রোববার, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ওপেন নিউজ ২৪
সর্বশেষ

নির্বাচন-পরবর্তী উত্তেজনায় নগরকান্দা-সালথা, শান্তি কামনায় ধলা হুজুর

ফরিদপুর-২ আসনের নগরকান্দা ও সালথা উপজেলায় নির্বাচন-পরবর্তী উত্তেজনা ও সহিংসতার ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে। বিভিন্ন এলাকায় প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষগুলোর মধ্যে সংঘর্ষ, বাড়িঘর ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমন পরিস্থিতিতে সহিংসতা পরিহার করে শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওলানা শাহ মো. আকরাম আলী (ধলা হুজুর)।শনিবার বিকেলে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় তিনি নগরকান্দা-সালথার ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, “আপনাদের ভালোবাসা, স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন ও আস্থা আমাকে অভিভূত করেছে। ‘রিকশা’ প্রতীকে আপনারা যে সমর্থন দিয়েছেন, তা আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।” তিনি আরও বলেন, বিপুল ভোট প্রাপ্তি প্রমাণ করে মানুষ পরিবর্তন ও নীতি-আদর্শভিত্তিক ইনসাফের রাজনীতি প্রত্যাশা করে। একই সঙ্গে ত্যাগী নেতা-কর্মী, সমর্থক, প্রবাসী ভোটার, পরিবার-পরিজন, মা-বোন এবং ছাত্র-যুব সমাজের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। দোয়া কামনা করে তিনি বলেন, “মুমিনের জীবনে হতাশা নেই। মহান আল্লাহ পরিশ্রম ও সৎ নিয়তকে বিফল করেন না।”বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি কাইজা-দাঙ্গা, প্রতিহিংসা ও মারামারি থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। তার ভাষায়, “আমরা একই এলাকার মানুষ। নির্বাচন আজ আছে, কাল থাকবে না; কিন্তু সহাবস্থান ও সম্প্রীতি চিরস্থায়ী। আসুন, মিলেমিশে নগরকান্দা-সালথায় শান্তি প্রতিষ্ঠা করি।” স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে উভয় উপজেলায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে কয়েকটি বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে এবং উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী টহল জোরদার করেছে।বার্তায় ধলা হুজুর ধানের শীষ প্রতীকের বিজয়ী প্রার্থী শামা ওবায়েদ ইসলামকে শুভেচ্ছা জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধি দল-মত নির্বিশেষে নগরকান্দা-সালথার জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা ও সার্বিক উন্নয়নে কাজ করবেন। উল্লেখ্য, শামা ওবায়েদ ইসলাম মরহুম কে. এম. ওবায়দুর রহমানের কন্যা। তিনি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং তার রাজনৈতিক উত্তরাধিকার এ আসনের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছে।সবশেষে ধলা হুজুর বলেন, “মানুষের আস্থা অর্জনের যে যাত্রা শুরু হয়েছে তা থামবে না। আজ ফলাফল যাই হোক, মানুষের ভালোবাসাই আমাদের আগামী দিনের সবচেয়ে বড় পুঁজি। আমরা আরও সংগঠিত হব, আরও দক্ষ হব এবং মানুষের পাশে দাঁড়াব—ইনশাআল্লাহ।” এলাকাবাসী আশা করছেন, সব পক্ষের দায়িত্বশীল ভূমিকা ও সংযমের মাধ্যমে দ্রুত সহিংসতা বন্ধ হয়ে নগরকান্দা-সালথায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরে আসবে।
৫ ঘন্টা আগে

স্বাধীনতার পর প্রথমবার মন্ত্রী পেতে যাচ্ছে নেত্রকোনা-১ আসনের এমপি ব্যারিস্টার কায়সার কামাল

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে নেত্রকোনা-১ আসনের মানুষের। স্বাধীনতার পর এই প্রথমবারের মতো এ আসন থেকে মন্ত্রিসভায় প্রতিনিধিত্ব পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সম্ভাব্য মন্ত্রীদের আলোচনায় উঠে এসেছে নেত্রকোনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল–এর নাম।রাজনৈতিক অঙ্গনে জোরালোভাবে আলোচনা চলছে, অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও জনসম্পৃক্ততার ভিত্তিতেই তাঁর প্রতি আস্থা রাখা হতে পারে। যদিও এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, তবে এলাকাবাসীর মধ্যে ইতোমধ্যে আশাবাদ ও উচ্ছ্বাসের সঞ্চার হয়েছে।স্থানীয়দের প্রত্যাশা—যদি তিনি মন্ত্রিত্ব লাভ করেন, তবে নেত্রকোনা-১ এর উন্নয়ন, অবকাঠামো ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
৬ ঘন্টা আগে

দুর্গাপুরে চন্ডিগড় ইউনিয়নে ৩ সহযোগী সংগঠনের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৩ সহযোগী সংগঠনের ,জাতীয়তাবাদী যুবদল স্বেচ্ছাসেবক দল, এবং জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল দুর্গাপুর উপজেলা শাখা পৃথক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ৩নং চন্ডিগড় ইউনিয়নের শাখা কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে।স্বেচ্ছাসেবক দল দুর্গাপুর উপজেলা শাখার আহ্বায়ক মীর্জা এসএ নজরুল ও সদস্য সচিব হিমেল সরকারের অনুমোদনে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১৪/০২/২০২৬ তারিখ থেকে ৩নং চন্ডিগড় ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দল কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে । বিলুপ্ত কমিটির কোনো সদস্য ভবিষ্যতে পদবী ব্যবহার করতে পারবে না। নির্দেশনা অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও উল্লেখ করা হয়। অন্যদিকে, যুবদল দুর্গাপুর উপজেলা শাখার সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক এস এম কাইয়ুম ও সদস্য সচিব মোঃ ইউসুফ খান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ৩নং চন্ডিগড় ইউনিয়ন যুবদল শাখা কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। বিলুপ্ত কমিটির কেউ রাজনৈতিক প্রভাবে কোনো সামাজিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে তার দায় সংগঠন নেবে না। সর্বসাধারণকে অনুরোধ করা হয়েছে, যুবদলের নাম ব্যবহার করে কেউ অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করলে সংশ্লিষ্ট থানায় অভিযোগ দায়ের করতে।একই তারিখে ছাত্রদল দুর্গাপুর উপজেলা শাখাও চন্ডিগড় ইউনিয়ন শাখা কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে। ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নিরঞ্জন দেবনাথ ও সদস্য সচিব আলমগীর হোসেন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিলুপ্ত কমিটির কোনো সদস্য ছাত্রদলের পরিচয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে সংগঠন দায়ী থাকবে না। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
৭ ঘন্টা আগে
সালথায় শালিশের পর বিষপান: দোকান চুরির ক্ষতিপূরণ চাপের অভিযোগে নৈশপ্রহরীর মৃত্যু

সালথায় শালিশের পর বিষপান: দোকান চুরির ক্ষতিপূরণ চাপের অভিযোগে নৈশপ্রহরীর মৃত্যু

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় বাজারে দোকান চুরির ঘটনায় ক্ষতিপূরণ দেওয়ার চাপ ও অপমানের অভিযোগের মধ্যে বিষপান করে এক নৈশপ্রহরীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। নিহত ওয়াহিদুল ইসলাম (৩০) উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের কাঁঠালবাড়িয়া গ্রামের মৃত নজরুল শেখের ছেলে। তিনি পাঁচ বছর বয়সী এক কন্যা ও চার মাস বয়সী জমজ দুই পুত্র সন্তানের জনক ছিলেন। শনিবার বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় বাজারে শালিশ চলাকালে তিনি বিষপান করেন বলে পারিবারিক ও বাজার কমিটির সূত্রে জানা গেছে।নিহতের স্ত্রী জোস্না বেগম বলেন, তার স্বামী বড়দিয়া বাজারে নৈশপ্রহরী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত মঙ্গলবার ভোরে ডিউটি শেষে বাড়ি ফেরার পর থেকেই তিনি উদ্বিগ্ন ছিলেন। কিছু জানতে চাইলে তিনি উত্তেজিত হয়ে কথা এড়িয়ে যেতেন। পরে জানান, তার ডিউটির সময় বাজারে চুরি হয়েছে এবং এ ঘটনার দায়ে তাকে ক্ষতিপূরণ দিতে চাপ দেওয়া হচ্ছে। এতে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। স্ত্রীকে তিনি বলেন, “জরিমানা দেব কোথা থেকে, শরমের চেয়ে মরণ ভালো।”তিনি আরও জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় একটি শালিশ বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় ডিউটিতে থাকা পাহারাদাররা ভাগাভাগি করে ক্ষতিপূরণ দেবেন। একপর্যায়ে ওয়াহিদুল ইসলাম সরে গিয়ে পরে ফিরে এসে তিন সন্তানের কথা উল্লেখ করে বলেন, চুরির বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। এর কিছুক্ষণ পরই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়ে যান। উপস্থিত লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। বাজার কমিটির সভাপতি আবু মেম্বার বলেন, এক দোকানে টিন কেটে চুরি হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। বৈঠকে পাহারাদারদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং চোর শনাক্ত না হলে ক্ষতির বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়। তবে তাকে অপবাদ দেওয়া হয়নি এবং সময় দেওয়া হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেন।বাজারের তহবিল সংগ্রহের দায়িত্বে থাকা আজাদ মোল্লা জানান, বাজারে দুইজন পাহারাদার মাসে ২৪ হাজার টাকা বেতন পান। নির্বাচনের আগে এক রাতে পেছনের টিন কেটে প্রায় ৭০-৮০ হাজার টাকার মালামাল চুরি হয়। এ ঘটনায় বৈঠকে ক্ষতিপূরণ নিয়ে আলোচনা চলাকালে ওয়াহিদুল ইসলাম হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। গট্টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান লাবলু বলেন, তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। পাহারাদারকে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তাকে সরিয়ে নেওয়া হয় এবং অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি ঢলে পড়েন। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে তার মৃত্যু হয়।সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান জানান, এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৪ ঘন্টা আগে
সালথায় শালিশের পর বিষপান: দোকান চুরির ক্ষতিপূরণ চাপের অভিযোগে নৈশপ্রহরীর মৃত্যু

সালথায় শালিশের পর বিষপান: দোকান চুরির ক্ষতিপূরণ চাপের অভিযোগে নৈশপ্রহরীর মৃত্যু

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় বাজারে দোকান চুরির ঘটনায় ক্ষতিপূরণ দেওয়ার চাপ ও অপমানের অভিযোগের মধ্যে বিষপান করে এক নৈশপ্রহরীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। নিহত ওয়াহিদুল ইসলাম (৩০) উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের কাঁঠালবাড়িয়া গ্রামের মৃত নজরুল শেখের ছেলে। তিনি পাঁচ বছর বয়সী এক কন্যা ও চার মাস বয়সী জমজ দুই পুত্র সন্তানের জনক ছিলেন। শনিবার বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় বাজারে শালিশ চলাকালে তিনি বিষপান করেন বলে পারিবারিক ও বাজার কমিটির সূত্রে জানা গেছে।নিহতের স্ত্রী জোস্না বেগম বলেন, তার স্বামী বড়দিয়া বাজারে নৈশপ্রহরী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত মঙ্গলবার ভোরে ডিউটি শেষে বাড়ি ফেরার পর থেকেই তিনি উদ্বিগ্ন ছিলেন। কিছু জানতে চাইলে তিনি উত্তেজিত হয়ে কথা এড়িয়ে যেতেন। পরে জানান, তার ডিউটির সময় বাজারে চুরি হয়েছে এবং এ ঘটনার দায়ে তাকে ক্ষতিপূরণ দিতে চাপ দেওয়া হচ্ছে। এতে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। স্ত্রীকে তিনি বলেন, “জরিমানা দেব কোথা থেকে, শরমের চেয়ে মরণ ভালো।”তিনি আরও জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় একটি শালিশ বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় ডিউটিতে থাকা পাহারাদাররা ভাগাভাগি করে ক্ষতিপূরণ দেবেন। একপর্যায়ে ওয়াহিদুল ইসলাম সরে গিয়ে পরে ফিরে এসে তিন সন্তানের কথা উল্লেখ করে বলেন, চুরির বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। এর কিছুক্ষণ পরই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়ে যান। উপস্থিত লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। বাজার কমিটির সভাপতি আবু মেম্বার বলেন, এক দোকানে টিন কেটে চুরি হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। বৈঠকে পাহারাদারদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং চোর শনাক্ত না হলে ক্ষতির বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়। তবে তাকে অপবাদ দেওয়া হয়নি এবং সময় দেওয়া হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেন।বাজারের তহবিল সংগ্রহের দায়িত্বে থাকা আজাদ মোল্লা জানান, বাজারে দুইজন পাহারাদার মাসে ২৪ হাজার টাকা বেতন পান। নির্বাচনের আগে এক রাতে পেছনের টিন কেটে প্রায় ৭০-৮০ হাজার টাকার মালামাল চুরি হয়। এ ঘটনায় বৈঠকে ক্ষতিপূরণ নিয়ে আলোচনা চলাকালে ওয়াহিদুল ইসলাম হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। গট্টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান লাবলু বলেন, তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। পাহারাদারকে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তাকে সরিয়ে নেওয়া হয় এবং অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি ঢলে পড়েন। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে তার মৃত্যু হয়।সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান জানান, এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৪ ঘন্টা আগে
গরমে বছরে নষ্ট ২৫ কোটি কর্মদিবস, দেশের আর্থিক ক্ষতি ২১ হাজার কোটি টাকা

গরমে বছরে নষ্ট ২৫ কোটি কর্মদিবস, দেশের আর্থিক ক্ষতি ২১ হাজার কোটি টাকা

আজ মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকার একটি হোটেলে ‘অ্যান আনসাসটেইনেবল লাইফ: দ্য ইমপ্যাক্ট অব হিট অন হেলথ অ্যান্ড দ্য ইকোনমি অব বাংলাদেশ’ শীর্ষক এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘যখন তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায়, তখন কর্মীদের উৎপাদনশীলতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। এর ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।’গবেষণায় ১৯৭৬-২০২৩ সাল পর্যন্ত দেশের তাপমাত্রা ও আপেক্ষিক আর্দ্রতা বিশ্লেষণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ২০২৪ সালে ১৬ হাজারের বেশি মানুষের ওপর পরিচালিত ২ ধাপের জরিপের তথ্যও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।তথ্যানুযায়ী, ১৯৮০ সাল থেকে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও অনুভূত তাপমাত্রা (‘ফিলস লাইক টেম্পারেচার’) ৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়েছে। এর ফলে ডায়রিয়া, দীর্ঘস্থায়ী কাশি, শ্বাসযন্ত্রের রোগ ও ক্লান্তি বেড়েছে। তাপপ্রবাহের কারণে মানসিক স্বাস্থ্যসমস্যা, যেমন বিষণ্নতাও বৃদ্ধি পেয়েছে।বিশ্ব ব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যাঁ পেসমে বলেন, ‘তীব্র গরম শুধু মৌসুমি সমস্যা নয়, এর প্রভাব সুদূরপ্রসারী। আমরা বাংলাদেশে দেখছি, ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা আমাদের স্বাস্থ্য, উৎপাদনশীলতা ও দেশের অর্থনীতিকে প্রভাবিত করছে। সমন্বিত পদক্ষেপের মাধ্যমে তাপপ্রবাহের প্রভাব মোকাবিলা সম্ভব।’বর্তমানে উচ্চ তাপমাত্রার ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ পৃথিবীতে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। রাজধানী ঢাকা তাপের সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত শহর, যেখানে তাপসূচক জাতীয় গড়ের তুলনায় প্রায় ৬৫ শতাংশ বেশি বেড়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘গ্রীষ্মকালে ডায়রিয়া ও দীর্ঘস্থায়ী কাশির ঘটনা শীতকালের তুলনায় দ্বিগুণ হয়। নারীরা তাপজনিত অসুস্থতায় বেশি ভোগেন। গরমের মাসগুলোতে বিষণ্নতা ও উদ্বেগ বাড়ে, যা বয়সের সঙ্গে বেড়ে চলে। ৫০-৬৫ বছর বয়সীদের মধ্যে তাপজনিত সমস্যা সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।’এসব শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার কারণে শীতকালের তুলনায় গ্রীষ্মকালে আর্থিক ক্ষতি বেশি হয়। বিশ্ব ব্যাংকের সিনিয়র অপারেশনস অফিসার ও প্রতিবেদনের সহ-লেখক ইফফাত মাহমুদ বলেন, ‘গরমে স্বাস্থ্য সমস্যা ও উৎপাদনশীলতা কমার মধ্যে সুস্পষ্ট যোগসূত্র দেখা গেছে।’বিশ্ব ব্যাংক তাপপ্রবাহ থেকে জীবন-জীবিকা ও অর্থনীতিকে রক্ষা করার জন্য জরুরি ও সমন্বিত পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে। প্রতিবেদনে তাপপ্রবাহ ব্যবস্থাপনার জন্য বহু-খাতভিত্তিক জাতীয় প্রস্তুতি বাড়ানো, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে সজ্জিত করা ও শহরাঞ্চলে সবুজায়ন বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন
নির্বাচন-পরবর্তী উত্তেজনায় নগরকান্দা-সালথা, শান্তি কামনায় ধলা হুজুর

নির্বাচন-পরবর্তী উত্তেজনায় নগরকান্দা-সালথা, শান্তি কামনায় ধলা হুজুর

ফরিদপুর-২ আসনের নগরকান্দা ও সালথা উপজেলায় নির্বাচন-পরবর্তী উত্তেজনা ও সহিংসতার ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে। বিভিন্ন এলাকায় প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষগুলোর মধ্যে সংঘর্ষ, বাড়িঘর ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমন পরিস্থিতিতে সহিংসতা পরিহার করে শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওলানা শাহ মো. আকরাম আলী (ধলা হুজুর)।শনিবার বিকেলে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় তিনি নগরকান্দা-সালথার ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, “আপনাদের ভালোবাসা, স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন ও আস্থা আমাকে অভিভূত করেছে। ‘রিকশা’ প্রতীকে আপনারা যে সমর্থন দিয়েছেন, তা আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।” তিনি আরও বলেন, বিপুল ভোট প্রাপ্তি প্রমাণ করে মানুষ পরিবর্তন ও নীতি-আদর্শভিত্তিক ইনসাফের রাজনীতি প্রত্যাশা করে। একই সঙ্গে ত্যাগী নেতা-কর্মী, সমর্থক, প্রবাসী ভোটার, পরিবার-পরিজন, মা-বোন এবং ছাত্র-যুব সমাজের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। দোয়া কামনা করে তিনি বলেন, “মুমিনের জীবনে হতাশা নেই। মহান আল্লাহ পরিশ্রম ও সৎ নিয়তকে বিফল করেন না।”বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি কাইজা-দাঙ্গা, প্রতিহিংসা ও মারামারি থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। তার ভাষায়, “আমরা একই এলাকার মানুষ। নির্বাচন আজ আছে, কাল থাকবে না; কিন্তু সহাবস্থান ও সম্প্রীতি চিরস্থায়ী। আসুন, মিলেমিশে নগরকান্দা-সালথায় শান্তি প্রতিষ্ঠা করি।” স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে উভয় উপজেলায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে কয়েকটি বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে এবং উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী টহল জোরদার করেছে।বার্তায় ধলা হুজুর ধানের শীষ প্রতীকের বিজয়ী প্রার্থী শামা ওবায়েদ ইসলামকে শুভেচ্ছা জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধি দল-মত নির্বিশেষে নগরকান্দা-সালথার জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা ও সার্বিক উন্নয়নে কাজ করবেন। উল্লেখ্য, শামা ওবায়েদ ইসলাম মরহুম কে. এম. ওবায়দুর রহমানের কন্যা। তিনি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং তার রাজনৈতিক উত্তরাধিকার এ আসনের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছে।সবশেষে ধলা হুজুর বলেন, “মানুষের আস্থা অর্জনের যে যাত্রা শুরু হয়েছে তা থামবে না। আজ ফলাফল যাই হোক, মানুষের ভালোবাসাই আমাদের আগামী দিনের সবচেয়ে বড় পুঁজি। আমরা আরও সংগঠিত হব, আরও দক্ষ হব এবং মানুষের পাশে দাঁড়াব—ইনশাআল্লাহ।” এলাকাবাসী আশা করছেন, সব পক্ষের দায়িত্বশীল ভূমিকা ও সংযমের মাধ্যমে দ্রুত সহিংসতা বন্ধ হয়ে নগরকান্দা-সালথায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরে আসবে।
৫ ঘন্টা আগে
সিরাজগঞ্জে রওশন আরা বেগম হাফিজিয়া মাদ্রাসার উদ্যোগে ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে

সিরাজগঞ্জে রওশন আরা বেগম হাফিজিয়া মাদ্রাসার উদ্যোগে ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ছোনগাছা আকন্দ বাড়িতে অবস্থিত রওশন আরা বেগম হাফিজিয়া মাদ্রাসার উন্নয়ন ও দ্বীনি কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে এক ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।আগামী ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ (বুধবার) ছোনগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। মাহফিলের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম (লিটন), নির্বাহী প্রকৌশলী (অবসরপ্রাপ্ত), বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এবং রওশন আরা বেগম হাফিজিয়া মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ইঞ্জিনিয়ার মো. সেলিম বাদশা, জেনারেল ম্যানেজার (অপারেশন), কুশিয়ারা কম্পোজিট নিট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, সেম্বরা, সাভার, ঢাকা।প্রধান বক্তা হিসেবে ওয়াজ পেশ করবেন হযরত মাওলানা আলহাজ্ব মো. আনোয়ার উল্লাহ (মজনু), সাবেক অধ্যক্ষ, ছোনগাছা ফাযিল মাদ্রাসা, সিরাজগঞ্জ।এছাড়াও বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন—হযরত মাওলানা মো. শহিদুল ইসলাম আনসারী, খাদেম, ফুরফুরা শরীফ, সিরাজগঞ্জ;হযরত মাওলানা ইসমাইল হোসেন সিরাজী, শিক্ষক, সারুল ইসলাম মডেল মাদ্রাসা, সিরাজগঞ্জ;হযরত মাওলানা শোয়াইব আহম্মেদ যযাম, খামারগাতী জামে মসজিদ, সিরাজগঞ্জ।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন—জনাব আলহাজ্ব মো. আবু বক্কর সিদ্দিক, পুলিশ পরিদর্শক (ডিএমপি), ঢাকা;জনাব আব্দুল্লাহ আল মামুন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সিরাজগঞ্জ;জনাব ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমান, আর্কিটেক্ট ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সিরাজগঞ্জসহ দেশবরেণ্য ওলামায়ে কেরাম।মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দ্বীনি শিক্ষা বিস্তার ও মাদ্রাসার অবকাঠামোগত উন্নয়নকে এগিয়ে নিতেই এ ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। মাহফিল সফল করতে সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষভাবে আহ্বান জানানো হয়েছে।অনুষ্ঠানটি সার্বিকভাবে পরিচালনা করবে রওশন আরা বেগম হাফিজিয়া মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটি।
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কে. এম রুবেলের ৫ম বিবাহবার্ষিকী উদযাপন

কে. এম রুবেলের ৫ম বিবাহবার্ষিকী উদযাপন

জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সভাপতি কে. এম. রুবেলের ৫ম বিবাহবার্ষিকী উদযাপন হয়েছে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সী-বিচ এলাকার একটি মনোরম রেস্টুরেন্টে।অনুষ্ঠানে বন্দর জোনের সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ ফুলেল শুভেচ্ছা, কেক কাটা এবং উপহার প্রদানের মাধ্যমে দিনটি স্মরণীয় করে তোলেন। ছিল প্রাণবন্ত আড্ডা, ভালোবাসা বিনিময় ও আনন্দঘন মুহূর্ত।উপস্থিত সাংবাদিকরা কেএম রুবেল ও তাঁর জীবনসঙ্গীর সুখী, শান্তিপূর্ণ ও দীর্ঘস্থায়ী দাম্পত্য জীবনের জন্য শুভকামনা জানান।  দাম্পত্য জীবনের এই মাইলফলক আনন্দের পাশাপাশি অনুপ্রেরণাও জাগিয়েছে সবার মাঝে।
৩০ অক্টোবর ২০২৫
জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫ –এর আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান কাউনিয়ায় অনুষ্ঠিত

জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫ –এর আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান কাউনিয়ায় অনুষ্ঠিত

জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫ –এর আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান কাউনিয়ায় অনুষ্ঠিতরংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় উৎসবমুখর পরিবেশে জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫ এর আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। সকালে উপজেলা চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়, যা উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে অনুষ্ঠানের স্থানে এসে শেষ হয়।অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মহিদুল হক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. মো. এ আর এম আল মামুন।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেনতানিয়া আক্তার, কৃষি অফিসার, কাউনিয়া উপজেলা এসআই ব্রজ গোপাল কর্মকার, সেকেন্ড অফিসার, কাউনিয়া থানা বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, খামারি, শিক্ষক, সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ প্রদর্শনীতে প্রদর্শিত প্রাণিসম্পদ ও উপকরণ প্রদর্শনীতে নানা জাতের প্রাণিসম্পদ ও খাদ্যউপকরণ প্রদর্শিত হয়, যার মধ্যে ছিলগরু ছাগল ভেড়া হাঁস মুরগি কোয়েল পাখি বিভিন্ন জাতের উন্নতমানের ঘাস গো-খাদ্য ও আধুনিক খামার ব্যবস্থাপনার উপকরণ আলোচনা সভায় বক্তারা স্থানীয় খামারিদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ, মানসম্মত উৎপাদন, এবং প্রাণিসম্পদ উন্নয়নে সরকারের নানা উদ্যোগ তুলে ধরেন। পরে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শ্রেষ্ঠ খামারি ও স্টল মালিকদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫–এর কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ ঘোষণা করা হয়।
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !