ওপেন নিউজ ২৪
সর্বশেষ

বীরগঞ্জে প্রস্তুতির মৃত্যু, উত্তাল বীরগঞ্জ: ভাঙচুর-অবরোধের পর ক্লিনিক সীলগালা

দিনাজপুরের বীরগঞ্জে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসার অভিযোগে এক প্রসূতির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ উত্তেজনা, ভাঙচুর ও সড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটেছে।শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাতেই বীরগঞ্জ-খানসামা সড়কের মোকছেদ প্লাজায় অবস্থিত “বীরগঞ্জ ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার” এলাকাটি রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে হিমশিম খেতে হয় এবং শেষ পর্যন্ত প্রশাসন ক্লিনিকটি সীলগালা করে দেয়।নিহত সমেজা বেগম (২৬) কাহারোল উপজেলার সরঞ্জা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী। পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে প্রসব বেদনা নিয়ে তাকে ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। বিকেল ৫টার দিকে ডা. বকুল হোসেন তার সিজার অপারেশন করেন এবং অ্যানেস্থেশিয়ার দায়িত্বে ছিলেন ডা. শরিফুল ইসলাম। অপারেশনের মাধ্যমে একটি কন্যা সন্তান জন্ম নিলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রসূতির শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে।স্বজনদের অভিযোগ, চিকিৎসকদের অবহেলা ও ভুল চিকিৎসার কারণেই সমেজা বেগমের মৃত্যু হয়।অভিযোগ রয়েছে, ঘটনা ধামাচাপা দিতে ক্লিনিক মালিক বেলাল হোসেন দ্রুত একটি মাইক্রোবাসে করে প্রসূতিকে দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে পাঠান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় অভিযুক্ত দুই চিকিৎসক সেখান থেকে পালিয়ে যান বলেও অভিযোগ উঠেছে।এদিকে, মৃত্যুর খবর বীরগঞ্জে পৌঁছালে ক্ষুব্ধ জনতা ক্লিনিকের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করে। এক পর্যায়ে তারা ক্লিনিকের ল্যাবরেটরিতে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়, সাইনবোর্ড নামিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং বীরগঞ্জ-দেবীগঞ্জ সড়ক অবরোধ করে রাখে। এতে প্রায় আধা ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে।স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে ক্লিনিকটি নিম্নমানের চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছিল এবং এর আগেও একাধিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এমনকি প্রতিষ্ঠানটি ও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে আদালতে একটি মামলাও চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।ঘটনার খবর পেয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) দীপংকর বর্মন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বীরগঞ্জ সার্কেল) শাওন কুমার এবং বীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে জনসাধারণকে শান্ত করেন।উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনাটি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হবে এবং জনস্বার্থে আপাতত ক্লিনিকটি সীলগালা করা হয়েছে।তবে ঘটনার পর একটি রহস্যও তৈরি হয়েছে।নিহতের স্বজনরা কোনো লিখিত অভিযোগ না করেই মরদেহ নিয়ে কাহারোলে ফিরে গেছেন। এ বিষয়ে তাদের বক্তব্য, তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন এবং আপাতত কোনো আইনি প্রক্রিয়ায় যেতে চান না।রাত ১১টা পর্যন্ত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ছিল এবং পরিস্থিতি থমথমে থাকলেও প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অভিযুক্ত ক্লিনিক মালিক ও চিকিৎসকদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।স্থানীয়দের একটাই দাবি—বারবার অভিযোগ ওঠা এই ক্লিনিকের বিরুদ্ধে স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো নিরীহ মানুষ এভাবে প্রাণ না হারায়।
১৬ ঘন্টা আগে

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে কেন্দ্রীয় শ্মশান কালী মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুর,

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত কেন্দ্রীয় শ্মশান কালী মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দিবাগত গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়সহ এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ধর্মীয় স্থাপনায় এমন ভাঙচুরের ঘটনাকে তারা দুঃখজনক ও নিন্দনীয় বলে মন্তব্য করেছেন।স্থানীয়দের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে এলাকাটি বিভিন্ন ধর্মের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের একটি উদাহরণ হিসেবে পরিচিত। তবে সাম্প্রতিক এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সেই সম্প্রীতির পরিবেশ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।শ্মশান ঘাট কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিরো বসাক জানান, মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুরের বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি দ্রুত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।এলাকাবাসীও একই দাবি জানিয়ে বলেন, ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্ট করার উদ্দেশ্যে কেউ যেন এমন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাতে না পারে, সে জন্য প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন। তারা অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিরও দাবি জানিয়েছেন।উপজেলাবাসীর প্রত্যাশা, প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করবে এবং এলাকায় শান্তি ও সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
০৩ এপ্রিল ২০২৬

মেধা-মননের ভিত্তিতেই মূল্যায়ন, ‘মডেল কলমাকান্দা’ গড়ার প্রত্যয়: কায়সার কামাল

নেত্রকোনার কলমাকান্দায় আয়োজিত এক প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, “আমার কাছে কে হিন্দু, কে মুসলমান, কে খ্রিষ্টান বা কে হাজং— সেটি বিবেচ্য বিষয় নয়। কে কোন দল বা মতের, সেটাও মুখ্য নয়। আমার কাছে বিবেচ্য হলো একজন মানুষের মেধা ও মনন। মেধা ও মননের ভিত্তিতেই সবাইকে মূল্যায়ন করা হবে।”তিনি আরও বলেন, একটি সমাজকে এগিয়ে নিতে হলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং মানবিক মূল্যবোধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিভাজন নয়, ঐক্যের মাধ্যমে উন্নয়ন সম্ভব— এই বিশ্বাস থেকেই তিনি কাজ করে যাচ্ছেন বলে উল্লেখ করেন। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অবহেলিত কলমাকান্দাকে একটি আধুনিক, শিক্ষাবান্ধব ও সংস্কৃতিমুখী জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে ‘মডেল কলমাকান্দা’ প্রতিষ্ঠার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।অনুষ্ঠানে পৌঁছালে জনতা কালচারাল একাডেমির ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা বর্ণিল সাজে, হাতে প্ল্যাকার্ড ও ফুল নিয়ে ডেপুটি স্পিকারকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানায়। শিশুদের এমন আন্তরিক আয়োজনে তিনি অভিভূত হন এবং তাদের সঙ্গে সময় কাটান, খোঁজখবর নেন ও ভবিষ্যতের জন্য উৎসাহ প্রদান করেন।অনুষ্ঠানের পরিবেশ ছিল উৎসবমুখর। একাডেমির শিক্ষার্থীরা দলীয় সঙ্গীত, দেশাত্মবোধক গান এবং জাতীয় সংগীত পরিবেশন করে উপস্থিত অতিথি ও দর্শকদের মুগ্ধ করে। সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে শিশুদের প্রতিভা বিকাশে একাডেমির ভূমিকারও প্রশংসা করেন তিনি।এছাড়া রাষ্ট্রপতি পদকপ্রাপ্ত একাডেমির মেধাবী শিক্ষার্থী আলিফের ভূয়সী প্রশংসা করেন প্রধান অতিথি। আলিফের গানের প্রতি আগ্রহ দেখে তাৎক্ষণিকভাবে তার কণ্ঠে গান শোনার ইচ্ছা প্রকাশ করেন এবং মনোযোগ দিয়ে তার পরিবেশনা উপভোগ করেন। গান শেষে আলিফের প্রতিভার প্রশংসা করে তাকে আরও এগিয়ে যাওয়ার জন্য অনুপ্রাণিত করেন।পরবর্তীতে জনতা কালচারাল একাডেমির পক্ষ থেকে আলিফকে একটি পাঞ্জাবি উপহার প্রদান করেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। পুরো অনুষ্ঠান জুড়ে ছিল উৎসাহ, প্রেরণা ও সাংস্কৃতিক চেতনার এক সুন্দর সমন্বয়, যা কলমাকান্দার সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্টরা।
০৩ এপ্রিল ২০২৬
আমরা স্ব উদ্যোগে সরেজমিনে এসেছি সকল মতের মানুষের স্বার্থে — প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান

আমরা স্ব উদ্যোগে সরেজমিনে এসেছি সকল মতের মানুষের স্বার্থে — প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় চলমান নৌ-যান ও ফেরি সংকট নিরসনে সরেজমিন পরিদর্শনে এসে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান বলেছেন, “আমরা স্ব উদ্যোগে সরেজমিনে এসেছি সকল মতের মানুষের স্বার্থে। দলমত নির্বিশেষে সবার উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্য।”শনিবার (৪ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে হাতিয়ার নলচিরা চৌঘাট পরিদর্শনকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। যার ফলস্রুতিতে আমরা নিজ দায়িত্ব থেকে হাতিয়ার মানুষের পথ চলা সহজ করতে সমস্যাসমূহ সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করতে এসেছি। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, হাতিয়ার উভয় পাশের ফেরিঘাট আরও প্রশস্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আসন্ন ঈদুল আজহার আগেই একটি নতুন ফেরি যুক্ত করার চেষ্টা চলছে। নদীর নাব্যতা স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত ড্রেজিং কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলেও জানান তিনি।ফেরি চলাচল আরও নিরাপদ ও টেকসই করতে ঘাটের র‍্যাম্প উন্নয়ন এবং দুই পাশের নদীর তীর স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ চলমান রয়েছে বলে উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী।এছাড়াও নৌপরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নে মন্ত্রণালয়ের আরও কিছু দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে বলে তিনি জানান।পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নুরুন্নাহার চৌধুরী, প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিকসহ স্থানীয় বিপুলসংখ্যক মানুষ।
১০ ঘন্টা আগে
আমরা স্ব উদ্যোগে সরেজমিনে এসেছি সকল মতের মানুষের স্বার্থে — প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান

আমরা স্ব উদ্যোগে সরেজমিনে এসেছি সকল মতের মানুষের স্বার্থে — প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় চলমান নৌ-যান ও ফেরি সংকট নিরসনে সরেজমিন পরিদর্শনে এসে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান বলেছেন, “আমরা স্ব উদ্যোগে সরেজমিনে এসেছি সকল মতের মানুষের স্বার্থে। দলমত নির্বিশেষে সবার উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্য।”শনিবার (৪ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে হাতিয়ার নলচিরা চৌঘাট পরিদর্শনকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। যার ফলস্রুতিতে আমরা নিজ দায়িত্ব থেকে হাতিয়ার মানুষের পথ চলা সহজ করতে সমস্যাসমূহ সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করতে এসেছি। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, হাতিয়ার উভয় পাশের ফেরিঘাট আরও প্রশস্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আসন্ন ঈদুল আজহার আগেই একটি নতুন ফেরি যুক্ত করার চেষ্টা চলছে। নদীর নাব্যতা স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত ড্রেজিং কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলেও জানান তিনি।ফেরি চলাচল আরও নিরাপদ ও টেকসই করতে ঘাটের র‍্যাম্প উন্নয়ন এবং দুই পাশের নদীর তীর স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ চলমান রয়েছে বলে উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী।এছাড়াও নৌপরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নে মন্ত্রণালয়ের আরও কিছু দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে বলে তিনি জানান।পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নুরুন্নাহার চৌধুরী, প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিকসহ স্থানীয় বিপুলসংখ্যক মানুষ।
১০ ঘন্টা আগে
অনলাইন কেসিনো জুয়া বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

অনলাইন কেসিনো জুয়া বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

অনলাইন কেসিনো জুয়া বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনানিজস্ব প্রতিবেদক:বাংলাদেশে অনলাইন কেসিনো ও জুয়া ভয়াবহ সামাজিক সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ থেকে শুরু করে যুব সমাজের একটি বড় অংশ এই অবৈধ অনলাইন জুয়ার সাথে জড়িয়ে পড়ছে। এর ফলে পরিবারে অশান্তি, আর্থিক সংকট, ঋণগ্রস্ততা, এমনকি মারামারি ও অপরাধের ঘটনাও বাড়ছে বলে স্থানীয়দের দাবি।সচেতন মহলের মতে, সহজলভ্য মোবাইল অ্যাপ ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে জুয়ার বিস্তার ঘটায় বিভিন্ন বয়সের মানুষ আসক্ত হয়ে পড়ছেন। এতে অনেক পরিবারে ভাঙন ও সামাজিক অবক্ষয় দেখা দিচ্ছে।এ প্রেক্ষাপটে দেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর কাছে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন উদ্বিগ্ন নাগরিকরা। তারা অবৈধ অনলাইন কেসিনো সাইট বন্ধ, সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানান।বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কঠোর নজরদারি ও প্রযুক্তিগত নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি আসক্তদের পুনর্বাসন ও কাউন্সেলিং ব্যবস্থাও জরুরি হয়ে পড়েছে। অন্যথায় এই সমস্যা ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন
দলবদল ও ক্ষমতার ছত্রছায়ায় অধ্যক্ষ আব্দুস সালাম: প্রশ্নের মুখে রাজনৈতিক অবস্থান

দলবদল ও ক্ষমতার ছত্রছায়ায় অধ্যক্ষ আব্দুস সালাম: প্রশ্নের মুখে রাজনৈতিক অবস্থান

সিরাজগঞ্জের কাজীপুর অঞ্চলে অধ্যক্ষ আব্দুস সালামকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে। দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলেও বাস্তবে আওয়ামী লীগ নেতাদের ঘনিষ্ঠ হয়ে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, অধ্যক্ষ আব্দুস সালাম কাজীপুর পৌরসভার প্রথম প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি নির্বাচনের মাধ্যমে পৌর মেয়রও নির্বাচিত হন। তবে ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই তার রাজনৈতিক অবস্থানে বড় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাবেক প্রভাবশালী নেতা মোহাম্মদ নাসিম এবং তার পুত্র মোহাম্মদ তানভীর শাকিল জয়-এর আস্থাভাজন হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন আব্দুস সালাম। অভিযোগ রয়েছে, বিএনপির কাজীপুর উপজেলা সাধারণ সম্পাদক পদে থাকলেও গত প্রায় দেড় দশক ধরে দলীয় কোনো কর্মসূচিতে তাকে সক্রিয়ভাবে দেখা যায়নি। বরং বিভিন্ন জাতীয় দিবস ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের হয়ে কাজ করতে দেখা গেছে তাকে।একাধিক স্থানীয় নেতা-কর্মীর দাবি, রাজনৈতিক সুবিধা হাসিলের জন্য তিনি বারবার অবস্থান পরিবর্তন করেছেন। আওয়ামী লীগ নেতাদের ঘনিষ্ঠতা অর্জনের মাধ্যমে নিজ প্রভাব বিস্তারই ছিল তার মূল লক্ষ্য বলে অভিযোগ ওঠে।বর্তমানে তিনি কাজীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ সেলিম রেজা-এর ব্যক্তিগত সঙ্গী হিসেবে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন বলেও জানা গেছে। এতে করে তার রাজনৈতিক আনুগত্য নিয়ে আরও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে স্থানীয়দের মাঝে।এ বিষয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল এবং ক্ষমতার সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলা গণতান্ত্রিক রাজনীতির জন্য অশনিসংকেত। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের ফলে তৃণমূলের রাজনীতিতে বিভ্রান্তি ও অসন্তোষ বাড়তে পারে।এদিকে, অধ্যক্ষ আব্দুস সালামের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য জানতে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
২২ মার্চ ২০২৬
হাতিয়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার অনুষ্ঠান

হাতিয়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার অনুষ্ঠান

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে হাতিয়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার(১২ মার্চ) সন্ধ্যায় নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলা শহর কলেজ রোডস্থ 'হাতিয়া প্রেসক্লাব' প্রাঙ্গণে এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। হাতিয়া প্রেসক্লাবের নির্বাচিত সভাপতি মো. ফিরোজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে আলোচনা করেন, হাতিয়া মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির সভাপতি মাওলানা একিউএম ইদ্রিস, মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি আ.ন.ম হাসান, এখন টিভির নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি নাসিম শুভ প্রমুখ। হাতিয়া প্রেসক্লাবের সদস্য ছায়েদ আহামেদ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তারা সামাজিক দায়বদ্ধতার উপর অবিচল থেকে গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহবান জানান। এসময় উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান, পুলিশ প্রশাসন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারি, চ্যানেল আই এর নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি আলাউদ্দিন শিবলী, নাগরিক টিভির প্রতিনিধি মো. সোহেল উদ্দিন, হাতিয়া প্রেসক্লাবের সদস্যবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার দুই শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন হাতিয়া প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা আমির হামজা। পরে দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং মুসলিম উম্মাহসহ আক্রান্ত ইরান ও ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের জন্য বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা জিয়াউল হক।
১৮ মার্চ ২০২৬
নেত্রকোনা দুর্গাপুরে শুরু হচ্ছে হিফজুল কুরআন হামদ-নাত ও আজান প্রতিযোগিতা-২০২৬

নেত্রকোনা দুর্গাপুরে শুরু হচ্ছে হিফজুল কুরআন হামদ-নাত ও আজান প্রতিযোগিতা-২০২৬

১৮ মার্চ ২০২৬
অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরার আত্মহত্যা

অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরার আত্মহত্যা

জনপ্রিয় অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরা আত্মহত্যা করেছেন। দেশের বেসরকারি একটি গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে অভিনেতার শ্বশুরবাড়ি পরিবার।শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে।অভিনেতা বর্তমানে নেপালে আছেন। তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি এখন কথা বলার মতো অবস্থায় নেই।জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ৪১ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন ইকরা। ২০১০ সালের ৯ নভেম্বর মাত্র ১৯ বছর বয়সে তারা পালিয়ে বিয়ে করেছিলেন আলভী-ইকরা।দীর্ঘ ১৪ বছর পর ২০২৪ সালে তাদের বিয়ের খবরটি প্রকাশ্যে আসে। তাদের সংসারে প্রিয়মায়া নামে একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কোন ছবি নেই !
কোন ছবি নেই !
রবি মৌসুমে ধান ফসল উৎপাদনে কৃষকরা সাফল্য অর্জন করবেন, বলে আশা করেছেন।

রবি মৌসুমে ধান ফসল উৎপাদনে কৃষকরা সাফল্য অর্জন করবেন, বলে আশা করেছেন।

(মোঃ হাসিব পেসকার) কলাপাড়া উপজেলা প্রতিনিধি।রবি মৌসুমে ধান ফসল উৎপাদনে কৃষকদের সাফল্য।মোঃ বেল্লাল কৃষক , জানান যেবাংলাদেশ কৃষকরা রবি মৌসুমে ধান ফসল উৎপাদনে সঠিক পদ্ধতি ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফসলের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করতে সক্ষম হয়েছেন। এই মৌসুমে বোরো ধান, গম, সরিষা, মসুর ডাল, মটরশুঁটি, লাউ, শিম, টমেটো ইত্যাদি ফসল ভালো ফলন হয়েছে।কৃষকরা জানিয়েছেন, এই মৌসুমে ফসলের দাম ভালো থাকায় তারা লাভবান হয়েছেন। রবি মৌসুমে ফসল উৎপাদনের জন্য কৃষকরা সঠিক পদ্ধতি ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করেছেন, যার ফলে ফসলের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে।রবি মৌসুমের প্রধান ফসল বোরো ধান, যা দেশের মোট ধান উৎপাদনের প্রায় ৬০ ভাগ অবদান রাখে। এছাড়াও, রবি মৌসুমে গম, আলু, সরিষা, মসুর, খেসারি, পেঁয়াজ, রসুন ও বিভিন্ন শাকসবজি (বাঁধাকপি, ফুলকপি, টমেটো, লাউ ইত্যাদি) চাষ করা হয় । এতে কৃষকরা খুব আনন্দ উপভোগ করেন। এবং স্থানীয় কৃষকদের কাছে এগিয়ে জানতে পারলাম, তারা বলেছেন গত বছরের তুলনায় এই বছর ধান ফসলে বেশি লাভবান হওয়ার আশা করছেন। এই বছর ঝড় বৃষ্টি না হওয়ায় কারনে কিছুটা লাভবান হবে। স্থানীয় কৃষকরা বলেন আমাদের উপজেলা নির্বাহী অফিসার যেন আমাদের কৃষকদের ওপর যেন একটু নজর রাখেন।
১৮ মার্চ ২০২৬
নিজের নিরাপত্তা চেয়ে ভয়ে কাঁদছেন ঝিনুক—অভিযুক্ত স্বামী ডিএমপির ট্রাফিক ইনস্পেক্টর

নিজের নিরাপত্তা চেয়ে ভয়ে কাঁদছেন ঝিনুক—অভিযুক্ত স্বামী ডিএমপির ট্রাফিক ইনস্পেক্টর

ঢাকা মহানগরীর তুরাগ থানা এলাকায় যৌতুকের টাকা দাবি করে গৃহবধূকে শারীরিক নির্যাতন ও জখম করার অভিযোগ উঠেছে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আছিয়া আক্তার ঝিনুক (২০) তুরাগ মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিয়ের পর থেকেই আছিয়া আক্তার ঝিনুকের স্বামী মো. জলিল মিয়া ও তার পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন সময় যৌতুকের নামে টাকা-পয়সা দাবি করে আসছিলেন। অভিযোগকারী জানান, তাদের বিয়ের পর থেকে ধাপে ধাপে ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা দিতে তাকে বাধ্য করা হয়। এমনকি প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের একটি মোবাইল ফোন কিনে দিতেও বাধ্য করা হয় তাকে।ঝিনুক অভিযোগে আরও বলেন, তিনি গর্ভবতী থাকাকালীনও স্বামীর নির্যাতন থেকে রেহাই পাননি। সর্বশেষ ১৪ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ সন্ধ্যা ৬টার দিকে স্বামী জলিল মিয়া পুনরায় ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। টাকা দিতে অসম্মতি জানালে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা তাকে মারধর করে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম হয়।জানা গেছে, অভিযুক্ত ট্রাফিক ইনস্পেক্টর (টিআই) জলিল মিয়া বর্তমানে ধউর ট্রাফিক পুলিশ বক্স, ট্রাফিক পশ্চিম জোন, উত্তরা ট্রাফিক বিভাগ, ডিএমপি–তে কর্মরত।এ বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাইলে টিআই জলিল মিয়া বলেন—আমি তাকে নোটিশ পাঠিয়েছি, বিষয়টি আদালত দেখবে। আমাকে অভিযোগ দিয়ে কিছুই করতে পারবে না, কারণ আমি আইনের লোক।”অপরদিকে, ধারাবাহিক নির্যাতনে আছিয়া আক্তার ঝিনুকের শারীরিক অবস্থা অবনতি হওয়ায় আত্মীয়স্বজনের পরামর্শে তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন এবং নিজের ও অনাগত সন্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনগত সহায়তা চান।এ বিষয়ে তুরাগ মডেল থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই অপূর্ব বলেন—জলিল স্যার আমাদের উপরস্থ কর্মকর্তা। তাকে এভাবে কিছু জিজ্ঞেস করতে পারি না। তদন্তের মাধ্যমে সব জানা যাবে।তুরাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন—“অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ঘটনা বিষয়ে উত্তরা ট্রাফিক বিভাগের ডিসি–র সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন—আমি বিষয়টি অবগত নই। যদি এমন অভিযোগ সত্যি হয়ে থাকে, তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিজস্ব প্রতিনিধি