প্রবীণ সাংবাদিক সাইদুর রহমানের মৃত্যুতে পাবনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এবিএম ফজলুল হকের গভীর শোক
প্রবীণ সাংবাদিক সাইদুর রহমানের মৃত্যুতে পাবনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এবিএম ফজলুল হকের গভীর শোক
প্রবীণ সাংবাদিক ও রাজশাহী প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইদুর রহমানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন পাবনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এবিএম ফজলুর রহমান। সোমবার ভোর ৪টার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাইদুর রহমান ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬০ বছর। তার মৃত্যুতে সাংবাদিক মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।শোকবার্তায় এবিএম ফজলুল হক বলেন, “মনে পড়ছে ৯০ দশকের কথা। রাজশাহী প্রেসক্লাব যার বাড়ি-ঘর। সাংবাদিকতার প্রতি ছিল তার গভীর মমত্ববোধ। সেই বন্ধু আর নেই। মহান আল্লাহ আপনাকে বেহেশত নসিব করুন। আমিন।”রাজশাহীর বিশিষ্ট সাংবাদিক আনু মোহাম্মদের ফেসবুক পোস্টে সাইদুর রহমানের সাংবাদিকতা ও কর্মময় জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে বলা হয়, সাইদুর রহমান প্রথমে দৈনিক করতোয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং পরবর্তীতে শুরু থেকে শেষদিন পর্যন্ত দৈনিক ভোরের কাগজে সাংবাদিকতা করেন। তিনি সবসময় রাজশাহীর মানুষের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে ভাবতেন এবং তা নিয়ে কাজ করতেন।সাইদুর রহমান ছিলেন প্রগতিশীল চিন্তা-চেতনার মানুষ। আশির দশকে মেধাবী ছাত্র হিসেবে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন সরকারের বৃত্তি নিয়ে রাশিয়ায় পড়তে যান। তবে পারিবারিক কারণে পড়াশোনা শেষ না করেই দেশে ফিরে আসেন। পরবর্তীতে সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে বেছে নেন।রাজশাহীর একটি ঐতিহ্যবাহী পরিবারের সন্তান হয়েও তিনি ছিলেন অত্যন্ত সাদাসিধে জীবনযাপনে অভ্যস্ত। তিনি রাজশাহীর সাবেক গভর্নর ও জননেতা আতাউর রহমান এবং ভাষাসৈনিক মনোয়ারা বেগমের সন্তান। তার নানা ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও জননেতা মাদার বখশ।সাইদুর রহমানের মৃত্যুতে রাজশাহীর সাংবাদিক সমাজ একজন মেধাবী কলমযোদ্ধাকে হারালেন বলে শোক প্রকাশ করেছেন সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।বাদ আসর রাজশাহীর দরগাহ মসজিদে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। পরে হেতেমখাঁ গোরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।









মন্তব্য