ওপেন নিউজ ২৪
সর্বশেষ

নেত্রকোনা দুর্গাপুরে ইউএনও আফরোজা আফসানার অফিসার্স ক্লাবে বিদায় অনুষ্ঠান: উপস্থিত ছিলেন ২ জন অফিসার!

নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরোজা আফসানার বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে সীমিত পরিসরে ও কিছুটা আড়ম্বরহীনভাবে। গত বৃহস্পতিবার রাত আটটার দিকে ইউএনও'র কোয়ার্টার সংলগ্ন অফিসার্স ক্লাবের উদ্যোগে এ বিদায় আয়োজন সম্পন্ন হয়। এতে সহকারী কমিশনার (ভুমি) কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। সেখানে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তার অনুপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিদায়ী আফরোজা আফসানা ইউএনও’র সঙ্গে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের দাপ্তরিক সম্পর্ক ও পারস্পরিক যোগাযোগ খুব একটা সৌহার্দ্যপূর্ণ ছিল না। ফলে বিদায় অনুষ্ঠানে অন্যান্য দপ্তরের কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ না থাকায় বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনিক মহলে আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।অনুষ্ঠানে উপস্থিত সীমিতসংখ্যক সদস্যরা সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে ইউএনও আফরোজা আফসানার কর্মজীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তবে একটি পূর্ণাঙ্গ বিদায় অনুষ্ঠানের যে আন্তরিকতা ও সম্মিলিত উপস্থিতি প্রত্যাশিত, তার ঘাটতি স্পষ্টভাবে পরিলক্ষিত হয়েছে।স্থানীয় ও সুশীল সমাজের মতে, একজন উপজেলা প্রশাসনের প্রধান কর্মকর্তার বিদায়ে সকল দপ্তরের সম্মিলিত অংশগ্রহণ থাকা উচিত ছিল। এ ধরনের অনুপস্থিতি প্রশাসনিক সমন্বয় ও পারস্পরিক সম্পর্কের বিষয়টি নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে।সবমিলিয়ে, ইউএনও আফরোজা আফসানার বিদায় অনুষ্ঠানটি ছিল একদিকে আনুষ্ঠানিক, অন্যদিকে কিছুটা বেদনাবিধুর ও প্রশ্নবিদ্ধ—যা স্থানীয় প্রশাসনিক পরিমণ্ডলে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে।অফিসার্স ক্লাবে বিদায়ী অনুষ্ঠানে উপস্থিত না থাকা নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভারপ্রাপ্ত ইউএইচ এফপিও ডা. তানজিরুল ইসলাম রায়হান বলেন,আমার দাপ্তরিক একটি জুম মিটিং ছিল, তাই উপস্থিত থাকা সম্ভব হয়নি।উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. অমিত দত্ত বলেন, গতকালকে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল স্যারের প্রোগ্রাম শেষ করে জেলা স্যারকে নিয়ে আমি নেত্রকোনা চলে আসছি এজন্য থাকতে পারিনি। উপজেলা প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান বলেন, আমি দিনভর মাঠে বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন করছিলাম। বিকেলে ডেপুটি স্যারের প্রোগ্রাম ছিল। পরে শরীরটা একটু খারাপ লাগছিল তাই বিদায় অনুষ্ঠানের থাকতে পারিনি। উপজেলা কৃষি অফিসার নিপা বিশ্বাস জানান, আমারও ইচ্ছে ছিল বিদায়ী অনুষ্ঠানে থাকার কিন্তু নানু শ্বাশুড়ি মারা যাওয়ায় আমি থাকতে পারিনি।উপজেলা মাধ্যমে শিক্ষা অফিসার বজলুর রহমান আনসারী জানান,আমি সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত পুরো সময় অফিস করি। চেষ্টা করেও সময় মিলাতে পারিনি। উপজেলার উপ-সহকারী জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী আলী আজগর জানান,দিনভর অনেক ব্যস্ততা ছিল। রাতে সাপ্তাহিক ছুটি থাকাই স্টেশন লীভ করেছি। তাই থাকতে পারিনি। এ বিষয়ে উপজেলা অফিসার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক একাডেমিক সুপারভাইজার মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন জানান,উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বিদায় অনুষ্ঠানটি অতীতের ন্যায় এবারও আয়োজন করা হয়েছে। তবে সপ্তাহের শেষ কর্ম দিবস বৃহস্পতিবার থাকায় অনেকে ইউএনও মহোদয়ের সাথে ব্যক্তিগতভাবে সাক্ষাৎ করে চলে গেছেন। উপজেলার সমন্বয় কমিটির ২৮ জন মেম্বার রয়েছেন। তন্মধ্যে অনেকেই ক্যাডার ও নন কাড্যার অফিসার রয়েছেন। ওই বিদায় অনুষ্ঠানে শুধুমাত্র উপস্থিত ছিলেন দুর্গাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. কামরুল হাসান, ওসি তদন্ত শাহিন তালুকদার, দুর্গাপুর পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডিজিএম মো. হাফিজুর রহমান,একাডেমিক সুপারভাইজার নাসির উদ্দিন,উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসের তদন্তকারী উৎপল চন্দ্র সরকার।
২ ঘন্টা আগে

নেত্রকোনা দুর্গাপুরে বিপুল পরিমান ভারতীয় ট্যাবলেটসহ আটক এক

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে বিপুল পরিমান ভারতীয় এবংঃধারঃধষ এবং ঈধষধরফ-উ চষঁং সহ একজনকে আটক করেছে দুর্গাপুর থানা পুলিশ। সোমবার (২৩ এপ্রিল) গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুকনাকুরি ছোট ব্রীজ এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত আসামীর নাম মোঃ আনোয়ার হোসেন (২৬), সে দুর্গাপুর থানার উত্তর নোয়াগাঁও এলাকার মো. ফজলুর রহমানের ছেলে।মামলা সুত্রে জানা গেছে, বিরিশির টু ঝানজাইল এলাকায় ডিউটি করাকালীন ঝানজাইল মেসার্স খোরশেদ ফিলিং ষ্টেশন এর দক্ষিণ পাশে ঝানজাইল টু ময়মনসিংহগামী পাকা রাস্তায় শুকনাকুরি ছোট ব্রীজের উপর একব্যক্তি তিনটি প্লাস্টিক বস্তায় একহাজার নয়শত পাতা (২৮,৫০০ পিচ) ভারতীয় তৈরী এবংঃধারঃধষ এবং ঈধষধরফ-উ চষঁং ট্যাবলেট সহ অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার জন্য অবস্থান করছে। ওই গোপন সংবাদ প্রাপ্তির পর কর্তব্যরত দুর্গাপুর থানা পুলিশের টহলদল উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে ওই এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামী আনোয়ার হোসেন কৌশলে পালানোর চেষ্টাকরলে পুলিশ ধরে ফেলে। এনিয়ে দুর্গাপুর থানার ওসি মো. কামরুল হাসান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দুর্গাপুর থানাধীন সুকনাকুড়ি এলাকা থেকে তিনটি প্লাস্টিক বস্তায় একহাজার নয়শত পাতা ভারতীয় তৈরী এবংঃধারঃধষ এবং ঈধষধরফ-উ চষঁং ট্যাবলেট সহ মোঃ আনোয়ার হোসেন আটক করা হয়। ট্যাবলেটের আনুমানিক মুল্য ৫লক্ষ ১০ হাজার টাকা। আনোয়ার দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় ঔষধ চোরাচালানের সাথে জড়িত ছিলো। এ ব্যাপারে নিয়মিত মামলা রুজু হয়েছে। চোরাচালান রোধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
২৪ এপ্রিল ২০২৬

পালিত কুকুর নিয়ে বিরোধ, নড়াগাতীতে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ৫ আহত

তুচ্ছ ঘটনায় উত্তপ্ত নড়াগাতী: কুকুরের ঝগড়া ঘিরে সংঘর্ষে আহত ৫স্টাফ রিপোর্টার : মোঃ লিটন শিকদারনড়াইলের কালিয়া উপজেলার নড়াগাতী থানার পহরডাঙ্গা ইউনিয়নের চর বল্যাহাটী এলাকায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পালিত কুকুরের ঝগড়া নিয়ে শুরু হওয়া বিরোধ মুহূর্তেই রূপ নেয় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৫ জন আহত হয়েছেন।মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে চর বল্যাহাটী মোল্যা বাড়ি সংলগ্ন প্রধান সড়কের পাশে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে মোঃ বোরহান মোল্যার বাড়ির সামনে কয়েকটি দেশীয় কুকুর নিজেদের মধ্যে লড়াইয়ে লিপ্ত হয়। এ সময় তিনি কুকুরগুলোকে তাড়িয়ে দিলে সেগুলো পাশের একটি পাটক্ষেতে ঢুকে পড়ে।এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাটক্ষেতের মালিক মোঃ রমজান মোল্যা দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে বোরহান মোল্যার সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।সংঘর্ষে বোরহান মোল্যার পক্ষের ৩ জন এবং রমজান মোল্যার পক্ষের ২ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে মোসা. তানিয়া বেগম (২৩), মোঃ ইমরান মোল্যা (৩৫) ও শাহ আলম মোল্যা (২০)-কে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদিকে মোসা. শিউলি বেগম (২২) ও আসমা বেগম (১৮)-কে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।নড়াগাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুর রহিম বলেন, “খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও স্থানীয়দের মধ্যে এখনও চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে।যেকোনো তথ্য  দিয়ে সহযোগিতা করুন ০১৭১৬-৮০২২৩০
২৩ এপ্রিল ২০২৬
গলাচিপায় এসএসসি পরীক্ষার্থীকে জড়িয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

গলাচিপায় এসএসসি পরীক্ষার্থীকে জড়িয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

পটুয়াখালীর গলাচিপায় চলমান এসএসসি পরীক্ষার্থীকে জড়িয়ে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও অনলাইন পোর্টালে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে পরীক্ষার্থীর মা মোসা. নার্গিস পারভীন এর আয়োজনে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৫ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১ টায় উলানিয়া বন্দরের তার নিজ বাসভবনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ জানান। এসময় তার ছেলে এসএসসি পরীক্ষার্থী আশিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, তার ছেলে মো. আশিকুর রহমান বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীনে উলানিয়া হাট স্কুল অ্যান্ড কলেজে মানবিক বিভাগে চলমান এসএসসি পরিক্ষায় অংশ গ্রহণ করেছে এবং তার রেজিস্ট্রেশন নম্বর ২৩১৫১৯৪৭১৪ এবং রোল নম্বর ৯৯০০৩২।নার্গিস পারভীনের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের সহকারী সিনিয়র শিক্ষক মো. বুলবুল এর কাছে তার ছেলে প্রাইভেট না পড়ার কারণে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নির্বাচনী পরীক্ষায় কয়েকটি বিষয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে অকৃতকার্য করিয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে ফরম পূরণের সুযোগ দেয়নি। বিষয়টি নিয়ে তিনি প্রতিষ্ঠান প্রধান অধ্যক্ষসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে একাধিকবার অনুরোধ করলেও কোনো সমাধান পাননি।তিনি আরও বলেন, একই বিদ্যালয়ের অন্য শিক্ষার্থীরা একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হলেও তাদের ফরম পূরণের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এমনকি একজন শিক্ষার্থী কয়েকটি বিষয়ে পরীক্ষায় অংশ না নিয়েও ফরম পূরণের সুযোগ পেয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এছাড়া অর্থ লেনদেনের মাধ্যমেও ফরম ফিলআপে অনিয়ম হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মো. মাহফুজুর রহমানের স্বাক্ষরিত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে জমা দেন। বোর্ড কর্তৃপক্ষ কাগজপত্র যাচাইবাছাই সাপেক্ষে তাঁর ছেলের ফরম পূরণ সম্পন্ন করে এবং তাকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়।তবে সম্প্রতি কয়েকটি জাতীয় পত্রিকা ও অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদে অধ্যক্ষ মাহাফুজুর রহমান তার নিজ স্বাক্ষর অস্বীকার করেছেন বলে অভিযোগ করেন নার্গিস পারভীন। এ বিষয়ে তিনি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে স্বাক্ষরটি ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে যাচাই এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান।সংবাদ সম্মেলনস্থলে উপস্থিত হয়ে অন্য এক শিক্ষার্থী মো. মোমেন এর মাতা মোসা. লিপি বেগম কান্নাজড়িত কন্ঠে অভিযোগ তুলে বলেন, তার ছেলের ফরম পূরণে সহকারী শিক্ষক বুলবুলসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষকদের দাবিকৃত অতিরিক্ত টাকা প্রদান করতে না পেরে তার ছেলে চলমান এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ সম্ভব হয়নি বলে এবং পরীক্ষা না দিতে পারার শোকে তার ছেলে বর্তমানে পাগল প্রায়। ওই নারী আরও অভিযোগ তুলে বলেন, আমি আমার পরিবার নিয়ে উলানিয়া আশ্রায়ণ প্রকল্পে বসবাস করি এবং মানুষের বাসায় কাজ করে ছেলেকে পড়ালেখা করাইতেছি। তাই তিনি বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে সংবাদ সম্মেলনে বিচার চেয়েছেন।
১ ঘন্টা আগে
গলাচিপায় এসএসসি পরীক্ষার্থীকে জড়িয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

গলাচিপায় এসএসসি পরীক্ষার্থীকে জড়িয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

পটুয়াখালীর গলাচিপায় চলমান এসএসসি পরীক্ষার্থীকে জড়িয়ে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও অনলাইন পোর্টালে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে পরীক্ষার্থীর মা মোসা. নার্গিস পারভীন এর আয়োজনে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৫ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১ টায় উলানিয়া বন্দরের তার নিজ বাসভবনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ জানান। এসময় তার ছেলে এসএসসি পরীক্ষার্থী আশিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, তার ছেলে মো. আশিকুর রহমান বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীনে উলানিয়া হাট স্কুল অ্যান্ড কলেজে মানবিক বিভাগে চলমান এসএসসি পরিক্ষায় অংশ গ্রহণ করেছে এবং তার রেজিস্ট্রেশন নম্বর ২৩১৫১৯৪৭১৪ এবং রোল নম্বর ৯৯০০৩২।নার্গিস পারভীনের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের সহকারী সিনিয়র শিক্ষক মো. বুলবুল এর কাছে তার ছেলে প্রাইভেট না পড়ার কারণে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নির্বাচনী পরীক্ষায় কয়েকটি বিষয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে অকৃতকার্য করিয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে ফরম পূরণের সুযোগ দেয়নি। বিষয়টি নিয়ে তিনি প্রতিষ্ঠান প্রধান অধ্যক্ষসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে একাধিকবার অনুরোধ করলেও কোনো সমাধান পাননি।তিনি আরও বলেন, একই বিদ্যালয়ের অন্য শিক্ষার্থীরা একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হলেও তাদের ফরম পূরণের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এমনকি একজন শিক্ষার্থী কয়েকটি বিষয়ে পরীক্ষায় অংশ না নিয়েও ফরম পূরণের সুযোগ পেয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এছাড়া অর্থ লেনদেনের মাধ্যমেও ফরম ফিলআপে অনিয়ম হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মো. মাহফুজুর রহমানের স্বাক্ষরিত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে জমা দেন। বোর্ড কর্তৃপক্ষ কাগজপত্র যাচাইবাছাই সাপেক্ষে তাঁর ছেলের ফরম পূরণ সম্পন্ন করে এবং তাকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়।তবে সম্প্রতি কয়েকটি জাতীয় পত্রিকা ও অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদে অধ্যক্ষ মাহাফুজুর রহমান তার নিজ স্বাক্ষর অস্বীকার করেছেন বলে অভিযোগ করেন নার্গিস পারভীন। এ বিষয়ে তিনি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে স্বাক্ষরটি ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে যাচাই এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান।সংবাদ সম্মেলনস্থলে উপস্থিত হয়ে অন্য এক শিক্ষার্থী মো. মোমেন এর মাতা মোসা. লিপি বেগম কান্নাজড়িত কন্ঠে অভিযোগ তুলে বলেন, তার ছেলের ফরম পূরণে সহকারী শিক্ষক বুলবুলসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষকদের দাবিকৃত অতিরিক্ত টাকা প্রদান করতে না পেরে তার ছেলে চলমান এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ সম্ভব হয়নি বলে এবং পরীক্ষা না দিতে পারার শোকে তার ছেলে বর্তমানে পাগল প্রায়। ওই নারী আরও অভিযোগ তুলে বলেন, আমি আমার পরিবার নিয়ে উলানিয়া আশ্রায়ণ প্রকল্পে বসবাস করি এবং মানুষের বাসায় কাজ করে ছেলেকে পড়ালেখা করাইতেছি। তাই তিনি বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে সংবাদ সম্মেলনে বিচার চেয়েছেন।
১ ঘন্টা আগে
অনলাইন কেসিনো জুয়া বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

অনলাইন কেসিনো জুয়া বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

অনলাইন কেসিনো জুয়া বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনানিজস্ব প্রতিবেদক:বাংলাদেশে অনলাইন কেসিনো ও জুয়া ভয়াবহ সামাজিক সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ থেকে শুরু করে যুব সমাজের একটি বড় অংশ এই অবৈধ অনলাইন জুয়ার সাথে জড়িয়ে পড়ছে। এর ফলে পরিবারে অশান্তি, আর্থিক সংকট, ঋণগ্রস্ততা, এমনকি মারামারি ও অপরাধের ঘটনাও বাড়ছে বলে স্থানীয়দের দাবি।সচেতন মহলের মতে, সহজলভ্য মোবাইল অ্যাপ ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে জুয়ার বিস্তার ঘটায় বিভিন্ন বয়সের মানুষ আসক্ত হয়ে পড়ছেন। এতে অনেক পরিবারে ভাঙন ও সামাজিক অবক্ষয় দেখা দিচ্ছে।এ প্রেক্ষাপটে দেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর কাছে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন উদ্বিগ্ন নাগরিকরা। তারা অবৈধ অনলাইন কেসিনো সাইট বন্ধ, সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানান।বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কঠোর নজরদারি ও প্রযুক্তিগত নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি আসক্তদের পুনর্বাসন ও কাউন্সেলিং ব্যবস্থাও জরুরি হয়ে পড়েছে। অন্যথায় এই সমস্যা ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন
সালথায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রকাশিত নিউজের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

সালথায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রকাশিত নিউজের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

ফরিদপুরের সালথায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনলাইনে প্রকাশিত নিউজের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সিংহপ্রতাপ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো সাহেবুল ইসলাম।  সোমবার (৬ এপ্রিল)  সন্ধায় সালথা তেলের পাম্প সংলগ্ন গণমাধ্যম কর্মীদের অফিসে সালথায় কর্মরত সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সহকারী শিক্ষক মো. সাহেবুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আমি সিংহপ্রতাব সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। গতকাল ৫ এপ্রিল কয়েকটি অনলাইন পোর্টালে আমার নামে নানা অভিযোগ এনে ভিত্তিহীন মিথ্যা ও বানোয়াট বিষয় তুলে ধরে আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে ভুয়া নিউজ করা হয়েছে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি স্বঘোষিত শিক্ষক নেতা নই, আমি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক। এই কমিটি আগেই অনুমোদন করে এনেছি। শিক্ষকদের মধ্যে বিভাজন থাকায় কমিটি প্রকাশ করিনি।  আমার বিরুদ্ধে আনা ১৪দিন জেল খাটার অভিযোগটি মিথ্যা। ওই মামলায় আমি মাত্র একদিন জেলে থেকে আদালতের রায়ে বেকসুর খালাস পেয়েছি। আমি স্কুলে নিয়মিত ক্লাস নেই। ক্লাস শেষ করে উপজেলায় আসি। আমি কোন কোচিং করাই না, রেজুলেশনের মাধ্যমে অতিরিক্ত ক্লাস নেই। কোন প্রাইভেট বাণিজ্য করি না। অথচ একটি পক্ষ আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন নিউজ করেছে।  আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।  উল্লেখ্য যে, ৫ এপ্রিল শিক্ষক নেতা মো. সাহেবুল ইসলামের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে সংবাদ প্রকাশিত হয়। 
০৬ এপ্রিল ২০২৬
হাতিয়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার অনুষ্ঠান

হাতিয়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার অনুষ্ঠান

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে হাতিয়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার(১২ মার্চ) সন্ধ্যায় নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলা শহর কলেজ রোডস্থ 'হাতিয়া প্রেসক্লাব' প্রাঙ্গণে এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। হাতিয়া প্রেসক্লাবের নির্বাচিত সভাপতি মো. ফিরোজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে আলোচনা করেন, হাতিয়া মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির সভাপতি মাওলানা একিউএম ইদ্রিস, মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি আ.ন.ম হাসান, এখন টিভির নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি নাসিম শুভ প্রমুখ। হাতিয়া প্রেসক্লাবের সদস্য ছায়েদ আহামেদ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তারা সামাজিক দায়বদ্ধতার উপর অবিচল থেকে গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহবান জানান। এসময় উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান, পুলিশ প্রশাসন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারি, চ্যানেল আই এর নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি আলাউদ্দিন শিবলী, নাগরিক টিভির প্রতিনিধি মো. সোহেল উদ্দিন, হাতিয়া প্রেসক্লাবের সদস্যবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার দুই শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন হাতিয়া প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা আমির হামজা। পরে দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং মুসলিম উম্মাহসহ আক্রান্ত ইরান ও ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের জন্য বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা জিয়াউল হক।
১৯ মার্চ ২০২৬
নেত্রকোনা দুর্গাপুরে শুরু হচ্ছে হিফজুল কুরআন হামদ-নাত ও আজান প্রতিযোগিতা-২০২৬

নেত্রকোনা দুর্গাপুরে শুরু হচ্ছে হিফজুল কুরআন হামদ-নাত ও আজান প্রতিযোগিতা-২০২৬

১৯ মার্চ ২০২৬
অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরার আত্মহত্যা

অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরার আত্মহত্যা

জনপ্রিয় অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরা আত্মহত্যা করেছেন। দেশের বেসরকারি একটি গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে অভিনেতার শ্বশুরবাড়ি পরিবার।শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে।অভিনেতা বর্তমানে নেপালে আছেন। তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি এখন কথা বলার মতো অবস্থায় নেই।জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ৪১ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন ইকরা। ২০১০ সালের ৯ নভেম্বর মাত্র ১৯ বছর বয়সে তারা পালিয়ে বিয়ে করেছিলেন আলভী-ইকরা।দীর্ঘ ১৪ বছর পর ২০২৪ সালে তাদের বিয়ের খবরটি প্রকাশ্যে আসে। তাদের সংসারে প্রিয়মায়া নামে একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কোন ছবি নেই !
কোন ছবি নেই !
কাউনিয়ার মীরবাগ বাসস্ট্যান্ডে ভেজাল কৃষি ওষুধ জব্দ করে ধ্বংস করেছে প্রশাসন।

কাউনিয়ার মীরবাগ বাসস্ট্যান্ডে ভেজাল কৃষি ওষুধ জব্দ করে ধ্বংস করেছে প্রশাসন।

রংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় কৃষিতে ব্যবহারের নামে বাজারজাত করা ভেজাল ওষুধ জব্দ করে ধ্বংস করেছে প্রশাসন। উপজেলার মীরবাগ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত যৌথ অভিযানে এসব ভেজাল কৃষি ওষুধ উদ্ধার করা হয়। অভিযানের পর বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।আজ রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ দুপুর ১টায় পরিচালিত অভিযানে এ সব ভেজাল কৃষি ওষুধ জব্দ করা হয়।জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র কৃষকদের কাছে বিভিন্ন নামি কোম্পানির মোড়ক ও বোতলে ভেজাল কৃষি ওষুধ সরবরাহ করে আসছিল বলে অভিযোগ ছিল। এসব ওষুধ ব্যবহার করে অনেক কৃষক কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ায় সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।অভিযানে নেতৃত্ব দেন কাউনিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানিয়া আক্তার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অংকন পাল এবং কাউনিয়া থানা পুলিশের একটি টিম। অভিযান চলাকালে পাঁচ কার্টন বোতলজাত ভেজাল কৃষি ওষুধ জব্দ করা হয়। যার মধ্যে ‘এমিস্টার টপ’ ও বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নামে প্রায় ৫০ বোতল তরল ওষুধ পাওয়া যায়।কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, এসব ওষুধ কৃষিতে ব্যবহারের জন্য বিক্রি করা হলেও মানহীন ও ভেজাল হওয়ায় কৃষকদের জন্য বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হতে পারত। ভেজাল ওষুধ ব্যবহারে ফসলের রোগ দমন না হয়ে বরং ফসল নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকে। পাশাপাশি মাটির উর্বরতা কমে যাওয়া, পরিবেশ দূষণ এবং কৃষকদের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কাও থাকে।পরে জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ ও কৃষি সুরক্ষার স্বার্থে জব্দকৃত সব ভেজাল কৃষি ওষুধ ঘটনাস্থলেই মাটিতে পুঁতে ধ্বংস করা হয়। এ সময় স্থানীয় লোকজনও উপস্থিত ছিলেন।উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, কৃষকদের সঙ্গে প্রতারণা করে কেউ যেন ভেজাল কৃষি উপকরণ বাজারজাত করতে না পারে, সে বিষয়ে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। ভেজাল সার, বীজ, কীটনাশক ও কৃষি ওষুধের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।স্থানীয় কৃষকরা প্রশাসনের এ পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ভেজাল কৃষি ওষুধের কারণে কৃষকরা বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তাই এসব অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
১৯ মার্চ ২০২৬
নিজের নিরাপত্তা চেয়ে ভয়ে কাঁদছেন ঝিনুক—অভিযুক্ত স্বামী ডিএমপির ট্রাফিক ইনস্পেক্টর

নিজের নিরাপত্তা চেয়ে ভয়ে কাঁদছেন ঝিনুক—অভিযুক্ত স্বামী ডিএমপির ট্রাফিক ইনস্পেক্টর

ঢাকা মহানগরীর তুরাগ থানা এলাকায় যৌতুকের টাকা দাবি করে গৃহবধূকে শারীরিক নির্যাতন ও জখম করার অভিযোগ উঠেছে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আছিয়া আক্তার ঝিনুক (২০) তুরাগ মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিয়ের পর থেকেই আছিয়া আক্তার ঝিনুকের স্বামী মো. জলিল মিয়া ও তার পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন সময় যৌতুকের নামে টাকা-পয়সা দাবি করে আসছিলেন। অভিযোগকারী জানান, তাদের বিয়ের পর থেকে ধাপে ধাপে ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা দিতে তাকে বাধ্য করা হয়। এমনকি প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের একটি মোবাইল ফোন কিনে দিতেও বাধ্য করা হয় তাকে।ঝিনুক অভিযোগে আরও বলেন, তিনি গর্ভবতী থাকাকালীনও স্বামীর নির্যাতন থেকে রেহাই পাননি। সর্বশেষ ১৪ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ সন্ধ্যা ৬টার দিকে স্বামী জলিল মিয়া পুনরায় ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। টাকা দিতে অসম্মতি জানালে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা তাকে মারধর করে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম হয়।জানা গেছে, অভিযুক্ত ট্রাফিক ইনস্পেক্টর (টিআই) জলিল মিয়া বর্তমানে ধউর ট্রাফিক পুলিশ বক্স, ট্রাফিক পশ্চিম জোন, উত্তরা ট্রাফিক বিভাগ, ডিএমপি–তে কর্মরত।এ বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাইলে টিআই জলিল মিয়া বলেন—আমি তাকে নোটিশ পাঠিয়েছি, বিষয়টি আদালত দেখবে। আমাকে অভিযোগ দিয়ে কিছুই করতে পারবে না, কারণ আমি আইনের লোক।”অপরদিকে, ধারাবাহিক নির্যাতনে আছিয়া আক্তার ঝিনুকের শারীরিক অবস্থা অবনতি হওয়ায় আত্মীয়স্বজনের পরামর্শে তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন এবং নিজের ও অনাগত সন্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনগত সহায়তা চান।এ বিষয়ে তুরাগ মডেল থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই অপূর্ব বলেন—জলিল স্যার আমাদের উপরস্থ কর্মকর্তা। তাকে এভাবে কিছু জিজ্ঞেস করতে পারি না। তদন্তের মাধ্যমে সব জানা যাবে।তুরাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন—“অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ঘটনা বিষয়ে উত্তরা ট্রাফিক বিভাগের ডিসি–র সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন—আমি বিষয়টি অবগত নই। যদি এমন অভিযোগ সত্যি হয়ে থাকে, তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিজস্ব প্রতিনিধি