ওপেন নিউজ ২৪
সর্বশেষ

২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ: গোপালগঞ্জে সওজ-এর বর্ণাঢ্য কর্মসূচি শুরু

নির্বাচনী অঙ্গীকারে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ: গোপালগঞ্জে সওজ-এর বর্ণাঢ্য কর্মসূচি শুরুস্টাফ রিপোর্টার : মো: লিটন সিকদার গোপালগঞ্জে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের এক অনন্য উদ্যোগ হিসেবে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির যাত্রা শুরু হয়েছে। আজ বুধবার (১ এপ্রিল ২০২৬) সকালে গোপালগঞ্জ সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের কার্যালয় প্রাঙ্গণে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়।সকাল থেকেই উৎসবমুখর পরিবেশে জেলা প্রশাসন ও সড়ক বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এই সবুজ বিপ্লবের সূচনা ঘটে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফ-উজ-জামান একটি বকুল ফুলের চারা রোপণ করে আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিশাল কর্মযজ্ঞের উদ্বোধন করেন। এ সময় জেলা প্রশাসক তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সময়ে পরিবেশ রক্ষা কোনো শৌখিনতা নয়, বরং বেঁচে থাকার লড়াই। সরকারের এই ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্যমাত্রা সফল করতে পারলে দেশের মানচিত্র সবুজে ছেয়ে যাবে, যা আগামী প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ পৃথিবী নিশ্চিত করবে। তিনি সাধারণ জনগণকে নিজ উদ্যোগে অন্তত একটি করে চারা রোপণের আহ্বান জানান।এরপর পর্যায়ক্রমে পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ একটি কদম চারা রোপণ করেন। কর্মসূচিতে আরও অংশ নেন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (সওজ) মো. সাদেকুল ইসলাম, যিনি কামিনী চারা রোপণ করেন। তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নাজমুল হাসান রাধাচূড়া এবং নির্বাহী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম কাঠগোলাপের চারা রোপণের মাধ্যমে বৃক্ষরোপণ উৎসবে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেন।সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, কেবল চারা রোপণ করলেই এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য সফল হবে না; বরং প্রতিটি চারার যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচর্যার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বক্তারা বলেন, পরিকল্পিত বনায়ন ও নজরদারির মাধ্যমে এই ২৫ কোটি বৃক্ষ আমাদের ইকোসিস্টেমে আমূল পরিবর্তন আনবে। অনুষ্ঠানে সওজ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। দেশের সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনে এই কর্মসূচি একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
৯ ঘন্টা আগে

হাতিয়া দ্বীপ নিউ মার্কেটের র‍্যাফেল ড্র ও পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন

পবিত্র ঈদুল ফিতর ২০২৬ উপলক্ষে হাতিয়া দ্বীপ ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেডের উদ্যোগে র‍্যাফেল ড্র ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) হাতিয়া দ্বীপ নিউ মার্কেট এলাকায় এ র‍্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমিতির সভাপতি জনাব মোঃ নাজিম উদ্দিন। সভাপতিত্ব করেন সাধারণ সম্পাদক জনাব আবদুল কাদের। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন হাতিয়া দ্বীপ নিউ মার্কেটের ব্যবসায়ীবৃন্দ।অনুষ্ঠানে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, বিশেষ করে পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত থেকে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন।জানা যায়, ঈদ উপলক্ষে ক্রেতাদের জন্য বিশেষ এই আয়োজন করা হয়, যেখানে প্রতি ৩০০ টাকার পণ্য ক্রয়ের বিপরীতে একটি করে কুপন প্রদান করা হয়। সেই কুপনের ভিত্তিতেই র‍্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়।র‍্যাফেল ড্র-তে প্রথম পুরস্কার হিসেবে একটি মোটরসাইকেল, দ্বিতীয় পুরস্কার একটি ফ্রিজ, তৃতীয় পুরস্কার একজোড়া সোনার কানের দুল, চতুর্থ পুরস্কার একটি এলইডি টিভি এবং পঞ্চম পুরস্কার একটি বাইসাইকেলসহ মোট ৫০টি আকর্ষণীয় পুরস্কার রাখা হয়। এছাড়াও একাধিক মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন পুরস্কার প্রদান করা হয়।প্রথম পুরস্কার হিসেবে মোটরসাইকেল জিতে নেন পশ্চিম চর লক্ষীদিয়া এলাকার আফিপা নামের এক ভাগ্যবান ক্রেতা (কুপন নং: ২৪৫৭৭)। পরবর্তীতে তাকে ফোনে জানানো হলে তার বাবা ও দাদা উপস্থিত হয়ে পুরস্কার গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানটি ঘিরে ক্রেতা ও স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।
০১ এপ্রিল ২০২৬

সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হতে চান অদম্য নেত্রী জেসমিনা খানম

​সুদীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ার এবং তৃণমূল থেকে উঠে আসা সামাজিক কর্মকাণ্ডের অভিজ্ঞতায় এবার জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব করতে চান চট্টগ্রামের বিশিষ্ট নারী নেত্রী জেসমিনা খানম। আসন্ন সংরক্ষিত মহিলা আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়ে নারী অধিকার রক্ষা ও সমাজ উন্নয়নে আরও বড় পরিসরে ভূমিকা রাখাই এখন তাঁর মূল লক্ষ্য।​১৯৭১ সালের ১০ মার্চ জন্মগ্রহণ করা জেসমিনা খানম চট্টগ্রামের হালিশহর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের এক পরিচিত ও সমাদৃত নাম। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এবং চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা দলের প্রথম সহ-সভাপতি হিসেবে অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সংরক্ষিত ১০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর (২০১৫-২০১৯) হিসেবে তৃণমূল পর্যায়ে জনগণের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন।​২০১৮ সালের সংসদ নির্বাচনে তিনি চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসন থেকে দলীয় মনোনয়নের আবেদন করেছিলেন, যা তাঁর রাজনৈতিক দূরদর্শিতা ও সাহসিকতারই বহিঃপ্রকাশ।​রাজনীতির পাশাপাশি সমাজ সংস্কারে জেসমিনা খানমের অবদান অপরিসীম। তিনি নারী অধিকার রক্ষায় সোচ্চার সংগঠন ‘নারী ঐক্য বাংলাদেশ (নোবা)’-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি। এছাড়া তিনি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা আইন সহায়তা কেন্দ্র (আসক)-এর চট্টগ্রাম বিভাগীয় উপদেষ্টা এবং চট্টগ্রাম একাডেমীর আজীবন সদস্য।​দারিদ্র্য বিমোচনে ‘দি হাঙ্গার প্রজেক্ট’ এবং ইউনেস্কো ও ইরানের সহযোগিতায় পরিচালিত ‘এস.এস.কো’ প্রকল্পে তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ তাঁকে একজন দক্ষ সমাজসেবী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।​জাতীয় পর্যায়ে নেতৃত্বের জন্য নিজেকে যোগ্য করে তুলতে জেসমিনা খানম দেশ-বিদেশে বিভিন্ন উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। যুব অধিদপ্তরের লিডারশিপ ট্রেনিং এবং ন্যাশনাল ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের (এনডিআই) নারী ক্ষমতায়ন বিষয়ক কর্মশালাগুলোতে অংশগ্রহণ তাঁর রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রজ্ঞাকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।​নিজের লক্ষ্য সম্পর্কে জেসমিনা খানম বলেন,​ "সংসদে নারী প্রতিনিধিত্ব কেবল একটি পদমর্যাদা নয়, এটি নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে পরিবর্তন আনার একটি বড় সুযোগ। সংরক্ষিত আসনে এমপি হিসেবে সুযোগ পেলে আমি নারীর ক্ষমতায়ন, নারী ও শিশুদের সুরক্ষা এবং দারিদ্র্য বিমোচনে দেশব্যাপী কার্যকর ভূমিকা রাখতে চাই। আমার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও সামাজিক অভিজ্ঞতাকে আমি রাষ্ট্রের কল্যাণে উৎসর্গ করতে প্রস্তুত।"​চট্টগ্রামের রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলের বোদ্ধারা মনে করছেন, মাঠ পর্যায়ের কাজের অভিজ্ঞতা এবং স্বচ্ছ রাজনৈতিক ভাবমূর্তির কারণে সংরক্ষিত আসনে জেসমিনা খানম একজন অত্যন্ত শক্তিশালী ও যোগ্য দাবিদার। তাঁর এই দীর্ঘ পথচলা এবং ত্যাগের মূল্যায়ন হলে চট্টগ্রামের নারী নেতৃত্ব ও সমাজসেবা আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে বলে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা।
৩১ মার্চ ২০২৬
লালমোহনে জমি বিরোধে চাচার হামলায় তিন ভাতিজী আহত, আতঙ্কে পরিবার থানায় অভিযো

লালমোহনে জমি বিরোধে চাচার হামলায় তিন ভাতিজী আহত, আতঙ্কে পরিবার থানায় অভিযো

ভোলার লালমোহনে দীর্ঘদিনের জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে একই পরিবারের মধ্যে সংঘাত চরম আকার ধারণ করেছে। অভিযোগ উঠেছে, চাচার নেতৃত্বে ধারাবাহিক হামলায় আহত হয়েছেন তিন ভাতিজী। ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে এবং ভুক্তভোগী পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আব্দুল হামিদ মৃত্যুবরণ করার পর তার স্ত্রী ও চার সন্তান অসহায় হয়ে পড়েন। পরিবারের উপার্জনক্ষম কেউ না থাকায় তারা বাধ্য হয়ে চট্টগ্রামে চলে যান। এই সুযোগে মৃতের বড় ভাই ইসমাইল হাওলাদার ধীরে ধীরে তাদের রেখে যাওয়া জমিজমা ভোগদখলে নেন বলে অভিযোগ রয়েছে।দীর্ঘদিন পর সন্তানরা বড় হলে প্রায় তিন বছর আগে তারা নিজ গ্রামে ফিরে আসেন। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে কিছু জমি ফিরে পেয়ে সেখানে ঘর তুলে বসবাস শুরু করেন। তবে সেই বিরোধের অবসান হয়নি; বরং সময়ের সঙ্গে তা আরও তীব্র হয়ে ওঠে।ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, তারা মাঝে মাঝে গ্রামে এলে প্রতিনিয়ত হুমকি, হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হন। সর্বশেষ ঈদ উপলক্ষে গ্রামে এসে আবারও হামলার শিকার হন তারা।গত মঙ্গলবার সকালে পরিবারের এক শিশুকে কেন্দ্র করে ঘটনার সূত্রপাত ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, শিশুটি পুকুরে মাছ ধরতে গেলে ইসমাইল হাওলাদার তাকে মারধর করেন। এ সময় শিশুটির মা কুলসুম, খালা জিনাদ নুসাইবা ও রাবেয়া প্রতিবাদ জানাতে এগিয়ে গেলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। অভিযুক্তদের মধ্যে ইসমাইল হাওলাদার, তার নাতি ইলিয়াস, শফিকসহ আরও কয়েকজন নারী-পুরুষ ছিলেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।হামলার সময় এলোপাতাড়ি মারধর ও ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করা হয়। এতে গুরুতর আহত হন কুলসুম (৩২), জিনাদ নুসাইবা (২৫) ও রাবেয়া (২২)। স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। গুরুতর অবস্থায় কুলসুমকে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।উল্লেখ্য, আহতদের মধ্যে জিনাদ নুসাইবা একটি অনুমোদিত আইপি টেলিভিশন CHDNews24-এর প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার পরদিন বুধবারও অভিযুক্তরা আবার বাড়িতে গিয়ে হামলার চেষ্টা চালায়। এ সময় আতঙ্কে ভুক্তভোগীরা ঘরের ভেতরে অবস্থান নেন। হামলাকারীরা বাড়ির চারপাশে ভাঙচুর চালায় এবং পুকুরে যাওয়ার পথসহ বাইরে যাতায়াতের রাস্তা কাঁটার বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেয়।ভুক্তভোগী জিনাদ নুসাইবা জানান, জমির ন্যায্য অধিকার ও পারিবারিক পুকুর ব্যবহারের বিষয় নিয়ে কথা বলার জেরেই এই হামলা হয়েছে। হামলার সময় তাকে লক্ষ্য করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাতের চেষ্টা করা হলে বড় বোন কুলসুম প্রতিরোধ করতে গিয়ে গুরুতর আহত হন।তিনি আরও জানান, তারা ঘরের ভেতরে অবরুদ্ধ অবস্থায় থেকে জানালার ফাঁক দিয়ে ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন এবং বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানান। থানায় যোগাযোগ না পেয়ে জরুরি সেবা নম্বরে কল করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।এ ঘটনায় জিনাদ নুসাইবা লালমোহন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তবে অভিযোগ পাওয়ার পরও দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়ার বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে।অভিযুক্ত ইসমাইল হাওলাদার অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, জমি নিয়ে তাদের মধ্যে পূর্বে থেকেই ভাগাভাগি ছিল এবং কিছু জমি ভাতিজাদের কাছ থেকে ক্রয় করা হয়েছে।এদিকে ভুক্তভোগী পরিবার অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, দ্রুত আইনি ব্যবস্থা না নিলে পারিবারিক এই বিরোধ আরও বড় সংঘাতে রূপ নিতে পারে।
৭ ঘন্টা আগে
লালমোহনে জমি বিরোধে চাচার হামলায় তিন ভাতিজী আহত, আতঙ্কে পরিবার থানায় অভিযো

লালমোহনে জমি বিরোধে চাচার হামলায় তিন ভাতিজী আহত, আতঙ্কে পরিবার থানায় অভিযো

ভোলার লালমোহনে দীর্ঘদিনের জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে একই পরিবারের মধ্যে সংঘাত চরম আকার ধারণ করেছে। অভিযোগ উঠেছে, চাচার নেতৃত্বে ধারাবাহিক হামলায় আহত হয়েছেন তিন ভাতিজী। ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে এবং ভুক্তভোগী পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আব্দুল হামিদ মৃত্যুবরণ করার পর তার স্ত্রী ও চার সন্তান অসহায় হয়ে পড়েন। পরিবারের উপার্জনক্ষম কেউ না থাকায় তারা বাধ্য হয়ে চট্টগ্রামে চলে যান। এই সুযোগে মৃতের বড় ভাই ইসমাইল হাওলাদার ধীরে ধীরে তাদের রেখে যাওয়া জমিজমা ভোগদখলে নেন বলে অভিযোগ রয়েছে।দীর্ঘদিন পর সন্তানরা বড় হলে প্রায় তিন বছর আগে তারা নিজ গ্রামে ফিরে আসেন। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে কিছু জমি ফিরে পেয়ে সেখানে ঘর তুলে বসবাস শুরু করেন। তবে সেই বিরোধের অবসান হয়নি; বরং সময়ের সঙ্গে তা আরও তীব্র হয়ে ওঠে।ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, তারা মাঝে মাঝে গ্রামে এলে প্রতিনিয়ত হুমকি, হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হন। সর্বশেষ ঈদ উপলক্ষে গ্রামে এসে আবারও হামলার শিকার হন তারা।গত মঙ্গলবার সকালে পরিবারের এক শিশুকে কেন্দ্র করে ঘটনার সূত্রপাত ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, শিশুটি পুকুরে মাছ ধরতে গেলে ইসমাইল হাওলাদার তাকে মারধর করেন। এ সময় শিশুটির মা কুলসুম, খালা জিনাদ নুসাইবা ও রাবেয়া প্রতিবাদ জানাতে এগিয়ে গেলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। অভিযুক্তদের মধ্যে ইসমাইল হাওলাদার, তার নাতি ইলিয়াস, শফিকসহ আরও কয়েকজন নারী-পুরুষ ছিলেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।হামলার সময় এলোপাতাড়ি মারধর ও ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করা হয়। এতে গুরুতর আহত হন কুলসুম (৩২), জিনাদ নুসাইবা (২৫) ও রাবেয়া (২২)। স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। গুরুতর অবস্থায় কুলসুমকে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।উল্লেখ্য, আহতদের মধ্যে জিনাদ নুসাইবা একটি অনুমোদিত আইপি টেলিভিশন CHDNews24-এর প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার পরদিন বুধবারও অভিযুক্তরা আবার বাড়িতে গিয়ে হামলার চেষ্টা চালায়। এ সময় আতঙ্কে ভুক্তভোগীরা ঘরের ভেতরে অবস্থান নেন। হামলাকারীরা বাড়ির চারপাশে ভাঙচুর চালায় এবং পুকুরে যাওয়ার পথসহ বাইরে যাতায়াতের রাস্তা কাঁটার বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেয়।ভুক্তভোগী জিনাদ নুসাইবা জানান, জমির ন্যায্য অধিকার ও পারিবারিক পুকুর ব্যবহারের বিষয় নিয়ে কথা বলার জেরেই এই হামলা হয়েছে। হামলার সময় তাকে লক্ষ্য করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাতের চেষ্টা করা হলে বড় বোন কুলসুম প্রতিরোধ করতে গিয়ে গুরুতর আহত হন।তিনি আরও জানান, তারা ঘরের ভেতরে অবরুদ্ধ অবস্থায় থেকে জানালার ফাঁক দিয়ে ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন এবং বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানান। থানায় যোগাযোগ না পেয়ে জরুরি সেবা নম্বরে কল করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।এ ঘটনায় জিনাদ নুসাইবা লালমোহন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তবে অভিযোগ পাওয়ার পরও দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়ার বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে।অভিযুক্ত ইসমাইল হাওলাদার অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, জমি নিয়ে তাদের মধ্যে পূর্বে থেকেই ভাগাভাগি ছিল এবং কিছু জমি ভাতিজাদের কাছ থেকে ক্রয় করা হয়েছে।এদিকে ভুক্তভোগী পরিবার অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, দ্রুত আইনি ব্যবস্থা না নিলে পারিবারিক এই বিরোধ আরও বড় সংঘাতে রূপ নিতে পারে।
৭ ঘন্টা আগে
অনলাইন কেসিনো জুয়া বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

অনলাইন কেসিনো জুয়া বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

অনলাইন কেসিনো জুয়া বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনানিজস্ব প্রতিবেদক:বাংলাদেশে অনলাইন কেসিনো ও জুয়া ভয়াবহ সামাজিক সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ থেকে শুরু করে যুব সমাজের একটি বড় অংশ এই অবৈধ অনলাইন জুয়ার সাথে জড়িয়ে পড়ছে। এর ফলে পরিবারে অশান্তি, আর্থিক সংকট, ঋণগ্রস্ততা, এমনকি মারামারি ও অপরাধের ঘটনাও বাড়ছে বলে স্থানীয়দের দাবি।সচেতন মহলের মতে, সহজলভ্য মোবাইল অ্যাপ ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে জুয়ার বিস্তার ঘটায় বিভিন্ন বয়সের মানুষ আসক্ত হয়ে পড়ছেন। এতে অনেক পরিবারে ভাঙন ও সামাজিক অবক্ষয় দেখা দিচ্ছে।এ প্রেক্ষাপটে দেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর কাছে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন উদ্বিগ্ন নাগরিকরা। তারা অবৈধ অনলাইন কেসিনো সাইট বন্ধ, সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানান।বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কঠোর নজরদারি ও প্রযুক্তিগত নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি আসক্তদের পুনর্বাসন ও কাউন্সেলিং ব্যবস্থাও জরুরি হয়ে পড়েছে। অন্যথায় এই সমস্যা ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন
দলবদল ও ক্ষমতার ছত্রছায়ায় অধ্যক্ষ আব্দুস সালাম: প্রশ্নের মুখে রাজনৈতিক অবস্থান

দলবদল ও ক্ষমতার ছত্রছায়ায় অধ্যক্ষ আব্দুস সালাম: প্রশ্নের মুখে রাজনৈতিক অবস্থান

সিরাজগঞ্জের কাজীপুর অঞ্চলে অধ্যক্ষ আব্দুস সালামকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে। দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলেও বাস্তবে আওয়ামী লীগ নেতাদের ঘনিষ্ঠ হয়ে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, অধ্যক্ষ আব্দুস সালাম কাজীপুর পৌরসভার প্রথম প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি নির্বাচনের মাধ্যমে পৌর মেয়রও নির্বাচিত হন। তবে ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই তার রাজনৈতিক অবস্থানে বড় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাবেক প্রভাবশালী নেতা মোহাম্মদ নাসিম এবং তার পুত্র মোহাম্মদ তানভীর শাকিল জয়-এর আস্থাভাজন হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন আব্দুস সালাম। অভিযোগ রয়েছে, বিএনপির কাজীপুর উপজেলা সাধারণ সম্পাদক পদে থাকলেও গত প্রায় দেড় দশক ধরে দলীয় কোনো কর্মসূচিতে তাকে সক্রিয়ভাবে দেখা যায়নি। বরং বিভিন্ন জাতীয় দিবস ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের হয়ে কাজ করতে দেখা গেছে তাকে।একাধিক স্থানীয় নেতা-কর্মীর দাবি, রাজনৈতিক সুবিধা হাসিলের জন্য তিনি বারবার অবস্থান পরিবর্তন করেছেন। আওয়ামী লীগ নেতাদের ঘনিষ্ঠতা অর্জনের মাধ্যমে নিজ প্রভাব বিস্তারই ছিল তার মূল লক্ষ্য বলে অভিযোগ ওঠে।বর্তমানে তিনি কাজীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ সেলিম রেজা-এর ব্যক্তিগত সঙ্গী হিসেবে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন বলেও জানা গেছে। এতে করে তার রাজনৈতিক আনুগত্য নিয়ে আরও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে স্থানীয়দের মাঝে।এ বিষয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল এবং ক্ষমতার সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলা গণতান্ত্রিক রাজনীতির জন্য অশনিসংকেত। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের ফলে তৃণমূলের রাজনীতিতে বিভ্রান্তি ও অসন্তোষ বাড়তে পারে।এদিকে, অধ্যক্ষ আব্দুস সালামের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য জানতে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
২২ মার্চ ২০২৬
হাতিয়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার অনুষ্ঠান

হাতিয়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার অনুষ্ঠান

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে হাতিয়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার(১২ মার্চ) সন্ধ্যায় নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলা শহর কলেজ রোডস্থ 'হাতিয়া প্রেসক্লাব' প্রাঙ্গণে এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। হাতিয়া প্রেসক্লাবের নির্বাচিত সভাপতি মো. ফিরোজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে আলোচনা করেন, হাতিয়া মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির সভাপতি মাওলানা একিউএম ইদ্রিস, মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি আ.ন.ম হাসান, এখন টিভির নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি নাসিম শুভ প্রমুখ। হাতিয়া প্রেসক্লাবের সদস্য ছায়েদ আহামেদ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তারা সামাজিক দায়বদ্ধতার উপর অবিচল থেকে গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহবান জানান। এসময় উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান, পুলিশ প্রশাসন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারি, চ্যানেল আই এর নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি আলাউদ্দিন শিবলী, নাগরিক টিভির প্রতিনিধি মো. সোহেল উদ্দিন, হাতিয়া প্রেসক্লাবের সদস্যবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার দুই শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন হাতিয়া প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা আমির হামজা। পরে দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং মুসলিম উম্মাহসহ আক্রান্ত ইরান ও ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের জন্য বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা জিয়াউল হক।
১৮ মার্চ ২০২৬
নেত্রকোনা দুর্গাপুরে শুরু হচ্ছে হিফজুল কুরআন হামদ-নাত ও আজান প্রতিযোগিতা-২০২৬

নেত্রকোনা দুর্গাপুরে শুরু হচ্ছে হিফজুল কুরআন হামদ-নাত ও আজান প্রতিযোগিতা-২০২৬

১৮ মার্চ ২০২৬
অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরার আত্মহত্যা

অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরার আত্মহত্যা

জনপ্রিয় অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরা আত্মহত্যা করেছেন। দেশের বেসরকারি একটি গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে অভিনেতার শ্বশুরবাড়ি পরিবার।শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে।অভিনেতা বর্তমানে নেপালে আছেন। তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি এখন কথা বলার মতো অবস্থায় নেই।জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ৪১ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন ইকরা। ২০১০ সালের ৯ নভেম্বর মাত্র ১৯ বছর বয়সে তারা পালিয়ে বিয়ে করেছিলেন আলভী-ইকরা।দীর্ঘ ১৪ বছর পর ২০২৪ সালে তাদের বিয়ের খবরটি প্রকাশ্যে আসে। তাদের সংসারে প্রিয়মায়া নামে একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কোন ছবি নেই !
কোন ছবি নেই !
রবি মৌসুমে ধান ফসল উৎপাদনে কৃষকরা সাফল্য অর্জন করবেন, বলে আশা করেছেন।

রবি মৌসুমে ধান ফসল উৎপাদনে কৃষকরা সাফল্য অর্জন করবেন, বলে আশা করেছেন।

(মোঃ হাসিব পেসকার) কলাপাড়া উপজেলা প্রতিনিধি।রবি মৌসুমে ধান ফসল উৎপাদনে কৃষকদের সাফল্য।মোঃ বেল্লাল কৃষক , জানান যেবাংলাদেশ কৃষকরা রবি মৌসুমে ধান ফসল উৎপাদনে সঠিক পদ্ধতি ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফসলের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করতে সক্ষম হয়েছেন। এই মৌসুমে বোরো ধান, গম, সরিষা, মসুর ডাল, মটরশুঁটি, লাউ, শিম, টমেটো ইত্যাদি ফসল ভালো ফলন হয়েছে।কৃষকরা জানিয়েছেন, এই মৌসুমে ফসলের দাম ভালো থাকায় তারা লাভবান হয়েছেন। রবি মৌসুমে ফসল উৎপাদনের জন্য কৃষকরা সঠিক পদ্ধতি ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করেছেন, যার ফলে ফসলের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে।রবি মৌসুমের প্রধান ফসল বোরো ধান, যা দেশের মোট ধান উৎপাদনের প্রায় ৬০ ভাগ অবদান রাখে। এছাড়াও, রবি মৌসুমে গম, আলু, সরিষা, মসুর, খেসারি, পেঁয়াজ, রসুন ও বিভিন্ন শাকসবজি (বাঁধাকপি, ফুলকপি, টমেটো, লাউ ইত্যাদি) চাষ করা হয় । এতে কৃষকরা খুব আনন্দ উপভোগ করেন। এবং স্থানীয় কৃষকদের কাছে এগিয়ে জানতে পারলাম, তারা বলেছেন গত বছরের তুলনায় এই বছর ধান ফসলে বেশি লাভবান হওয়ার আশা করছেন। এই বছর ঝড় বৃষ্টি না হওয়ায় কারনে কিছুটা লাভবান হবে। স্থানীয় কৃষকরা বলেন আমাদের উপজেলা নির্বাহী অফিসার যেন আমাদের কৃষকদের ওপর যেন একটু নজর রাখেন।
১৮ মার্চ ২০২৬
নিজের নিরাপত্তা চেয়ে ভয়ে কাঁদছেন ঝিনুক—অভিযুক্ত স্বামী ডিএমপির ট্রাফিক ইনস্পেক্টর

নিজের নিরাপত্তা চেয়ে ভয়ে কাঁদছেন ঝিনুক—অভিযুক্ত স্বামী ডিএমপির ট্রাফিক ইনস্পেক্টর

ঢাকা মহানগরীর তুরাগ থানা এলাকায় যৌতুকের টাকা দাবি করে গৃহবধূকে শারীরিক নির্যাতন ও জখম করার অভিযোগ উঠেছে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আছিয়া আক্তার ঝিনুক (২০) তুরাগ মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিয়ের পর থেকেই আছিয়া আক্তার ঝিনুকের স্বামী মো. জলিল মিয়া ও তার পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন সময় যৌতুকের নামে টাকা-পয়সা দাবি করে আসছিলেন। অভিযোগকারী জানান, তাদের বিয়ের পর থেকে ধাপে ধাপে ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা দিতে তাকে বাধ্য করা হয়। এমনকি প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের একটি মোবাইল ফোন কিনে দিতেও বাধ্য করা হয় তাকে।ঝিনুক অভিযোগে আরও বলেন, তিনি গর্ভবতী থাকাকালীনও স্বামীর নির্যাতন থেকে রেহাই পাননি। সর্বশেষ ১৪ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ সন্ধ্যা ৬টার দিকে স্বামী জলিল মিয়া পুনরায় ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। টাকা দিতে অসম্মতি জানালে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা তাকে মারধর করে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম হয়।জানা গেছে, অভিযুক্ত ট্রাফিক ইনস্পেক্টর (টিআই) জলিল মিয়া বর্তমানে ধউর ট্রাফিক পুলিশ বক্স, ট্রাফিক পশ্চিম জোন, উত্তরা ট্রাফিক বিভাগ, ডিএমপি–তে কর্মরত।এ বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাইলে টিআই জলিল মিয়া বলেন—আমি তাকে নোটিশ পাঠিয়েছি, বিষয়টি আদালত দেখবে। আমাকে অভিযোগ দিয়ে কিছুই করতে পারবে না, কারণ আমি আইনের লোক।”অপরদিকে, ধারাবাহিক নির্যাতনে আছিয়া আক্তার ঝিনুকের শারীরিক অবস্থা অবনতি হওয়ায় আত্মীয়স্বজনের পরামর্শে তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন এবং নিজের ও অনাগত সন্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনগত সহায়তা চান।এ বিষয়ে তুরাগ মডেল থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই অপূর্ব বলেন—জলিল স্যার আমাদের উপরস্থ কর্মকর্তা। তাকে এভাবে কিছু জিজ্ঞেস করতে পারি না। তদন্তের মাধ্যমে সব জানা যাবে।তুরাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন—“অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ঘটনা বিষয়ে উত্তরা ট্রাফিক বিভাগের ডিসি–র সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন—আমি বিষয়টি অবগত নই। যদি এমন অভিযোগ সত্যি হয়ে থাকে, তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিজস্ব প্রতিনিধি