ওপেন নিউজ ২৪
সর্বশেষ

গলাচিপায় গণহত্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ।

পটুয়াখালীর গলাচিপায় গণহত্যা দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ সভার আয়োজন করা হয়।আলোচনাসভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাহমুদুল হাসান। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্টজনেরা। এছাড়া সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সভায় বক্তারা ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় গলাচিপাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানেগণহত্যার ভয়াবহতা তুলে ধরেন। তারা বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া অত্যন্ত জরুরি।বক্তারা আরও বলেন, গণহত্যার স্মৃতি সংরক্ষণ এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণের মাধ্যমে একটি মানবিক ও অসাম্প্রদায়িক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। এ সময় তারা ইতিহাস বিকৃতি রোধে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান। আলোচনা সভা শেষে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
১৫ ঘন্টা আগে

বীরগঞ্জে রাস্তায় টয়লেট নির্মাণ করে চলাচলে প্রতিবন্ধকতার অভিযোগ৷

বীরগঞ্জে বসতবাড়ির রাস্তায় টয়লেট নির্মাণ করে জন চলাচল  ও কৃষি পণ্য পরিবহনে যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা তৈরির অভিযোগ পাওয়া গেছে ৷ অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পাল্টাপুর ইউনিয়নের ছয়ঘটি গ্রামের বাসিন্দা মৃত দারাজ শাহ্'র ছেলে গোলাম মোস্তফা(৬০) ও একই এলাকায় স্থায়ীভাবে বসবাসকারী আঃ জব্বারের ছেলে মোঃ মুক্তার(৩৫) সহ ওয়ারিশগনের ছয়ঘটি মৌজার ৪৫১ দাগের ২০শতাংশ জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো৷ এরই ধারাবাহিকতায়  বিরোধীয় জমিতে প্রায় ৭০/৮০ বছর ধরে চলমান রাস্তা দিয়ে ১২টি পরিবারের সদস্যরা যাতায়াত করে আসছে৷ সম্প্রতি প্রায় ৮বছর আগে তৎকালীন আওয়ামী সরকারের প্রভাব খাটিয়ে  উল্লেখিত রাস্তায় জোরপূর্বক জবরদখল করে পাকা টয়লেট নির্মাণ করেন মোস্তফা ৷ সেসময়  বাঁধা প্রদান করলে উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে বিরোধ ও মতপার্থক্য দেখা দেয় ৷ এব্যাপারে বীরগঞ্জ থানায়  আপোষ-মিমাংশার বৈঠকের পর উক্ত রাস্তায় নির্মিত টয়লেট ভেঙ্গে অন্যত্র সরিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়৷ কিন্তূ এই সিদ্ধান্তকে না মেনে  মোস্তফা গং প্রতিপক্ষের লোকজনদের হুমকি-ধামকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেই আসছিলো৷ গত ৫ই আগষ্টে ফেসিষ্ট আওয়ামী সরকার পতনের পর বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার থানায় লিখিত অভিযোগ করলে পুনরায় রাস্তা থেকে টয়লেট সরিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়৷ এরই একপর্যায়ে গত ২২ মার্চ ২০২৬ ইং বেলা আনুমানিক ১২টায় রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় অকথ্য ভাষায় গালিগালাজের প্রতিবাদ করলে মোস্তফা,মোস্তফার ছেলে রাসেল , জোসনা,মামুনুর রশিদ,আলমগীর দলবদ্ধ হয়ে  মুক্তারের পথরোধ করে অতর্কিত হামলা চালিয়ে বেধরক মারপিট করে ও প্রাননাশের উদ্দেশ্যে গলা চিপে শ্বাসরোধের চেষ্টা চালায়৷ এসময় মুক্তারের আত্মচিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে বীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে৷ এ ব্যাপারে অপরাপর ভুক্তভোগী  আইনুল ইসলামের ছেলে মাহফুজ পারভেজ (১৮) জানান, একই দিন রবিবার দিবাগত রাত আনুমানিক প্রায় ৩ টায় বিকট আওয়াজ শুনতে পেয়ে বাড়ির বাহিরে বের হলে দেখে মোস্তফার পরিবারের সদস্যরা নিজেরা সহ অপরিচিত কয়েকজন মিলে উক্ত টয়লেটটি ভেঙ্গে ফেলছে৷ এসময় আতংক ও ত্রাস সৃষ্টি করায় বাসার ভিতরে আসলে সন্রাসীরা ইট,পাটকেল নিক্ষেপ করলে তাদের বাড়ির টিন ফুটোফাটা হয়৷ মাহফুজ পারভেজ আরোও জানায়, পরদিন সোমবার সকালে থানাপুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসলে রাতের আধারে নিজেরাই নিজেদের টয়লেট ভেঙ্গে আইনী হয়রানি ও ফাঁসানোর উদ্দেশ্যেই প্রতিপক্ষের মিথ্যা ,বানোয়াট  সাজানো ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত তাদের বোধগম্য হয় ৷ ঘটনার সত্যতা জানতে সরেজমিনে ছয়ঘটি গ্রামে গেলে আলহাজ্ব জবির উদ্দিন শাহ্'র ছেলে আবু বক্কর, মোশারফ হোসেন সহ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকাবাসীর অনেকেই তাদের মতামত ব্যক্ত করে জানান, এই রাস্তা নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই বিরোধ চলছে যার সুরাহা হওয়া প্রয়োজন ৷  সর্বোপরি চলাচলের এই রাস্তা উদ্ধার করা সহ এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষন পূর্বক আশু হস্তক্ষেপ ও সহযোগিতার জোর দাবী জানিয়েছেন নির্যাতিত ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর সদস্যরা ৷
১৬ ঘন্টা আগে

আশুলিয়ায় স্বামীর সামনে স্ত্রীকে গণধর্ষণ, আসামি গ্রেফতার

ঢাকার আশুলিয়া জামগড়া এলাকায় গণধর্ষণ মামলার এজাহারভুক্ত আসামী মোসাদ্দেক খান (২৫) কে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪। সোমবার (২৩ মার্চ) রাত এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-৪, সিপিসি-২ এর কোম্পানি কমান্ডার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শাহীনুর কবির।  আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের সিনসিন মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আটককৃত সে ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন জামগড়া দরগারপাড় এলাকার মৃত রবিউল খানের ছেলে মোসাদ্দেক খান (২৫) । র‌্যাব সুত্রে জানা যায়, গত ২৪ জানুয়ারি রাত ১২টার দিকে আশুলিয়ার জামগড়া এলাকার রাজ্জাক মিয়ার ভাড়া বাসায় ভিকটিম সোনিয়া আক্তারের (ছদ্মনাম) কক্ষের সামনে গিয়ে নিজেকে বাড়ির ম্যানেজার পরিচয় দিয়ে দরজায় নক করেন মোসাদ্দেক।এ সময় তার সাথে আরও ছয়জন অবস্থান করেন সোনিয়া আক্তারের (ছদ্মনাম) স্বামী সরল বিশ্বাসে রুমের দরজা খুলে দিলে মোসাদ্দেক ও অন্য ছয়জন তাদের রুমে প্রবেশ করেন এবং সোনিয়া ও তার স্বামীকে ভুয়া স্বামী-স্ত্রী বলে অবহিত করে তাদের কাবিননামা দেখতে চান। তখন সোনিয়া তাদের বিয়ের কাবিননামা তার মায়ের কাছে রয়েছে বললেও আসামীরা তাদের কথার কর্ণপাত না করে স্বামীকে জোরপূর্বক ঘরের এককোণে আটকে রেখে ভিকটিমের হাত মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। একপর্যায়ে এ বিষয়ে কাউকে জানালে হত্যার হুমকি দিয়ে ভোররাত ৪টার দিকে আসামীরা কৌশলে পালিয়ে যান। র‌্যাব-৪, সিপিসি-২ এর কোম্পানি কমান্ডার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শাহীনুর কবির বলেন, গ্রেপ্তার মোসাদ্দেক উক্ত ঘটনার সাথে সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। ভিকটিম সদ্য বিবাহিত সে তার বাবা মায়ের সাথে উক্ত ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছিলেন। বিবাহের পর হতে তার স্বামী মাঝে মাঝেই তাদের ভাড়া বাসায় আসা যাওয়া করতো। গ্রেপ্তার আসামীকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরসহ তার বিরুদ্ধে আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। র‌্যাব-৪ এর জোরালো অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান এই র‌্যাব কর্মকর্তা।
২৪ মার্চ ২০২৬
শতফুল তরুণ সমাজের উদ্যোগে সোনাদিয়ায় ফ্রি ব্লাড গ্রুপিং ক্যাম্পেইন  রক্তদানে উৎসাহ, মানবিক উদ্যোগে প্রশংসা

শতফুল তরুণ সমাজের উদ্যোগে সোনাদিয়ায় ফ্রি ব্লাড গ্রুপিং ক্যাম্পেইন রক্তদানে উৎসাহ, মানবিক উদ্যোগে প্রশংসা

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার সোনাদিয়া ইউনিয়নে শতফুল তরুণ সমাজের উদ্যোগে দিনব্যাপী ফ্রি ব্লাড গ্রুপিং ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে।রোববার (২২ তারিখ) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চৌরাস্তা বাজারের দক্ষিণে পশ্চিম সোনাদিয়া আক্তার মার্কেটে এই ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়। এতে এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করা হয়।এছাড়াও ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণকারীদের রক্তদানে উৎসাহিত করা হয় এবং রক্তদানের উপকারিতা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মানুষের মাঝে রক্তদানের গুরুত্ব তুলে ধরা এবং জরুরি মুহূর্তে জীবন বাঁচাতে সবাইকে এগিয়ে আসতে উদ্বুদ্ধ করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।উক্ত ক্যাম্পেইনে টেকনিশিয়ান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডা. মিজানুর রহমান ও মোঃ শরীফ উদ্দিন। ক্যাম্পেইন পরিচালনা করেন সংগঠনের সভাপতি মীর শরীফ শাহ এবং সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক নাহিদুল ইসলাম। এছাড়াও দপ্তর সম্পাদক মিজানুর রহমান, ক্রীড়া সম্পাদক হাছিবসহ কার্যকর কমিটির অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।এসময় এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও মুরুব্বিরাও উপস্থিত থেকে তরুণদের এই মানবিক উদ্যোগকে স্বাগত জানান।স্থানীয়রা জানান, এ ধরনের কার্যক্রম মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করে এবং সামাজিক বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করে। ভবিষ্যতেও এমন মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন তারা।
৪ ঘন্টা আগে
বীরগঞ্জে রাস্তায় টয়লেট নির্মাণ করে চলাচলে প্রতিবন্ধকতার অভিযোগ৷

বীরগঞ্জে রাস্তায় টয়লেট নির্মাণ করে চলাচলে প্রতিবন্ধকতার অভিযোগ৷

বীরগঞ্জে বসতবাড়ির রাস্তায় টয়লেট নির্মাণ করে জন চলাচল  ও কৃষি পণ্য পরিবহনে যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা তৈরির অভিযোগ পাওয়া গেছে ৷ অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পাল্টাপুর ইউনিয়নের ছয়ঘটি গ্রামের বাসিন্দা মৃত দারাজ শাহ্'র ছেলে গোলাম মোস্তফা(৬০) ও একই এলাকায় স্থায়ীভাবে বসবাসকারী আঃ জব্বারের ছেলে মোঃ মুক্তার(৩৫) সহ ওয়ারিশগনের ছয়ঘটি মৌজার ৪৫১ দাগের ২০শতাংশ জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো৷ এরই ধারাবাহিকতায়  বিরোধীয় জমিতে প্রায় ৭০/৮০ বছর ধরে চলমান রাস্তা দিয়ে ১২টি পরিবারের সদস্যরা যাতায়াত করে আসছে৷ সম্প্রতি প্রায় ৮বছর আগে তৎকালীন আওয়ামী সরকারের প্রভাব খাটিয়ে  উল্লেখিত রাস্তায় জোরপূর্বক জবরদখল করে পাকা টয়লেট নির্মাণ করেন মোস্তফা ৷ সেসময়  বাঁধা প্রদান করলে উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে বিরোধ ও মতপার্থক্য দেখা দেয় ৷ এব্যাপারে বীরগঞ্জ থানায়  আপোষ-মিমাংশার বৈঠকের পর উক্ত রাস্তায় নির্মিত টয়লেট ভেঙ্গে অন্যত্র সরিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়৷ কিন্তূ এই সিদ্ধান্তকে না মেনে  মোস্তফা গং প্রতিপক্ষের লোকজনদের হুমকি-ধামকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেই আসছিলো৷ গত ৫ই আগষ্টে ফেসিষ্ট আওয়ামী সরকার পতনের পর বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার থানায় লিখিত অভিযোগ করলে পুনরায় রাস্তা থেকে টয়লেট সরিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়৷ এরই একপর্যায়ে গত ২২ মার্চ ২০২৬ ইং বেলা আনুমানিক ১২টায় রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় অকথ্য ভাষায় গালিগালাজের প্রতিবাদ করলে মোস্তফা,মোস্তফার ছেলে রাসেল , জোসনা,মামুনুর রশিদ,আলমগীর দলবদ্ধ হয়ে  মুক্তারের পথরোধ করে অতর্কিত হামলা চালিয়ে বেধরক মারপিট করে ও প্রাননাশের উদ্দেশ্যে গলা চিপে শ্বাসরোধের চেষ্টা চালায়৷ এসময় মুক্তারের আত্মচিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে বীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে৷ এ ব্যাপারে অপরাপর ভুক্তভোগী  আইনুল ইসলামের ছেলে মাহফুজ পারভেজ (১৮) জানান, একই দিন রবিবার দিবাগত রাত আনুমানিক প্রায় ৩ টায় বিকট আওয়াজ শুনতে পেয়ে বাড়ির বাহিরে বের হলে দেখে মোস্তফার পরিবারের সদস্যরা নিজেরা সহ অপরিচিত কয়েকজন মিলে উক্ত টয়লেটটি ভেঙ্গে ফেলছে৷ এসময় আতংক ও ত্রাস সৃষ্টি করায় বাসার ভিতরে আসলে সন্রাসীরা ইট,পাটকেল নিক্ষেপ করলে তাদের বাড়ির টিন ফুটোফাটা হয়৷ মাহফুজ পারভেজ আরোও জানায়, পরদিন সোমবার সকালে থানাপুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসলে রাতের আধারে নিজেরাই নিজেদের টয়লেট ভেঙ্গে আইনী হয়রানি ও ফাঁসানোর উদ্দেশ্যেই প্রতিপক্ষের মিথ্যা ,বানোয়াট  সাজানো ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত তাদের বোধগম্য হয় ৷ ঘটনার সত্যতা জানতে সরেজমিনে ছয়ঘটি গ্রামে গেলে আলহাজ্ব জবির উদ্দিন শাহ্'র ছেলে আবু বক্কর, মোশারফ হোসেন সহ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকাবাসীর অনেকেই তাদের মতামত ব্যক্ত করে জানান, এই রাস্তা নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই বিরোধ চলছে যার সুরাহা হওয়া প্রয়োজন ৷  সর্বোপরি চলাচলের এই রাস্তা উদ্ধার করা সহ এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষন পূর্বক আশু হস্তক্ষেপ ও সহযোগিতার জোর দাবী জানিয়েছেন নির্যাতিত ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর সদস্যরা ৷
১৬ ঘন্টা আগে
অনলাইন কেসিনো জুয়া বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

অনলাইন কেসিনো জুয়া বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

অনলাইন কেসিনো জুয়া বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনানিজস্ব প্রতিবেদক:বাংলাদেশে অনলাইন কেসিনো ও জুয়া ভয়াবহ সামাজিক সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ থেকে শুরু করে যুব সমাজের একটি বড় অংশ এই অবৈধ অনলাইন জুয়ার সাথে জড়িয়ে পড়ছে। এর ফলে পরিবারে অশান্তি, আর্থিক সংকট, ঋণগ্রস্ততা, এমনকি মারামারি ও অপরাধের ঘটনাও বাড়ছে বলে স্থানীয়দের দাবি।সচেতন মহলের মতে, সহজলভ্য মোবাইল অ্যাপ ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে জুয়ার বিস্তার ঘটায় বিভিন্ন বয়সের মানুষ আসক্ত হয়ে পড়ছেন। এতে অনেক পরিবারে ভাঙন ও সামাজিক অবক্ষয় দেখা দিচ্ছে।এ প্রেক্ষাপটে দেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর কাছে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন উদ্বিগ্ন নাগরিকরা। তারা অবৈধ অনলাইন কেসিনো সাইট বন্ধ, সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানান।বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কঠোর নজরদারি ও প্রযুক্তিগত নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি আসক্তদের পুনর্বাসন ও কাউন্সেলিং ব্যবস্থাও জরুরি হয়ে পড়েছে। অন্যথায় এই সমস্যা ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন
দলবদল ও ক্ষমতার ছত্রছায়ায় অধ্যক্ষ আব্দুস সালাম: প্রশ্নের মুখে রাজনৈতিক অবস্থান

দলবদল ও ক্ষমতার ছত্রছায়ায় অধ্যক্ষ আব্দুস সালাম: প্রশ্নের মুখে রাজনৈতিক অবস্থান

সিরাজগঞ্জের কাজীপুর অঞ্চলে অধ্যক্ষ আব্দুস সালামকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে। দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলেও বাস্তবে আওয়ামী লীগ নেতাদের ঘনিষ্ঠ হয়ে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, অধ্যক্ষ আব্দুস সালাম কাজীপুর পৌরসভার প্রথম প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি নির্বাচনের মাধ্যমে পৌর মেয়রও নির্বাচিত হন। তবে ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই তার রাজনৈতিক অবস্থানে বড় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাবেক প্রভাবশালী নেতা মোহাম্মদ নাসিম এবং তার পুত্র মোহাম্মদ তানভীর শাকিল জয়-এর আস্থাভাজন হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন আব্দুস সালাম। অভিযোগ রয়েছে, বিএনপির কাজীপুর উপজেলা সাধারণ সম্পাদক পদে থাকলেও গত প্রায় দেড় দশক ধরে দলীয় কোনো কর্মসূচিতে তাকে সক্রিয়ভাবে দেখা যায়নি। বরং বিভিন্ন জাতীয় দিবস ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের হয়ে কাজ করতে দেখা গেছে তাকে।একাধিক স্থানীয় নেতা-কর্মীর দাবি, রাজনৈতিক সুবিধা হাসিলের জন্য তিনি বারবার অবস্থান পরিবর্তন করেছেন। আওয়ামী লীগ নেতাদের ঘনিষ্ঠতা অর্জনের মাধ্যমে নিজ প্রভাব বিস্তারই ছিল তার মূল লক্ষ্য বলে অভিযোগ ওঠে।বর্তমানে তিনি কাজীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ সেলিম রেজা-এর ব্যক্তিগত সঙ্গী হিসেবে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন বলেও জানা গেছে। এতে করে তার রাজনৈতিক আনুগত্য নিয়ে আরও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে স্থানীয়দের মাঝে।এ বিষয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল এবং ক্ষমতার সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলা গণতান্ত্রিক রাজনীতির জন্য অশনিসংকেত। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের ফলে তৃণমূলের রাজনীতিতে বিভ্রান্তি ও অসন্তোষ বাড়তে পারে।এদিকে, অধ্যক্ষ আব্দুস সালামের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য জানতে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
২২ মার্চ ২০২৬
হাতিয়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার অনুষ্ঠান

হাতিয়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার অনুষ্ঠান

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে হাতিয়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার(১২ মার্চ) সন্ধ্যায় নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলা শহর কলেজ রোডস্থ 'হাতিয়া প্রেসক্লাব' প্রাঙ্গণে এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। হাতিয়া প্রেসক্লাবের নির্বাচিত সভাপতি মো. ফিরোজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে আলোচনা করেন, হাতিয়া মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির সভাপতি মাওলানা একিউএম ইদ্রিস, মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি আ.ন.ম হাসান, এখন টিভির নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি নাসিম শুভ প্রমুখ। হাতিয়া প্রেসক্লাবের সদস্য ছায়েদ আহামেদ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তারা সামাজিক দায়বদ্ধতার উপর অবিচল থেকে গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহবান জানান। এসময় উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান, পুলিশ প্রশাসন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারি, চ্যানেল আই এর নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি আলাউদ্দিন শিবলী, নাগরিক টিভির প্রতিনিধি মো. সোহেল উদ্দিন, হাতিয়া প্রেসক্লাবের সদস্যবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার দুই শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন হাতিয়া প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা আমির হামজা। পরে দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং মুসলিম উম্মাহসহ আক্রান্ত ইরান ও ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের জন্য বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা জিয়াউল হক।
১৮ মার্চ ২০২৬
নেত্রকোনা দুর্গাপুরে শুরু হচ্ছে হিফজুল কুরআন হামদ-নাত ও আজান প্রতিযোগিতা-২০২৬

নেত্রকোনা দুর্গাপুরে শুরু হচ্ছে হিফজুল কুরআন হামদ-নাত ও আজান প্রতিযোগিতা-২০২৬

১৮ মার্চ ২০২৬
অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরার আত্মহত্যা

অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরার আত্মহত্যা

জনপ্রিয় অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরা আত্মহত্যা করেছেন। দেশের বেসরকারি একটি গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে অভিনেতার শ্বশুরবাড়ি পরিবার।শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে।অভিনেতা বর্তমানে নেপালে আছেন। তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি এখন কথা বলার মতো অবস্থায় নেই।জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ৪১ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন ইকরা। ২০১০ সালের ৯ নভেম্বর মাত্র ১৯ বছর বয়সে তারা পালিয়ে বিয়ে করেছিলেন আলভী-ইকরা।দীর্ঘ ১৪ বছর পর ২০২৪ সালে তাদের বিয়ের খবরটি প্রকাশ্যে আসে। তাদের সংসারে প্রিয়মায়া নামে একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কোন ছবি নেই !
কোন ছবি নেই !
জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫ –এর আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান কাউনিয়ায় অনুষ্ঠিত

জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫ –এর আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান কাউনিয়ায় অনুষ্ঠিত

জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫ –এর আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান কাউনিয়ায় অনুষ্ঠিতরংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় উৎসবমুখর পরিবেশে জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫ এর আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। সকালে উপজেলা চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়, যা উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে অনুষ্ঠানের স্থানে এসে শেষ হয়।অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মহিদুল হক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. মো. এ আর এম আল মামুন।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেনতানিয়া আক্তার, কৃষি অফিসার, কাউনিয়া উপজেলা এসআই ব্রজ গোপাল কর্মকার, সেকেন্ড অফিসার, কাউনিয়া থানা বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, খামারি, শিক্ষক, সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ প্রদর্শনীতে প্রদর্শিত প্রাণিসম্পদ ও উপকরণ প্রদর্শনীতে নানা জাতের প্রাণিসম্পদ ও খাদ্যউপকরণ প্রদর্শিত হয়, যার মধ্যে ছিলগরু ছাগল ভেড়া হাঁস মুরগি কোয়েল পাখি বিভিন্ন জাতের উন্নতমানের ঘাস গো-খাদ্য ও আধুনিক খামার ব্যবস্থাপনার উপকরণ আলোচনা সভায় বক্তারা স্থানীয় খামারিদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ, মানসম্মত উৎপাদন, এবং প্রাণিসম্পদ উন্নয়নে সরকারের নানা উদ্যোগ তুলে ধরেন। পরে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শ্রেষ্ঠ খামারি ও স্টল মালিকদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫–এর কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ ঘোষণা করা হয়।
১৮ মার্চ ২০২৬
নিজের নিরাপত্তা চেয়ে ভয়ে কাঁদছেন ঝিনুক—অভিযুক্ত স্বামী ডিএমপির ট্রাফিক ইনস্পেক্টর

নিজের নিরাপত্তা চেয়ে ভয়ে কাঁদছেন ঝিনুক—অভিযুক্ত স্বামী ডিএমপির ট্রাফিক ইনস্পেক্টর

ঢাকা মহানগরীর তুরাগ থানা এলাকায় যৌতুকের টাকা দাবি করে গৃহবধূকে শারীরিক নির্যাতন ও জখম করার অভিযোগ উঠেছে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আছিয়া আক্তার ঝিনুক (২০) তুরাগ মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিয়ের পর থেকেই আছিয়া আক্তার ঝিনুকের স্বামী মো. জলিল মিয়া ও তার পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন সময় যৌতুকের নামে টাকা-পয়সা দাবি করে আসছিলেন। অভিযোগকারী জানান, তাদের বিয়ের পর থেকে ধাপে ধাপে ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা দিতে তাকে বাধ্য করা হয়। এমনকি প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের একটি মোবাইল ফোন কিনে দিতেও বাধ্য করা হয় তাকে।ঝিনুক অভিযোগে আরও বলেন, তিনি গর্ভবতী থাকাকালীনও স্বামীর নির্যাতন থেকে রেহাই পাননি। সর্বশেষ ১৪ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ সন্ধ্যা ৬টার দিকে স্বামী জলিল মিয়া পুনরায় ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। টাকা দিতে অসম্মতি জানালে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা তাকে মারধর করে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম হয়।জানা গেছে, অভিযুক্ত ট্রাফিক ইনস্পেক্টর (টিআই) জলিল মিয়া বর্তমানে ধউর ট্রাফিক পুলিশ বক্স, ট্রাফিক পশ্চিম জোন, উত্তরা ট্রাফিক বিভাগ, ডিএমপি–তে কর্মরত।এ বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাইলে টিআই জলিল মিয়া বলেন—আমি তাকে নোটিশ পাঠিয়েছি, বিষয়টি আদালত দেখবে। আমাকে অভিযোগ দিয়ে কিছুই করতে পারবে না, কারণ আমি আইনের লোক।”অপরদিকে, ধারাবাহিক নির্যাতনে আছিয়া আক্তার ঝিনুকের শারীরিক অবস্থা অবনতি হওয়ায় আত্মীয়স্বজনের পরামর্শে তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন এবং নিজের ও অনাগত সন্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনগত সহায়তা চান।এ বিষয়ে তুরাগ মডেল থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই অপূর্ব বলেন—জলিল স্যার আমাদের উপরস্থ কর্মকর্তা। তাকে এভাবে কিছু জিজ্ঞেস করতে পারি না। তদন্তের মাধ্যমে সব জানা যাবে।তুরাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন—“অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ঘটনা বিষয়ে উত্তরা ট্রাফিক বিভাগের ডিসি–র সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন—আমি বিষয়টি অবগত নই। যদি এমন অভিযোগ সত্যি হয়ে থাকে, তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিজস্ব প্রতিনিধি