বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ওপেন নিউজ ২৪
সর্বশেষ

শ্রীপুর হাসপাতালে আধুনিক বর্জ্য দহন কেন্দ্র চালু, পরিবেশের উন্নতি ও দুর্গন্ধমুক্ত চত্বর

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবার মানোন্নয়ন ও পরিবেশ সুরক্ষার লক্ষ্যে একটি আধুনিক 'ইনসিনারেটর' বা বর্জ্য দহন কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। এতে হাসপাতালের দীর্ঘদিনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সংকট দূর হয়েছে এবং পরিবেশ দূষণের ঝুঁকি কমেছে।স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরের একপাশে নীল রঙের বিশেষ কাঠামোতে এই ইনসিনারেটর স্থাপন করা হয়েছে। যেখানে দাহ্য বর্জ্য যেমন ব্যবহৃত তুলা, ব্যান্ডেজ ইত্যাদি খোলা জায়গায় না ফেলে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে পুড়িয়ে ফেলা হচ্ছে। ধোঁয়া নিষ্কাশনের জন্য উঁচু চিমনিও রয়েছে স্থাপনায়।শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জানান, "আগে খোলা স্থানে বর্জ্য ফেলার কারণে সংক্রমণ ও দুর্গন্ধের ঝুঁকি ছিল। এই নতুন ব্যবস্থায় বর্জ্য বৈজ্ঞানিকভাবে ব্যবস্থাপনা করা সম্ভব হবে, যা রোগী ও সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।"হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, আগে বৃষ্টির দিনে বর্জ্য ভিজে চত্বরে দুর্গন্ধ ছড়াতো। নতুন এই ব্যবস্থায় যেকোনো আবহাওয়ায় দ্রুত ও নিরাপদে বর্জ্য ধ্বংস করা যাবে। উচ্চ চিমনির মাধ্যমে ধোঁয়া সরাসরি বাতাসে মিশে যাওয়ায় স্থানীয় বায়ু দূষণও কম হবে।স্থানীয় বাসিন্দা ও সেবাগ্রহীতারা হাসপাতালের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, এমন আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত ব্যবস্থা সরকারি স্বাস্থ্যসেবার প্রতি মানুষের আস্থা বৃদ্ধি করবে।
১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ফরিদপুর–২ আসন: শেষ সময়েও প্রচারণায় ব্যস্ত ‘ধলা হুজুর’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার শেষ সময়েও রিকশা প্রতীকে ভোট চেয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন ১১ দলীয় জোট মনোনীত খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মাওলানা শাহ মো. আকরাম আলী (ধলা হুজুর)। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ফরিদপুর–২ (সালথা–নগরকান্দা) আসনের সালথা ও নগরকান্দা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে পথসভা, হাট-বাজার ও গণসংযোগে অংশ নেন তিনি। এ সময় কৃষক, শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের কাছে রিকশা মার্কায় ভোট চান ধলা হুজুর। নির্বাচনী প্রচারণাকালে তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে সালথা ও নগরকান্দা উপজেলায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা হবে এবং এলাকার কাইজ্জা–মারামারি বন্ধে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে। হিন্দু-মুসলিমসহ সব ধর্মের মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি বেকারত্ব দূরীকরণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, সমাজের উন্নয়নে যুবসমাজের ভূমিকা অপরিহার্য। নির্বাচিত হতে পারলে যুবকদের জন্য বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে এবং এ অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে। মাওলানা আকরাম আলী বলেন, সালথা–নগরকান্দা কৃষিপ্রধান এলাকা হলেও কৃষকরা নানা দিক থেকে অবহেলিত। কৃষিযন্ত্রপাতি ও সারের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখা এবং কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে তিনি সংসদে কৃষকদের দাবি-দাওয়া তুলে ধরবেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, দেশে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতার পালাবদলের সঙ্গে বিরোধী দলের নেতাকর্মীরা হামলা-মামলার শিকার হন। ক্ষমতায় গেলে এ ধরনের ‘জুলুম-নির্যাতন’ বন্ধ করা হবে, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করা হবে এবং সরকারি বরাদ্দ স্বচ্ছভাবে বণ্টন নিশ্চিত করা হবে। রাস্তা-ঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ সামগ্রিক উন্নয়নে ব্যাপক কাজ করা হবে বলেও তিনি অঙ্গীকার করেন। এ সময় ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।
১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে জামায়াত প্রার্থীকে অভিনব সংবর্ধনা

ঠাকুরগাঁও-৩ সংসদীয় আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান মাস্টারকে ব্যতিক্রমী শুভেচ্ছায় বরণ করে নিয়েছেন স্থানীয় ভোটাররা। নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে এক পথসভায় অংশ নিতে গেলে উপস্থিত সমর্থকরা তাকে টাকার মালা পরিয়ে সম্মান জানান।এ সময় এলাকাজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। প্রার্থীকে ঘিরে স্থানীয় জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ও উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যায়। সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে মিজানুর রহমান মাস্টার ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থনই তার রাজনীতির প্রধান শক্তি। তিনি আরও বলেন, নির্বাচিত হলে এলাকার উন্নয়ন ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন। অনুষ্ঠানে জামায়াতের স্থানীয় নেতাকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রিমুখী লড়াইয়ে পাল্টে যাওয়া সমীকরণ গাজীপুর-৩,স্বতন্ত্র প্রার্থী ইজাদুর রহমান মিলনের দিকে ঝুঁকছে মাঠের হিসাব

ত্রিমুখী লড়াইয়ে পাল্টে যাওয়া সমীকরণ গাজীপুর-৩,স্বতন্ত্র প্রার্থী ইজাদুর রহমান মিলনের দিকে ঝুঁকছে মাঠের হিসাব

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এরই মধ্যে গাজীপুর–৩ (শ্রীপুর উপজেলা ও গাজীপুর সদর উপজেলার আংশিক) আসনটি জাতীয় রাজনীতির পাশাপাশি স্থানীয় রাজনীতিতেও আলোচনার কেন্দ্রেবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।এই আসনটিতে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী  ডা.অধ্যাপক এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু ধানের শীষ প্রতীকে, জামায়াতে ইসলামী এর নেতৃত্বাধীন ১১দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী এহসানুল হক রিক্সা প্রতীকে এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঘোড়া প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ইজাদুর রহমান মিলন।নির্বাচনের প্রাক্কালে গাজীপুর-৩ আসনে চিত্র ছিল ভিন্ন। জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মাঠে ছিলেন সংগঠনের মজলিশে সুরার অন্যতম সদস্য ও গাজীপুর জেলা জামায়াতের আমীর ডঃ. মোঃ জাহাঙ্গীর আলম। জনপ্রিয়তা,সাংগঠনিক দক্ষতা এবং জোরালো প্রচারণার কারণে তাকে তখন এই আসনের সবচেয়ে শক্তিশালী ও সম্ভাব্য বিজয়ী প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছিলো। তার ক্রমবর্ধমান জনসমর্থন বিএনপি শিবিরে স্পষ্ট অস্বস্তি ও হতাশার জন্ম দিয়েছিলো। কিন্তু ১১দলীয় ঐক্যজোটের সাংগঠনিক সমন্বয়ের অংশ হিসেবে শেষ পর্যন্ত গাজীপুর-৩ আসনটি খেলাফতে মজলিশকে ছেড়ে দেওয়া হয়। দলীয় ও জোটগত সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে ডঃ জাহাঙ্গীর আলম প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলে নির্বাচনী সমীকরণ হঠাৎ করেই নতুন মোড় নেয়। এতে বিএনপি শিবির কিছুটা স্বস্তি পেলেও মাঠ পুরোপুরি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেনি।এই শূন্যতার সুযোগেই দৃশ্যপটে ক্রমশ সামনে আসতে শুরু করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ইজাদুর রহমান মিলন। স্থানীয় রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত মুখ মিলন এর আগেও বৃহত্তর মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে টানা ১১ বছর দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি গাজীপুর সদর উপজেলা পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান হিসেবে ২ (দুই) মেয়াদে তার ৭ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে। জনপ্রতিনিধি হিসেবে দীর্ঘ এই সময়জুড়ে জনসেবা, প্রশাসনিক দক্ষতা এবং রাজনৈতিক সমীকরণ বোঝার বাস্তব অভিজ্ঞতা তাকে অন্য প্রার্থীদের তুলনায় আলাদা উচ্চতায় নিয়ে গেছে।ইজাদুর রহমান মিলনের পরিচয় শুধু একজন রাজনীতিক হিসেবেই সীমাবদ্ধ নয়। তিনি ভবানীপুর মুক্তিযোদ্ধা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ হিসেবে শিক্ষাক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, চাঁদাবাজ ও দলবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান,নিজ এলাকার মানুষের প্রতি নিরবচ্ছিন্ন সেবা এবং মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দির,স্কুল ও কলেজে তার স্বতঃস্ফূর্ত অনুদান ও অংশগ্রহণ তাকে এলাকায় ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা এনে দিয়েছে।অন্যদিকে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী এহসানুল হক শেষ সময়ে এসে পুরো নির্বাচনী এলাকা কার্যকরভাবে প্রদক্ষিণ করতে পারেননি। গাজীপুর সদর উপজেলার বেশ কিছু এলাকায় এখনো তার দৃশ্যমান গণসংযোগ চোখে পড়েনি। বিশেষ করে মির্জাপুর, পিরুজালী ও ভাওয়াল গড় ইউনিয়নে রিক্সা প্রতীকের প্রচারণা প্রায় অনুপস্থিত। এমনকি এসব এলাকায় জোট প্রার্থীর পক্ষে সক্রিয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির অস্তিত্ব নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয় পর্যায়ে শোনা যাচ্ছে, জামায়াতে ইসলামীর অনেক দায়িত্বশীল সমর্থক ইতিমধ্যে নীরবে ও অনানুষ্ঠানিকভাবে ইজাদুর রহমান মিলনের প্রতি সমর্থন জানাচ্ছেন।আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা হলো,আওয়ামীলীগ এবার নির্বাচনে অংশ না নিলেও ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক নিরাপত্তা ও পরিস্থিতির কথা বিবেচনায় রেখে দলটির ঐতিহ্যবাহী ভোটব্যাংক কার্যত স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলনের দিকেই ঝুঁকছে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। এই সমর্থন নির্বাচনী অঙ্কে একটি বড় ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করতে পারে।বিএনপি প্রার্থী ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চুর ধানের শীষের প্রচারণা নিঃসন্দেহে জোরালো। তবে পতিত আওয়ামী লীগের বহু চিহ্নিত ও বিতর্কিত নেতাকে দলে অন্তর্ভুক্ত করায় বিএনপির বিরুদ্ধে আদর্শচ্যুতির অভিযোগ উঠেছে। আওয়ামী সরকারের পতনের পর গত ১৭মাসে শ্রীপুর ও গাজীপুর সদর উপজেলায় বিএনপির বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ জনমনে প্রশ্ন তৈরি করেছে। ৫ই আগস্টের পর এই দলের প্রতি মানুষের যে প্রবল আস্থা ছিলো তা ক্রমবর্ধমান হারে হ্রাস পেয়েছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। জাতীয় পর্যায়ে বিএনপি ও জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১দলীয় ঐক্যজোটের মধ্যকার সাংবিধানিক ভোটযুদ্ধের ফল যেমন ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত হবে,তেমনি গাজীপুর-৩ আসনেও ভোটাররা সিদ্ধান্ত নেবেন-দলীয় প্রতীকের রাজনীতি,না কি পরীক্ষিত জনপ্রতিনিধিত্ব ও স্থানীয় উন্নয়নের বাস্তব অভিজ্ঞতা।সব মিলিয়ে মাঠের বর্তমান পরিস্থিতি,নীরব সমর্থনের প্রবাহ,দীর্ঘদিনের জনসেবার রেকর্ড এবং বহুমাত্রিক গ্রহণযোগ্যতা বিবেচনায় গাজীপুর-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইজাদুর রহমান মিলন ক্রমেই একজন শক্তিশালী ও সম্ভাব্য বিজয়ী প্রার্থী হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছেন। এমনটিই ধারণা করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
৩৪ মিনিট আগে
ত্রিমুখী লড়াইয়ে পাল্টে যাওয়া সমীকরণ গাজীপুর-৩,স্বতন্ত্র প্রার্থী ইজাদুর রহমান মিলনের দিকে ঝুঁকছে মাঠের হিসাব

ত্রিমুখী লড়াইয়ে পাল্টে যাওয়া সমীকরণ গাজীপুর-৩,স্বতন্ত্র প্রার্থী ইজাদুর রহমান মিলনের দিকে ঝুঁকছে মাঠের হিসাব

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এরই মধ্যে গাজীপুর–৩ (শ্রীপুর উপজেলা ও গাজীপুর সদর উপজেলার আংশিক) আসনটি জাতীয় রাজনীতির পাশাপাশি স্থানীয় রাজনীতিতেও আলোচনার কেন্দ্রেবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।এই আসনটিতে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী  ডা.অধ্যাপক এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু ধানের শীষ প্রতীকে, জামায়াতে ইসলামী এর নেতৃত্বাধীন ১১দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী এহসানুল হক রিক্সা প্রতীকে এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঘোড়া প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ইজাদুর রহমান মিলন।নির্বাচনের প্রাক্কালে গাজীপুর-৩ আসনে চিত্র ছিল ভিন্ন। জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মাঠে ছিলেন সংগঠনের মজলিশে সুরার অন্যতম সদস্য ও গাজীপুর জেলা জামায়াতের আমীর ডঃ. মোঃ জাহাঙ্গীর আলম। জনপ্রিয়তা,সাংগঠনিক দক্ষতা এবং জোরালো প্রচারণার কারণে তাকে তখন এই আসনের সবচেয়ে শক্তিশালী ও সম্ভাব্য বিজয়ী প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছিলো। তার ক্রমবর্ধমান জনসমর্থন বিএনপি শিবিরে স্পষ্ট অস্বস্তি ও হতাশার জন্ম দিয়েছিলো। কিন্তু ১১দলীয় ঐক্যজোটের সাংগঠনিক সমন্বয়ের অংশ হিসেবে শেষ পর্যন্ত গাজীপুর-৩ আসনটি খেলাফতে মজলিশকে ছেড়ে দেওয়া হয়। দলীয় ও জোটগত সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে ডঃ জাহাঙ্গীর আলম প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলে নির্বাচনী সমীকরণ হঠাৎ করেই নতুন মোড় নেয়। এতে বিএনপি শিবির কিছুটা স্বস্তি পেলেও মাঠ পুরোপুরি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেনি।এই শূন্যতার সুযোগেই দৃশ্যপটে ক্রমশ সামনে আসতে শুরু করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ইজাদুর রহমান মিলন। স্থানীয় রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত মুখ মিলন এর আগেও বৃহত্তর মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে টানা ১১ বছর দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি গাজীপুর সদর উপজেলা পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান হিসেবে ২ (দুই) মেয়াদে তার ৭ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে। জনপ্রতিনিধি হিসেবে দীর্ঘ এই সময়জুড়ে জনসেবা, প্রশাসনিক দক্ষতা এবং রাজনৈতিক সমীকরণ বোঝার বাস্তব অভিজ্ঞতা তাকে অন্য প্রার্থীদের তুলনায় আলাদা উচ্চতায় নিয়ে গেছে।ইজাদুর রহমান মিলনের পরিচয় শুধু একজন রাজনীতিক হিসেবেই সীমাবদ্ধ নয়। তিনি ভবানীপুর মুক্তিযোদ্ধা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ হিসেবে শিক্ষাক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, চাঁদাবাজ ও দলবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান,নিজ এলাকার মানুষের প্রতি নিরবচ্ছিন্ন সেবা এবং মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দির,স্কুল ও কলেজে তার স্বতঃস্ফূর্ত অনুদান ও অংশগ্রহণ তাকে এলাকায় ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা এনে দিয়েছে।অন্যদিকে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী এহসানুল হক শেষ সময়ে এসে পুরো নির্বাচনী এলাকা কার্যকরভাবে প্রদক্ষিণ করতে পারেননি। গাজীপুর সদর উপজেলার বেশ কিছু এলাকায় এখনো তার দৃশ্যমান গণসংযোগ চোখে পড়েনি। বিশেষ করে মির্জাপুর, পিরুজালী ও ভাওয়াল গড় ইউনিয়নে রিক্সা প্রতীকের প্রচারণা প্রায় অনুপস্থিত। এমনকি এসব এলাকায় জোট প্রার্থীর পক্ষে সক্রিয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির অস্তিত্ব নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয় পর্যায়ে শোনা যাচ্ছে, জামায়াতে ইসলামীর অনেক দায়িত্বশীল সমর্থক ইতিমধ্যে নীরবে ও অনানুষ্ঠানিকভাবে ইজাদুর রহমান মিলনের প্রতি সমর্থন জানাচ্ছেন।আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা হলো,আওয়ামীলীগ এবার নির্বাচনে অংশ না নিলেও ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক নিরাপত্তা ও পরিস্থিতির কথা বিবেচনায় রেখে দলটির ঐতিহ্যবাহী ভোটব্যাংক কার্যত স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলনের দিকেই ঝুঁকছে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। এই সমর্থন নির্বাচনী অঙ্কে একটি বড় ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করতে পারে।বিএনপি প্রার্থী ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চুর ধানের শীষের প্রচারণা নিঃসন্দেহে জোরালো। তবে পতিত আওয়ামী লীগের বহু চিহ্নিত ও বিতর্কিত নেতাকে দলে অন্তর্ভুক্ত করায় বিএনপির বিরুদ্ধে আদর্শচ্যুতির অভিযোগ উঠেছে। আওয়ামী সরকারের পতনের পর গত ১৭মাসে শ্রীপুর ও গাজীপুর সদর উপজেলায় বিএনপির বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ জনমনে প্রশ্ন তৈরি করেছে। ৫ই আগস্টের পর এই দলের প্রতি মানুষের যে প্রবল আস্থা ছিলো তা ক্রমবর্ধমান হারে হ্রাস পেয়েছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। জাতীয় পর্যায়ে বিএনপি ও জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১দলীয় ঐক্যজোটের মধ্যকার সাংবিধানিক ভোটযুদ্ধের ফল যেমন ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত হবে,তেমনি গাজীপুর-৩ আসনেও ভোটাররা সিদ্ধান্ত নেবেন-দলীয় প্রতীকের রাজনীতি,না কি পরীক্ষিত জনপ্রতিনিধিত্ব ও স্থানীয় উন্নয়নের বাস্তব অভিজ্ঞতা।সব মিলিয়ে মাঠের বর্তমান পরিস্থিতি,নীরব সমর্থনের প্রবাহ,দীর্ঘদিনের জনসেবার রেকর্ড এবং বহুমাত্রিক গ্রহণযোগ্যতা বিবেচনায় গাজীপুর-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইজাদুর রহমান মিলন ক্রমেই একজন শক্তিশালী ও সম্ভাব্য বিজয়ী প্রার্থী হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছেন। এমনটিই ধারণা করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
৩৪ মিনিট আগে
গরমে বছরে নষ্ট ২৫ কোটি কর্মদিবস, দেশের আর্থিক ক্ষতি ২১ হাজার কোটি টাকা

গরমে বছরে নষ্ট ২৫ কোটি কর্মদিবস, দেশের আর্থিক ক্ষতি ২১ হাজার কোটি টাকা

আজ মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকার একটি হোটেলে ‘অ্যান আনসাসটেইনেবল লাইফ: দ্য ইমপ্যাক্ট অব হিট অন হেলথ অ্যান্ড দ্য ইকোনমি অব বাংলাদেশ’ শীর্ষক এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘যখন তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায়, তখন কর্মীদের উৎপাদনশীলতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। এর ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।’গবেষণায় ১৯৭৬-২০২৩ সাল পর্যন্ত দেশের তাপমাত্রা ও আপেক্ষিক আর্দ্রতা বিশ্লেষণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ২০২৪ সালে ১৬ হাজারের বেশি মানুষের ওপর পরিচালিত ২ ধাপের জরিপের তথ্যও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।তথ্যানুযায়ী, ১৯৮০ সাল থেকে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও অনুভূত তাপমাত্রা (‘ফিলস লাইক টেম্পারেচার’) ৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়েছে। এর ফলে ডায়রিয়া, দীর্ঘস্থায়ী কাশি, শ্বাসযন্ত্রের রোগ ও ক্লান্তি বেড়েছে। তাপপ্রবাহের কারণে মানসিক স্বাস্থ্যসমস্যা, যেমন বিষণ্নতাও বৃদ্ধি পেয়েছে।বিশ্ব ব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যাঁ পেসমে বলেন, ‘তীব্র গরম শুধু মৌসুমি সমস্যা নয়, এর প্রভাব সুদূরপ্রসারী। আমরা বাংলাদেশে দেখছি, ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা আমাদের স্বাস্থ্য, উৎপাদনশীলতা ও দেশের অর্থনীতিকে প্রভাবিত করছে। সমন্বিত পদক্ষেপের মাধ্যমে তাপপ্রবাহের প্রভাব মোকাবিলা সম্ভব।’বর্তমানে উচ্চ তাপমাত্রার ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ পৃথিবীতে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। রাজধানী ঢাকা তাপের সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত শহর, যেখানে তাপসূচক জাতীয় গড়ের তুলনায় প্রায় ৬৫ শতাংশ বেশি বেড়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘গ্রীষ্মকালে ডায়রিয়া ও দীর্ঘস্থায়ী কাশির ঘটনা শীতকালের তুলনায় দ্বিগুণ হয়। নারীরা তাপজনিত অসুস্থতায় বেশি ভোগেন। গরমের মাসগুলোতে বিষণ্নতা ও উদ্বেগ বাড়ে, যা বয়সের সঙ্গে বেড়ে চলে। ৫০-৬৫ বছর বয়সীদের মধ্যে তাপজনিত সমস্যা সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।’এসব শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার কারণে শীতকালের তুলনায় গ্রীষ্মকালে আর্থিক ক্ষতি বেশি হয়। বিশ্ব ব্যাংকের সিনিয়র অপারেশনস অফিসার ও প্রতিবেদনের সহ-লেখক ইফফাত মাহমুদ বলেন, ‘গরমে স্বাস্থ্য সমস্যা ও উৎপাদনশীলতা কমার মধ্যে সুস্পষ্ট যোগসূত্র দেখা গেছে।’বিশ্ব ব্যাংক তাপপ্রবাহ থেকে জীবন-জীবিকা ও অর্থনীতিকে রক্ষা করার জন্য জরুরি ও সমন্বিত পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে। প্রতিবেদনে তাপপ্রবাহ ব্যবস্থাপনার জন্য বহু-খাতভিত্তিক জাতীয় প্রস্তুতি বাড়ানো, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে সজ্জিত করা ও শহরাঞ্চলে সবুজায়ন বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন
ফরিদপুর–২ আসন: শেষ সময়েও প্রচারণায় ব্যস্ত ‘ধলা হুজুর’

ফরিদপুর–২ আসন: শেষ সময়েও প্রচারণায় ব্যস্ত ‘ধলা হুজুর’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার শেষ সময়েও রিকশা প্রতীকে ভোট চেয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন ১১ দলীয় জোট মনোনীত খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মাওলানা শাহ মো. আকরাম আলী (ধলা হুজুর)। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ফরিদপুর–২ (সালথা–নগরকান্দা) আসনের সালথা ও নগরকান্দা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে পথসভা, হাট-বাজার ও গণসংযোগে অংশ নেন তিনি। এ সময় কৃষক, শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের কাছে রিকশা মার্কায় ভোট চান ধলা হুজুর। নির্বাচনী প্রচারণাকালে তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে সালথা ও নগরকান্দা উপজেলায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা হবে এবং এলাকার কাইজ্জা–মারামারি বন্ধে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে। হিন্দু-মুসলিমসহ সব ধর্মের মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি বেকারত্ব দূরীকরণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, সমাজের উন্নয়নে যুবসমাজের ভূমিকা অপরিহার্য। নির্বাচিত হতে পারলে যুবকদের জন্য বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে এবং এ অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে। মাওলানা আকরাম আলী বলেন, সালথা–নগরকান্দা কৃষিপ্রধান এলাকা হলেও কৃষকরা নানা দিক থেকে অবহেলিত। কৃষিযন্ত্রপাতি ও সারের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখা এবং কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে তিনি সংসদে কৃষকদের দাবি-দাওয়া তুলে ধরবেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, দেশে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতার পালাবদলের সঙ্গে বিরোধী দলের নেতাকর্মীরা হামলা-মামলার শিকার হন। ক্ষমতায় গেলে এ ধরনের ‘জুলুম-নির্যাতন’ বন্ধ করা হবে, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করা হবে এবং সরকারি বরাদ্দ স্বচ্ছভাবে বণ্টন নিশ্চিত করা হবে। রাস্তা-ঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ সামগ্রিক উন্নয়নে ব্যাপক কাজ করা হবে বলেও তিনি অঙ্গীকার করেন। এ সময় ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।
১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সিরাজগঞ্জে রওশন আরা বেগম হাফিজিয়া মাদ্রাসার উদ্যোগে ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে

সিরাজগঞ্জে রওশন আরা বেগম হাফিজিয়া মাদ্রাসার উদ্যোগে ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ছোনগাছা আকন্দ বাড়িতে অবস্থিত রওশন আরা বেগম হাফিজিয়া মাদ্রাসার উন্নয়ন ও দ্বীনি কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে এক ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।আগামী ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ (বুধবার) ছোনগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। মাহফিলের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম (লিটন), নির্বাহী প্রকৌশলী (অবসরপ্রাপ্ত), বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এবং রওশন আরা বেগম হাফিজিয়া মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ইঞ্জিনিয়ার মো. সেলিম বাদশা, জেনারেল ম্যানেজার (অপারেশন), কুশিয়ারা কম্পোজিট নিট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, সেম্বরা, সাভার, ঢাকা।প্রধান বক্তা হিসেবে ওয়াজ পেশ করবেন হযরত মাওলানা আলহাজ্ব মো. আনোয়ার উল্লাহ (মজনু), সাবেক অধ্যক্ষ, ছোনগাছা ফাযিল মাদ্রাসা, সিরাজগঞ্জ।এছাড়াও বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন—হযরত মাওলানা মো. শহিদুল ইসলাম আনসারী, খাদেম, ফুরফুরা শরীফ, সিরাজগঞ্জ;হযরত মাওলানা ইসমাইল হোসেন সিরাজী, শিক্ষক, সারুল ইসলাম মডেল মাদ্রাসা, সিরাজগঞ্জ;হযরত মাওলানা শোয়াইব আহম্মেদ যযাম, খামারগাতী জামে মসজিদ, সিরাজগঞ্জ।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন—জনাব আলহাজ্ব মো. আবু বক্কর সিদ্দিক, পুলিশ পরিদর্শক (ডিএমপি), ঢাকা;জনাব আব্দুল্লাহ আল মামুন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সিরাজগঞ্জ;জনাব ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমান, আর্কিটেক্ট ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সিরাজগঞ্জসহ দেশবরেণ্য ওলামায়ে কেরাম।মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দ্বীনি শিক্ষা বিস্তার ও মাদ্রাসার অবকাঠামোগত উন্নয়নকে এগিয়ে নিতেই এ ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। মাহফিল সফল করতে সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষভাবে আহ্বান জানানো হয়েছে।অনুষ্ঠানটি সার্বিকভাবে পরিচালনা করবে রওশন আরা বেগম হাফিজিয়া মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটি।
০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কে. এম রুবেলের ৫ম বিবাহবার্ষিকী উদযাপন

কে. এম রুবেলের ৫ম বিবাহবার্ষিকী উদযাপন

জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সভাপতি কে. এম. রুবেলের ৫ম বিবাহবার্ষিকী উদযাপন হয়েছে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সী-বিচ এলাকার একটি মনোরম রেস্টুরেন্টে।অনুষ্ঠানে বন্দর জোনের সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ ফুলেল শুভেচ্ছা, কেক কাটা এবং উপহার প্রদানের মাধ্যমে দিনটি স্মরণীয় করে তোলেন। ছিল প্রাণবন্ত আড্ডা, ভালোবাসা বিনিময় ও আনন্দঘন মুহূর্ত।উপস্থিত সাংবাদিকরা কেএম রুবেল ও তাঁর জীবনসঙ্গীর সুখী, শান্তিপূর্ণ ও দীর্ঘস্থায়ী দাম্পত্য জীবনের জন্য শুভকামনা জানান।  দাম্পত্য জীবনের এই মাইলফলক আনন্দের পাশাপাশি অনুপ্রেরণাও জাগিয়েছে সবার মাঝে।
৩০ অক্টোবর ২০২৫
জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫ –এর আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান কাউনিয়ায় অনুষ্ঠিত

জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫ –এর আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান কাউনিয়ায় অনুষ্ঠিত

জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫ –এর আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান কাউনিয়ায় অনুষ্ঠিতরংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় উৎসবমুখর পরিবেশে জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫ এর আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। সকালে উপজেলা চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়, যা উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে অনুষ্ঠানের স্থানে এসে শেষ হয়।অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মহিদুল হক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. মো. এ আর এম আল মামুন।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেনতানিয়া আক্তার, কৃষি অফিসার, কাউনিয়া উপজেলা এসআই ব্রজ গোপাল কর্মকার, সেকেন্ড অফিসার, কাউনিয়া থানা বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, খামারি, শিক্ষক, সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ প্রদর্শনীতে প্রদর্শিত প্রাণিসম্পদ ও উপকরণ প্রদর্শনীতে নানা জাতের প্রাণিসম্পদ ও খাদ্যউপকরণ প্রদর্শিত হয়, যার মধ্যে ছিলগরু ছাগল ভেড়া হাঁস মুরগি কোয়েল পাখি বিভিন্ন জাতের উন্নতমানের ঘাস গো-খাদ্য ও আধুনিক খামার ব্যবস্থাপনার উপকরণ আলোচনা সভায় বক্তারা স্থানীয় খামারিদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ, মানসম্মত উৎপাদন, এবং প্রাণিসম্পদ উন্নয়নে সরকারের নানা উদ্যোগ তুলে ধরেন। পরে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শ্রেষ্ঠ খামারি ও স্টল মালিকদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫–এর কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ ঘোষণা করা হয়।
০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !