সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ওপেন নিউজ ২৪
সর্বশেষ

বিএনপি ৪৯.৯৭ ও জামায়াত ৩১.৭৬ ভোট পেয়েছে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মোট ভোটের ৪৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ ও জামায়াতে ইসলামী ৩১ দশমিক ৭৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে। রোববার ইসির জনসংযোগ শাখা এ তথ্য জানিয়েছে। ইতোমধ্যে বিএনপি জোট ২১২ আসন পেয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। অন্যদিকে ১১ দলীয় জোট পেয়েছে ৭৭টি আসন।অন্যান্য দলগুলোর মধ্যে এনসিপি ৩ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ২ দশমিক ৭ শতাংশ ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ, জাতীয় পার্টি ০ দশমিক ৮৯ শতাংশ এবং গণঅধিকার পরিষদ ০ দশমিক ৩৩ শতাংশ ভোট পেয়েছে। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সম্মিলিতভাবে ৫ দশমিক ৭৯ শতাংশ ভোট পেয়েছেন।
৭ ঘন্টা আগে

বিভেদ নয়, ঐক্যের পথে নড়াইল-১: শান্তির প্রত্যয়ে এমপি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম

বিভেদ নয়, ঐক্যের পথে নড়াইল-১: শান্তির প্রত্যয়ে এমপি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম স্টাফ রিপোর্টার মোঃ লিটন শিকদার নড়াইল-১ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম শান্তি, সম্প্রীতি ও টেকসই উন্নয়নের প্রত্যয়ে দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি ’২৬) ঢাকা রওয়ানা হওয়ার প্রাক্কালে নড়াগাতীর খাশিয়ালস্থ নিজ বাসভবনে দলীয় নেতা-কর্মী, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ বার্তা দেন। এ সময় তিনি বলেন, “নড়াইল-১ আসনের জনগণ আমাকে যে আস্থা, ভালোবাসা ও সমর্থন দিয়েছেন, তার মর্যাদা রক্ষা করা আমার প্রথম দায়িত্ব। আমি প্রতিদান দিতে চাই কথায় নয়, কাজে। এ আসনের প্রতিটি মানুষ—জাতি, ধর্ম, বর্ণ ও রাজনৈতিক মতভেদ নির্বিশেষে—আমার আপনজন। আমি সবার প্রতিনিধি হিসেবেই দায়িত্ব পালন করবো।” তিনি আরও বলেন, “নির্বাচন একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। নির্বাচন শেষ, এখন সময় একসঙ্গে পথ চলার। হিংসা-বিদ্বেষ, দ্বন্দ্ব-কলহ ও ভুল বোঝাবুঝি পেছনে ফেলে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। নড়াইল-১-কে একটি শান্তিপূর্ণ, আধুনিক ও মডেল আসনে পরিণত করাই হবে আমাদের সম্মিলিত লক্ষ্য।” উন্নয়ন পরিকল্পনার বিষয়ে তিনি উল্লেখ করেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, যুবসমাজের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নারীর ক্ষমতায়নে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান তিনি। “ঐক্যই আমাদের শক্তি, বিভেদ নয়”—এ কথা পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, “আমরা কেউ কারও প্রতিপক্ষ নই; বরং একে অপরের পরিপূরক। সমৃদ্ধ নড়াইল গড়তে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।” মতবিনিময় সভায় উপস্থিত নেতা-কর্মীরা তাঁর শান্তি ও উন্নয়নমুখী বক্তব্যকে স্বাগত জানান। তারা বলেন, নির্বাচনের পর এমন সম্প্রীতির বার্তা এলাকাবাসীর মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং উন্নয়নের গতিকে ত্বরান্বিত করবে। তারা নবনির্বাচিত এমপিকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। সবশেষে বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম নড়াইল-১-এর সর্বস্তরের মানুষের কাছে দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করে বলেন, “জনগণের প্রত্যাশা পূরণই হবে আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য। একটি নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও উন্নয়নমুখী নড়াইল গড়াই আমাদের লক্ষ্য।
৮ ঘন্টা আগে

সবুজ সুরের সন্ধানে' সিজন-১: গ্র্যান্ড ফিনালে দুর্গাপুরের মিজানুর রহমান কাঞ্চন শীর্ষ দশে জায়গা করে নিলেন

‎হাজারো কণ্ঠকে পেছনে ফেলে নিজের মেধা আর কঠোর সাধনায় জনপ্রিয় সংগীত বিষয়ক রিয়েলিটি শো ‘সবুজ সুরের সন্ধানে–সিজন ১’-এর শীর্ষ দশে জায়গা করে নিয়েছেন নেত্রকোণার সুসং দুর্গাপুরের সংস্কৃতিকর্মী ও সংগীত শিল্পী মো.মিজানুর রহমান কাঞ্চন চূড়ান্ত লড়াই তথা গ্র্যান্ড ফিনালে জন্য তিনি নির্বাচিত হওয়ায় বর্তমানে পুরো দুর্গাপুর এলাকা জুড়ে বইছে আনন্দের বন্যা।‎‎প্রতিযোগিতার শুরু থেকেই মো.মিজানুর রহমান কাঞ্চন তার ব্যতিক্রমী গায়কী আর স্বকীয়তা দিয়ে বিচারকদের মুগ্ধ করে আসছিলেন। একের পর এক রাউন্ডে নিজের পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে তিনি আজ সেরা দশের মঞ্চে। তার এই সাফল্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অভিনন্দের জোয়ার বইছে।‎মিজানুর রহমান কাঞ্চন তার এই অর্জনকে স্থানীয়রা শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য হিসেবে দেখছেন না। দুর্গাপুরবাসীর মতে, এটি পুরো এলাকার জন্য এক অনন্য গৌরব। দর্শকদের অকুণ্ঠ সমর্থন এবং হাজারো মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত এখন চূড়ান্ত বিজয়ের স্বপ্ন দেখছেন মিজানুর রহমান কাঞ্চন। শীঘ্রই এক জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘সবুজ সুরের সন্ধানে’ প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনাল। সেরা দশের এই লড়াই আগের সব রাউন্ডের চেয়ে আরও বেশি চ্যালেঞ্জিং হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মো.মিজানুর রহমান কাঞ্চন সহ দশ জন প্রতিভাবান শিল্পী এখন সেই মাহেন্দ্রক্ষণের অপেক্ষায় দিন গুনছেন।‎‎দুর্গাপুরবাসীর প্রত্যাশা, মিজানুর রহমান কাঞ্চন তার শ্রমের সমন্বয়ে গ্র্যান্ড ফাইনালেও সফল হবেন এবং তার কণ্ঠের জাদুতে সারা দেশে নিজের ও নিজ এলাকার নাম উজ্জ্বল করবেন। বিজয়ের মুকুট নিয়ে মো.মিজানুর রহমান কাঞ্চন ঘরে ফিরবেন—এমনটাই এখন সবার নজরে রয়েছে
৯ ঘন্টা আগে
শূন্য শতাংশ ভোট পেয়েছে যে ১০ দল

শূন্য শতাংশ ভোট পেয়েছে যে ১০ দল

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শূন্য শতাংশ ভোট পেয়েছে ১০টি রাজনৈতিক দল। রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন (ইসি) দলগত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রাপ্ত ভোটের এই তথ্য প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ইসলামী ঐক্য জোটের দুইজন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। মিনার প্রতীক নিয়ে তারা শূন্য শতাংশ ভোট পেয়েছেন। কবুতর প্রতীক নিয়ে একটি আসনে নির্বাচন করা গণতন্ত্রী পার্টি শূন্য শতাংশ ভোট পেয়েছে। একইভাবে গণফ্রন্ট পাঁচটি আসনে মাছ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়ে শূন্য শতাংশ ভোট পেয়েছে। জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) একটি আসনে চশমা প্রতীক নিয়ে, জাতীয় গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম) সিংহ প্রতীক নিয়ে আটটি আসনে, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি হাতঘড়ি প্রতীকে দুটি আসনে, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি কাঠাল প্রতীকে ছয়টি আসনে, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ) টেলিভিশন প্রতীকে আটটি আসনে, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ-বিএনএল হাত (পাঞ্জা) প্রতীকে তিন আসনে, বাংলাদেশ সমঅধিকার পার্টি-বিইপি দোয়াত কলম প্রতীকে একটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও ভোট পেয়েছে শূন্য শতাংশ।অন্যদিকে নির্বাচনে দুই তৃতীয়াংশ আসন পেয়ে সরকার গঠনের পথে থাকা বিএনপি ৪৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ ভোটারের সমর্থন পেয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে থেকে প্রধান বিরোধীদল হিসেবে নির্বাচিত জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৩১ দশমিক ৭৬ শতাংশ ভোট। আর দলগতভাবে তৃতীয় সর্বোচ্চ আসনপ্রাপ্ত জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) পেয়েছে ৩ দশমিক ০৫ শতাংশ ভোট। তবে সাতটি আসনে বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ঘরে গেছে ৫ দশমিক ৭৯ শতাংশের সমর্থন।  
৪ ঘন্টা আগে
বিভেদ নয়, ঐক্যের পথে নড়াইল-১: শান্তির প্রত্যয়ে এমপি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম

বিভেদ নয়, ঐক্যের পথে নড়াইল-১: শান্তির প্রত্যয়ে এমপি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম

বিভেদ নয়, ঐক্যের পথে নড়াইল-১: শান্তির প্রত্যয়ে এমপি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম স্টাফ রিপোর্টার মোঃ লিটন শিকদার নড়াইল-১ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম শান্তি, সম্প্রীতি ও টেকসই উন্নয়নের প্রত্যয়ে দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি ’২৬) ঢাকা রওয়ানা হওয়ার প্রাক্কালে নড়াগাতীর খাশিয়ালস্থ নিজ বাসভবনে দলীয় নেতা-কর্মী, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ বার্তা দেন। এ সময় তিনি বলেন, “নড়াইল-১ আসনের জনগণ আমাকে যে আস্থা, ভালোবাসা ও সমর্থন দিয়েছেন, তার মর্যাদা রক্ষা করা আমার প্রথম দায়িত্ব। আমি প্রতিদান দিতে চাই কথায় নয়, কাজে। এ আসনের প্রতিটি মানুষ—জাতি, ধর্ম, বর্ণ ও রাজনৈতিক মতভেদ নির্বিশেষে—আমার আপনজন। আমি সবার প্রতিনিধি হিসেবেই দায়িত্ব পালন করবো।” তিনি আরও বলেন, “নির্বাচন একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। নির্বাচন শেষ, এখন সময় একসঙ্গে পথ চলার। হিংসা-বিদ্বেষ, দ্বন্দ্ব-কলহ ও ভুল বোঝাবুঝি পেছনে ফেলে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। নড়াইল-১-কে একটি শান্তিপূর্ণ, আধুনিক ও মডেল আসনে পরিণত করাই হবে আমাদের সম্মিলিত লক্ষ্য।” উন্নয়ন পরিকল্পনার বিষয়ে তিনি উল্লেখ করেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, যুবসমাজের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নারীর ক্ষমতায়নে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান তিনি। “ঐক্যই আমাদের শক্তি, বিভেদ নয়”—এ কথা পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, “আমরা কেউ কারও প্রতিপক্ষ নই; বরং একে অপরের পরিপূরক। সমৃদ্ধ নড়াইল গড়তে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।” মতবিনিময় সভায় উপস্থিত নেতা-কর্মীরা তাঁর শান্তি ও উন্নয়নমুখী বক্তব্যকে স্বাগত জানান। তারা বলেন, নির্বাচনের পর এমন সম্প্রীতির বার্তা এলাকাবাসীর মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং উন্নয়নের গতিকে ত্বরান্বিত করবে। তারা নবনির্বাচিত এমপিকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। সবশেষে বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম নড়াইল-১-এর সর্বস্তরের মানুষের কাছে দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করে বলেন, “জনগণের প্রত্যাশা পূরণই হবে আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য। একটি নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও উন্নয়নমুখী নড়াইল গড়াই আমাদের লক্ষ্য।
৮ ঘন্টা আগে
গরমে বছরে নষ্ট ২৫ কোটি কর্মদিবস, দেশের আর্থিক ক্ষতি ২১ হাজার কোটি টাকা

গরমে বছরে নষ্ট ২৫ কোটি কর্মদিবস, দেশের আর্থিক ক্ষতি ২১ হাজার কোটি টাকা

আজ মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকার একটি হোটেলে ‘অ্যান আনসাসটেইনেবল লাইফ: দ্য ইমপ্যাক্ট অব হিট অন হেলথ অ্যান্ড দ্য ইকোনমি অব বাংলাদেশ’ শীর্ষক এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘যখন তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায়, তখন কর্মীদের উৎপাদনশীলতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। এর ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।’গবেষণায় ১৯৭৬-২০২৩ সাল পর্যন্ত দেশের তাপমাত্রা ও আপেক্ষিক আর্দ্রতা বিশ্লেষণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ২০২৪ সালে ১৬ হাজারের বেশি মানুষের ওপর পরিচালিত ২ ধাপের জরিপের তথ্যও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।তথ্যানুযায়ী, ১৯৮০ সাল থেকে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও অনুভূত তাপমাত্রা (‘ফিলস লাইক টেম্পারেচার’) ৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়েছে। এর ফলে ডায়রিয়া, দীর্ঘস্থায়ী কাশি, শ্বাসযন্ত্রের রোগ ও ক্লান্তি বেড়েছে। তাপপ্রবাহের কারণে মানসিক স্বাস্থ্যসমস্যা, যেমন বিষণ্নতাও বৃদ্ধি পেয়েছে।বিশ্ব ব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যাঁ পেসমে বলেন, ‘তীব্র গরম শুধু মৌসুমি সমস্যা নয়, এর প্রভাব সুদূরপ্রসারী। আমরা বাংলাদেশে দেখছি, ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা আমাদের স্বাস্থ্য, উৎপাদনশীলতা ও দেশের অর্থনীতিকে প্রভাবিত করছে। সমন্বিত পদক্ষেপের মাধ্যমে তাপপ্রবাহের প্রভাব মোকাবিলা সম্ভব।’বর্তমানে উচ্চ তাপমাত্রার ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ পৃথিবীতে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। রাজধানী ঢাকা তাপের সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত শহর, যেখানে তাপসূচক জাতীয় গড়ের তুলনায় প্রায় ৬৫ শতাংশ বেশি বেড়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘গ্রীষ্মকালে ডায়রিয়া ও দীর্ঘস্থায়ী কাশির ঘটনা শীতকালের তুলনায় দ্বিগুণ হয়। নারীরা তাপজনিত অসুস্থতায় বেশি ভোগেন। গরমের মাসগুলোতে বিষণ্নতা ও উদ্বেগ বাড়ে, যা বয়সের সঙ্গে বেড়ে চলে। ৫০-৬৫ বছর বয়সীদের মধ্যে তাপজনিত সমস্যা সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।’এসব শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার কারণে শীতকালের তুলনায় গ্রীষ্মকালে আর্থিক ক্ষতি বেশি হয়। বিশ্ব ব্যাংকের সিনিয়র অপারেশনস অফিসার ও প্রতিবেদনের সহ-লেখক ইফফাত মাহমুদ বলেন, ‘গরমে স্বাস্থ্য সমস্যা ও উৎপাদনশীলতা কমার মধ্যে সুস্পষ্ট যোগসূত্র দেখা গেছে।’বিশ্ব ব্যাংক তাপপ্রবাহ থেকে জীবন-জীবিকা ও অর্থনীতিকে রক্ষা করার জন্য জরুরি ও সমন্বিত পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে। প্রতিবেদনে তাপপ্রবাহ ব্যবস্থাপনার জন্য বহু-খাতভিত্তিক জাতীয় প্রস্তুতি বাড়ানো, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে সজ্জিত করা ও শহরাঞ্চলে সবুজায়ন বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন
নির্বাচন-পরবর্তী উত্তেজনায় নগরকান্দা-সালথা, শান্তি কামনায় ধলা হুজুর

নির্বাচন-পরবর্তী উত্তেজনায় নগরকান্দা-সালথা, শান্তি কামনায় ধলা হুজুর

ফরিদপুর-২ আসনের নগরকান্দা ও সালথা উপজেলায় নির্বাচন-পরবর্তী উত্তেজনা ও সহিংসতার ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে। বিভিন্ন এলাকায় প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষগুলোর মধ্যে সংঘর্ষ, বাড়িঘর ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমন পরিস্থিতিতে সহিংসতা পরিহার করে শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওলানা শাহ মো. আকরাম আলী (ধলা হুজুর)।শনিবার বিকেলে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় তিনি নগরকান্দা-সালথার ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, “আপনাদের ভালোবাসা, স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন ও আস্থা আমাকে অভিভূত করেছে। ‘রিকশা’ প্রতীকে আপনারা যে সমর্থন দিয়েছেন, তা আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।” তিনি আরও বলেন, বিপুল ভোট প্রাপ্তি প্রমাণ করে মানুষ পরিবর্তন ও নীতি-আদর্শভিত্তিক ইনসাফের রাজনীতি প্রত্যাশা করে। একই সঙ্গে ত্যাগী নেতা-কর্মী, সমর্থক, প্রবাসী ভোটার, পরিবার-পরিজন, মা-বোন এবং ছাত্র-যুব সমাজের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। দোয়া কামনা করে তিনি বলেন, “মুমিনের জীবনে হতাশা নেই। মহান আল্লাহ পরিশ্রম ও সৎ নিয়তকে বিফল করেন না।”বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি কাইজা-দাঙ্গা, প্রতিহিংসা ও মারামারি থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। তার ভাষায়, “আমরা একই এলাকার মানুষ। নির্বাচন আজ আছে, কাল থাকবে না; কিন্তু সহাবস্থান ও সম্প্রীতি চিরস্থায়ী। আসুন, মিলেমিশে নগরকান্দা-সালথায় শান্তি প্রতিষ্ঠা করি।” স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে উভয় উপজেলায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে কয়েকটি বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে এবং উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী টহল জোরদার করেছে।বার্তায় ধলা হুজুর ধানের শীষ প্রতীকের বিজয়ী প্রার্থী শামা ওবায়েদ ইসলামকে শুভেচ্ছা জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধি দল-মত নির্বিশেষে নগরকান্দা-সালথার জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা ও সার্বিক উন্নয়নে কাজ করবেন। উল্লেখ্য, শামা ওবায়েদ ইসলাম মরহুম কে. এম. ওবায়দুর রহমানের কন্যা। তিনি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং তার রাজনৈতিক উত্তরাধিকার এ আসনের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছে।সবশেষে ধলা হুজুর বলেন, “মানুষের আস্থা অর্জনের যে যাত্রা শুরু হয়েছে তা থামবে না। আজ ফলাফল যাই হোক, মানুষের ভালোবাসাই আমাদের আগামী দিনের সবচেয়ে বড় পুঁজি। আমরা আরও সংগঠিত হব, আরও দক্ষ হব এবং মানুষের পাশে দাঁড়াব—ইনশাআল্লাহ।” এলাকাবাসী আশা করছেন, সব পক্ষের দায়িত্বশীল ভূমিকা ও সংযমের মাধ্যমে দ্রুত সহিংসতা বন্ধ হয়ে নগরকান্দা-সালথায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরে আসবে।
১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সিরাজগঞ্জে রওশন আরা বেগম হাফিজিয়া মাদ্রাসার উদ্যোগে ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে

সিরাজগঞ্জে রওশন আরা বেগম হাফিজিয়া মাদ্রাসার উদ্যোগে ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ছোনগাছা আকন্দ বাড়িতে অবস্থিত রওশন আরা বেগম হাফিজিয়া মাদ্রাসার উন্নয়ন ও দ্বীনি কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে এক ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।আগামী ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ (বুধবার) ছোনগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। মাহফিলের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম (লিটন), নির্বাহী প্রকৌশলী (অবসরপ্রাপ্ত), বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এবং রওশন আরা বেগম হাফিজিয়া মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ইঞ্জিনিয়ার মো. সেলিম বাদশা, জেনারেল ম্যানেজার (অপারেশন), কুশিয়ারা কম্পোজিট নিট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, সেম্বরা, সাভার, ঢাকা।প্রধান বক্তা হিসেবে ওয়াজ পেশ করবেন হযরত মাওলানা আলহাজ্ব মো. আনোয়ার উল্লাহ (মজনু), সাবেক অধ্যক্ষ, ছোনগাছা ফাযিল মাদ্রাসা, সিরাজগঞ্জ।এছাড়াও বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন—হযরত মাওলানা মো. শহিদুল ইসলাম আনসারী, খাদেম, ফুরফুরা শরীফ, সিরাজগঞ্জ;হযরত মাওলানা ইসমাইল হোসেন সিরাজী, শিক্ষক, সারুল ইসলাম মডেল মাদ্রাসা, সিরাজগঞ্জ;হযরত মাওলানা শোয়াইব আহম্মেদ যযাম, খামারগাতী জামে মসজিদ, সিরাজগঞ্জ।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন—জনাব আলহাজ্ব মো. আবু বক্কর সিদ্দিক, পুলিশ পরিদর্শক (ডিএমপি), ঢাকা;জনাব আব্দুল্লাহ আল মামুন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সিরাজগঞ্জ;জনাব ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমান, আর্কিটেক্ট ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সিরাজগঞ্জসহ দেশবরেণ্য ওলামায়ে কেরাম।মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দ্বীনি শিক্ষা বিস্তার ও মাদ্রাসার অবকাঠামোগত উন্নয়নকে এগিয়ে নিতেই এ ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। মাহফিল সফল করতে সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষভাবে আহ্বান জানানো হয়েছে।অনুষ্ঠানটি সার্বিকভাবে পরিচালনা করবে রওশন আরা বেগম হাফিজিয়া মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটি।
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কে. এম রুবেলের ৫ম বিবাহবার্ষিকী উদযাপন

কে. এম রুবেলের ৫ম বিবাহবার্ষিকী উদযাপন

জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সভাপতি কে. এম. রুবেলের ৫ম বিবাহবার্ষিকী উদযাপন হয়েছে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সী-বিচ এলাকার একটি মনোরম রেস্টুরেন্টে।অনুষ্ঠানে বন্দর জোনের সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ ফুলেল শুভেচ্ছা, কেক কাটা এবং উপহার প্রদানের মাধ্যমে দিনটি স্মরণীয় করে তোলেন। ছিল প্রাণবন্ত আড্ডা, ভালোবাসা বিনিময় ও আনন্দঘন মুহূর্ত।উপস্থিত সাংবাদিকরা কেএম রুবেল ও তাঁর জীবনসঙ্গীর সুখী, শান্তিপূর্ণ ও দীর্ঘস্থায়ী দাম্পত্য জীবনের জন্য শুভকামনা জানান।  দাম্পত্য জীবনের এই মাইলফলক আনন্দের পাশাপাশি অনুপ্রেরণাও জাগিয়েছে সবার মাঝে।
৩০ অক্টোবর ২০২৫
জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫ –এর আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান কাউনিয়ায় অনুষ্ঠিত

জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫ –এর আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান কাউনিয়ায় অনুষ্ঠিত

জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫ –এর আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান কাউনিয়ায় অনুষ্ঠিতরংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় উৎসবমুখর পরিবেশে জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫ এর আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। সকালে উপজেলা চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়, যা উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে অনুষ্ঠানের স্থানে এসে শেষ হয়।অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মহিদুল হক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. মো. এ আর এম আল মামুন।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেনতানিয়া আক্তার, কৃষি অফিসার, কাউনিয়া উপজেলা এসআই ব্রজ গোপাল কর্মকার, সেকেন্ড অফিসার, কাউনিয়া থানা বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, খামারি, শিক্ষক, সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ প্রদর্শনীতে প্রদর্শিত প্রাণিসম্পদ ও উপকরণ প্রদর্শনীতে নানা জাতের প্রাণিসম্পদ ও খাদ্যউপকরণ প্রদর্শিত হয়, যার মধ্যে ছিলগরু ছাগল ভেড়া হাঁস মুরগি কোয়েল পাখি বিভিন্ন জাতের উন্নতমানের ঘাস গো-খাদ্য ও আধুনিক খামার ব্যবস্থাপনার উপকরণ আলোচনা সভায় বক্তারা স্থানীয় খামারিদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ, মানসম্মত উৎপাদন, এবং প্রাণিসম্পদ উন্নয়নে সরকারের নানা উদ্যোগ তুলে ধরেন। পরে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শ্রেষ্ঠ খামারি ও স্টল মালিকদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫–এর কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ ঘোষণা করা হয়।
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !