ওপেন নিউজ ২৪
সর্বশেষ

ফরিদপুরে প্লাস্টিক ও কাপড়ে মোড়ানো অজ্ঞাত ভ্রূণের লাশ উদ্ধার

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় প্লাস্টিকের কাগজ ও কাপড়ে মোড়ানো ৫  মাস বয়সী গর্ভপাতকৃত এক অজ্ঞাত ভ্রূণের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।সোমবার (২০ এপ্রিল) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের মাঝারদিয়া বাজার সংলগ্ন একটি ব্রিজের নিচে, মজিবর শেখের বাড়ির সামনে কুমার নদের পাড় থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্লাস্টিক ও কাপড়ে মোড়ানো একটি সন্দেহজনক বস্তু দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা বিষয়টি সালথা থানা পুলিশকে জানায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সেটি উদ্ধার করে।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান জানান, কে বা কারা ভ্রূণটি সেখানে ফেলে গেছে তা এখনও জানা যায়নি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় গোলপাড়া মাদ্রাসা কবরস্থানে ভ্রূণটির দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।
২১ ঘন্টা আগে

নেত্রকোনা দুর্গাপুরে হাম-রুবেলা প্রতিরোধে ব্যাপক টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন, সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় হাম-রুবেলা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ব্যাপক টিকাদান ক্যাম্পেইনের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের আয়োজনে বিরিশিরি ওয়াইডব্লিউসি নার্সারী স্কুল প্রাঙ্গণে এ কার্যক্রম শুরু হয়। আন্তর্জাতিক সংস্থা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা-এর সহযোগিতায় আয়োজিত এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. এ এস এম তানজিরুল ইসলাম রায়হান।উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় ওয়াইডব্লিউসি’র সভানেত্রী লুদিয়া রুমা সাংমার সভাপতিত্বে এবং এফপিআই দ্বীন মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন দুর্গাপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি তোবারক হোসেন খোকন, মেডিকেল অফিসার ডা. মিজানুর রহমান, উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বিশ্বজিৎ সাহা, সাংবাদিক ধ্রুব সরকারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, স্বাস্থ্যকর্মী ও সুধীজন।বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, শিশুদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে এবং মারাত্মক সংক্রামক রোগ থেকে সুরক্ষিত রাখতে টিকাদানের বিকল্প নেই। হাম ও রুবেলা রোগ শিশুদের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ, যা সময়মতো টিকা গ্রহণের মাধ্যমে সহজেই প্রতিরোধ করা সম্ভব। তাই এ ধরনের জাতীয় কর্মসূচিতে অভিভাবকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি।প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. এ এস এম তানজিরুল ইসলাম রায়হান বলেন, এই ক্যাম্পেইনের আওতায় ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী সকল শিশুকে এক ডোজ করে হাম-রুবেলা (এমআর) টিকা প্রদান করা হবে। তিনি আরও জানান, স্বাস্থ্য বিভাগের তত্ত্বাবধানে উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে নির্ধারিত কেন্দ্রে পর্যায়ক্রমে এই টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে।তিনি বলেন, “এই টিকাদান কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে দুর্গাপুর এলাকায় হাম-রুবেলা সংক্রমণের ঝুঁকি অনেকাংশে হ্রাস পাবে। পাশাপাশি শিশুদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে, যা তাদের সুস্থ ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”এসময় তিনি অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে আহ্বান জানিয়ে বলেন, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী নিকটস্থ টিকাকেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে এসে টিকা গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। কোনো ধরনের গুজব বা ভ্রান্ত ধারণায় বিভ্রান্ত না হয়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে সহযোগিতা করারও অনুরোধ জানান তিনি।আলোচনা সভা শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে শিশুদের মাঝে টিকা প্রয়োগের মাধ্যমে ক্যাম্পেইনের কার্যক্রম শুরু করা হয়। উদ্বোধনী দিনে বেশ কয়েকজন শিশুকে
২০ এপ্রিল ২০২৬

নেত্রকোনা দুর্গাপুরে নজরুল সম্মাননা স্মারক পেলেন তিন গুণীজন

পাঠে পাঠে আত্মজাগরণ’ এই প্রতিপাদ্যে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের অংশগ্রহনে জলসিঁড়ি পাঠাগারের গ্রীষ্মকালীন অধ্যয়নসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বিরিশিরি ইউনিয়নের গাভিনা গ্রামে নজরুল অধ্যয়ন কেন্দ্রে তিন গুণীজনকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়েছে।জলসিড়ি পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা দীপক সরকারের সঞ্চালনায়, সাংবাদিক নির্মলেন্দু সরকারের সভাপতিত্বে আলোচক হিসেবে আলোচনা করেন, বিশিষ্ট শিক্ষাব্রতী অধ্যক্ষ শহীদুল্লাহ্ খান এবং কবি তানভির জাহান চৌধুরী। এছাড়া প্রকাশিত বই নিয়ে আলোচনা করেন অধ্যাপক হারাধণ সাহা, শিক্ষক শফিউল আলম স্বপন, কবি লোকান্ত শাওন। আবৃত্তি করেন শিল্পী ভট্রাচার্য, পুরবী সম্মানীত, কবি বিদ্যুৎ সরকার, কবি অনার্য শান্ত। এছাড়া অন্যদের মধ্যে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কালচালার একাডেমির পরিচালক কবি পরাগ রিছিল, প্রেসক্লাব সভাপতি তোবারক হোসেন খোকন, সাধারণ সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ্ সহ সাংবাদিক, রাজনৈতিক, কবি, শিক্ষক, প্রভাষক স্থানীয় গন্যমান ব্যাক্তিগণ সহ স্কুল-কলেজের অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। আলোচনা শেষে, কবি ও মানসিক জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. ইমদাদুল হক তালুকদার, বাচিক শিল্পী আনোয়ারুল হক লাভলু ও বাচিক শিল্পী সৈয়দ ফয়সাল আহমেদকে নজরুল স্মারক সম্মাননা প্রদান করা হয়।আলোচনায় অতিথিরা বলেন, একটি সমাজের রূপরেখা বদলে দিতে পারে একটি সমৃদ্ধ পাঠাগার। জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখছে জলসিঁড়ি পাঠাগার। পাঠকরা খুব সহজেই এই পাঠাগারে এসে সমসাময়িক বিষয়ে সম্যক ধারণা ও বিষয়ভিত্তিক জ্ঞানচর্চা করতে পারছে। আজকের ছাত্ররাই আগামী দিনের জাতির কর্ণধার। পাঠাগারের বই-পুস্তক একজন শিক্ষার্থীকে স্বশিক্ষিত মানুষ তৈরিতে সহায়তা করে। তাই প্রতিটি গ্রামে-মহল্লায় জলসিড়ির মতো পাঠাগার গড়ে তোলা প্রয়োজন। প্রত্যন্ত গ্রামে দীপক সরকারের হাতে গড়ে ওঠা এই অধ্যায়ন কেন্দ্রটি, নতুন প্রজন্মের মাঝে কাজী নজরুল ইসলামের চেতনা ছড়িয়ে দিচ্ছে। গ্রামীণ জনপদের মানুষের মাঝে চেতনা জাগছে নজরুলকে জানার, বোঝার ও চর্চা করার। এই কাজে সহায়তা করতে সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানানো হয়।
২০ এপ্রিল ২০২৬
 সালথায় ব্যবসায়ীদের জান, মালের নিরাপত্তা ও মিথ্যা মামলা থেকে অব্যহতি চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

সালথায় ব্যবসায়ীদের জান, মালের নিরাপত্তা ও মিথ্যা মামলা থেকে অব্যহতি চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

ফরিদপুরের সালথার বালিয়া বাজারের ব্যবসায়ীদের জান, মালের নিরাপত্তা ও মিথ্যা মামলা থেকে অব্যহতি চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে। সোমবার (২০ এপ্রিল)  দুপুরে বালিয়া বাজারের সকল ব্যবসায়ীদের উপস্থিতিতে বাজারের মিডিল পয়েন্টে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।এসময়ে সকল ব্যবসায়ীরা তাদের জান মালের নিরাপত্তা চায় এবং বিশিষ্ট পেঁয়াজ ব্যবসায়ী খালেক ব্যপারী ও তার ভাতিজা শাহীন কে অন্যায় ভাবে গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা জানান। তাদের সহ ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানি মূলক মামলা থেকে অব্যহতি দাবি করেন।এ সময়ে ব্যবসায়ীরা আরও বলেন,  আধিপত্য বিস্তার কে কেন্দ্র করে গ্রাম্য কাইজ্জা,  মারামারি সংঘটিত হলেই উভয় গ্রুপ বাজারে এসে দোকান ভাঙ্গচুর, লুটপাট করে ব্যবসায়ীদের মারাত্মক ক্ষতি করে এবং ব্যবসায়ীরা ব্যবসা বানিজ্য নিয়ে ব্যস্ত থাকা স্বত্বে ও অন্যায়ভাবে বিভিন্ন মামলার আসামি হন।  এর কারণে আমরা আর্থিক ও সামাজিক ভাবে ব্যপক ক্ষতিগ্রস্ত হই।আমরা প্রশাসনের নিকট অনুরোধ করছি যে, গ্রাম্য এ সকল কাইজ্জা মারামারির প্রভাব থেকে বালিয়া বাজার ও ব্যবসায়ীরা নিরাপত্তা চাই এবং আমাদের ব্যবসায়ীরা যেন হয়রানি মূলক মামলার শিকার না হই। সঠিক তদন্তের মাধ্যমে যদি আমাদের মধ্যে কোন ব্যবসায়ী অন্যায়ের সঙ্গে জড়িত থাকে তাকে আইনের আওতায় আনা হয়। ব্যবসায়ী খালেক মাতুব্বর ও শাহীনের মত নিরীহ কোন ব্যবসায়ী যেন মিথ্যা মামলার আসামি না হয়। আমরা নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে আছি কাকে কখন হয়রানি মূলক মিথ্যা মামলায় তুলে নিয়ে যায়, এ জন্য আজ হাটবার হওয়া স্বত্বে ও নিজ নিজ অবস্থান থেকে আমাদের দোকান পাট বন্ধ করে রেখেছি। আমরা যদি প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাদের জান মালের নিরাপত্তা না পাই তাহলে আমরা আরও  দীর্ঘ সময়ের জন্য দোকান পাট বন্ধ সহ কঠোর অবস্থানে যেতে বাধ্য হব।সোমবার বালিয়া হাটবার সকাল থেকে ব্যবসায়ীরা নিজ নিজ উদ্যোগে নিজেদের নিরাপত্তাহীন ভেবে সকল প্রকার দোকান পাট বন্ধ রেখে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী আফিসার দবির উদ্দিন বলেন, আমরা বিষয় টা জেনে বালিয়া বাজারে গিয়েছিলাম।  সেখানে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে, নিরপরাধ কোন ব্যবসায়ী কোন প্রকার মামলার আসামি হবে না। তাদেরকে সর্ব বিষয়ে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।  দোকান মালিকরা এখন স্বাভাবিক ভাবে দোকান পাট খুলে তাদের ব্যবসা বানিজ্য পরিচালনা করছেন।
২০ ঘন্টা আগে
 সালথায় ব্যবসায়ীদের জান, মালের নিরাপত্তা ও মিথ্যা মামলা থেকে অব্যহতি চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

সালথায় ব্যবসায়ীদের জান, মালের নিরাপত্তা ও মিথ্যা মামলা থেকে অব্যহতি চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

ফরিদপুরের সালথার বালিয়া বাজারের ব্যবসায়ীদের জান, মালের নিরাপত্তা ও মিথ্যা মামলা থেকে অব্যহতি চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে। সোমবার (২০ এপ্রিল)  দুপুরে বালিয়া বাজারের সকল ব্যবসায়ীদের উপস্থিতিতে বাজারের মিডিল পয়েন্টে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।এসময়ে সকল ব্যবসায়ীরা তাদের জান মালের নিরাপত্তা চায় এবং বিশিষ্ট পেঁয়াজ ব্যবসায়ী খালেক ব্যপারী ও তার ভাতিজা শাহীন কে অন্যায় ভাবে গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা জানান। তাদের সহ ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানি মূলক মামলা থেকে অব্যহতি দাবি করেন।এ সময়ে ব্যবসায়ীরা আরও বলেন,  আধিপত্য বিস্তার কে কেন্দ্র করে গ্রাম্য কাইজ্জা,  মারামারি সংঘটিত হলেই উভয় গ্রুপ বাজারে এসে দোকান ভাঙ্গচুর, লুটপাট করে ব্যবসায়ীদের মারাত্মক ক্ষতি করে এবং ব্যবসায়ীরা ব্যবসা বানিজ্য নিয়ে ব্যস্ত থাকা স্বত্বে ও অন্যায়ভাবে বিভিন্ন মামলার আসামি হন।  এর কারণে আমরা আর্থিক ও সামাজিক ভাবে ব্যপক ক্ষতিগ্রস্ত হই।আমরা প্রশাসনের নিকট অনুরোধ করছি যে, গ্রাম্য এ সকল কাইজ্জা মারামারির প্রভাব থেকে বালিয়া বাজার ও ব্যবসায়ীরা নিরাপত্তা চাই এবং আমাদের ব্যবসায়ীরা যেন হয়রানি মূলক মামলার শিকার না হই। সঠিক তদন্তের মাধ্যমে যদি আমাদের মধ্যে কোন ব্যবসায়ী অন্যায়ের সঙ্গে জড়িত থাকে তাকে আইনের আওতায় আনা হয়। ব্যবসায়ী খালেক মাতুব্বর ও শাহীনের মত নিরীহ কোন ব্যবসায়ী যেন মিথ্যা মামলার আসামি না হয়। আমরা নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে আছি কাকে কখন হয়রানি মূলক মিথ্যা মামলায় তুলে নিয়ে যায়, এ জন্য আজ হাটবার হওয়া স্বত্বে ও নিজ নিজ অবস্থান থেকে আমাদের দোকান পাট বন্ধ করে রেখেছি। আমরা যদি প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাদের জান মালের নিরাপত্তা না পাই তাহলে আমরা আরও  দীর্ঘ সময়ের জন্য দোকান পাট বন্ধ সহ কঠোর অবস্থানে যেতে বাধ্য হব।সোমবার বালিয়া হাটবার সকাল থেকে ব্যবসায়ীরা নিজ নিজ উদ্যোগে নিজেদের নিরাপত্তাহীন ভেবে সকল প্রকার দোকান পাট বন্ধ রেখে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী আফিসার দবির উদ্দিন বলেন, আমরা বিষয় টা জেনে বালিয়া বাজারে গিয়েছিলাম।  সেখানে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে, নিরপরাধ কোন ব্যবসায়ী কোন প্রকার মামলার আসামি হবে না। তাদেরকে সর্ব বিষয়ে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।  দোকান মালিকরা এখন স্বাভাবিক ভাবে দোকান পাট খুলে তাদের ব্যবসা বানিজ্য পরিচালনা করছেন।
২০ ঘন্টা আগে
অনলাইন কেসিনো জুয়া বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

অনলাইন কেসিনো জুয়া বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

অনলাইন কেসিনো জুয়া বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনানিজস্ব প্রতিবেদক:বাংলাদেশে অনলাইন কেসিনো ও জুয়া ভয়াবহ সামাজিক সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ থেকে শুরু করে যুব সমাজের একটি বড় অংশ এই অবৈধ অনলাইন জুয়ার সাথে জড়িয়ে পড়ছে। এর ফলে পরিবারে অশান্তি, আর্থিক সংকট, ঋণগ্রস্ততা, এমনকি মারামারি ও অপরাধের ঘটনাও বাড়ছে বলে স্থানীয়দের দাবি।সচেতন মহলের মতে, সহজলভ্য মোবাইল অ্যাপ ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে জুয়ার বিস্তার ঘটায় বিভিন্ন বয়সের মানুষ আসক্ত হয়ে পড়ছেন। এতে অনেক পরিবারে ভাঙন ও সামাজিক অবক্ষয় দেখা দিচ্ছে।এ প্রেক্ষাপটে দেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর কাছে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন উদ্বিগ্ন নাগরিকরা। তারা অবৈধ অনলাইন কেসিনো সাইট বন্ধ, সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানান।বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কঠোর নজরদারি ও প্রযুক্তিগত নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি আসক্তদের পুনর্বাসন ও কাউন্সেলিং ব্যবস্থাও জরুরি হয়ে পড়েছে। অন্যথায় এই সমস্যা ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন
সালথায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রকাশিত নিউজের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

সালথায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রকাশিত নিউজের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

ফরিদপুরের সালথায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনলাইনে প্রকাশিত নিউজের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সিংহপ্রতাপ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো সাহেবুল ইসলাম।  সোমবার (৬ এপ্রিল)  সন্ধায় সালথা তেলের পাম্প সংলগ্ন গণমাধ্যম কর্মীদের অফিসে সালথায় কর্মরত সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সহকারী শিক্ষক মো. সাহেবুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আমি সিংহপ্রতাব সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। গতকাল ৫ এপ্রিল কয়েকটি অনলাইন পোর্টালে আমার নামে নানা অভিযোগ এনে ভিত্তিহীন মিথ্যা ও বানোয়াট বিষয় তুলে ধরে আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে ভুয়া নিউজ করা হয়েছে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি স্বঘোষিত শিক্ষক নেতা নই, আমি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক। এই কমিটি আগেই অনুমোদন করে এনেছি। শিক্ষকদের মধ্যে বিভাজন থাকায় কমিটি প্রকাশ করিনি।  আমার বিরুদ্ধে আনা ১৪দিন জেল খাটার অভিযোগটি মিথ্যা। ওই মামলায় আমি মাত্র একদিন জেলে থেকে আদালতের রায়ে বেকসুর খালাস পেয়েছি। আমি স্কুলে নিয়মিত ক্লাস নেই। ক্লাস শেষ করে উপজেলায় আসি। আমি কোন কোচিং করাই না, রেজুলেশনের মাধ্যমে অতিরিক্ত ক্লাস নেই। কোন প্রাইভেট বাণিজ্য করি না। অথচ একটি পক্ষ আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন নিউজ করেছে।  আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।  উল্লেখ্য যে, ৫ এপ্রিল শিক্ষক নেতা মো. সাহেবুল ইসলামের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে সংবাদ প্রকাশিত হয়। 
০৬ এপ্রিল ২০২৬
হাতিয়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার অনুষ্ঠান

হাতিয়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার অনুষ্ঠান

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে হাতিয়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার(১২ মার্চ) সন্ধ্যায় নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলা শহর কলেজ রোডস্থ 'হাতিয়া প্রেসক্লাব' প্রাঙ্গণে এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। হাতিয়া প্রেসক্লাবের নির্বাচিত সভাপতি মো. ফিরোজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে আলোচনা করেন, হাতিয়া মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির সভাপতি মাওলানা একিউএম ইদ্রিস, মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি আ.ন.ম হাসান, এখন টিভির নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি নাসিম শুভ প্রমুখ। হাতিয়া প্রেসক্লাবের সদস্য ছায়েদ আহামেদ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তারা সামাজিক দায়বদ্ধতার উপর অবিচল থেকে গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহবান জানান। এসময় উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান, পুলিশ প্রশাসন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারি, চ্যানেল আই এর নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি আলাউদ্দিন শিবলী, নাগরিক টিভির প্রতিনিধি মো. সোহেল উদ্দিন, হাতিয়া প্রেসক্লাবের সদস্যবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার দুই শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন হাতিয়া প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা আমির হামজা। পরে দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং মুসলিম উম্মাহসহ আক্রান্ত ইরান ও ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের জন্য বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা জিয়াউল হক।
১৯ মার্চ ২০২৬
নেত্রকোনা দুর্গাপুরে শুরু হচ্ছে হিফজুল কুরআন হামদ-নাত ও আজান প্রতিযোগিতা-২০২৬

নেত্রকোনা দুর্গাপুরে শুরু হচ্ছে হিফজুল কুরআন হামদ-নাত ও আজান প্রতিযোগিতা-২০২৬

১৯ মার্চ ২০২৬
অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরার আত্মহত্যা

অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরার আত্মহত্যা

জনপ্রিয় অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরা আত্মহত্যা করেছেন। দেশের বেসরকারি একটি গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে অভিনেতার শ্বশুরবাড়ি পরিবার।শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে।অভিনেতা বর্তমানে নেপালে আছেন। তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি এখন কথা বলার মতো অবস্থায় নেই।জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ৪১ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন ইকরা। ২০১০ সালের ৯ নভেম্বর মাত্র ১৯ বছর বয়সে তারা পালিয়ে বিয়ে করেছিলেন আলভী-ইকরা।দীর্ঘ ১৪ বছর পর ২০২৪ সালে তাদের বিয়ের খবরটি প্রকাশ্যে আসে। তাদের সংসারে প্রিয়মায়া নামে একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কোন ছবি নেই !
কোন ছবি নেই !
কাউনিয়ার মীরবাগ বাসস্ট্যান্ডে ভেজাল কৃষি ওষুধ জব্দ করে ধ্বংস করেছে প্রশাসন।

কাউনিয়ার মীরবাগ বাসস্ট্যান্ডে ভেজাল কৃষি ওষুধ জব্দ করে ধ্বংস করেছে প্রশাসন।

রংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় কৃষিতে ব্যবহারের নামে বাজারজাত করা ভেজাল ওষুধ জব্দ করে ধ্বংস করেছে প্রশাসন। উপজেলার মীরবাগ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত যৌথ অভিযানে এসব ভেজাল কৃষি ওষুধ উদ্ধার করা হয়। অভিযানের পর বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।আজ রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ দুপুর ১টায় পরিচালিত অভিযানে এ সব ভেজাল কৃষি ওষুধ জব্দ করা হয়।জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র কৃষকদের কাছে বিভিন্ন নামি কোম্পানির মোড়ক ও বোতলে ভেজাল কৃষি ওষুধ সরবরাহ করে আসছিল বলে অভিযোগ ছিল। এসব ওষুধ ব্যবহার করে অনেক কৃষক কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ায় সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।অভিযানে নেতৃত্ব দেন কাউনিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানিয়া আক্তার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অংকন পাল এবং কাউনিয়া থানা পুলিশের একটি টিম। অভিযান চলাকালে পাঁচ কার্টন বোতলজাত ভেজাল কৃষি ওষুধ জব্দ করা হয়। যার মধ্যে ‘এমিস্টার টপ’ ও বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নামে প্রায় ৫০ বোতল তরল ওষুধ পাওয়া যায়।কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, এসব ওষুধ কৃষিতে ব্যবহারের জন্য বিক্রি করা হলেও মানহীন ও ভেজাল হওয়ায় কৃষকদের জন্য বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হতে পারত। ভেজাল ওষুধ ব্যবহারে ফসলের রোগ দমন না হয়ে বরং ফসল নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকে। পাশাপাশি মাটির উর্বরতা কমে যাওয়া, পরিবেশ দূষণ এবং কৃষকদের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কাও থাকে।পরে জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ ও কৃষি সুরক্ষার স্বার্থে জব্দকৃত সব ভেজাল কৃষি ওষুধ ঘটনাস্থলেই মাটিতে পুঁতে ধ্বংস করা হয়। এ সময় স্থানীয় লোকজনও উপস্থিত ছিলেন।উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, কৃষকদের সঙ্গে প্রতারণা করে কেউ যেন ভেজাল কৃষি উপকরণ বাজারজাত করতে না পারে, সে বিষয়ে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। ভেজাল সার, বীজ, কীটনাশক ও কৃষি ওষুধের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।স্থানীয় কৃষকরা প্রশাসনের এ পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ভেজাল কৃষি ওষুধের কারণে কৃষকরা বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তাই এসব অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
১৯ মার্চ ২০২৬
নিজের নিরাপত্তা চেয়ে ভয়ে কাঁদছেন ঝিনুক—অভিযুক্ত স্বামী ডিএমপির ট্রাফিক ইনস্পেক্টর

নিজের নিরাপত্তা চেয়ে ভয়ে কাঁদছেন ঝিনুক—অভিযুক্ত স্বামী ডিএমপির ট্রাফিক ইনস্পেক্টর

ঢাকা মহানগরীর তুরাগ থানা এলাকায় যৌতুকের টাকা দাবি করে গৃহবধূকে শারীরিক নির্যাতন ও জখম করার অভিযোগ উঠেছে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আছিয়া আক্তার ঝিনুক (২০) তুরাগ মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিয়ের পর থেকেই আছিয়া আক্তার ঝিনুকের স্বামী মো. জলিল মিয়া ও তার পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন সময় যৌতুকের নামে টাকা-পয়সা দাবি করে আসছিলেন। অভিযোগকারী জানান, তাদের বিয়ের পর থেকে ধাপে ধাপে ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা দিতে তাকে বাধ্য করা হয়। এমনকি প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের একটি মোবাইল ফোন কিনে দিতেও বাধ্য করা হয় তাকে।ঝিনুক অভিযোগে আরও বলেন, তিনি গর্ভবতী থাকাকালীনও স্বামীর নির্যাতন থেকে রেহাই পাননি। সর্বশেষ ১৪ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ সন্ধ্যা ৬টার দিকে স্বামী জলিল মিয়া পুনরায় ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। টাকা দিতে অসম্মতি জানালে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা তাকে মারধর করে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম হয়।জানা গেছে, অভিযুক্ত ট্রাফিক ইনস্পেক্টর (টিআই) জলিল মিয়া বর্তমানে ধউর ট্রাফিক পুলিশ বক্স, ট্রাফিক পশ্চিম জোন, উত্তরা ট্রাফিক বিভাগ, ডিএমপি–তে কর্মরত।এ বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাইলে টিআই জলিল মিয়া বলেন—আমি তাকে নোটিশ পাঠিয়েছি, বিষয়টি আদালত দেখবে। আমাকে অভিযোগ দিয়ে কিছুই করতে পারবে না, কারণ আমি আইনের লোক।”অপরদিকে, ধারাবাহিক নির্যাতনে আছিয়া আক্তার ঝিনুকের শারীরিক অবস্থা অবনতি হওয়ায় আত্মীয়স্বজনের পরামর্শে তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন এবং নিজের ও অনাগত সন্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনগত সহায়তা চান।এ বিষয়ে তুরাগ মডেল থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই অপূর্ব বলেন—জলিল স্যার আমাদের উপরস্থ কর্মকর্তা। তাকে এভাবে কিছু জিজ্ঞেস করতে পারি না। তদন্তের মাধ্যমে সব জানা যাবে।তুরাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন—“অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ঘটনা বিষয়ে উত্তরা ট্রাফিক বিভাগের ডিসি–র সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন—আমি বিষয়টি অবগত নই। যদি এমন অভিযোগ সত্যি হয়ে থাকে, তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিজস্ব প্রতিনিধি