গোপালগঞ্জে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীদের মিছিল থেকে পুলিশের ওপর হামলা এবং টহলরত পুলিশের পিকআপ ভাঙচুরের ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
রোববার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে আহত পুলিশ পরিদর্শক মো. ফুল মিয়া বাদী হয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ৪০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৪০ থেকে ৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মামলার পরপরই অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান শুরু করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। অভিযানে সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে রোববার সন্ধ্যায় তাদের আদালতে পাঠানো হলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
গোপালগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আমিনুল ইসলাম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পুলিশের ওপর হামলা ও সরকারি কাজে ব্যবহৃত যানবাহন ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ করছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।প্রসঙ্গত, গত শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার রঘুনাথপুর খেয়াঘাট এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে ওই এলাকায় আসেন। এ সময় সেখানে দায়িত্ব পালনরত টহল পুলিশের সদস্যদের ওপর হামলা চালানো হয়। পাশাপাশি পুলিশের পিকআপ ভ্যানেও ভাঙচুর করা হয়।
হঠাৎ এ হামলার ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এতে পুলিশের এক উপপরিদর্শকসহ দুই সদস্য আহত হন। আহতদের মধ্যে পুলিশ পরিদর্শক মো. ফুল মিয়াও রয়েছেন বলে জানা গেছে।
ঘটনার পর থেকেই জড়িতদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে তৎপরতা শুরু করে পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় মামলা দায়ের এবং সাতজনকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে তদন্ত ও আইনগত কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বাকি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
গোপালগঞ্জে পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুর, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা, গ্রেপ্তার ৭
গোপালগঞ্জে মিছিল থেকে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ, ৪০ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা আমার









মন্তব্য