ওপেন নিউজ ২৪
সর্বশেষ

প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা ও পর্যটন বিকাশে দুর্গাপুরকে ঘিরে বড় পরিকল্পনার কথা জানালেন কায়সার কামাল

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং পর্যটন শিল্পের বিকাশকে সামনে রেখে একটি সুদূরপ্রসারী উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মাননীয় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তিনি বলেন, দুর্গাপুরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, নদী, পাহাড়ঘেরা জনপদ এবং পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে এ অঞ্চলকে দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত করা সম্ভব।ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন, নদীর স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা এবং পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলার মতো কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি সতর্ক করে বলেন, দুর্যোগে ভবন ধসে ব্যাপক প্রাণহানির ঝুঁকি রয়েছে। তাই জনগণের নিরাপত্তা, পরিবেশ সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক সম্পদের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে নদী ও প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রেখে বিজ্ঞানভিত্তিক ও বৈধ উপায়ে বালু উত্তোলনের ব্যবস্থা করা হবে। এতে একদিকে যেমন পরিবেশ রক্ষা পাবে, অন্যদিকে তেমনি অর্থনৈতিক উন্নয়নও ত্বরান্বিত হবে।তিনি আরও বলেন, দুর্গাপুরের অপার সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে কুল্লাগড়া, দুর্গাপুর সদর, লেংগুরা, খারনৈ এবং রংছাতি—এই পাঁচটি ইউনিয়নকে কেন্দ্র করে একটি আধুনিক ‘ট্যুরিজম হাব’ বা পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বিশেষ করে তরুণ সমাজ, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, পরিবহন খাত, হোটেল-রেস্তোরাঁ ব্যবসা এবং স্থানীয় ক্ষুদ্র-বৃহৎ ব্যবসায়ীরা এর মাধ্যমে সরাসরি উপকৃত হবেন।তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকরা দুর্গাপুরের নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে এ অঞ্চলে আসবেন। এর ফলে দুর্গাপুরের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি সঞ্চার হবে। একই সঙ্গে আধুনিক হাসপাতাল, উন্নত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যোগাযোগ ব্যবস্থা, আবাসন সুবিধা এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক নাগরিক সেবারও প্রসার ঘটবে। ফলে দুর্গাপুর শুধু একটি দর্শনীয় স্থান হিসেবেই নয়, বরং একটি আধুনিক, সম্ভাবনাময় ও অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ জনপদ হিসেবে গড়ে উঠবে।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সুখময় সরকার, পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম, দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আফরোজা আফসানা এবং বিশিষ্ট চিকিৎসক ও সমাজসেবক ড. দিবালোক সিংহ।এছাড়া অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে দায়িত্বপালনকারী গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সবার উপস্থিতিতে দুর্গাপুরের সম্ভাবনা, পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন এবং পর্যটন খাতের বিস্তার নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।স্থানীয়দের মতে, পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে দুর্গাপুরের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে। প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের পাশাপাশি পর্যটন খাতকে বিকশিত করা গেলে এই অঞ্চল শুধু নেত্রকোনাতেই নয়, সারাদেশের কাছে একটি অনন্য মডেল হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
৮ ঘন্টা আগে

দলবদল ও ক্ষমতার ছত্রছায়ায় অধ্যক্ষ আব্দুস সালাম: প্রশ্নের মুখে রাজনৈতিক অবস্থান

সিরাজগঞ্জের কাজীপুর অঞ্চলে অধ্যক্ষ আব্দুস সালামকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে। দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলেও বাস্তবে আওয়ামী লীগ নেতাদের ঘনিষ্ঠ হয়ে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, অধ্যক্ষ আব্দুস সালাম কাজীপুর পৌরসভার প্রথম প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি নির্বাচনের মাধ্যমে পৌর মেয়রও নির্বাচিত হন। তবে ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই তার রাজনৈতিক অবস্থানে বড় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাবেক প্রভাবশালী নেতা মোহাম্মদ নাসিম এবং তার পুত্র মোহাম্মদ তানভীর শাকিল জয়-এর আস্থাভাজন হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন আব্দুস সালাম। অভিযোগ রয়েছে, বিএনপির কাজীপুর উপজেলা সাধারণ সম্পাদক পদে থাকলেও গত প্রায় দেড় দশক ধরে দলীয় কোনো কর্মসূচিতে তাকে সক্রিয়ভাবে দেখা যায়নি। বরং বিভিন্ন জাতীয় দিবস ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের হয়ে কাজ করতে দেখা গেছে তাকে।একাধিক স্থানীয় নেতা-কর্মীর দাবি, রাজনৈতিক সুবিধা হাসিলের জন্য তিনি বারবার অবস্থান পরিবর্তন করেছেন। আওয়ামী লীগ নেতাদের ঘনিষ্ঠতা অর্জনের মাধ্যমে নিজ প্রভাব বিস্তারই ছিল তার মূল লক্ষ্য বলে অভিযোগ ওঠে।বর্তমানে তিনি কাজীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ সেলিম রেজা-এর ব্যক্তিগত সঙ্গী হিসেবে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন বলেও জানা গেছে। এতে করে তার রাজনৈতিক আনুগত্য নিয়ে আরও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে স্থানীয়দের মাঝে।এ বিষয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল এবং ক্ষমতার সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলা গণতান্ত্রিক রাজনীতির জন্য অশনিসংকেত। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের ফলে তৃণমূলের রাজনীতিতে বিভ্রান্তি ও অসন্তোষ বাড়তে পারে।এদিকে, অধ্যক্ষ আব্দুস সালামের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য জানতে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
১৩ ঘন্টা আগে

দলবদল ও ক্ষমতার ছত্রছায়ায় অধ্যক্ষ আব্দুস সালাম: প্রশ্নের মুখে রাজনৈতিক অবস্থান

সিরাজগঞ্জের কাজীপুর অঞ্চলে অধ্যক্ষ আব্দুস সালামকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে। দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলেও বাস্তবে আওয়ামী লীগ নেতাদের ঘনিষ্ঠ হয়ে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, অধ্যক্ষ আব্দুস সালাম কাজীপুর পৌরসভার প্রথম প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি নির্বাচনের মাধ্যমে পৌর মেয়রও নির্বাচিত হন। তবে ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই তার রাজনৈতিক অবস্থানে বড় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাবেক প্রভাবশালী নেতা মোহাম্মদ নাসিম এবং তার পুত্র মোহাম্মদ তানভীর শাকিল জয়-এর আস্থাভাজন হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন আব্দুস সালাম। অভিযোগ রয়েছে, বিএনপির কাজীপুর উপজেলা সাধারণ সম্পাদক পদে থাকলেও গত প্রায় দেড় দশক ধরে দলীয় কোনো কর্মসূচিতে তাকে সক্রিয়ভাবে দেখা যায়নি। বরং বিভিন্ন জাতীয় দিবস ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের হয়ে কাজ করতে দেখা গেছে তাকে।একাধিক স্থানীয় নেতা-কর্মীর দাবি, রাজনৈতিক সুবিধা হাসিলের জন্য তিনি বারবার অবস্থান পরিবর্তন করেছেন। আওয়ামী লীগ নেতাদের ঘনিষ্ঠতা অর্জনের মাধ্যমে নিজ প্রভাব বিস্তারই ছিল তার মূল লক্ষ্য বলে অভিযোগ ওঠে।বর্তমানে তিনি কাজীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ সেলিম রেজা-এর ব্যক্তিগত সঙ্গী হিসেবে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন বলেও জানা গেছে। এতে করে তার রাজনৈতিক আনুগত্য নিয়ে আরও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে স্থানীয়দের মাঝে।এ বিষয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল এবং ক্ষমতার সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলা গণতান্ত্রিক রাজনীতির জন্য অশনিসংকেত। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের ফলে তৃণমূলের রাজনীতিতে বিভ্রান্তি ও অসন্তোষ বাড়তে পারে।এদিকে, অধ্যক্ষ আব্দুস সালামের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য জানতে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
১৪ ঘন্টা আগে
গলাচিপায় সালিশ বৈঠকে চুরির অপবাদ সইতে না পেরে গৃহিনীর আত্মহত্যা

গলাচিপায় সালিশ বৈঠকে চুরির অপবাদ সইতে না পেরে গৃহিনীর আত্মহত্যা

গলাচিপায় চুরির অপবাদ সইতে না পেরে সেলিনা বেগম (৫০) নামের এক গৃহিনী গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে আত্মহত্যা করেছে। সোমবার সকালে গলাচিপা  সদর ইউনিয়নের উত্তর চরখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে পাঠিয়েছে।স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার সদর ইউনিয়নের উত্তর চরখালী গ্রামের গৃহিনী স্বামী পরিত্যাক্তা সেলিনা বেগম দীর্ঘ দিন যাবত পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়ি বাধেঁর উপর ছেলে ও ছেলের স্ত্রী নিয়ে বসাবাস করত। মাস দুইয়েক আগে বেড়ি বাধেঁ সংস্কার কাজের জন্য উচ্ছেদ হয়ে পড়লে পাশে ঝুপড়ি দিয়ে বসবাস করতো। কয়েকদিনে আগ থেকে পাশের বাড়ির আলমগীর মাষ্টারের ঘরের বারান্দায় রাতে ঘুমাত। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) ওই ঘর থেকে আলমগীরের স্ত্রীর ১২আনা সোনা ৪ ভরি রুপার গহনা হারায়। এঘটনায় আলমগীর সিকদারের পরিবার সেলিনা বেগমকে সন্দেহ করে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সন্ধ্যায় স্থানীয় লোকজন সিরাজুল সিকদারের বাড়িতে সালিশ বৈঠকে বসে। সালিশ বৈঠকে শারীরিক, মানসিক নির্যাতন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে চাল পড়া খাওয়ায়ে সেলিনাকে চোর সাব্যস্ত করা হয়। সেলিনার ছেলে ইফাজুল ইসলাম (২২) অভিযোগ করে বলেন, সালিশ বৈঠকে জসিম খান, রিয়াজ খান, নিউজ সিকদার, মিজান সিকদার, শামীম সিকদারসহ ৪/৫ আমার মাকে মারধর করে চাল পড়া খাইয়ে স্বীকারউক্তি নিয়ে ৩ শত টাকার স্ট্যাম্পে আমার মা, আমার স্ত্রী ও আমার স্বাক্ষর নেয়। প্রত্যক্ষদর্শী নুরজাহান বেগম(৫৫) জানান, সিকদার বাড়ির লোকজন সেলিনাকে মারধর ও প্লাশদিয়ে নখ তুলে ফেলার ভয় দেখায়। ওই এলাকার বাসিন্দা খবির ও  মোশাররফ মুন্সি  জানায়, দীর্ঘ দিন যাবত সেলিনা অন্যের বাড়িতে কাজকর্ম করে ছেলেকে নিয়ে সংসার পরিচালনা করছে, কখনো শুনিনি বা দেখিনি সেলিনা চুরি করেছে।  সেলিনার ছেলে ইফাজুল ইসলাম স্ত্রী সারমিন আক্তার জানায়, আজ আমরা পাশের বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলাম। ভোর পোনে ৬টা দিকে শাশুড়ি আমার স্বামীর ফোনে মিস কল দেয়। ফোনে টাকা না থাকায় আমরা ঘরে এসে দেখি মারা গেছে। সালিশদারদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চুরি হাওয়া সোনা ও রুপা আজকে দেয়ার কথা ছিল। আমার শাশুড়ি চুরির অপবাদ সইতে না পেরে গ্যাস ট্যাবলেট খেয়েছে।সালিশদার সিরাজুল সিকদার ৩শত টাকার স্ট্যাম্প রাখার কথা স্বীকার করে বলেন, সেলিনাকে কোন নির্যাতন করা হয়নি।চুরি হওয়া সোনার মালিক আলমগীর মাষ্টার জানায়, ১৭ মার্চ থেকে আমার স্ত্রীর কিছু গহনা হারিয়েছে। আমি স্থানীয় লোকজনকে চুরির বিষয় জানালে তারা সেলিনাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। সেলিনা চুরির বিষয় স্বীকার করে, আজকে চুরির মালামাল ফেরত দেয়ার কথা ছিল।  গলাচিপা অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) ঝিলন সিকদার জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থান থেকে লাশ উদ্ধার করে  ময়না তদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে পাঠানো হয়েছে।
৬ ঘন্টা আগে
প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা ও পর্যটন বিকাশে দুর্গাপুরকে ঘিরে বড় পরিকল্পনার কথা জানালেন কায়সার কামাল

প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা ও পর্যটন বিকাশে দুর্গাপুরকে ঘিরে বড় পরিকল্পনার কথা জানালেন কায়সার কামাল

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং পর্যটন শিল্পের বিকাশকে সামনে রেখে একটি সুদূরপ্রসারী উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মাননীয় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তিনি বলেন, দুর্গাপুরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, নদী, পাহাড়ঘেরা জনপদ এবং পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে এ অঞ্চলকে দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত করা সম্ভব।ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন, নদীর স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা এবং পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলার মতো কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি সতর্ক করে বলেন, দুর্যোগে ভবন ধসে ব্যাপক প্রাণহানির ঝুঁকি রয়েছে। তাই জনগণের নিরাপত্তা, পরিবেশ সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক সম্পদের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে নদী ও প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রেখে বিজ্ঞানভিত্তিক ও বৈধ উপায়ে বালু উত্তোলনের ব্যবস্থা করা হবে। এতে একদিকে যেমন পরিবেশ রক্ষা পাবে, অন্যদিকে তেমনি অর্থনৈতিক উন্নয়নও ত্বরান্বিত হবে।তিনি আরও বলেন, দুর্গাপুরের অপার সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে কুল্লাগড়া, দুর্গাপুর সদর, লেংগুরা, খারনৈ এবং রংছাতি—এই পাঁচটি ইউনিয়নকে কেন্দ্র করে একটি আধুনিক ‘ট্যুরিজম হাব’ বা পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বিশেষ করে তরুণ সমাজ, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, পরিবহন খাত, হোটেল-রেস্তোরাঁ ব্যবসা এবং স্থানীয় ক্ষুদ্র-বৃহৎ ব্যবসায়ীরা এর মাধ্যমে সরাসরি উপকৃত হবেন।তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকরা দুর্গাপুরের নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে এ অঞ্চলে আসবেন। এর ফলে দুর্গাপুরের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি সঞ্চার হবে। একই সঙ্গে আধুনিক হাসপাতাল, উন্নত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যোগাযোগ ব্যবস্থা, আবাসন সুবিধা এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক নাগরিক সেবারও প্রসার ঘটবে। ফলে দুর্গাপুর শুধু একটি দর্শনীয় স্থান হিসেবেই নয়, বরং একটি আধুনিক, সম্ভাবনাময় ও অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ জনপদ হিসেবে গড়ে উঠবে।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সুখময় সরকার, পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম, দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আফরোজা আফসানা এবং বিশিষ্ট চিকিৎসক ও সমাজসেবক ড. দিবালোক সিংহ।এছাড়া অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে দায়িত্বপালনকারী গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সবার উপস্থিতিতে দুর্গাপুরের সম্ভাবনা, পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন এবং পর্যটন খাতের বিস্তার নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।স্থানীয়দের মতে, পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে দুর্গাপুরের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে। প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের পাশাপাশি পর্যটন খাতকে বিকশিত করা গেলে এই অঞ্চল শুধু নেত্রকোনাতেই নয়, সারাদেশের কাছে একটি অনন্য মডেল হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
৮ ঘন্টা আগে
অনলাইন কেসিনো জুয়া বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

অনলাইন কেসিনো জুয়া বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

অনলাইন কেসিনো জুয়া বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনানিজস্ব প্রতিবেদক:বাংলাদেশে অনলাইন কেসিনো ও জুয়া ভয়াবহ সামাজিক সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ থেকে শুরু করে যুব সমাজের একটি বড় অংশ এই অবৈধ অনলাইন জুয়ার সাথে জড়িয়ে পড়ছে। এর ফলে পরিবারে অশান্তি, আর্থিক সংকট, ঋণগ্রস্ততা, এমনকি মারামারি ও অপরাধের ঘটনাও বাড়ছে বলে স্থানীয়দের দাবি।সচেতন মহলের মতে, সহজলভ্য মোবাইল অ্যাপ ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে জুয়ার বিস্তার ঘটায় বিভিন্ন বয়সের মানুষ আসক্ত হয়ে পড়ছেন। এতে অনেক পরিবারে ভাঙন ও সামাজিক অবক্ষয় দেখা দিচ্ছে।এ প্রেক্ষাপটে দেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর কাছে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন উদ্বিগ্ন নাগরিকরা। তারা অবৈধ অনলাইন কেসিনো সাইট বন্ধ, সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানান।বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কঠোর নজরদারি ও প্রযুক্তিগত নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি আসক্তদের পুনর্বাসন ও কাউন্সেলিং ব্যবস্থাও জরুরি হয়ে পড়েছে। অন্যথায় এই সমস্যা ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন
দলবদল ও ক্ষমতার ছত্রছায়ায় অধ্যক্ষ আব্দুস সালাম: প্রশ্নের মুখে রাজনৈতিক অবস্থান

দলবদল ও ক্ষমতার ছত্রছায়ায় অধ্যক্ষ আব্দুস সালাম: প্রশ্নের মুখে রাজনৈতিক অবস্থান

সিরাজগঞ্জের কাজীপুর অঞ্চলে অধ্যক্ষ আব্দুস সালামকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে। দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলেও বাস্তবে আওয়ামী লীগ নেতাদের ঘনিষ্ঠ হয়ে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, অধ্যক্ষ আব্দুস সালাম কাজীপুর পৌরসভার প্রথম প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি নির্বাচনের মাধ্যমে পৌর মেয়রও নির্বাচিত হন। তবে ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই তার রাজনৈতিক অবস্থানে বড় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাবেক প্রভাবশালী নেতা মোহাম্মদ নাসিম এবং তার পুত্র মোহাম্মদ তানভীর শাকিল জয়-এর আস্থাভাজন হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন আব্দুস সালাম। অভিযোগ রয়েছে, বিএনপির কাজীপুর উপজেলা সাধারণ সম্পাদক পদে থাকলেও গত প্রায় দেড় দশক ধরে দলীয় কোনো কর্মসূচিতে তাকে সক্রিয়ভাবে দেখা যায়নি। বরং বিভিন্ন জাতীয় দিবস ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের হয়ে কাজ করতে দেখা গেছে তাকে।একাধিক স্থানীয় নেতা-কর্মীর দাবি, রাজনৈতিক সুবিধা হাসিলের জন্য তিনি বারবার অবস্থান পরিবর্তন করেছেন। আওয়ামী লীগ নেতাদের ঘনিষ্ঠতা অর্জনের মাধ্যমে নিজ প্রভাব বিস্তারই ছিল তার মূল লক্ষ্য বলে অভিযোগ ওঠে।বর্তমানে তিনি কাজীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ সেলিম রেজা-এর ব্যক্তিগত সঙ্গী হিসেবে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন বলেও জানা গেছে। এতে করে তার রাজনৈতিক আনুগত্য নিয়ে আরও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে স্থানীয়দের মাঝে।এ বিষয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল এবং ক্ষমতার সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলা গণতান্ত্রিক রাজনীতির জন্য অশনিসংকেত। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের ফলে তৃণমূলের রাজনীতিতে বিভ্রান্তি ও অসন্তোষ বাড়তে পারে।এদিকে, অধ্যক্ষ আব্দুস সালামের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য জানতে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
১৩ ঘন্টা আগে
হাতিয়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার অনুষ্ঠান

হাতিয়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার অনুষ্ঠান

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে হাতিয়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার(১২ মার্চ) সন্ধ্যায় নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলা শহর কলেজ রোডস্থ 'হাতিয়া প্রেসক্লাব' প্রাঙ্গণে এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। হাতিয়া প্রেসক্লাবের নির্বাচিত সভাপতি মো. ফিরোজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে আলোচনা করেন, হাতিয়া মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির সভাপতি মাওলানা একিউএম ইদ্রিস, মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি আ.ন.ম হাসান, এখন টিভির নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি নাসিম শুভ প্রমুখ। হাতিয়া প্রেসক্লাবের সদস্য ছায়েদ আহামেদ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তারা সামাজিক দায়বদ্ধতার উপর অবিচল থেকে গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহবান জানান। এসময় উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান, পুলিশ প্রশাসন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারি, চ্যানেল আই এর নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি আলাউদ্দিন শিবলী, নাগরিক টিভির প্রতিনিধি মো. সোহেল উদ্দিন, হাতিয়া প্রেসক্লাবের সদস্যবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার দুই শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন হাতিয়া প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা আমির হামজা। পরে দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং মুসলিম উম্মাহসহ আক্রান্ত ইরান ও ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের জন্য বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা জিয়াউল হক।
১৮ মার্চ ২০২৬
নেত্রকোনা দুর্গাপুরে শুরু হচ্ছে হিফজুল কুরআন হামদ-নাত ও আজান প্রতিযোগিতা-২০২৬

নেত্রকোনা দুর্গাপুরে শুরু হচ্ছে হিফজুল কুরআন হামদ-নাত ও আজান প্রতিযোগিতা-২০২৬

১৮ মার্চ ২০২৬
অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরার আত্মহত্যা

অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরার আত্মহত্যা

জনপ্রিয় অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরা আত্মহত্যা করেছেন। দেশের বেসরকারি একটি গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে অভিনেতার শ্বশুরবাড়ি পরিবার।শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে।অভিনেতা বর্তমানে নেপালে আছেন। তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি এখন কথা বলার মতো অবস্থায় নেই।জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ৪১ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন ইকরা। ২০১০ সালের ৯ নভেম্বর মাত্র ১৯ বছর বয়সে তারা পালিয়ে বিয়ে করেছিলেন আলভী-ইকরা।দীর্ঘ ১৪ বছর পর ২০২৪ সালে তাদের বিয়ের খবরটি প্রকাশ্যে আসে। তাদের সংসারে প্রিয়মায়া নামে একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কোন ছবি নেই !
কোন ছবি নেই !
জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫ –এর আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান কাউনিয়ায় অনুষ্ঠিত

জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫ –এর আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান কাউনিয়ায় অনুষ্ঠিত

জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫ –এর আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান কাউনিয়ায় অনুষ্ঠিতরংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় উৎসবমুখর পরিবেশে জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫ এর আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। সকালে উপজেলা চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়, যা উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে অনুষ্ঠানের স্থানে এসে শেষ হয়।অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মহিদুল হক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. মো. এ আর এম আল মামুন।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেনতানিয়া আক্তার, কৃষি অফিসার, কাউনিয়া উপজেলা এসআই ব্রজ গোপাল কর্মকার, সেকেন্ড অফিসার, কাউনিয়া থানা বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, খামারি, শিক্ষক, সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ প্রদর্শনীতে প্রদর্শিত প্রাণিসম্পদ ও উপকরণ প্রদর্শনীতে নানা জাতের প্রাণিসম্পদ ও খাদ্যউপকরণ প্রদর্শিত হয়, যার মধ্যে ছিলগরু ছাগল ভেড়া হাঁস মুরগি কোয়েল পাখি বিভিন্ন জাতের উন্নতমানের ঘাস গো-খাদ্য ও আধুনিক খামার ব্যবস্থাপনার উপকরণ আলোচনা সভায় বক্তারা স্থানীয় খামারিদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ, মানসম্মত উৎপাদন, এবং প্রাণিসম্পদ উন্নয়নে সরকারের নানা উদ্যোগ তুলে ধরেন। পরে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শ্রেষ্ঠ খামারি ও স্টল মালিকদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫–এর কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ ঘোষণা করা হয়।
১৮ মার্চ ২০২৬
নিজের নিরাপত্তা চেয়ে ভয়ে কাঁদছেন ঝিনুক—অভিযুক্ত স্বামী ডিএমপির ট্রাফিক ইনস্পেক্টর

নিজের নিরাপত্তা চেয়ে ভয়ে কাঁদছেন ঝিনুক—অভিযুক্ত স্বামী ডিএমপির ট্রাফিক ইনস্পেক্টর

ঢাকা মহানগরীর তুরাগ থানা এলাকায় যৌতুকের টাকা দাবি করে গৃহবধূকে শারীরিক নির্যাতন ও জখম করার অভিযোগ উঠেছে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আছিয়া আক্তার ঝিনুক (২০) তুরাগ মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিয়ের পর থেকেই আছিয়া আক্তার ঝিনুকের স্বামী মো. জলিল মিয়া ও তার পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন সময় যৌতুকের নামে টাকা-পয়সা দাবি করে আসছিলেন। অভিযোগকারী জানান, তাদের বিয়ের পর থেকে ধাপে ধাপে ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা দিতে তাকে বাধ্য করা হয়। এমনকি প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের একটি মোবাইল ফোন কিনে দিতেও বাধ্য করা হয় তাকে।ঝিনুক অভিযোগে আরও বলেন, তিনি গর্ভবতী থাকাকালীনও স্বামীর নির্যাতন থেকে রেহাই পাননি। সর্বশেষ ১৪ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ সন্ধ্যা ৬টার দিকে স্বামী জলিল মিয়া পুনরায় ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। টাকা দিতে অসম্মতি জানালে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা তাকে মারধর করে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম হয়।জানা গেছে, অভিযুক্ত ট্রাফিক ইনস্পেক্টর (টিআই) জলিল মিয়া বর্তমানে ধউর ট্রাফিক পুলিশ বক্স, ট্রাফিক পশ্চিম জোন, উত্তরা ট্রাফিক বিভাগ, ডিএমপি–তে কর্মরত।এ বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাইলে টিআই জলিল মিয়া বলেন—আমি তাকে নোটিশ পাঠিয়েছি, বিষয়টি আদালত দেখবে। আমাকে অভিযোগ দিয়ে কিছুই করতে পারবে না, কারণ আমি আইনের লোক।”অপরদিকে, ধারাবাহিক নির্যাতনে আছিয়া আক্তার ঝিনুকের শারীরিক অবস্থা অবনতি হওয়ায় আত্মীয়স্বজনের পরামর্শে তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন এবং নিজের ও অনাগত সন্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনগত সহায়তা চান।এ বিষয়ে তুরাগ মডেল থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই অপূর্ব বলেন—জলিল স্যার আমাদের উপরস্থ কর্মকর্তা। তাকে এভাবে কিছু জিজ্ঞেস করতে পারি না। তদন্তের মাধ্যমে সব জানা যাবে।তুরাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন—“অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ঘটনা বিষয়ে উত্তরা ট্রাফিক বিভাগের ডিসি–র সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন—আমি বিষয়টি অবগত নই। যদি এমন অভিযোগ সত্যি হয়ে থাকে, তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিজস্ব প্রতিনিধি