ওপেন নিউজ ২৪
সর্বশেষ

নড়াগাতীতে খাস জমি রক্ষায় কঠোর অবস্থান নেওয়ায় আলোচনায় ভূমি কর্মকর্তা

নড়াগাতির পহরডাঙ্গায় খাস জমি রক্ষায় ভূমি কর্মকর্তার অবস্থানকে সমর্থনস্টাফ রিপোর্টার: মো:লিটন সিকদারনড়াইলের পহরডাঙ্গা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কর্মরত ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা ফারজানা আকতার দোলা সরকারি খাস জমি রক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করায় এলাকার সচেতন মহলের সমর্থন পেয়েছেন।জানা গেছে, সম্প্রতি পহরডাঙ্গা ইউনিয়নের কিছু খাস জমিতে অবৈধভাবে বসতবাড়ি নির্মাণের চেষ্টা করা হলে সরকারি সম্পত্তি রক্ষার স্বার্থে সংশ্লিষ্ট ভূমি কর্মকর্তা ফারজানা আকতার দোলা এতে বাধা প্রদান করেন। এ ঘটনার পর তিনি কিছু মানুষের বিরূপ প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়েছেন বলে জানা গেছে।তবে স্থানীয় অনেকেই জানিয়েছেন, ফারজানা আকতার দোলা একজন সৎ ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে এলাকায় পরিচিত। বিভিন্ন মহলের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে তার দায়িত্ব পালন করে আসছেন। সরকারি সম্পত্তি রক্ষা এবং ভূমি সংক্রান্ত অনিয়ম প্রতিরোধে তিনি সবসময় আইন অনুযায়ী কাজ করার চেষ্টা করেন।এলাকার সচেতন মহল মনে করেন, সরকারি খাস জমি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। এসব জমি অবৈধভাবে দখল বা ব্যবহার করার চেষ্টা প্রতিরোধ করা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্ব। সেই দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যদি কোনো কর্মকর্তা বাধার সম্মুখীন হন, তবে তাকে নিরুৎসাহিত না করে বরং সহযোগিতা করা প্রয়োজন।তারা আরও বলেন, কোনো সৎ ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তাকে অন্যায়ভাবে হয়রানি বা কর্মস্থল থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হলে তা এলাকার সাধারণ মানুষের জন্য ক্ষতিকর হবে এবং সরকারি সম্পত্তি রক্ষার কার্যক্রম দুর্বল হয়ে পড়বে।এলাকাবাসী আশা প্রকাশ করেছেন, ফারজানা আকতার দোলা ভবিষ্যতেও সততা ও সাহসিকতার সঙ্গে তার দায়িত্ব পালন করবেন এবং সরকারি সম্পত্তি রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন। একই সঙ্গে তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন।
৫ ঘন্টা আগে

পর্যায়ক্রমে সব পরিবার পাবে ফ্যামিলি কার্ড: ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল

দেশের প্রতিটি পরিবারকে ধাপে ধাপে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী একসময় দেশের সব পরিবারই এই কার্ড পাবে, এমনকি তার নিজের পরিবারও এর বাইরে থাকবে না।মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ঠাকুরগাঁওয়ের রহিমানপুর ইউনিয়নের ঈদগাঁ মাদ্রাসা মাঠে পাইলট প্রকল্পের আওতায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।মন্ত্রী জানান, এই কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারের নারী প্রধান সদস্যের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ধাপে ধাপে পুরো দেশের পরিবারগুলোকে এর আওতায় আনা হবে। তাই এ বিষয়ে সবাইকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান তিনি।তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগে চালু হওয়া এই কর্মসূচি সমাজের সব স্তরের মানুষের জন্য প্রযোজ্য হবে। জেলা প্রশাসকের পরিবার থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের পরিবার—সবাই এই সুবিধা পাবে। এমনকি তার নিজের স্ত্রীর কাছেও এই কার্ড পৌঁছাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।মন্ত্রী আরও বলেন, জনগণের শক্তিই সবচেয়ে বড় শক্তি। তিনি দাবি করেন, গত ১৫ বছরে দেশে প্রকৃত আইনের শাসন ছিল না এবং অনেক ক্ষেত্রেই অর্থ ছাড়া কাজ হতো না। তবে ফ্যামিলি কার্ড পেতে কোনো ধরনের অর্থ লেনদেন করতে হয়নি বলেও জানান তিনি।তিনি বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র ২২ দিনের মধ্যেই নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালু করেছে। নারীদের ক্ষমতায়নে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।কৃষকদের সহায়তার বিষয়ে মন্ত্রী জানান, কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদসহ কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে। পাশাপাশি সেচ সুবিধা বাড়াতে বিভিন্ন এলাকায় খাল খননের কাজ শুরু হয়েছে।জেলার উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ে শিগগিরই মেডিকেল কলেজ ও বিমানবন্দর নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য এমন ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে তারা ঘরে বসেই বছরে দুই থেকে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারে।
৯ ঘন্টা আগে

নড়াইলের কালিয়ায় অভিযান: ২ হাজারের বেশি ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার

নড়াইলের কালিয়ায় অভিযান: ২ হাজারের বেশি ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতারপ্রতিনিধি: মো: লিটন সিকদারনড়াইলের কালিয়া উপজেলায় অভিযান চালিয়ে মো. রিকু মোল্যা (৩৬) নামে এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর। এ সময় তার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেট ও নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।সোমবার (৯ মার্চ) দুপুরে উপজেলার পাঁচগ্রাম ইউনিয়নের মহিষখোলা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। গ্রেফতার রিকু মোল্যা ওই এলাকার বাসিন্দা মো. হারেজ মোল্যার ছেলে।নড়াইল জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের পরিদর্শক মো. আব্দুল মান্নান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহিষখোলা এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় রিকু মোল্যার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ২ হাজার ৪৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, মাদক বিক্রির নগদ ২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা, দুটি মোবাইল ফোন ও একটি পাসপোর্ট জব্দ করা হয়।তিনি আরও জানান, আটক রিকু মোল্যাকে কালিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
১৪ ঘন্টা আগে
সালথায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

সালথায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

ফরিদপুরের সালথা উপজেলার সাড়ুকদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জয়ন্ত কুমারের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত আবেদন দিয়েছেন শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতির কাছে এই অভিযোগ দাখিল করা হয়। অভিযোগপত্রে প্রধান শিক্ষক জয়ন্ত কুমারের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম, দায়িত্বে অবহেলা, শিক্ষার মান অবনতি এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে।লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, প্রধান শিক্ষক জয়ন্ত কুমার বিদ্যালয়ের দায়িত্ব পালনের পরিবর্তে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বেশি সময় ব্যয় করেন। অভিযোগকারীরা দাবি করেন, তিনি পাশের বোয়ালমারি উপজেলার দাতপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হওয়ায় সেই প্রভাব খাটিয়ে বিদ্যালয়ে এক ধরনের স্বেচ্ছাচারী পরিবেশ তৈরি করেছেন।অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, তিনি প্রায়ই শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করতেন। ফলে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকসহ অন্য কেউ তার বিরুদ্ধে কথা বলতে সাহস পেতেন না। এর প্রভাব পড়েছে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশে। স্থানীয়দের মতে, এক সময় এলাকার অন্যতম সুনামধন্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত সাড়ুকদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান দিন দিন নিম্নমুখী হয়ে পড়ছে।অভিযোগকারীরা জানান, প্রধান শিক্ষক দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে বিদ্যালয়ের আয়-ব্যয়ের সঠিক কোনো হিসাব সংরক্ষণ করা হয়নি। ব্যাংক থেকে উত্তোলিত অর্থের যথাযথ ব্যয়ের কোনো স্বচ্ছতা নেই বলেও দাবি করা হয়েছে।অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, ২০২৫ সালের আগস্ট মাসে বিদ্যালয়ের ব্যাংক হিসাব থেকে বকেয়া বেতনসহ মোট ১০ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। এর মধ্যে ৭ লাখ ২২ হাজার ৮০২ টাকা শিক্ষক-কর্মচারীদের বকেয়া বেতন হিসেবে বিতরণ করা হলেও অবশিষ্ট ২ লাখ ৭৭ হাজার ১৯৮ টাকা বিদ্যালয়ের রাস্তা সংস্কার ও সিসি ক্যামেরা স্থাপনের কথা বলা হয়। কিন্তু বাস্তবে এসব কাজের কোনো দৃশ্যমান প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।এছাড়া ২০২৪ সালে অডিট বাবদ ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয় দেখানো হয়েছে, যা একটি স্কুলের জন্য অস্বাভাবিক বলে দাবি করেছেন অভিযোগকারীরা। তাদের প্রশ্ন, একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অডিট খরচ কীভাবে এত বেশি হতে পারে।একই বছরের আরেকটি ঘটনায় বিজ্ঞানাগারের জন্য বিভিন্ন উপকরণ কেনার কথা বলে ৫৭ হাজার টাকা উত্তোলন করা হলেও বাস্তবে কোনো সরঞ্জাম কেনা হয়নি বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।অভিযোগে আরও বলা হয়, প্রধান শিক্ষক জয়ন্ত কুমার ২০২৪ সালে সাময়িক বরখাস্ত থাকা অবস্থায়ও বেতন উত্তোলন করেছেন।অভিযোগকারীদের দাবি, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সেই বেতন তিন মাসের মধ্যে উত্তোলন না করায় তা ফেরত যাওয়ার কথা থাকলেও পরে স্কুলের তহবিল থেকে তিনি প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা তুলে নেন, যা সম্পূর্ণ বেআইনি।অভিযোগকারীরা আরও বলেন, ২০২১ সালে মাত্র ছয় মাস দায়িত্ব পালন করা এক সাবেক সভাপতির ব্যাংক স্বাক্ষর এখনও ব্যবহৃত হচ্ছে, যা প্রশাসনিক নিয়মের পরিপন্থী। এছাড়া প্রতি বছর এসএসসি পরীক্ষার সময় টেস্ট পরীক্ষায় অকৃতকার্য কিছু শিক্ষার্থীকে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।বিদ্যালয়ের শিক্ষক-অভিভাবকদের দাবি, প্রধান শিক্ষক নিয়মিত স্কুলে উপস্থিত থাকেন না। সপ্তাহে মাত্র দুই দিন এসে তিনি পুরো সপ্তাহের হাজিরা দেখিয়ে দেন। এতে করে বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।অভিযোগকারীরা জানান, এর আগে বিভিন্ন সময় শিক্ষা কর্মকর্তাদের বিষয়টি অবহিত করা হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এমনকি আগের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আনিসুর রহমান বালি বিদ্যালয়ের সভাপতি থাকা অবস্থায় বিষয়টি সমাধানের জন্য নির্দেশনা দিলেও প্রধান শিক্ষক তা আমলে নেননি বলে অভিযোগ রয়েছে।এ বিষয়ে সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ‘ফরিদপুর প্রতিদিন‘কে বলেন, “বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগে যেসব বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলো যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যদি অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়, তাহলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”সব অভিযোগ অস্বীকার করে প্রধান শিক্ষক জয়ন্ত কুমার ‘নিউজ ২৪‘-কে বলেন, “আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে তার বেশিরভাগই ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। কিছু ব্যক্তি ব্যক্তিগত কারণে আমাকে হয়রানি করার জন্য এসব অভিযোগ করছেন। তদন্ত হলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে।”অভিযোগকারীদের পক্ষে আবেদনকারী মো. মাহফুজ খান বলেন, “আমরা চাই একটি সুষ্ঠু তদন্ত হোক। বিদ্যালয়ের অর্থ কোথায় গেল, কেন শিক্ষার মান কমে যাচ্ছে—এসব বিষয় খতিয়ে দেখে প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নিক।”
৪ ঘন্টা আগে
নড়াগাতীতে খাস জমি রক্ষায় কঠোর অবস্থান নেওয়ায় আলোচনায় ভূমি কর্মকর্তা

নড়াগাতীতে খাস জমি রক্ষায় কঠোর অবস্থান নেওয়ায় আলোচনায় ভূমি কর্মকর্তা

নড়াগাতির পহরডাঙ্গায় খাস জমি রক্ষায় ভূমি কর্মকর্তার অবস্থানকে সমর্থনস্টাফ রিপোর্টার: মো:লিটন সিকদারনড়াইলের পহরডাঙ্গা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কর্মরত ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা ফারজানা আকতার দোলা সরকারি খাস জমি রক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করায় এলাকার সচেতন মহলের সমর্থন পেয়েছেন।জানা গেছে, সম্প্রতি পহরডাঙ্গা ইউনিয়নের কিছু খাস জমিতে অবৈধভাবে বসতবাড়ি নির্মাণের চেষ্টা করা হলে সরকারি সম্পত্তি রক্ষার স্বার্থে সংশ্লিষ্ট ভূমি কর্মকর্তা ফারজানা আকতার দোলা এতে বাধা প্রদান করেন। এ ঘটনার পর তিনি কিছু মানুষের বিরূপ প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়েছেন বলে জানা গেছে।তবে স্থানীয় অনেকেই জানিয়েছেন, ফারজানা আকতার দোলা একজন সৎ ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে এলাকায় পরিচিত। বিভিন্ন মহলের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে তার দায়িত্ব পালন করে আসছেন। সরকারি সম্পত্তি রক্ষা এবং ভূমি সংক্রান্ত অনিয়ম প্রতিরোধে তিনি সবসময় আইন অনুযায়ী কাজ করার চেষ্টা করেন।এলাকার সচেতন মহল মনে করেন, সরকারি খাস জমি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। এসব জমি অবৈধভাবে দখল বা ব্যবহার করার চেষ্টা প্রতিরোধ করা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্ব। সেই দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যদি কোনো কর্মকর্তা বাধার সম্মুখীন হন, তবে তাকে নিরুৎসাহিত না করে বরং সহযোগিতা করা প্রয়োজন।তারা আরও বলেন, কোনো সৎ ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তাকে অন্যায়ভাবে হয়রানি বা কর্মস্থল থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হলে তা এলাকার সাধারণ মানুষের জন্য ক্ষতিকর হবে এবং সরকারি সম্পত্তি রক্ষার কার্যক্রম দুর্বল হয়ে পড়বে।এলাকাবাসী আশা প্রকাশ করেছেন, ফারজানা আকতার দোলা ভবিষ্যতেও সততা ও সাহসিকতার সঙ্গে তার দায়িত্ব পালন করবেন এবং সরকারি সম্পত্তি রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন। একই সঙ্গে তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন।
৫ ঘন্টা আগে
অনলাইন কেসিনো জুয়া বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

অনলাইন কেসিনো জুয়া বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

অনলাইন কেসিনো জুয়া বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনানিজস্ব প্রতিবেদক:বাংলাদেশে অনলাইন কেসিনো ও জুয়া ভয়াবহ সামাজিক সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ থেকে শুরু করে যুব সমাজের একটি বড় অংশ এই অবৈধ অনলাইন জুয়ার সাথে জড়িয়ে পড়ছে। এর ফলে পরিবারে অশান্তি, আর্থিক সংকট, ঋণগ্রস্ততা, এমনকি মারামারি ও অপরাধের ঘটনাও বাড়ছে বলে স্থানীয়দের দাবি।সচেতন মহলের মতে, সহজলভ্য মোবাইল অ্যাপ ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে জুয়ার বিস্তার ঘটায় বিভিন্ন বয়সের মানুষ আসক্ত হয়ে পড়ছেন। এতে অনেক পরিবারে ভাঙন ও সামাজিক অবক্ষয় দেখা দিচ্ছে।এ প্রেক্ষাপটে দেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর কাছে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন উদ্বিগ্ন নাগরিকরা। তারা অবৈধ অনলাইন কেসিনো সাইট বন্ধ, সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানান।বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কঠোর নজরদারি ও প্রযুক্তিগত নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি আসক্তদের পুনর্বাসন ও কাউন্সেলিং ব্যবস্থাও জরুরি হয়ে পড়েছে। অন্যথায় এই সমস্যা ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন
পর্যায়ক্রমে সব পরিবার পাবে ফ্যামিলি কার্ড: ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল

পর্যায়ক্রমে সব পরিবার পাবে ফ্যামিলি কার্ড: ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল

দেশের প্রতিটি পরিবারকে ধাপে ধাপে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী একসময় দেশের সব পরিবারই এই কার্ড পাবে, এমনকি তার নিজের পরিবারও এর বাইরে থাকবে না।মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ঠাকুরগাঁওয়ের রহিমানপুর ইউনিয়নের ঈদগাঁ মাদ্রাসা মাঠে পাইলট প্রকল্পের আওতায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।মন্ত্রী জানান, এই কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারের নারী প্রধান সদস্যের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ধাপে ধাপে পুরো দেশের পরিবারগুলোকে এর আওতায় আনা হবে। তাই এ বিষয়ে সবাইকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান তিনি।তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগে চালু হওয়া এই কর্মসূচি সমাজের সব স্তরের মানুষের জন্য প্রযোজ্য হবে। জেলা প্রশাসকের পরিবার থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের পরিবার—সবাই এই সুবিধা পাবে। এমনকি তার নিজের স্ত্রীর কাছেও এই কার্ড পৌঁছাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।মন্ত্রী আরও বলেন, জনগণের শক্তিই সবচেয়ে বড় শক্তি। তিনি দাবি করেন, গত ১৫ বছরে দেশে প্রকৃত আইনের শাসন ছিল না এবং অনেক ক্ষেত্রেই অর্থ ছাড়া কাজ হতো না। তবে ফ্যামিলি কার্ড পেতে কোনো ধরনের অর্থ লেনদেন করতে হয়নি বলেও জানান তিনি।তিনি বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র ২২ দিনের মধ্যেই নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালু করেছে। নারীদের ক্ষমতায়নে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।কৃষকদের সহায়তার বিষয়ে মন্ত্রী জানান, কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদসহ কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে। পাশাপাশি সেচ সুবিধা বাড়াতে বিভিন্ন এলাকায় খাল খননের কাজ শুরু হয়েছে।জেলার উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ে শিগগিরই মেডিকেল কলেজ ও বিমানবন্দর নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য এমন ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে তারা ঘরে বসেই বছরে দুই থেকে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারে।
৯ ঘন্টা আগে
হাতিয়ায় ১০ বছরের শিশুর ৬ মাসে কুরআনের হাফেজ

হাতিয়ায় ১০ বছরের শিশুর ৬ মাসে কুরআনের হাফেজ

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে মাত্র ১০ বছর বয়সে ছয় মাসে পবিত্র কুরআনের ৩০ পারা মুখস্থ করে আলোচনায় এসেছে শিশু আবু বকর সিদ্দিক। তার এই অসাধারণ সাফল্যে আনন্দিত পরিবার, শিক্ষক ও এলাকাবাসী।আবু বকর সিদ্দিক হাতিয়া উপজেলার সোনাদিয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব চরচেঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মো. বেলাল উদ্দিন ও আয়েশা ছিদ্দিকা দম্পতির ছেলে। কোম্পানীগঞ্জের দারুল আরকাম মাদরাসার হিফজ বিভাগ থেকে মাত্র ছয় মাসে সম্পূর্ণ কুরআন হিফজ সম্পন্ন করেছে সে।পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সিদ্দিকের পরিবারে কয়েকজন কোরআনের হাফেজ রয়েছেন। ছোটবেলা থেকেই কুরআনের প্রতি তার আগ্রহ ছিল। ছেলে জন্মের পর থেকেই তাকে কুরআনের হাফেজ বানানোর নিয়ত করেন তার বাবা-মা। সেই লক্ষ্য নিয়ে ২০২৫ সালের শুরুতে তাকে দারুল আরকাম মাদরাসার হিফজ বিভাগে ভর্তি করানো হয়।পরিবারের উৎসাহ এবং শিক্ষকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে প্রতিদিন নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে মাত্র ছয় মাসে পুরো কুরআন মুখস্থ করতে সক্ষম হয় সিদ্দিক।শিশু হাফেজ আবু বকর সিদ্দিক জানায়, ছোটবেলা থেকেই সে কুরআন তিলাওয়াত করতে ভালোবাসে। মাদরাসার শিক্ষকদের সহযোগিতা ও পরিবারের অনুপ্রেরণায় নিয়মিত পড়াশোনা করেছে সে। ভবিষ্যতে বড় আলেম ও দেশবরেণ্য হাফেজ হওয়ার স্বপ্ন দেখছে সিদ্দিক।সিদ্দিকের বাবা মো. বেলাল উদ্দিন বলেন, ছোটবেলা থেকেই ছেলের মধ্যে কুরআনের প্রতি আগ্রহ দেখেছি। তাই তাকে হিফজ বিভাগে ভর্তি করাই। আল্লাহর রহমতে অল্প সময়ের মধ্যেই সে পুরো কুরআন মুখস্থ করতে পেরেছে। একজন বাবা হিসেবে এটি আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের বিষয়। তিনি সবার কাছে ছেলের জন্য দোয়া চান, যাতে ভবিষ্যতে সে একজন যোগ্য আলেম হয়ে দ্বীনের খেদমত করতে পারে।দারুল আরকাম মাদরাসার হিফজ বিভাগের প্রধান হাফেজ মুহাম্মদ মুনাওয়ার গণমাধ্যমকে বলেন, শিক্ষকদের তত্ত্বাবধান ও পরিবারের সহযোগিতায় সিদ্দিক দ্রুত কুরআন মুখস্থ করতে সক্ষম হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে সে বড় আলেম হয়ে ইসলামের খেদমত করবে।মাদরাসার সহকারী মুহতামিম মাওলানা রফিকুল ইসলাম বলেন, সিদ্দিক খুব মনোযোগী ও পরিশ্রমী ছাত্র। নিয়মিত অধ্যবসায়ের কারণেই সে অল্প সময়ের মধ্যে কুরআনের হিফজ সম্পন্ন করতে পেরেছে। স্থানীয় বাসিন্দারাও তার এই সাফল্যে আনন্দ প্রকাশ করেছেন।
১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সিরাজগঞ্জে রওশন আরা বেগম হাফিজিয়া মাদ্রাসার উদ্যোগে ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে

সিরাজগঞ্জে রওশন আরা বেগম হাফিজিয়া মাদ্রাসার উদ্যোগে ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে

১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরার আত্মহত্যা

অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরার আত্মহত্যা

জনপ্রিয় অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরা আত্মহত্যা করেছেন। দেশের বেসরকারি একটি গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে অভিনেতার শ্বশুরবাড়ি পরিবার।শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে।অভিনেতা বর্তমানে নেপালে আছেন। তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি এখন কথা বলার মতো অবস্থায় নেই।জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ৪১ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন ইকরা। ২০১০ সালের ৯ নভেম্বর মাত্র ১৯ বছর বয়সে তারা পালিয়ে বিয়ে করেছিলেন আলভী-ইকরা।দীর্ঘ ১৪ বছর পর ২০২৪ সালে তাদের বিয়ের খবরটি প্রকাশ্যে আসে। তাদের সংসারে প্রিয়মায়া নামে একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কোন ছবি নেই !
কোন ছবি নেই !
জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫ –এর আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান কাউনিয়ায় অনুষ্ঠিত

জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫ –এর আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান কাউনিয়ায় অনুষ্ঠিত

জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫ –এর আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান কাউনিয়ায় অনুষ্ঠিতরংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় উৎসবমুখর পরিবেশে জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫ এর আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। সকালে উপজেলা চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়, যা উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে অনুষ্ঠানের স্থানে এসে শেষ হয়।অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মহিদুল হক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. মো. এ আর এম আল মামুন।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেনতানিয়া আক্তার, কৃষি অফিসার, কাউনিয়া উপজেলা এসআই ব্রজ গোপাল কর্মকার, সেকেন্ড অফিসার, কাউনিয়া থানা বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, খামারি, শিক্ষক, সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ প্রদর্শনীতে প্রদর্শিত প্রাণিসম্পদ ও উপকরণ প্রদর্শনীতে নানা জাতের প্রাণিসম্পদ ও খাদ্যউপকরণ প্রদর্শিত হয়, যার মধ্যে ছিলগরু ছাগল ভেড়া হাঁস মুরগি কোয়েল পাখি বিভিন্ন জাতের উন্নতমানের ঘাস গো-খাদ্য ও আধুনিক খামার ব্যবস্থাপনার উপকরণ আলোচনা সভায় বক্তারা স্থানীয় খামারিদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ, মানসম্মত উৎপাদন, এবং প্রাণিসম্পদ উন্নয়নে সরকারের নানা উদ্যোগ তুলে ধরেন। পরে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শ্রেষ্ঠ খামারি ও স্টল মালিকদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫–এর কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ ঘোষণা করা হয়।
১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নিজের নিরাপত্তা চেয়ে ভয়ে কাঁদছেন ঝিনুক—অভিযুক্ত স্বামী ডিএমপির ট্রাফিক ইনস্পেক্টর

নিজের নিরাপত্তা চেয়ে ভয়ে কাঁদছেন ঝিনুক—অভিযুক্ত স্বামী ডিএমপির ট্রাফিক ইনস্পেক্টর

ঢাকা মহানগরীর তুরাগ থানা এলাকায় যৌতুকের টাকা দাবি করে গৃহবধূকে শারীরিক নির্যাতন ও জখম করার অভিযোগ উঠেছে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আছিয়া আক্তার ঝিনুক (২০) তুরাগ মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিয়ের পর থেকেই আছিয়া আক্তার ঝিনুকের স্বামী মো. জলিল মিয়া ও তার পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন সময় যৌতুকের নামে টাকা-পয়সা দাবি করে আসছিলেন। অভিযোগকারী জানান, তাদের বিয়ের পর থেকে ধাপে ধাপে ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা দিতে তাকে বাধ্য করা হয়। এমনকি প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের একটি মোবাইল ফোন কিনে দিতেও বাধ্য করা হয় তাকে।ঝিনুক অভিযোগে আরও বলেন, তিনি গর্ভবতী থাকাকালীনও স্বামীর নির্যাতন থেকে রেহাই পাননি। সর্বশেষ ১৪ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ সন্ধ্যা ৬টার দিকে স্বামী জলিল মিয়া পুনরায় ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। টাকা দিতে অসম্মতি জানালে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা তাকে মারধর করে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম হয়।জানা গেছে, অভিযুক্ত ট্রাফিক ইনস্পেক্টর (টিআই) জলিল মিয়া বর্তমানে ধউর ট্রাফিক পুলিশ বক্স, ট্রাফিক পশ্চিম জোন, উত্তরা ট্রাফিক বিভাগ, ডিএমপি–তে কর্মরত।এ বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাইলে টিআই জলিল মিয়া বলেন—আমি তাকে নোটিশ পাঠিয়েছি, বিষয়টি আদালত দেখবে। আমাকে অভিযোগ দিয়ে কিছুই করতে পারবে না, কারণ আমি আইনের লোক।”অপরদিকে, ধারাবাহিক নির্যাতনে আছিয়া আক্তার ঝিনুকের শারীরিক অবস্থা অবনতি হওয়ায় আত্মীয়স্বজনের পরামর্শে তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন এবং নিজের ও অনাগত সন্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনগত সহায়তা চান।এ বিষয়ে তুরাগ মডেল থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই অপূর্ব বলেন—জলিল স্যার আমাদের উপরস্থ কর্মকর্তা। তাকে এভাবে কিছু জিজ্ঞেস করতে পারি না। তদন্তের মাধ্যমে সব জানা যাবে।তুরাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন—“অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ঘটনা বিষয়ে উত্তরা ট্রাফিক বিভাগের ডিসি–র সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন—আমি বিষয়টি অবগত নই। যদি এমন অভিযোগ সত্যি হয়ে থাকে, তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিজস্ব প্রতিনিধি