ওপেন নিউজ ২৪
সর্বশেষ

সালথায় একমাত্র চলাচলের পথ বন্ধ, অবরুদ্ধ ১৫ পরিবারের শতাধিক মানুষ

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় একমাত্র চলাচলের পথ বন্ধ করে দেওয়ায় ১৫টি পরিবারের শতাধিক মানুষ কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। জরুরি সেবা থেকে শুরু করে শিক্ষা ও কৃষিকাজ সব ক্ষেত্রেই মারাত্মক প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের খর্দ লক্ষনদিয়া গ্রামের কাজী বাড়ি সড়ক এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে এমন চিত্র দেখা যায়।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে পূর্বপুরুষদের সময় থেকে হিরু কাজী, খোকা কাজী, লাভলু কাজী, টুনু কাজী, টিপু কাজী, তাইফুর কাজী, আনিস কাজী, মিরন কাজী, মিশন কাজী, শাহিন কাজী, ইব্রাহিম কাজী, তুহিন কাজী, রবিন কাজী, সুমন কাজী ও রিফাত কাজীসহ একাধিক পরিবার এই পথ ব্যবহার করে আসছিলেন। পরবর্তীতে  স্থানীয়দের উদ্যোগে এবং ইউনিয়ন পরিষদের সহযোগিতায় রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু হয়। তবে মাঝপথে বাধার মুখে পড়ে কাজ বন্ধ হয়ে যায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তার প্রায় ৩০ ফুট অংশ নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিবেশী মৃত লাল কাজীর ছেলে মজিবুর কাজী কাজ বন্ধ করে দেন। এতে করে ওই অংশটি অসম্পূর্ণ থেকে যায় এবং পুরো রাস্তা কার্যত অচল হয়ে পড়ে।ভুক্তভোগীরা জানান, বর্তমানে তারা চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছেন। কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসল জমি থেকে বাড়িতে আনতে পারছেন না, শিক্ষার্থীরা নিয়মিত বিদ্যালয়ে যেতে পারছে না। অসুস্থ রোগীদের হাসপাতালে নেওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছে। কোনো ধরনের যানবাহন চলাচল করতে না পারায় জরুরি সেবাও বিঘ্নিত হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা ষাটোর্ধ্ব টুনু কাজী বলেন, আমরা পূর্বপুরুষের সময় থেকে এই পথ ব্যবহার করে আসছি। প্রধান সড়ক থেকে আমাদের বাড়ি পর্যন্ত প্রায় ৫০০ ফুট রাস্তা রয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ৩০ ফুট জায়গা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হওয়ায় আমরা আজ অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছি।আরেক ভুক্তভোগী টিপু কাজী বলেন, এটাই আমাদের একমাত্র পথ। ২০২৩ সালে চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় রাস্তার অনুমোদন নেওয়া হয়। শুরুতে কোনো সমস্যা না থাকলেও হঠাৎ করে বাধা দেওয়া হয়। এখন আমাদের সন্তানরা স্কুলে যেতে পারছে না, স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয়রা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যাতে করে অবরুদ্ধ পরিবারগুলো স্বাভাবিক চলাচলের সুযোগ ফিরে পায় এবং দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটে। অভিযোগের বিষয়ে জানতে মজিবুর কাজী বলেন, এটা চলাচলের কোনো পথ না। এটা একটা বাগান। জায়গাটি আমার ব্যক্তিগত জায়গা। তাই আমি ঘিরে রেখেছি।এ বিষয়ে গট্টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান লাভলু বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। খোঁজ নিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন বলেন, বিষয়টি আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম। দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
১১ ঘন্টা আগে

​চিকিৎসাধীন ‘কালের কণ্ঠ’ মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি রাজিব জোয়ারদারের শখের বাইক!

কালের কণ্ঠের পাবনা মাল্টিমিডিয়া জেলা প্রতিনিধি রাজিব জোয়ারদারের নিত্যদিনের সঙ্গী ও প্রিয় বাহন ‘শখের বাইকটি’ হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছে। বর্তমানে সেটি একটি অনন্ত তেলপাম্পের সামনে  হোন্ডা সার্ভিসিং সেন্টারে ‘চিকিৎসাধীন’ অবস্থায় রয়েছে।​জানা গেছে, পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে দিন-রাত যে বাইকটি নিয়ে তিনি পাবনার এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্ত ছুটে বেড়ান, যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে সেটি সাময়িকভাবে অচল হয়ে পড়েছে। নিজের প্রিয় বাহনটির এমন অবস্থায় কিছুটা বিমর্ষ হয়ে পড়েছেন এই গণমাধ্যমকর্মী।​সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হাস্যরসের ছলে বিষয়টি জানিয়ে তিনি বলেন, তার দীর্ঘদিনের পথচলার সঙ্গীটি এখন ‘হোন্ডার দোকানে’ চিকিৎসকদের (মেকানিক) নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছে। দ্রুত সুস্থ হয়ে বাইকটি আবারও রাজপথে তার সাথে সংবাদ সংগ্রহের দৌড়ে ফিরবে—এমনটাই প্রত্যাশা করছেন রাজিব জোয়ারদারের সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।​পাবনার সংবাদকর্মীদের মাঝেও বিষয়টি নিয়ে বেশ কৌতুক ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সবারই এক কথা—দ্রুত ‘সুস্থ’ হয়ে উঠুক রাজিবের প্রিয় বাইক।
২০ ঘন্টা আগে

নেত্রকোনা দুর্গাপুর সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফ‘র উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় বিজয়পুর সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং ভারতের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) সেক্টর কমান্ডার পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে এ বৈঠক সম্পন্ন হয়।বিজিবি’র আমন্ত্রণে নেত্রকোনা ব্যাটালিয়নের (৩১ বিজিবি) অধীনস্থ বিজয়পুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ১১৫১/০৪ এস হতে আনুমানিক ৫০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ‘বিজয়পুর শূন্য লাইন’ নামক স্থানে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।সৌজন্য সাক্ষাতে পাঁচ সদস্যের বিজিবি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ময়মনসিংহ সেক্টর সদর দপ্তরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল সরকার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান। তার সাথে অন্যান্য অফিসার ও কোম্পানি কমান্ডারগণ উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে, পাঁচ সদস্যের বিএসএফ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ভারতের শিলং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ডিআইজি শ্রী এস. এইচ. এস. গণেশ।বৈঠকে উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়ন এবং সীমান্ত সংক্রান্ত বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও অমীমাংসিত বিষয় নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলো হলো- সীমান্তে অবৈধ চোরাচালান ও অনুপ্রবেশ রোধে উভয় বাহিনীর যৌথ উদ্যোগ এবং সতর্কতা বৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা হয়। সোমেশ্বরী নদীর পাড়ে স্থগিত থাকা রাস্তার কাজ পুনরায় শুরু করার বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত পোষণ ও বিজয়পুর বিওপির সীমান্ত পিলার ১১৫১/২ এস হতে দুইশো গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিজিবি’র ডিউটি শেল্টার পোস্ট তৈরির বিষয়ে আলোচনা হয়। বিজিবি’র এসব প্রস্তাবে বিএসএফ প্রতিনিধি দল তাদের সম্মতি ও অনুমতি প্রদান করে।উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সৌজন্য সাক্ষাৎটি অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে শেষ হয়। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের বৈঠক সীমান্ত এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং উভয় বাহিনীর মধ্যে বিরাজমান সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
২১ ঘন্টা আগে
সালথায় একমাত্র চলাচলের পথ বন্ধ, অবরুদ্ধ ১৫ পরিবারের শতাধিক মানুষ

সালথায় একমাত্র চলাচলের পথ বন্ধ, অবরুদ্ধ ১৫ পরিবারের শতাধিক মানুষ

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় একমাত্র চলাচলের পথ বন্ধ করে দেওয়ায় ১৫টি পরিবারের শতাধিক মানুষ কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। জরুরি সেবা থেকে শুরু করে শিক্ষা ও কৃষিকাজ সব ক্ষেত্রেই মারাত্মক প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের খর্দ লক্ষনদিয়া গ্রামের কাজী বাড়ি সড়ক এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে এমন চিত্র দেখা যায়।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে পূর্বপুরুষদের সময় থেকে হিরু কাজী, খোকা কাজী, লাভলু কাজী, টুনু কাজী, টিপু কাজী, তাইফুর কাজী, আনিস কাজী, মিরন কাজী, মিশন কাজী, শাহিন কাজী, ইব্রাহিম কাজী, তুহিন কাজী, রবিন কাজী, সুমন কাজী ও রিফাত কাজীসহ একাধিক পরিবার এই পথ ব্যবহার করে আসছিলেন। পরবর্তীতে  স্থানীয়দের উদ্যোগে এবং ইউনিয়ন পরিষদের সহযোগিতায় রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু হয়। তবে মাঝপথে বাধার মুখে পড়ে কাজ বন্ধ হয়ে যায়।স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তার প্রায় ৩০ ফুট অংশ নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিবেশী মৃত লাল কাজীর ছেলে মজিবুর কাজী কাজ বন্ধ করে দেন। এতে করে ওই অংশটি অসম্পূর্ণ থেকে যায় এবং পুরো রাস্তা কার্যত অচল হয়ে পড়ে।ভুক্তভোগীরা জানান, বর্তমানে তারা চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছেন। কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসল জমি থেকে বাড়িতে আনতে পারছেন না, শিক্ষার্থীরা নিয়মিত বিদ্যালয়ে যেতে পারছে না। অসুস্থ রোগীদের হাসপাতালে নেওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছে। কোনো ধরনের যানবাহন চলাচল করতে না পারায় জরুরি সেবাও বিঘ্নিত হচ্ছে।স্থানীয় বাসিন্দা ষাটোর্ধ্ব টুনু কাজী বলেন, আমরা পূর্বপুরুষের সময় থেকে এই পথ ব্যবহার করে আসছি। প্রধান সড়ক থেকে আমাদের বাড়ি পর্যন্ত প্রায় ৫০০ ফুট রাস্তা রয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ৩০ ফুট জায়গা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হওয়ায় আমরা আজ অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছি। আরেক ভুক্তভোগী টিপু কাজী বলেন, এটাই আমাদের একমাত্র পথ। ২০২৩ সালে চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় রাস্তার অনুমোদন নেওয়া হয়। শুরুতে কোনো সমস্যা না থাকলেও হঠাৎ করে বাধা দেওয়া হয়। এখন আমাদের সন্তানরা স্কুলে যেতে পারছে না, স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয়রা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যাতে করে অবরুদ্ধ পরিবারগুলো স্বাভাবিক চলাচলের সুযোগ ফিরে পায় এবং দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটে।অভিযোগের বিষয়ে জানতে মজিবুর কাজী বলেন, এটা চলাচলের কোনো পথ না। এটা একটা বাগান। জায়গাটি আমার ব্যক্তিগত জায়গা। তাই আমি ঘিরে রেখেছি। এ বিষয়ে গট্টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান লাভলু বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। খোঁজ নিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন বলেন, বিষয়টি আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম। দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
১১ ঘন্টা আগে
সালথায় একমাত্র চলাচলের পথ বন্ধ, অবরুদ্ধ ১৫ পরিবারের শতাধিক মানুষ

সালথায় একমাত্র চলাচলের পথ বন্ধ, অবরুদ্ধ ১৫ পরিবারের শতাধিক মানুষ

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় একমাত্র চলাচলের পথ বন্ধ করে দেওয়ায় ১৫টি পরিবারের শতাধিক মানুষ কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। জরুরি সেবা থেকে শুরু করে শিক্ষা ও কৃষিকাজ সব ক্ষেত্রেই মারাত্মক প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের খর্দ লক্ষনদিয়া গ্রামের কাজী বাড়ি সড়ক এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে এমন চিত্র দেখা যায়।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে পূর্বপুরুষদের সময় থেকে হিরু কাজী, খোকা কাজী, লাভলু কাজী, টুনু কাজী, টিপু কাজী, তাইফুর কাজী, আনিস কাজী, মিরন কাজী, মিশন কাজী, শাহিন কাজী, ইব্রাহিম কাজী, তুহিন কাজী, রবিন কাজী, সুমন কাজী ও রিফাত কাজীসহ একাধিক পরিবার এই পথ ব্যবহার করে আসছিলেন। পরবর্তীতে  স্থানীয়দের উদ্যোগে এবং ইউনিয়ন পরিষদের সহযোগিতায় রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু হয়। তবে মাঝপথে বাধার মুখে পড়ে কাজ বন্ধ হয়ে যায়।স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তার প্রায় ৩০ ফুট অংশ নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিবেশী মৃত লাল কাজীর ছেলে মজিবুর কাজী কাজ বন্ধ করে দেন। এতে করে ওই অংশটি অসম্পূর্ণ থেকে যায় এবং পুরো রাস্তা কার্যত অচল হয়ে পড়ে।ভুক্তভোগীরা জানান, বর্তমানে তারা চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছেন। কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসল জমি থেকে বাড়িতে আনতে পারছেন না, শিক্ষার্থীরা নিয়মিত বিদ্যালয়ে যেতে পারছে না। অসুস্থ রোগীদের হাসপাতালে নেওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছে। কোনো ধরনের যানবাহন চলাচল করতে না পারায় জরুরি সেবাও বিঘ্নিত হচ্ছে।স্থানীয় বাসিন্দা ষাটোর্ধ্ব টুনু কাজী বলেন, আমরা পূর্বপুরুষের সময় থেকে এই পথ ব্যবহার করে আসছি। প্রধান সড়ক থেকে আমাদের বাড়ি পর্যন্ত প্রায় ৫০০ ফুট রাস্তা রয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ৩০ ফুট জায়গা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হওয়ায় আমরা আজ অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছি। আরেক ভুক্তভোগী টিপু কাজী বলেন, এটাই আমাদের একমাত্র পথ। ২০২৩ সালে চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় রাস্তার অনুমোদন নেওয়া হয়। শুরুতে কোনো সমস্যা না থাকলেও হঠাৎ করে বাধা দেওয়া হয়। এখন আমাদের সন্তানরা স্কুলে যেতে পারছে না, স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয়রা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যাতে করে অবরুদ্ধ পরিবারগুলো স্বাভাবিক চলাচলের সুযোগ ফিরে পায় এবং দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটে।অভিযোগের বিষয়ে জানতে মজিবুর কাজী বলেন, এটা চলাচলের কোনো পথ না। এটা একটা বাগান। জায়গাটি আমার ব্যক্তিগত জায়গা। তাই আমি ঘিরে রেখেছি। এ বিষয়ে গট্টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান লাভলু বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। খোঁজ নিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন বলেন, বিষয়টি আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম। দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
১১ ঘন্টা আগে
অনলাইন কেসিনো জুয়া বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

অনলাইন কেসিনো জুয়া বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

অনলাইন কেসিনো জুয়া বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনানিজস্ব প্রতিবেদক:বাংলাদেশে অনলাইন কেসিনো ও জুয়া ভয়াবহ সামাজিক সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ থেকে শুরু করে যুব সমাজের একটি বড় অংশ এই অবৈধ অনলাইন জুয়ার সাথে জড়িয়ে পড়ছে। এর ফলে পরিবারে অশান্তি, আর্থিক সংকট, ঋণগ্রস্ততা, এমনকি মারামারি ও অপরাধের ঘটনাও বাড়ছে বলে স্থানীয়দের দাবি।সচেতন মহলের মতে, সহজলভ্য মোবাইল অ্যাপ ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে জুয়ার বিস্তার ঘটায় বিভিন্ন বয়সের মানুষ আসক্ত হয়ে পড়ছেন। এতে অনেক পরিবারে ভাঙন ও সামাজিক অবক্ষয় দেখা দিচ্ছে।এ প্রেক্ষাপটে দেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর কাছে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন উদ্বিগ্ন নাগরিকরা। তারা অবৈধ অনলাইন কেসিনো সাইট বন্ধ, সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানান।বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কঠোর নজরদারি ও প্রযুক্তিগত নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি আসক্তদের পুনর্বাসন ও কাউন্সেলিং ব্যবস্থাও জরুরি হয়ে পড়েছে। অন্যথায় এই সমস্যা ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন
সালথায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রকাশিত নিউজের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

সালথায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রকাশিত নিউজের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

ফরিদপুরের সালথায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনলাইনে প্রকাশিত নিউজের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সিংহপ্রতাপ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো সাহেবুল ইসলাম।  সোমবার (৬ এপ্রিল)  সন্ধায় সালথা তেলের পাম্প সংলগ্ন গণমাধ্যম কর্মীদের অফিসে সালথায় কর্মরত সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সহকারী শিক্ষক মো. সাহেবুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আমি সিংহপ্রতাব সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। গতকাল ৫ এপ্রিল কয়েকটি অনলাইন পোর্টালে আমার নামে নানা অভিযোগ এনে ভিত্তিহীন মিথ্যা ও বানোয়াট বিষয় তুলে ধরে আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে ভুয়া নিউজ করা হয়েছে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি স্বঘোষিত শিক্ষক নেতা নই, আমি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক। এই কমিটি আগেই অনুমোদন করে এনেছি। শিক্ষকদের মধ্যে বিভাজন থাকায় কমিটি প্রকাশ করিনি।  আমার বিরুদ্ধে আনা ১৪দিন জেল খাটার অভিযোগটি মিথ্যা। ওই মামলায় আমি মাত্র একদিন জেলে থেকে আদালতের রায়ে বেকসুর খালাস পেয়েছি। আমি স্কুলে নিয়মিত ক্লাস নেই। ক্লাস শেষ করে উপজেলায় আসি। আমি কোন কোচিং করাই না, রেজুলেশনের মাধ্যমে অতিরিক্ত ক্লাস নেই। কোন প্রাইভেট বাণিজ্য করি না। অথচ একটি পক্ষ আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন নিউজ করেছে।  আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।  উল্লেখ্য যে, ৫ এপ্রিল শিক্ষক নেতা মো. সাহেবুল ইসলামের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে সংবাদ প্রকাশিত হয়। 
০৬ এপ্রিল ২০২৬
হাতিয়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার অনুষ্ঠান

হাতিয়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার অনুষ্ঠান

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে হাতিয়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার(১২ মার্চ) সন্ধ্যায় নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলা শহর কলেজ রোডস্থ 'হাতিয়া প্রেসক্লাব' প্রাঙ্গণে এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। হাতিয়া প্রেসক্লাবের নির্বাচিত সভাপতি মো. ফিরোজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে আলোচনা করেন, হাতিয়া মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির সভাপতি মাওলানা একিউএম ইদ্রিস, মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি আ.ন.ম হাসান, এখন টিভির নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি নাসিম শুভ প্রমুখ। হাতিয়া প্রেসক্লাবের সদস্য ছায়েদ আহামেদ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তারা সামাজিক দায়বদ্ধতার উপর অবিচল থেকে গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহবান জানান। এসময় উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান, পুলিশ প্রশাসন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারি, চ্যানেল আই এর নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি আলাউদ্দিন শিবলী, নাগরিক টিভির প্রতিনিধি মো. সোহেল উদ্দিন, হাতিয়া প্রেসক্লাবের সদস্যবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার দুই শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন হাতিয়া প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা আমির হামজা। পরে দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং মুসলিম উম্মাহসহ আক্রান্ত ইরান ও ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের জন্য বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা জিয়াউল হক।
১৯ মার্চ ২০২৬
নেত্রকোনা দুর্গাপুরে শুরু হচ্ছে হিফজুল কুরআন হামদ-নাত ও আজান প্রতিযোগিতা-২০২৬

নেত্রকোনা দুর্গাপুরে শুরু হচ্ছে হিফজুল কুরআন হামদ-নাত ও আজান প্রতিযোগিতা-২০২৬

১৯ মার্চ ২০২৬
অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরার আত্মহত্যা

অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরার আত্মহত্যা

জনপ্রিয় অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরা আত্মহত্যা করেছেন। দেশের বেসরকারি একটি গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে অভিনেতার শ্বশুরবাড়ি পরিবার।শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে।অভিনেতা বর্তমানে নেপালে আছেন। তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি এখন কথা বলার মতো অবস্থায় নেই।জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ৪১ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন ইকরা। ২০১০ সালের ৯ নভেম্বর মাত্র ১৯ বছর বয়সে তারা পালিয়ে বিয়ে করেছিলেন আলভী-ইকরা।দীর্ঘ ১৪ বছর পর ২০২৪ সালে তাদের বিয়ের খবরটি প্রকাশ্যে আসে। তাদের সংসারে প্রিয়মায়া নামে একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কোন ছবি নেই !
কোন ছবি নেই !
কাউনিয়ার মীরবাগ বাসস্ট্যান্ডে ভেজাল কৃষি ওষুধ জব্দ করে ধ্বংস করেছে প্রশাসন।

কাউনিয়ার মীরবাগ বাসস্ট্যান্ডে ভেজাল কৃষি ওষুধ জব্দ করে ধ্বংস করেছে প্রশাসন।

রংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় কৃষিতে ব্যবহারের নামে বাজারজাত করা ভেজাল ওষুধ জব্দ করে ধ্বংস করেছে প্রশাসন। উপজেলার মীরবাগ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত যৌথ অভিযানে এসব ভেজাল কৃষি ওষুধ উদ্ধার করা হয়। অভিযানের পর বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।আজ রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ দুপুর ১টায় পরিচালিত অভিযানে এ সব ভেজাল কৃষি ওষুধ জব্দ করা হয়।জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র কৃষকদের কাছে বিভিন্ন নামি কোম্পানির মোড়ক ও বোতলে ভেজাল কৃষি ওষুধ সরবরাহ করে আসছিল বলে অভিযোগ ছিল। এসব ওষুধ ব্যবহার করে অনেক কৃষক কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ায় সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।অভিযানে নেতৃত্ব দেন কাউনিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানিয়া আক্তার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অংকন পাল এবং কাউনিয়া থানা পুলিশের একটি টিম। অভিযান চলাকালে পাঁচ কার্টন বোতলজাত ভেজাল কৃষি ওষুধ জব্দ করা হয়। যার মধ্যে ‘এমিস্টার টপ’ ও বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নামে প্রায় ৫০ বোতল তরল ওষুধ পাওয়া যায়।কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, এসব ওষুধ কৃষিতে ব্যবহারের জন্য বিক্রি করা হলেও মানহীন ও ভেজাল হওয়ায় কৃষকদের জন্য বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হতে পারত। ভেজাল ওষুধ ব্যবহারে ফসলের রোগ দমন না হয়ে বরং ফসল নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকে। পাশাপাশি মাটির উর্বরতা কমে যাওয়া, পরিবেশ দূষণ এবং কৃষকদের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কাও থাকে।পরে জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ ও কৃষি সুরক্ষার স্বার্থে জব্দকৃত সব ভেজাল কৃষি ওষুধ ঘটনাস্থলেই মাটিতে পুঁতে ধ্বংস করা হয়। এ সময় স্থানীয় লোকজনও উপস্থিত ছিলেন।উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, কৃষকদের সঙ্গে প্রতারণা করে কেউ যেন ভেজাল কৃষি উপকরণ বাজারজাত করতে না পারে, সে বিষয়ে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। ভেজাল সার, বীজ, কীটনাশক ও কৃষি ওষুধের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।স্থানীয় কৃষকরা প্রশাসনের এ পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ভেজাল কৃষি ওষুধের কারণে কৃষকরা বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তাই এসব অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
১৯ মার্চ ২০২৬
নিজের নিরাপত্তা চেয়ে ভয়ে কাঁদছেন ঝিনুক—অভিযুক্ত স্বামী ডিএমপির ট্রাফিক ইনস্পেক্টর

নিজের নিরাপত্তা চেয়ে ভয়ে কাঁদছেন ঝিনুক—অভিযুক্ত স্বামী ডিএমপির ট্রাফিক ইনস্পেক্টর

ঢাকা মহানগরীর তুরাগ থানা এলাকায় যৌতুকের টাকা দাবি করে গৃহবধূকে শারীরিক নির্যাতন ও জখম করার অভিযোগ উঠেছে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আছিয়া আক্তার ঝিনুক (২০) তুরাগ মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিয়ের পর থেকেই আছিয়া আক্তার ঝিনুকের স্বামী মো. জলিল মিয়া ও তার পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন সময় যৌতুকের নামে টাকা-পয়সা দাবি করে আসছিলেন। অভিযোগকারী জানান, তাদের বিয়ের পর থেকে ধাপে ধাপে ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা দিতে তাকে বাধ্য করা হয়। এমনকি প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের একটি মোবাইল ফোন কিনে দিতেও বাধ্য করা হয় তাকে।ঝিনুক অভিযোগে আরও বলেন, তিনি গর্ভবতী থাকাকালীনও স্বামীর নির্যাতন থেকে রেহাই পাননি। সর্বশেষ ১৪ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ সন্ধ্যা ৬টার দিকে স্বামী জলিল মিয়া পুনরায় ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। টাকা দিতে অসম্মতি জানালে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা তাকে মারধর করে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম হয়।জানা গেছে, অভিযুক্ত ট্রাফিক ইনস্পেক্টর (টিআই) জলিল মিয়া বর্তমানে ধউর ট্রাফিক পুলিশ বক্স, ট্রাফিক পশ্চিম জোন, উত্তরা ট্রাফিক বিভাগ, ডিএমপি–তে কর্মরত।এ বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাইলে টিআই জলিল মিয়া বলেন—আমি তাকে নোটিশ পাঠিয়েছি, বিষয়টি আদালত দেখবে। আমাকে অভিযোগ দিয়ে কিছুই করতে পারবে না, কারণ আমি আইনের লোক।”অপরদিকে, ধারাবাহিক নির্যাতনে আছিয়া আক্তার ঝিনুকের শারীরিক অবস্থা অবনতি হওয়ায় আত্মীয়স্বজনের পরামর্শে তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন এবং নিজের ও অনাগত সন্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনগত সহায়তা চান।এ বিষয়ে তুরাগ মডেল থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই অপূর্ব বলেন—জলিল স্যার আমাদের উপরস্থ কর্মকর্তা। তাকে এভাবে কিছু জিজ্ঞেস করতে পারি না। তদন্তের মাধ্যমে সব জানা যাবে।তুরাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন—“অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ঘটনা বিষয়ে উত্তরা ট্রাফিক বিভাগের ডিসি–র সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন—আমি বিষয়টি অবগত নই। যদি এমন অভিযোগ সত্যি হয়ে থাকে, তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিজস্ব প্রতিনিধি