বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ওপেন নিউজ ২৪
সর্বশেষ

রমজানে নিত্যপণ্যের দামে অস্থিরতা লেবুর দাম আকাশছোঁয়া, বিপাকে সাধারণ ক্রেতা

রমজানে নিত্যপণ্যের দামে অস্থিরতালেবুর দাম আকাশছোঁয়া, বিপাকে সাধারণ ক্রেতাস্টাফ রিপোর্টার মো : লিটন সিকদার পবিত্র রমজান মাস শুরু হতেই গোপালগঞ্জ ও নড়াইলের বিভিন্ন বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ইফতারের অন্যতম অনুষঙ্গ লেবুর দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষের মাঝে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে।বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, যে লেবু কয়েক সপ্তাহ আগেও প্রতি হালি ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, বর্তমানে তা ৮০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আকার ও মানভেদে কোথাও কোথাও দাম আরও বেশি নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।ক্রেতারা বলছেন, রমজান এলেই এক শ্রেণির ব্যবসায়ী চাহিদার সুযোগ নিয়ে দাম বাড়িয়ে দেন। ইফতারে শরবত, ছোলা-মুড়ি ও সালাদে লেবুর ব্যবহার বেশি থাকায় চাহিদা বাড়ে, আর সেই সুযোগে দাম কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাচ্ছে।শুধু লেবুই নয়, শসা, বেগুন, টমেটো, ছোলা ও খেজুরের দামও বেড়েছে। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে। অনেকে প্রয়োজনের তুলনায় কম কিনছেন, কেউ কেউ বিকল্প খুঁজছেন।বিক্রেতাদের দাবি, পাইকারি বাজারেই দাম বেশি থাকায় খুচরা পর্যায়ে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। পাশাপাশি পরিবহন ব্যয় ও সরবরাহ সংকটের কথাও উল্লেখ করেন তারা।সচেতন মহল মনে করছেন, বাজার মনিটরিং জোরদার ও প্রশাসনের নিয়মিত তদারকি থাকলে অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। রমজানের মতো সংযম ও সহমর্মিতার মাসে অসাধু মুনাফালোভীদের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
১১ ঘন্টা আগে

গাজীপুরের কাশিমপুরে মুজিবুর রহমানের শপথ গ্রহন উপলক্ষে দোয়া অনুষ্ঠিত।

গাজীপুর ১ আসনের নব-নির্বাচিত এমপি মেয়র মুজিবর রহমানের শপথ গ্রহন উপলক্ষে, গাজীপুর সিটি করপোরেশন ১ নং কাউন্সিলর প্রার্থী (সাবেক মেম্বার)  কাশিমপুর থানা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ১ নং ওয়ার্ড সভাপতি, মোঃ এনায়েত হোসেন মোল্লার পক্ষথেকে মিলাত ও দোয়া  অনুষ্ঠিত।  ১৭ ই ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার সন্ধায় গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর থানার ১ নং ওয়ার্ড মাধবপুর সাইদুরের দোকান সংলগ্ন  এবং শিবরাম পুর সালামত মোল্লা সুপার মার্কেট এলাকায় মিলাত ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন,গাজীপুর মহানগর কৃষকদল আলমগীর হোসেন,  ১ নং ওয়ার্ড বিএনপির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মানিক মিয়া,সেচ্ছাসেবকদল নেতা মোঃ সামসুল মোল্লা, নাসির গায়েন, ১ নং ওয়ার্ড শ্রমিকদল নেতা মোঃ রফিকুল ইসলাম রফিক, সেচ্ছাসেবকদল নেতা মোঃ ঈসমাইল হোসেন, বিএনপি নেতা আঃ রাজ্জাক,আরো উপস্থিত ছিলেন,  কাশিমপুর থানা, ওয়ার্ড বিএনপি ও অংগসংগঠনের নেতাকর্মী এবং এলাকার স্থানীয় লোকজন  উপস্থিত ছিলেন। এনায়েত হোসেন মোল্লা বক্তব্যে বলেন, বিএনপির চেয়ার পার্সন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া যদি জীবিত থাকতেন, তাহলে তিনি প্রধানমন্ত্রী হতেন মহান আল্লাহ পাক প্রিয়নেত্রীর জন্য সবার কাছে দোয়া চান ,  তারুণ্যের গর্ব বিএনপির চেয়ারম্যান  তারেক রহমান আজকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন আপনাদের ভোটের মাধ্যমে তার জন্য দোয়া চান, গাজীপুর ১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য মেয়র মুজিবর রহমানের জন্য দোয়া চান দোয়া শেষে তবারক বিতরণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয় ।
১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

হাতিয়ায় গুজব ও সহিংসতা প্রসঙ্গে নিরপেক্ষ তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়া উপজেলা-তে সাম্প্রতিক নির্বাচন ও নির্বাচন-পরবর্তী কিছু ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুজব ও সহিংসতার অভিযোগের বিষয়ে দ্রুত, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে সংগঠন ইউথ ফর ডেমোক্রেসি হাতিয়া।মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) পুরাতন কোর্ট প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে এই দাবি জানানো হয়।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এবং নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তথ্য ও গুজব ছড়িয়ে পড়েছে। এসব তথ্যের অনেকগুলো বানোয়াট এবং কিছু আংশিক সত্য হলেও অধিকাংশই এখনো তদন্তসাপেক্ষ।বিশেষ করে সম্প্রতি এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ ঘিরে একটি ঘটনা জাতীয় পর্যায়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। অভিযোগে দাবি করা হয়, রাজনৈতিক পছন্দকে কেন্দ্র করে সহিংসতার হয়েছে। বিষয়টি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।তবে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ঘটনার চূড়ান্ত সত্যতা এখনো নিশ্চিত হয়নি এবং পুলিশের তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয়নি। এছাড়া মেডিকেল পরীক্ষা (ডিএনএ)-এর ফলাফলও এখনো প্রকাশিত হয়নি। সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মেডিকেল রিপোর্ট পেতে ৪ থেকে ৭ দিন সময় লাগতে পারে।বক্তব্যে আরও বলা হয়, তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার আগেই বিভিন্ন পক্ষ অভিযোগটিকে সত্য হিসেবে উপস্থাপন করছে, যা সামাজিক বিভ্রান্তি ও অস্থিরতা তৈরি করছে এবং হাতিয়ার মানুষের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে।সংবাদ সম্মেলনে ইউথ ফর ডেমোক্রেসি হাতিয়া চার দফা দাবি তুলে ধরে—১. ঘটনার দ্রুত, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করা।২. অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে দল-মত নির্বিশেষে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা।৩. অভিযোগ মিথ্যা বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গুজব হিসেবে প্রমাণিত হলে গুজব রটনাকারীদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা।৪. তদন্ত সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত গণমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী ও নাগরিকদের দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান।সংগঠনটির নেতারা বলেন, হাতিয়ার সুনাম, সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা রক্ষা করা সবার দায়িত্ব। এবং প্রশাসনের প্রতি দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে প্রকৃত সত্য জনগণের সামনে তুলে ধরার আহ্বান জানান, যাতে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয় এবং অযাচিত উত্তেজনার অবসান ঘটে।
১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ইবাদতের আলোয় আলোকিত রমজান: প্রথম তারাবিতে মসজিদে মিলন

ইবাদতের আলোয় আলোকিত রমজান: প্রথম তারাবিতে মসজিদে মিলন

ইবাদতের আলোয় আলোকিত রমজান: প্রথম তারাবিতে মসজিদে মিলনস্টাফ রিপোর্টার:মোঃ লিটন শিকদার ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের জন্য পবিত্রতম মাস রমজান রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের বার্তা নিয়ে আগমন করে। আত্মসংযম, তাকওয়া অর্জন এবং আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভই এ মাসের মূল লক্ষ্য। ভোরের সেহরি থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও যাবতীয় ভোগবিলাস থেকে বিরত থেকে রোজাদাররা আত্মনিয়ন্ত্রণের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।পবিত্র গ্রন্থ আল-কুরআন নাজিলের মাস হিসেবে রমজানের মর্যাদা অপরিসীম। ইসলামের পাঁচটি মূল স্তম্ভের একটি হলো রোজা। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এ মাসে অধিক ইবাদত-বন্দেগি, দান-সদকা ও গরিব-দুঃখীর পাশে দাঁড়ানোর প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন।রমজান শুরুর আগের রাতে দেশের বিভিন্ন মসজিদে এশার নামাজের পর আদায় করা হয় প্রথম তারাবির নামাজ। পবিত্র এই নামাজ আদায়ের মধ্য দিয়ে মুসল্লিরা আনুষ্ঠানিকভাবে রমজানের ইবাদতে প্রবেশ করেন। ইমামদের সুললিত তিলাওয়াতে মসজিদগুলোতে সৃষ্টি হয় এক অনন্য আধ্যাত্মিক পরিবেশ। অনেক মসজিদে খতমে তারাবির আয়োজন করা হয়, যেখানে পুরো রমজানজুড়ে কুরআন খতম করা হয়।প্রথম তারাবিকে ঘিরে মুসল্লিদের মধ্যে লক্ষ্য করা যায় বিশেষ উৎসাহ-উদ্দীপনা। তরুণদের অংশগ্রহণও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। কেউ কেউ রমজান উপলক্ষে জীবনের ভুলত্রুটি থেকে ফিরে এসে নতুনভাবে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার অঙ্গীকার করেন।ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের বিশ্বাস, রমজান আত্মশুদ্ধি ও আত্মউন্নয়নের মাস। এ মাসে সিয়াম, তারাবি, তাহাজ্জুদ, কুরআন তিলাওয়াত ও যাকাত-ফিতরা আদায়ের মাধ্যমে ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে নৈতিকতা ও সহমর্মিতার চর্চা জোরদার হয়।গোপালগঞ্জ শহরের ঐতিহ্যবাহী কোর্ট মসজিদ, আধুনিক স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত জেলা মডেল মসজিদ, পুলিশ লাইন মসজিদ ও বিএসএমআরএসটিইউ কেন্দ্রীয় মসজিদ-এ প্রথম তারাবিতে ছিল উপচে পড়া ভিড়। অনেক স্থানে খতমে তারাবির আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে পুরো রমজানজুড়ে কুরআন খতম করা হবে।ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা জানান, রমজান কেবল রোজা রাখার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি আত্মশুদ্ধি ও আত্মউন্নয়নের এক মহাসুযোগ। এ মাসে নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত, তাহাজ্জুদ, যাকাত ও ফিতরা আদায়ের মাধ্যমে ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ জোরদার হয়।রমজানের প্রথম তারাবির মধ্য দিয়ে যে আধ্যাত্মিক যাত্রা শুরু হয়েছে, তা ঈদুল ফিতরের আনন্দঘন মুহূর্ত পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে—এই প্রত্যাশায় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করছেন।রমজানের প্রথম তারাবির মধ্য দিয়ে যে আধ্যাত্মিক যাত্রা শুরু হয়, তা পুরো মাসজুড়ে অব্যাহত থাকে এবং ঈদুল ফিতরের আনন্দে গিয়ে পূর্ণতা পাবে।
৫ ঘন্টা আগে
ইবাদতের আলোয় আলোকিত রমজান: প্রথম তারাবিতে মসজিদে মিলন

ইবাদতের আলোয় আলোকিত রমজান: প্রথম তারাবিতে মসজিদে মিলন

ইবাদতের আলোয় আলোকিত রমজান: প্রথম তারাবিতে মসজিদে মিলনস্টাফ রিপোর্টার:মোঃ লিটন শিকদার ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের জন্য পবিত্রতম মাস রমজান রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের বার্তা নিয়ে আগমন করে। আত্মসংযম, তাকওয়া অর্জন এবং আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভই এ মাসের মূল লক্ষ্য। ভোরের সেহরি থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও যাবতীয় ভোগবিলাস থেকে বিরত থেকে রোজাদাররা আত্মনিয়ন্ত্রণের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।পবিত্র গ্রন্থ আল-কুরআন নাজিলের মাস হিসেবে রমজানের মর্যাদা অপরিসীম। ইসলামের পাঁচটি মূল স্তম্ভের একটি হলো রোজা। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এ মাসে অধিক ইবাদত-বন্দেগি, দান-সদকা ও গরিব-দুঃখীর পাশে দাঁড়ানোর প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন।রমজান শুরুর আগের রাতে দেশের বিভিন্ন মসজিদে এশার নামাজের পর আদায় করা হয় প্রথম তারাবির নামাজ। পবিত্র এই নামাজ আদায়ের মধ্য দিয়ে মুসল্লিরা আনুষ্ঠানিকভাবে রমজানের ইবাদতে প্রবেশ করেন। ইমামদের সুললিত তিলাওয়াতে মসজিদগুলোতে সৃষ্টি হয় এক অনন্য আধ্যাত্মিক পরিবেশ। অনেক মসজিদে খতমে তারাবির আয়োজন করা হয়, যেখানে পুরো রমজানজুড়ে কুরআন খতম করা হয়।প্রথম তারাবিকে ঘিরে মুসল্লিদের মধ্যে লক্ষ্য করা যায় বিশেষ উৎসাহ-উদ্দীপনা। তরুণদের অংশগ্রহণও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। কেউ কেউ রমজান উপলক্ষে জীবনের ভুলত্রুটি থেকে ফিরে এসে নতুনভাবে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার অঙ্গীকার করেন।ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের বিশ্বাস, রমজান আত্মশুদ্ধি ও আত্মউন্নয়নের মাস। এ মাসে সিয়াম, তারাবি, তাহাজ্জুদ, কুরআন তিলাওয়াত ও যাকাত-ফিতরা আদায়ের মাধ্যমে ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে নৈতিকতা ও সহমর্মিতার চর্চা জোরদার হয়।গোপালগঞ্জ শহরের ঐতিহ্যবাহী কোর্ট মসজিদ, আধুনিক স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত জেলা মডেল মসজিদ, পুলিশ লাইন মসজিদ ও বিএসএমআরএসটিইউ কেন্দ্রীয় মসজিদ-এ প্রথম তারাবিতে ছিল উপচে পড়া ভিড়। অনেক স্থানে খতমে তারাবির আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে পুরো রমজানজুড়ে কুরআন খতম করা হবে।ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা জানান, রমজান কেবল রোজা রাখার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি আত্মশুদ্ধি ও আত্মউন্নয়নের এক মহাসুযোগ। এ মাসে নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত, তাহাজ্জুদ, যাকাত ও ফিতরা আদায়ের মাধ্যমে ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ জোরদার হয়।রমজানের প্রথম তারাবির মধ্য দিয়ে যে আধ্যাত্মিক যাত্রা শুরু হয়েছে, তা ঈদুল ফিতরের আনন্দঘন মুহূর্ত পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে—এই প্রত্যাশায় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করছেন।রমজানের প্রথম তারাবির মধ্য দিয়ে যে আধ্যাত্মিক যাত্রা শুরু হয়, তা পুরো মাসজুড়ে অব্যাহত থাকে এবং ঈদুল ফিতরের আনন্দে গিয়ে পূর্ণতা পাবে।
৫ ঘন্টা আগে
গরমে বছরে নষ্ট ২৫ কোটি কর্মদিবস, দেশের আর্থিক ক্ষতি ২১ হাজার কোটি টাকা

গরমে বছরে নষ্ট ২৫ কোটি কর্মদিবস, দেশের আর্থিক ক্ষতি ২১ হাজার কোটি টাকা

আজ মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকার একটি হোটেলে ‘অ্যান আনসাসটেইনেবল লাইফ: দ্য ইমপ্যাক্ট অব হিট অন হেলথ অ্যান্ড দ্য ইকোনমি অব বাংলাদেশ’ শীর্ষক এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘যখন তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায়, তখন কর্মীদের উৎপাদনশীলতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। এর ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।’গবেষণায় ১৯৭৬-২০২৩ সাল পর্যন্ত দেশের তাপমাত্রা ও আপেক্ষিক আর্দ্রতা বিশ্লেষণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ২০২৪ সালে ১৬ হাজারের বেশি মানুষের ওপর পরিচালিত ২ ধাপের জরিপের তথ্যও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।তথ্যানুযায়ী, ১৯৮০ সাল থেকে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও অনুভূত তাপমাত্রা (‘ফিলস লাইক টেম্পারেচার’) ৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়েছে। এর ফলে ডায়রিয়া, দীর্ঘস্থায়ী কাশি, শ্বাসযন্ত্রের রোগ ও ক্লান্তি বেড়েছে। তাপপ্রবাহের কারণে মানসিক স্বাস্থ্যসমস্যা, যেমন বিষণ্নতাও বৃদ্ধি পেয়েছে।বিশ্ব ব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যাঁ পেসমে বলেন, ‘তীব্র গরম শুধু মৌসুমি সমস্যা নয়, এর প্রভাব সুদূরপ্রসারী। আমরা বাংলাদেশে দেখছি, ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা আমাদের স্বাস্থ্য, উৎপাদনশীলতা ও দেশের অর্থনীতিকে প্রভাবিত করছে। সমন্বিত পদক্ষেপের মাধ্যমে তাপপ্রবাহের প্রভাব মোকাবিলা সম্ভব।’বর্তমানে উচ্চ তাপমাত্রার ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ পৃথিবীতে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। রাজধানী ঢাকা তাপের সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত শহর, যেখানে তাপসূচক জাতীয় গড়ের তুলনায় প্রায় ৬৫ শতাংশ বেশি বেড়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘গ্রীষ্মকালে ডায়রিয়া ও দীর্ঘস্থায়ী কাশির ঘটনা শীতকালের তুলনায় দ্বিগুণ হয়। নারীরা তাপজনিত অসুস্থতায় বেশি ভোগেন। গরমের মাসগুলোতে বিষণ্নতা ও উদ্বেগ বাড়ে, যা বয়সের সঙ্গে বেড়ে চলে। ৫০-৬৫ বছর বয়সীদের মধ্যে তাপজনিত সমস্যা সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।’এসব শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার কারণে শীতকালের তুলনায় গ্রীষ্মকালে আর্থিক ক্ষতি বেশি হয়। বিশ্ব ব্যাংকের সিনিয়র অপারেশনস অফিসার ও প্রতিবেদনের সহ-লেখক ইফফাত মাহমুদ বলেন, ‘গরমে স্বাস্থ্য সমস্যা ও উৎপাদনশীলতা কমার মধ্যে সুস্পষ্ট যোগসূত্র দেখা গেছে।’বিশ্ব ব্যাংক তাপপ্রবাহ থেকে জীবন-জীবিকা ও অর্থনীতিকে রক্ষা করার জন্য জরুরি ও সমন্বিত পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে। প্রতিবেদনে তাপপ্রবাহ ব্যবস্থাপনার জন্য বহু-খাতভিত্তিক জাতীয় প্রস্তুতি বাড়ানো, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে সজ্জিত করা ও শহরাঞ্চলে সবুজায়ন বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন
নির্বাচন-পরবর্তী উত্তেজনায় নগরকান্দা-সালথা, শান্তি কামনায় ধলা হুজুর

নির্বাচন-পরবর্তী উত্তেজনায় নগরকান্দা-সালথা, শান্তি কামনায় ধলা হুজুর

ফরিদপুর-২ আসনের নগরকান্দা ও সালথা উপজেলায় নির্বাচন-পরবর্তী উত্তেজনা ও সহিংসতার ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে। বিভিন্ন এলাকায় প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষগুলোর মধ্যে সংঘর্ষ, বাড়িঘর ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমন পরিস্থিতিতে সহিংসতা পরিহার করে শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওলানা শাহ মো. আকরাম আলী (ধলা হুজুর)।শনিবার বিকেলে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় তিনি নগরকান্দা-সালথার ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, “আপনাদের ভালোবাসা, স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন ও আস্থা আমাকে অভিভূত করেছে। ‘রিকশা’ প্রতীকে আপনারা যে সমর্থন দিয়েছেন, তা আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।” তিনি আরও বলেন, বিপুল ভোট প্রাপ্তি প্রমাণ করে মানুষ পরিবর্তন ও নীতি-আদর্শভিত্তিক ইনসাফের রাজনীতি প্রত্যাশা করে। একই সঙ্গে ত্যাগী নেতা-কর্মী, সমর্থক, প্রবাসী ভোটার, পরিবার-পরিজন, মা-বোন এবং ছাত্র-যুব সমাজের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। দোয়া কামনা করে তিনি বলেন, “মুমিনের জীবনে হতাশা নেই। মহান আল্লাহ পরিশ্রম ও সৎ নিয়তকে বিফল করেন না।”বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি কাইজা-দাঙ্গা, প্রতিহিংসা ও মারামারি থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। তার ভাষায়, “আমরা একই এলাকার মানুষ। নির্বাচন আজ আছে, কাল থাকবে না; কিন্তু সহাবস্থান ও সম্প্রীতি চিরস্থায়ী। আসুন, মিলেমিশে নগরকান্দা-সালথায় শান্তি প্রতিষ্ঠা করি।” স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে উভয় উপজেলায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে কয়েকটি বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে এবং উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী টহল জোরদার করেছে।বার্তায় ধলা হুজুর ধানের শীষ প্রতীকের বিজয়ী প্রার্থী শামা ওবায়েদ ইসলামকে শুভেচ্ছা জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধি দল-মত নির্বিশেষে নগরকান্দা-সালথার জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা ও সার্বিক উন্নয়নে কাজ করবেন। উল্লেখ্য, শামা ওবায়েদ ইসলাম মরহুম কে. এম. ওবায়দুর রহমানের কন্যা। তিনি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং তার রাজনৈতিক উত্তরাধিকার এ আসনের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছে।সবশেষে ধলা হুজুর বলেন, “মানুষের আস্থা অর্জনের যে যাত্রা শুরু হয়েছে তা থামবে না। আজ ফলাফল যাই হোক, মানুষের ভালোবাসাই আমাদের আগামী দিনের সবচেয়ে বড় পুঁজি। আমরা আরও সংগঠিত হব, আরও দক্ষ হব এবং মানুষের পাশে দাঁড়াব—ইনশাআল্লাহ।” এলাকাবাসী আশা করছেন, সব পক্ষের দায়িত্বশীল ভূমিকা ও সংযমের মাধ্যমে দ্রুত সহিংসতা বন্ধ হয়ে নগরকান্দা-সালথায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরে আসবে।
১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সিরাজগঞ্জে রওশন আরা বেগম হাফিজিয়া মাদ্রাসার উদ্যোগে ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে

সিরাজগঞ্জে রওশন আরা বেগম হাফিজিয়া মাদ্রাসার উদ্যোগে ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ছোনগাছা আকন্দ বাড়িতে অবস্থিত রওশন আরা বেগম হাফিজিয়া মাদ্রাসার উন্নয়ন ও দ্বীনি কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে এক ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।আগামী ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ (বুধবার) ছোনগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। মাহফিলের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম (লিটন), নির্বাহী প্রকৌশলী (অবসরপ্রাপ্ত), বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এবং রওশন আরা বেগম হাফিজিয়া মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ইঞ্জিনিয়ার মো. সেলিম বাদশা, জেনারেল ম্যানেজার (অপারেশন), কুশিয়ারা কম্পোজিট নিট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, সেম্বরা, সাভার, ঢাকা।প্রধান বক্তা হিসেবে ওয়াজ পেশ করবেন হযরত মাওলানা আলহাজ্ব মো. আনোয়ার উল্লাহ (মজনু), সাবেক অধ্যক্ষ, ছোনগাছা ফাযিল মাদ্রাসা, সিরাজগঞ্জ।এছাড়াও বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন—হযরত মাওলানা মো. শহিদুল ইসলাম আনসারী, খাদেম, ফুরফুরা শরীফ, সিরাজগঞ্জ;হযরত মাওলানা ইসমাইল হোসেন সিরাজী, শিক্ষক, সারুল ইসলাম মডেল মাদ্রাসা, সিরাজগঞ্জ;হযরত মাওলানা শোয়াইব আহম্মেদ যযাম, খামারগাতী জামে মসজিদ, সিরাজগঞ্জ।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন—জনাব আলহাজ্ব মো. আবু বক্কর সিদ্দিক, পুলিশ পরিদর্শক (ডিএমপি), ঢাকা;জনাব আব্দুল্লাহ আল মামুন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সিরাজগঞ্জ;জনাব ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমান, আর্কিটেক্ট ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সিরাজগঞ্জসহ দেশবরেণ্য ওলামায়ে কেরাম।মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দ্বীনি শিক্ষা বিস্তার ও মাদ্রাসার অবকাঠামোগত উন্নয়নকে এগিয়ে নিতেই এ ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। মাহফিল সফল করতে সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষভাবে আহ্বান জানানো হয়েছে।অনুষ্ঠানটি সার্বিকভাবে পরিচালনা করবে রওশন আরা বেগম হাফিজিয়া মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটি।
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কে. এম রুবেলের ৫ম বিবাহবার্ষিকী উদযাপন

কে. এম রুবেলের ৫ম বিবাহবার্ষিকী উদযাপন

জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সভাপতি কে. এম. রুবেলের ৫ম বিবাহবার্ষিকী উদযাপন হয়েছে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সী-বিচ এলাকার একটি মনোরম রেস্টুরেন্টে।অনুষ্ঠানে বন্দর জোনের সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ ফুলেল শুভেচ্ছা, কেক কাটা এবং উপহার প্রদানের মাধ্যমে দিনটি স্মরণীয় করে তোলেন। ছিল প্রাণবন্ত আড্ডা, ভালোবাসা বিনিময় ও আনন্দঘন মুহূর্ত।উপস্থিত সাংবাদিকরা কেএম রুবেল ও তাঁর জীবনসঙ্গীর সুখী, শান্তিপূর্ণ ও দীর্ঘস্থায়ী দাম্পত্য জীবনের জন্য শুভকামনা জানান।  দাম্পত্য জীবনের এই মাইলফলক আনন্দের পাশাপাশি অনুপ্রেরণাও জাগিয়েছে সবার মাঝে।
৩০ অক্টোবর ২০২৫
জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫ –এর আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান কাউনিয়ায় অনুষ্ঠিত

জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫ –এর আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান কাউনিয়ায় অনুষ্ঠিত

জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫ –এর আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান কাউনিয়ায় অনুষ্ঠিতরংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় উৎসবমুখর পরিবেশে জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫ এর আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। সকালে উপজেলা চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়, যা উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে অনুষ্ঠানের স্থানে এসে শেষ হয়।অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মহিদুল হক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. মো. এ আর এম আল মামুন।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেনতানিয়া আক্তার, কৃষি অফিসার, কাউনিয়া উপজেলা এসআই ব্রজ গোপাল কর্মকার, সেকেন্ড অফিসার, কাউনিয়া থানা বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, খামারি, শিক্ষক, সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ প্রদর্শনীতে প্রদর্শিত প্রাণিসম্পদ ও উপকরণ প্রদর্শনীতে নানা জাতের প্রাণিসম্পদ ও খাদ্যউপকরণ প্রদর্শিত হয়, যার মধ্যে ছিলগরু ছাগল ভেড়া হাঁস মুরগি কোয়েল পাখি বিভিন্ন জাতের উন্নতমানের ঘাস গো-খাদ্য ও আধুনিক খামার ব্যবস্থাপনার উপকরণ আলোচনা সভায় বক্তারা স্থানীয় খামারিদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ, মানসম্মত উৎপাদন, এবং প্রাণিসম্পদ উন্নয়নে সরকারের নানা উদ্যোগ তুলে ধরেন। পরে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শ্রেষ্ঠ খামারি ও স্টল মালিকদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫–এর কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ ঘোষণা করা হয়।
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !