ্জে যুবক গ্রেপ্তার, এলাকায় ব্যবসায়ীদের মিষ্টি বিতরণ

গোপালগঞ্জে যুবক গ্রেপ্তার, এলাকায় ব্যবসায়ীদের মিষ্টি বিতরণ

গোপালগঞ্জে যুবক গ্রেপ্তার, এলাকায় ব্যবসায়ীদের মিষ্টি বিতরণ                         স্টাফ রিপোর্টার : লিটন শিকদারউলপুর বাজারের ব্যবসায়ীরা মিষ্টি বিতরণ করেন। গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় অন্তর মোল্লা (৩০) নামের এক যুবকের গ্রেপ্তারের খবরে তাঁর এলাকায় মিষ্টি বিতরণ করেছেন ব্যবসায়ীরা। আজ বুধবার সকালে সদর উপজেলার উলপুর ইউনিয়নের রাউতখামার গ্রাম থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তার অন্তর রাউতখামার গ্রামের মিজান মোল্লার ছেলে।বৌলতলী তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মোল্লা আফজাল হোসেন বলেন, ৫ আগস্টের পরে অন্তর মোল্লা উলপুর বাজারের ব্যবসায়ী ও আশপাশ এলাকার বাসিন্দাদের অত্যাচার, নির্যাতন, চাঁদাবাজি করে অতিষ্ঠ করে তুলেছেন। এই কারণে তাঁর গ্রেপ্তারে খবর শুনে উলপুর বাজারের ব্যবসায়ীরা এলাকায় মিষ্টি বিতরণ করেছেন।উলপুর বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, অন্তর মোল্লার চাঁদাবাজি, অত্যাচার, নির্যাতনে সাধারণ মানুষ আতঙ্কে ছিল। ব্যবসায়ীরা ঠিকমতো ব্যবসা করতে পারেননি। কয়েক দিন আগে তিনি এক স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণার গাড়ি ও কর্মীদের উলপুর বাজারে আটকে গাড়ি ভাঙচুর ও টাকা ছিনতাই করেন।গোপালগঞ্জ থানার এসআই আবুল কালাম বলেছেন, অন্তর মোল্লা গোপালগঞ্জ থানা, যাত্রাবাড়ী থানার একাধিক মামলার আসামি। তাঁকে ১৬ জুলাই গোপালগঞ্জে এনসিপির সভাস্থলে হামলার মামলায় আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
১৪ ঘন্টা আগে
গরমে বছরে নষ্ট ২৫ কোটি কর্মদিবস, দেশের আর্থিক ক্ষতি ২১ হাজার কোটি টাকা

গরমে বছরে নষ্ট ২৫ কোটি কর্মদিবস, দেশের আর্থিক ক্ষতি ২১ হাজার কোটি টাকা

আজ মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকার একটি হোটেলে ‘অ্যান আনসাসটেইনেবল লাইফ: দ্য ইমপ্যাক্ট অব হিট অন হেলথ অ্যান্ড দ্য ইকোনমি অব বাংলাদেশ’ শীর্ষক এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘যখন তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায়, তখন কর্মীদের উৎপাদনশীলতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। এর ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।’গবেষণায় ১৯৭৬-২০২৩ সাল পর্যন্ত দেশের তাপমাত্রা ও আপেক্ষিক আর্দ্রতা বিশ্লেষণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ২০২৪ সালে ১৬ হাজারের বেশি মানুষের ওপর পরিচালিত ২ ধাপের জরিপের তথ্যও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।তথ্যানুযায়ী, ১৯৮০ সাল থেকে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও অনুভূত তাপমাত্রা (‘ফিলস লাইক টেম্পারেচার’) ৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়েছে। এর ফলে ডায়রিয়া, দীর্ঘস্থায়ী কাশি, শ্বাসযন্ত্রের রোগ ও ক্লান্তি বেড়েছে। তাপপ্রবাহের কারণে মানসিক স্বাস্থ্যসমস্যা, যেমন বিষণ্নতাও বৃদ্ধি পেয়েছে।বিশ্ব ব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যাঁ পেসমে বলেন, ‘তীব্র গরম শুধু মৌসুমি সমস্যা নয়, এর প্রভাব সুদূরপ্রসারী। আমরা বাংলাদেশে দেখছি, ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা আমাদের স্বাস্থ্য, উৎপাদনশীলতা ও দেশের অর্থনীতিকে প্রভাবিত করছে। সমন্বিত পদক্ষেপের মাধ্যমে তাপপ্রবাহের প্রভাব মোকাবিলা সম্ভব।’বর্তমানে উচ্চ তাপমাত্রার ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ পৃথিবীতে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। রাজধানী ঢাকা তাপের সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত শহর, যেখানে তাপসূচক জাতীয় গড়ের তুলনায় প্রায় ৬৫ শতাংশ বেশি বেড়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘গ্রীষ্মকালে ডায়রিয়া ও দীর্ঘস্থায়ী কাশির ঘটনা শীতকালের তুলনায় দ্বিগুণ হয়। নারীরা তাপজনিত অসুস্থতায় বেশি ভোগেন। গরমের মাসগুলোতে বিষণ্নতা ও উদ্বেগ বাড়ে, যা বয়সের সঙ্গে বেড়ে চলে। ৫০-৬৫ বছর বয়সীদের মধ্যে তাপজনিত সমস্যা সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।’এসব শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার কারণে শীতকালের তুলনায় গ্রীষ্মকালে আর্থিক ক্ষতি বেশি হয়। বিশ্ব ব্যাংকের সিনিয়র অপারেশনস অফিসার ও প্রতিবেদনের সহ-লেখক ইফফাত মাহমুদ বলেন, ‘গরমে স্বাস্থ্য সমস্যা ও উৎপাদনশীলতা কমার মধ্যে সুস্পষ্ট যোগসূত্র দেখা গেছে।’বিশ্ব ব্যাংক তাপপ্রবাহ থেকে জীবন-জীবিকা ও অর্থনীতিকে রক্ষা করার জন্য জরুরি ও সমন্বিত পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে। প্রতিবেদনে তাপপ্রবাহ ব্যবস্থাপনার জন্য বহু-খাতভিত্তিক জাতীয় প্রস্তুতি বাড়ানো, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে সজ্জিত করা ও শহরাঞ্চলে সবুজায়ন বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন
১৮ কোটি মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য এই ঐক্য : মামুনুল হক

১৮ কোটি মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য এই ঐক্য : মামুনুল হক

ফরিদপুর-২ আসনের ১০ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থী আল্লামা শাহ মো. আকরাম আলীর নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকেল ৩টায় ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা উপজেলার সরকারি মহেন্দ্র নারায়ণ একাডেমি মাঠে এ জনসভার আয়োজন করা হয়। জনসভায় সভাপতিত্ব করেন ফরিদপুর-২ আসনের ১০ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থী আল্লামা শাহ মো. আকরাম আলী। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক।অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মুফতি শরাফত হোসাইন, জেলা খেলাফত মজলিসের সভাপতি মাওলানা আমজাদ হোসেন, ফরিদপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা মো. বদরউদ্দিন, জামায়াতে উলামা বিভাগের সভাপতি মাওলানা খলিলুর রহমান মাদানি, ফরিদপুর-৩ আসনের জামায়াত প্রার্থী ও ফরিদপুর অঞ্চল টিম সদস্য অধ্যাপক আব্দুত তাওয়াব, জেলা জাতীয় নাগরিক পার্টির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ডা. বায়েজিদ হোসেন সাহেদ, সদস্য সচিব সাইফ হাসান খান সাকিব, নগরকান্দা উপজেলা জামায়াতের আমীর মো. সোহরাব হোসেন, সালথা উপজেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক মো. আবুল ফজল মুরাদ, নগরকান্দা উপজেলা খেলাফত মজলিসের আহ্বায়ক মুফতি আসাদুজ্জামানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা মামুনুল হক বলেন, “আমাদের এই ঐক্য ১৮ কোটি মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য, কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্য নয়। দীর্ঘদিন ধরে তিনটি আধিপত্যবাদী শক্তির শাসনে এ দেশ নিপীড়িত ছিল। ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হলেও প্রকৃত স্বাধীনতা আসেনি; শাসনের নামে স্থায়ী রাজনৈতিক দলগুলোর শোষণ অব্যাহত ছিল।” তিনি বলেন, “সব ধরনের নির্যাতনের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতা, কৃষক, শ্রমজীবী মানুষ রাজপথে নেমে আসে। আল্লামা শাহ আকরাম আলী হঠাৎ ভেসে আসা কোনো নেতা নন, এজন্যই তাঁর নেতাকর্মীদের ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এসব ঘটনার দায় প্রশাসনকে নিতে হবে।”স্থানীয় প্রশাসনের উদ্দেশে তিনি বলেন, “এই মাঠ বরাদ্দ নিয়ে যে তালবাহানা করা হয়েছে, তা কেন্দ্রীয়ভাবে অনুমতি নিয়েই দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনে যদি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা না হয়, তবে এর দায়ভার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ইউএনও ও ওসিকে নিতে হবে।” শেষে তিনি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এবং ‘রিস্কা’ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। সভাপতির বক্তব্যে আল্লামা শাহ মো. আকরাম আলী বলেন, “ইসলাম ক্ষমতায় গেলে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই সমান অধিকার পাবে। রাষ্ট্রীয় বাজেট সুষ্ঠু ও ন্যায়সঙ্গতভাবে বণ্টন করা হবে। এক টাকাও আত্মসাৎ করা হবে না। নগরকান্দা ও সালথার মানুষ উন্নত চিকিৎসাসেবা পাবে এবং নারী-পুরুষের জন্য পৃথক ব্যবস্থার নিশ্চয়তা দেওয়া হবে।”তিনি আরও বলেন, “১২ তারিখের পর আমরা কোথাও পালাব না, সবাই এখানেই একসঙ্গে বসবাস করবো। কেউ ভয় পাবেন না।” এ সময় তিনি সবাইকে রিস্কা প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। জনসভা চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতির পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থার নজরদারি ছিল। শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি শেষ হয়।
০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সিরাজগঞ্জে রওশন আরা বেগম হাফিজিয়া মাদ্রাসার উদ্যোগে ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে

সিরাজগঞ্জে রওশন আরা বেগম হাফিজিয়া মাদ্রাসার উদ্যোগে ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ছোনগাছা আকন্দ বাড়িতে অবস্থিত রওশন আরা বেগম হাফিজিয়া মাদ্রাসার উন্নয়ন ও দ্বীনি কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে এক ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।আগামী ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ (বুধবার) ছোনগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। মাহফিলের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম (লিটন), নির্বাহী প্রকৌশলী (অবসরপ্রাপ্ত), বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এবং রওশন আরা বেগম হাফিজিয়া মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ইঞ্জিনিয়ার মো. সেলিম বাদশা, জেনারেল ম্যানেজার (অপারেশন), কুশিয়ারা কম্পোজিট নিট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, সেম্বরা, সাভার, ঢাকা।প্রধান বক্তা হিসেবে ওয়াজ পেশ করবেন হযরত মাওলানা আলহাজ্ব মো. আনোয়ার উল্লাহ (মজনু), সাবেক অধ্যক্ষ, ছোনগাছা ফাযিল মাদ্রাসা, সিরাজগঞ্জ।এছাড়াও বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন—হযরত মাওলানা মো. শহিদুল ইসলাম আনসারী, খাদেম, ফুরফুরা শরীফ, সিরাজগঞ্জ;হযরত মাওলানা ইসমাইল হোসেন সিরাজী, শিক্ষক, সারুল ইসলাম মডেল মাদ্রাসা, সিরাজগঞ্জ;হযরত মাওলানা শোয়াইব আহম্মেদ যযাম, খামারগাতী জামে মসজিদ, সিরাজগঞ্জ।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন—জনাব আলহাজ্ব মো. আবু বক্কর সিদ্দিক, পুলিশ পরিদর্শক (ডিএমপি), ঢাকা;জনাব আব্দুল্লাহ আল মামুন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সিরাজগঞ্জ;জনাব ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমান, আর্কিটেক্ট ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সিরাজগঞ্জসহ দেশবরেণ্য ওলামায়ে কেরাম।মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দ্বীনি শিক্ষা বিস্তার ও মাদ্রাসার অবকাঠামোগত উন্নয়নকে এগিয়ে নিতেই এ ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। মাহফিল সফল করতে সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষভাবে আহ্বান জানানো হয়েছে।অনুষ্ঠানটি সার্বিকভাবে পরিচালনা করবে রওশন আরা বেগম হাফিজিয়া মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটি।
২৮ জানুয়ারি ২০২৬
কে. এম রুবেলের ৫ম বিবাহবার্ষিকী উদযাপন

কে. এম রুবেলের ৫ম বিবাহবার্ষিকী উদযাপন

জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সভাপতি কে. এম. রুবেলের ৫ম বিবাহবার্ষিকী উদযাপন হয়েছে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সী-বিচ এলাকার একটি মনোরম রেস্টুরেন্টে।অনুষ্ঠানে বন্দর জোনের সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ ফুলেল শুভেচ্ছা, কেক কাটা এবং উপহার প্রদানের মাধ্যমে দিনটি স্মরণীয় করে তোলেন। ছিল প্রাণবন্ত আড্ডা, ভালোবাসা বিনিময় ও আনন্দঘন মুহূর্ত।উপস্থিত সাংবাদিকরা কেএম রুবেল ও তাঁর জীবনসঙ্গীর সুখী, শান্তিপূর্ণ ও দীর্ঘস্থায়ী দাম্পত্য জীবনের জন্য শুভকামনা জানান।  দাম্পত্য জীবনের এই মাইলফলক আনন্দের পাশাপাশি অনুপ্রেরণাও জাগিয়েছে সবার মাঝে।
৩০ অক্টোবর ২০২৫
জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫ –এর আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান কাউনিয়ায় অনুষ্ঠিত

জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫ –এর আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান কাউনিয়ায় অনুষ্ঠিত

জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫ –এর আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান কাউনিয়ায় অনুষ্ঠিতরংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় উৎসবমুখর পরিবেশে জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫ এর আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। সকালে উপজেলা চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়, যা উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে অনুষ্ঠানের স্থানে এসে শেষ হয়।অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মহিদুল হক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. মো. এ আর এম আল মামুন।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেনতানিয়া আক্তার, কৃষি অফিসার, কাউনিয়া উপজেলা এসআই ব্রজ গোপাল কর্মকার, সেকেন্ড অফিসার, কাউনিয়া থানা বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, খামারি, শিক্ষক, সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ প্রদর্শনীতে প্রদর্শিত প্রাণিসম্পদ ও উপকরণ প্রদর্শনীতে নানা জাতের প্রাণিসম্পদ ও খাদ্যউপকরণ প্রদর্শিত হয়, যার মধ্যে ছিলগরু ছাগল ভেড়া হাঁস মুরগি কোয়েল পাখি বিভিন্ন জাতের উন্নতমানের ঘাস গো-খাদ্য ও আধুনিক খামার ব্যবস্থাপনার উপকরণ আলোচনা সভায় বক্তারা স্থানীয় খামারিদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ, মানসম্মত উৎপাদন, এবং প্রাণিসম্পদ উন্নয়নে সরকারের নানা উদ্যোগ তুলে ধরেন। পরে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শ্রেষ্ঠ খামারি ও স্টল মালিকদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫–এর কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ ঘোষণা করা হয়।
২৮ জানুয়ারি ২০২৬
কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !