ওপেন নিউজ ২৪
সর্বশেষ

কাউনিয়ার মীরবাগ বাসস্ট্যান্ডে ভেজাল কৃষি ওষুধ জব্দ করে ধ্বংস করেছে প্রশাসন।

রংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় কৃষিতে ব্যবহারের নামে বাজারজাত করা ভেজাল ওষুধ জব্দ করে ধ্বংস করেছে প্রশাসন। উপজেলার মীরবাগ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত যৌথ অভিযানে এসব ভেজাল কৃষি ওষুধ উদ্ধার করা হয়। অভিযানের পর বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।আজ রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ দুপুর ১টায় পরিচালিত অভিযানে এ সব ভেজাল কৃষি ওষুধ জব্দ করা হয়।জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র কৃষকদের কাছে বিভিন্ন নামি কোম্পানির মোড়ক ও বোতলে ভেজাল কৃষি ওষুধ সরবরাহ করে আসছিল বলে অভিযোগ ছিল। এসব ওষুধ ব্যবহার করে অনেক কৃষক কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ায় সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।অভিযানে নেতৃত্ব দেন কাউনিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানিয়া আক্তার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অংকন পাল এবং কাউনিয়া থানা পুলিশের একটি টিম। অভিযান চলাকালে পাঁচ কার্টন বোতলজাত ভেজাল কৃষি ওষুধ জব্দ করা হয়। যার মধ্যে ‘এমিস্টার টপ’ ও বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নামে প্রায় ৫০ বোতল তরল ওষুধ পাওয়া যায়।কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, এসব ওষুধ কৃষিতে ব্যবহারের জন্য বিক্রি করা হলেও মানহীন ও ভেজাল হওয়ায় কৃষকদের জন্য বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হতে পারত। ভেজাল ওষুধ ব্যবহারে ফসলের রোগ দমন না হয়ে বরং ফসল নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকে। পাশাপাশি মাটির উর্বরতা কমে যাওয়া, পরিবেশ দূষণ এবং কৃষকদের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কাও থাকে।পরে জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ ও কৃষি সুরক্ষার স্বার্থে জব্দকৃত সব ভেজাল কৃষি ওষুধ ঘটনাস্থলেই মাটিতে পুঁতে ধ্বংস করা হয়। এ সময় স্থানীয় লোকজনও উপস্থিত ছিলেন।উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, কৃষকদের সঙ্গে প্রতারণা করে কেউ যেন ভেজাল কৃষি উপকরণ বাজারজাত করতে না পারে, সে বিষয়ে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। ভেজাল সার, বীজ, কীটনাশক ও কৃষি ওষুধের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।স্থানীয় কৃষকরা প্রশাসনের এ পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ভেজাল কৃষি ওষুধের কারণে কৃষকরা বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তাই এসব অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
৬ ঘন্টা আগে

কাতারের দোহায় নিখোঁজ প্রবাসী বাংলাদেশী, লিংকন খান পরিবারের আহাজারি, খোঁজে মানবিক সহায়তার আকুতি

কাতারের দোহায় নিখোঁজ প্রবাসী লিংকন খান: পরিবারের আহাজারি, খোঁজে মানবিক সহায়তার আকুতিস্টাফ রিপোর্টার :মো: লিটন সিকদার স্বপ্নের খোঁজে প্রবাসে পাড়ি দেওয়া নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার যুবক লিংকন খান এখন নিখোঁজ। কাতারের দোহা সানায়া A4 এলাকায় কর্মরত এই প্রবাসী গত ১২ এপ্রিল থেকে পরিবারের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় চরম উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা ও অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছে তার পরিবার।নিখোঁজ লিংকন খান (পিতা: হাজি জহির উদ্দিন খান—আক্কাস, মাতা: মমতাজ বেগম) নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার দিঘলিয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কুমড়ী মধ্যপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। পরিবারের স্বপ্ন পূরণ ও জীবিকার তাগিদে তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাতারে প্রবাস জীবন কাটাচ্ছিলেন।পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ১২ এপ্রিল সকাল ৮টা ৪৭ মিনিটে পরিবারের সঙ্গে তার সর্বশেষ কথা হয়। কথোপকথনের কিছুক্ষণ পরই হঠাৎ করে তিনি অফলাইনে চলে যান। এরপর থেকে তার ব্যবহৃত ইমো, হোয়াটসঅ্যাপসহ সকল যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল করা হলে রিং হলেও তিনি ফোন রিসিভ করছেন না। এই অস্বাভাবিক পরিস্থিতি পরিবারকে আরও আতঙ্কিত করে তুলেছে।দিন গড়াচ্ছে, কিন্তু প্রিয় সন্তানের কোনো খোঁজ না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তার বাবা-মা। প্রতিটি মুহূর্ত যেন তাদের জন্য এক একটি দীর্ঘ দুঃস্বপ্নের মতো। মায়ের চোখে ঘুম নেই, বাবার কণ্ঠে উদ্বেগ—“আমার ছেলেটার কি হয়েছে, কোথায় আছে, বেঁচে আছে কিনা—কিছুই জানি না”—এমন আকুতি জানিয়ে তারা সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন।পরিবারের সদস্যরা জানান, স্থানীয়ভাবে ও প্রবাসে পরিচিতজনদের মাধ্যমে সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ নেওয়া হয়েছে, কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এমন অবস্থায় তারা কাতারে অবস্থানরত বাংলাদেশি কমিউনিটি, প্রবাসী সংগঠন, দূতাবাস ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।এ ঘটনায় মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে সকলের সহানুভূতি ও সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল। একটি পরিবারের হাসি-আনন্দ আজ অনিশ্চয়তার অন্ধকারে নিমজ্জিত—শুধু একটি খবর, একটি তথ্যই ফিরিয়ে দিতে পারে সেই হারিয়ে যাওয়া স্বস্তি।বিশেষ অনুরোধ:যদি কোনো সহৃদয় ব্যক্তি নিখোঁজ প্রবাসী লিংকন খানের অবস্থান সম্পর্কে সামান্যতম তথ্যও পেয়ে থাকেন বা যেভাবে খুঁজে পাওয়া যেতে পারে , তাহলে অনুগ্রহ করে দ্রুত তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন +8801716802230 এবং তথ্যটি ছড়িয়ে দিয়ে মানবিক সহায়তায় এগিয়ে আসুন।সকলের কাছে মানবিক আবেদন:একটি শেয়ারই হতে পারে একজন নিখোঁজ প্রবাসীকে ফিরে পাওয়ার শেষ আশার আলো। সবাইকে পোস্টটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।সবাইকে ধন্যবাদ সাংবাদিক মো: লিটন সিকদার01716-802230
১২ ঘন্টা আগে

গোপালগঞ্জে রাতের বেলায় শিশুকে প্রস্রাব করাতে গিয়ে গৃহবধূ ধর্ষণ, অভিযুক্তের প্যান্ট-ও মোবাইল উদ্ধার

গোপালগঞ্জে রাতের বেলায় শিশুকে প্রস্রাব করাতে গিয়ে গৃহবধূ ধর্ষণ, অভিযুক্তের প্যান্ট-ও মোবাইল উদ্ধার স্টাফ রিপোর্টার মোঃ লিটন শিকদার  : গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে গভীর রাতে শিশুকে প্রস্রাব করাতে ঘরের বাইরে বের হওয়ার পর এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গৃহবধূ বাদী হয়ে হাফিজ মোল্যা (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে আসামি করে কাশিয়ানী থানায় মামলা দায়ের করেছেন। বুধবার (১৫ এপ্রিল) দিবাগত রাতে উপজেলার রাজপাট ইউনিয়নের বড়বাহিরবাগ গ্রামে এ নৃশংস ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত হাফিজ মোল্লা ওই গ্রামের আবুল মোল্যার ছেলে।মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন ভুক্তভোগী গৃহবধূর স্বামী বড় সন্তানকে নিয়ে তার বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। ভুক্তভোগী নারী তার দুই বছর বয়সি শিশু সন্তানকে নিয়ে বাড়িতে একা ছিলেন। বুধবার রাত আনুমানিক ১টার দিকে শিশুটিকে প্রস্রাব করানোর জন্য তিনি বসতঘরের বাইরে বের হন। এ সুযোগে ওত পেতে থাকা প্রতিবেশী হাফিজ মোল্যা পেছন থেকে ওই গৃহবধূর মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক ঘরের ভেতর নিয়ে ধর্ষণ করে।এ সময় গৃহবধূর চিৎকার শিশুর কান্নাকাটি শুনে বাড়ির অন্য সদস্য এবং প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে অভিযুক্ত হাফিজ দ্রুত পালিয়ে যায়। ঘটনার আকস্মিকতায় অভিযুক্ত ব্যক্তি তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন, হাতঘড়ি, চাবি ও পরিহিত প্যান্ট ঘটনাস্থলেই ফেলে রেখে যায়।ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত হাফিজ মোল্লা পলাতক রয়েছেন। তার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সাংবাদিক পরিচয় পেয়েই তিনি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। এ বিষয়ে কাশিয়ানী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শেখ তাজ উদ্দিন আহমেদ মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে মামলা করেছেন। আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।’
১৯ এপ্রিল ২০২৬
গোপালগঞ্জে বেওয়ারিস কুকুরের আতঙ্ক: নারী-শিশুসহ আহত হাসপাতালে ভ্যাকসিন সংকট

গোপালগঞ্জে বেওয়ারিস কুকুরের আতঙ্ক: নারী-শিশুসহ আহত হাসপাতালে ভ্যাকসিন সংকট

গোপালগঞ্জে বেওয়ারিস কুকুরের আতঙ্ক: নারী-শিশুসহ আহত, হাসপাতালে ভ্যাকসিন সংকট স্টাফ রিপোর্টার : মো: লিটন শিকদারগোপালগঞ্জে বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব চরম আকার ধারণ করেছে। শহর থেকে শুরু করে বিভিন্ন এলাকায় দলবদ্ধ কুকুরের অবাধ বিচরণে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে শিশু ও শিক্ষার্থীরা চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। সাম্প্রতিক সময়ে জেলার তেঘরিয়া এলাকায় পাগলা কুকুরের কামড়ে শওকত হোসেনের স্ত্রী ফারহানা, কোটন শেখ ও বিজয় বিশ্বাসসহ অন্তত একজন শিক্ষার্থী তরুণী গুরুতর আহত হয়েছেন।আহতদের চিকিৎসার জন্য গোপালগঞ্জের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ছুটলে সেখানেও মিলেছে ভোগান্তির চিত্র। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সরকারিভাবে সরবরাহকৃত অ্যান্টি-র‍্যাবিস ভ্যাকসিনের তীব্র সংকট রয়েছে। ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ ও রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, সরকারি হাসপাতালে ভ্যাকসিন না পেয়ে তাদের উচ্চমূল্যে বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে বাধ্য হতে হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক রাজমিস্ত্রীর স্ত্রী জানান, কুকুরে কামড় খাওয়া দুই বছরের শিশুকে নিয়ে হাসপাতালে গেলে বাইরে থেকে ৫০০ টাকা দিয়ে ভ্যাকসিন কিনে আনতে বলা হয়, যা দরিদ্র পরিবারের জন্য অত্যন্ত কষ্টসাধ্য। হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মাঝেমধ্যেই ভ্যাকসিনের মজুত শেষ হয়ে যাচ্ছে এবং নতুন সরবরাহ পেতে বিলম্ব হচ্ছে। কুকুরের কামড়ের শিকার রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ায় নিয়মিত চাহিদা মেটানো হাসপাতালের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছে।এ বিষয়ে স্থানীয় পৌর কর্তৃপক্ষের নির্লিপ্ততায় জনমনে ক্ষোভ বাড়ছে। বেওয়ারিশ কুকুর নিধন বা নিয়ন্ত্রণের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেই কেন—এমন প্রশ্নের জবাবে পৌর সচিব রকিবুল ইসলাম জানান, বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী কুকুর নিধন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তাই এ বিষয়ে পৌর কর্তৃপক্ষের কোনো আইনি সুযোগ নেই। এছাড়া ভ্যাকসিন সংকটের বিষয়ে তিনি দায় এড়াতে গিয়ে বলেন, এটি তাদের আওতাভুক্ত কোনো বিষয় নয়।পৌর এলাকা ও হাসপাতাল প্রাঙ্গণে অবাধে ঘুরে বেড়ানো এই বেওয়ারিশ কুকুরগুলো এখন সাধারণ মানুষের জন্য বড় ধরণের স্বাস্থ্যঝুঁকি ও আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত ভ্যাকসিনের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তায় বিকল্প কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
৩ ঘন্টা আগে
গোপালগঞ্জে বেওয়ারিস কুকুরের আতঙ্ক: নারী-শিশুসহ আহত হাসপাতালে ভ্যাকসিন সংকট

গোপালগঞ্জে বেওয়ারিস কুকুরের আতঙ্ক: নারী-শিশুসহ আহত হাসপাতালে ভ্যাকসিন সংকট

গোপালগঞ্জে বেওয়ারিস কুকুরের আতঙ্ক: নারী-শিশুসহ আহত, হাসপাতালে ভ্যাকসিন সংকট স্টাফ রিপোর্টার : মো: লিটন শিকদারগোপালগঞ্জে বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব চরম আকার ধারণ করেছে। শহর থেকে শুরু করে বিভিন্ন এলাকায় দলবদ্ধ কুকুরের অবাধ বিচরণে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে শিশু ও শিক্ষার্থীরা চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। সাম্প্রতিক সময়ে জেলার তেঘরিয়া এলাকায় পাগলা কুকুরের কামড়ে শওকত হোসেনের স্ত্রী ফারহানা, কোটন শেখ ও বিজয় বিশ্বাসসহ অন্তত একজন শিক্ষার্থী তরুণী গুরুতর আহত হয়েছেন।আহতদের চিকিৎসার জন্য গোপালগঞ্জের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ছুটলে সেখানেও মিলেছে ভোগান্তির চিত্র। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সরকারিভাবে সরবরাহকৃত অ্যান্টি-র‍্যাবিস ভ্যাকসিনের তীব্র সংকট রয়েছে। ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ ও রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, সরকারি হাসপাতালে ভ্যাকসিন না পেয়ে তাদের উচ্চমূল্যে বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে বাধ্য হতে হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক রাজমিস্ত্রীর স্ত্রী জানান, কুকুরে কামড় খাওয়া দুই বছরের শিশুকে নিয়ে হাসপাতালে গেলে বাইরে থেকে ৫০০ টাকা দিয়ে ভ্যাকসিন কিনে আনতে বলা হয়, যা দরিদ্র পরিবারের জন্য অত্যন্ত কষ্টসাধ্য। হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মাঝেমধ্যেই ভ্যাকসিনের মজুত শেষ হয়ে যাচ্ছে এবং নতুন সরবরাহ পেতে বিলম্ব হচ্ছে। কুকুরের কামড়ের শিকার রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ায় নিয়মিত চাহিদা মেটানো হাসপাতালের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছে।এ বিষয়ে স্থানীয় পৌর কর্তৃপক্ষের নির্লিপ্ততায় জনমনে ক্ষোভ বাড়ছে। বেওয়ারিশ কুকুর নিধন বা নিয়ন্ত্রণের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেই কেন—এমন প্রশ্নের জবাবে পৌর সচিব রকিবুল ইসলাম জানান, বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী কুকুর নিধন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তাই এ বিষয়ে পৌর কর্তৃপক্ষের কোনো আইনি সুযোগ নেই। এছাড়া ভ্যাকসিন সংকটের বিষয়ে তিনি দায় এড়াতে গিয়ে বলেন, এটি তাদের আওতাভুক্ত কোনো বিষয় নয়।পৌর এলাকা ও হাসপাতাল প্রাঙ্গণে অবাধে ঘুরে বেড়ানো এই বেওয়ারিশ কুকুরগুলো এখন সাধারণ মানুষের জন্য বড় ধরণের স্বাস্থ্যঝুঁকি ও আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত ভ্যাকসিনের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তায় বিকল্প কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
৩ ঘন্টা আগে
অনলাইন কেসিনো জুয়া বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

অনলাইন কেসিনো জুয়া বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

অনলাইন কেসিনো জুয়া বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনানিজস্ব প্রতিবেদক:বাংলাদেশে অনলাইন কেসিনো ও জুয়া ভয়াবহ সামাজিক সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ থেকে শুরু করে যুব সমাজের একটি বড় অংশ এই অবৈধ অনলাইন জুয়ার সাথে জড়িয়ে পড়ছে। এর ফলে পরিবারে অশান্তি, আর্থিক সংকট, ঋণগ্রস্ততা, এমনকি মারামারি ও অপরাধের ঘটনাও বাড়ছে বলে স্থানীয়দের দাবি।সচেতন মহলের মতে, সহজলভ্য মোবাইল অ্যাপ ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে জুয়ার বিস্তার ঘটায় বিভিন্ন বয়সের মানুষ আসক্ত হয়ে পড়ছেন। এতে অনেক পরিবারে ভাঙন ও সামাজিক অবক্ষয় দেখা দিচ্ছে।এ প্রেক্ষাপটে দেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর কাছে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন উদ্বিগ্ন নাগরিকরা। তারা অবৈধ অনলাইন কেসিনো সাইট বন্ধ, সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানান।বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কঠোর নজরদারি ও প্রযুক্তিগত নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি আসক্তদের পুনর্বাসন ও কাউন্সেলিং ব্যবস্থাও জরুরি হয়ে পড়েছে। অন্যথায় এই সমস্যা ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।
৮ ঘন্টা আগে
১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন
সালথায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রকাশিত নিউজের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

সালথায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রকাশিত নিউজের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

ফরিদপুরের সালথায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনলাইনে প্রকাশিত নিউজের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সিংহপ্রতাপ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো সাহেবুল ইসলাম।  সোমবার (৬ এপ্রিল)  সন্ধায় সালথা তেলের পাম্প সংলগ্ন গণমাধ্যম কর্মীদের অফিসে সালথায় কর্মরত সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সহকারী শিক্ষক মো. সাহেবুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আমি সিংহপ্রতাব সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। গতকাল ৫ এপ্রিল কয়েকটি অনলাইন পোর্টালে আমার নামে নানা অভিযোগ এনে ভিত্তিহীন মিথ্যা ও বানোয়াট বিষয় তুলে ধরে আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে ভুয়া নিউজ করা হয়েছে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি স্বঘোষিত শিক্ষক নেতা নই, আমি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক। এই কমিটি আগেই অনুমোদন করে এনেছি। শিক্ষকদের মধ্যে বিভাজন থাকায় কমিটি প্রকাশ করিনি।  আমার বিরুদ্ধে আনা ১৪দিন জেল খাটার অভিযোগটি মিথ্যা। ওই মামলায় আমি মাত্র একদিন জেলে থেকে আদালতের রায়ে বেকসুর খালাস পেয়েছি। আমি স্কুলে নিয়মিত ক্লাস নেই। ক্লাস শেষ করে উপজেলায় আসি। আমি কোন কোচিং করাই না, রেজুলেশনের মাধ্যমে অতিরিক্ত ক্লাস নেই। কোন প্রাইভেট বাণিজ্য করি না। অথচ একটি পক্ষ আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন নিউজ করেছে।  আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।  উল্লেখ্য যে, ৫ এপ্রিল শিক্ষক নেতা মো. সাহেবুল ইসলামের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে সংবাদ প্রকাশিত হয়। 
০৬ এপ্রিল ২০২৬
হাতিয়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার অনুষ্ঠান

হাতিয়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার অনুষ্ঠান

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে হাতিয়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার(১২ মার্চ) সন্ধ্যায় নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলা শহর কলেজ রোডস্থ 'হাতিয়া প্রেসক্লাব' প্রাঙ্গণে এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। হাতিয়া প্রেসক্লাবের নির্বাচিত সভাপতি মো. ফিরোজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে আলোচনা করেন, হাতিয়া মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির সভাপতি মাওলানা একিউএম ইদ্রিস, মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি আ.ন.ম হাসান, এখন টিভির নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি নাসিম শুভ প্রমুখ। হাতিয়া প্রেসক্লাবের সদস্য ছায়েদ আহামেদ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তারা সামাজিক দায়বদ্ধতার উপর অবিচল থেকে গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহবান জানান। এসময় উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান, পুলিশ প্রশাসন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারি, চ্যানেল আই এর নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি আলাউদ্দিন শিবলী, নাগরিক টিভির প্রতিনিধি মো. সোহেল উদ্দিন, হাতিয়া প্রেসক্লাবের সদস্যবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার দুই শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন হাতিয়া প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা আমির হামজা। পরে দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং মুসলিম উম্মাহসহ আক্রান্ত ইরান ও ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের জন্য বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা জিয়াউল হক।
১৬ ঘন্টা আগে
নেত্রকোনা দুর্গাপুরে শুরু হচ্ছে হিফজুল কুরআন হামদ-নাত ও আজান প্রতিযোগিতা-২০২৬

নেত্রকোনা দুর্গাপুরে শুরু হচ্ছে হিফজুল কুরআন হামদ-নাত ও আজান প্রতিযোগিতা-২০২৬

১৬ ঘন্টা আগে
অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরার আত্মহত্যা

অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরার আত্মহত্যা

জনপ্রিয় অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরা আত্মহত্যা করেছেন। দেশের বেসরকারি একটি গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে অভিনেতার শ্বশুরবাড়ি পরিবার।শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে।অভিনেতা বর্তমানে নেপালে আছেন। তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি এখন কথা বলার মতো অবস্থায় নেই।জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ৪১ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন ইকরা। ২০১০ সালের ৯ নভেম্বর মাত্র ১৯ বছর বয়সে তারা পালিয়ে বিয়ে করেছিলেন আলভী-ইকরা।দীর্ঘ ১৪ বছর পর ২০২৪ সালে তাদের বিয়ের খবরটি প্রকাশ্যে আসে। তাদের সংসারে প্রিয়মায়া নামে একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কোন ছবি নেই !
কোন ছবি নেই !
কাউনিয়ার মীরবাগ বাসস্ট্যান্ডে ভেজাল কৃষি ওষুধ জব্দ করে ধ্বংস করেছে প্রশাসন।

কাউনিয়ার মীরবাগ বাসস্ট্যান্ডে ভেজাল কৃষি ওষুধ জব্দ করে ধ্বংস করেছে প্রশাসন।

রংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় কৃষিতে ব্যবহারের নামে বাজারজাত করা ভেজাল ওষুধ জব্দ করে ধ্বংস করেছে প্রশাসন। উপজেলার মীরবাগ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত যৌথ অভিযানে এসব ভেজাল কৃষি ওষুধ উদ্ধার করা হয়। অভিযানের পর বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।আজ রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ দুপুর ১টায় পরিচালিত অভিযানে এ সব ভেজাল কৃষি ওষুধ জব্দ করা হয়।জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র কৃষকদের কাছে বিভিন্ন নামি কোম্পানির মোড়ক ও বোতলে ভেজাল কৃষি ওষুধ সরবরাহ করে আসছিল বলে অভিযোগ ছিল। এসব ওষুধ ব্যবহার করে অনেক কৃষক কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ায় সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।অভিযানে নেতৃত্ব দেন কাউনিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানিয়া আক্তার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অংকন পাল এবং কাউনিয়া থানা পুলিশের একটি টিম। অভিযান চলাকালে পাঁচ কার্টন বোতলজাত ভেজাল কৃষি ওষুধ জব্দ করা হয়। যার মধ্যে ‘এমিস্টার টপ’ ও বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নামে প্রায় ৫০ বোতল তরল ওষুধ পাওয়া যায়।কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, এসব ওষুধ কৃষিতে ব্যবহারের জন্য বিক্রি করা হলেও মানহীন ও ভেজাল হওয়ায় কৃষকদের জন্য বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হতে পারত। ভেজাল ওষুধ ব্যবহারে ফসলের রোগ দমন না হয়ে বরং ফসল নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকে। পাশাপাশি মাটির উর্বরতা কমে যাওয়া, পরিবেশ দূষণ এবং কৃষকদের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কাও থাকে।পরে জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ ও কৃষি সুরক্ষার স্বার্থে জব্দকৃত সব ভেজাল কৃষি ওষুধ ঘটনাস্থলেই মাটিতে পুঁতে ধ্বংস করা হয়। এ সময় স্থানীয় লোকজনও উপস্থিত ছিলেন।উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, কৃষকদের সঙ্গে প্রতারণা করে কেউ যেন ভেজাল কৃষি উপকরণ বাজারজাত করতে না পারে, সে বিষয়ে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। ভেজাল সার, বীজ, কীটনাশক ও কৃষি ওষুধের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।স্থানীয় কৃষকরা প্রশাসনের এ পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ভেজাল কৃষি ওষুধের কারণে কৃষকরা বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তাই এসব অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
১৬ ঘন্টা আগে
নিজের নিরাপত্তা চেয়ে ভয়ে কাঁদছেন ঝিনুক—অভিযুক্ত স্বামী ডিএমপির ট্রাফিক ইনস্পেক্টর

নিজের নিরাপত্তা চেয়ে ভয়ে কাঁদছেন ঝিনুক—অভিযুক্ত স্বামী ডিএমপির ট্রাফিক ইনস্পেক্টর

ঢাকা মহানগরীর তুরাগ থানা এলাকায় যৌতুকের টাকা দাবি করে গৃহবধূকে শারীরিক নির্যাতন ও জখম করার অভিযোগ উঠেছে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আছিয়া আক্তার ঝিনুক (২০) তুরাগ মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিয়ের পর থেকেই আছিয়া আক্তার ঝিনুকের স্বামী মো. জলিল মিয়া ও তার পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন সময় যৌতুকের নামে টাকা-পয়সা দাবি করে আসছিলেন। অভিযোগকারী জানান, তাদের বিয়ের পর থেকে ধাপে ধাপে ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা দিতে তাকে বাধ্য করা হয়। এমনকি প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের একটি মোবাইল ফোন কিনে দিতেও বাধ্য করা হয় তাকে।ঝিনুক অভিযোগে আরও বলেন, তিনি গর্ভবতী থাকাকালীনও স্বামীর নির্যাতন থেকে রেহাই পাননি। সর্বশেষ ১৪ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ সন্ধ্যা ৬টার দিকে স্বামী জলিল মিয়া পুনরায় ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। টাকা দিতে অসম্মতি জানালে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা তাকে মারধর করে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম হয়।জানা গেছে, অভিযুক্ত ট্রাফিক ইনস্পেক্টর (টিআই) জলিল মিয়া বর্তমানে ধউর ট্রাফিক পুলিশ বক্স, ট্রাফিক পশ্চিম জোন, উত্তরা ট্রাফিক বিভাগ, ডিএমপি–তে কর্মরত।এ বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাইলে টিআই জলিল মিয়া বলেন—আমি তাকে নোটিশ পাঠিয়েছি, বিষয়টি আদালত দেখবে। আমাকে অভিযোগ দিয়ে কিছুই করতে পারবে না, কারণ আমি আইনের লোক।”অপরদিকে, ধারাবাহিক নির্যাতনে আছিয়া আক্তার ঝিনুকের শারীরিক অবস্থা অবনতি হওয়ায় আত্মীয়স্বজনের পরামর্শে তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন এবং নিজের ও অনাগত সন্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনগত সহায়তা চান।এ বিষয়ে তুরাগ মডেল থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই অপূর্ব বলেন—জলিল স্যার আমাদের উপরস্থ কর্মকর্তা। তাকে এভাবে কিছু জিজ্ঞেস করতে পারি না। তদন্তের মাধ্যমে সব জানা যাবে।তুরাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন—“অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ঘটনা বিষয়ে উত্তরা ট্রাফিক বিভাগের ডিসি–র সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন—আমি বিষয়টি অবগত নই। যদি এমন অভিযোগ সত্যি হয়ে থাকে, তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিজস্ব প্রতিনিধি