সারাদেশ

পুঠিয়া কেন্দ্রীয় মহাশ্মশানে দীর্ঘদিনের অন্ধকারের অবসান পৌর প্রশাসক শিবু দাশের উদ্যোগে জ্বললো আলো

পুঠিয়া কেন্দ্রীয় মহাশ্মশানে দীর্ঘদিনের অন্ধকারের অবসান পৌর প্রশাসক শিবু দাশের উদ্যোগে জ্বললো আলো

প্রিন্ট
পুঠিয়া কেন্দ্রীয় মহাশ্মশানে দীর্ঘদিনের অন্ধকারের অবসান পৌর প্রশাসক শিবু দাশের উদ্যোগে জ্বললো আলো
পুঠিয়া কেন্দ্রীয় মহাশ্মশানে দীর্ঘদিনের অন্ধকারের অবসান পৌর প্রশাসক শিবু দাশের উদ্যোগে জ্বললো আলো
# পুঠিয়া ⌖ পুঠিয়া
পুঠিয়া কেন্দ্রীয় মহাশ্মশানে দীর্ঘদিনের অন্ধকারের অবসান পৌর প্রশাসক শিবু দাশের উদ্যোগে জ্বললো আলো


মো: রবিউল ইসলাম,রাজশাহী ব্যুরো।
দীর্ঘদিনের অন্ধকার দূর করে অবশেষে আলোর আলোয় উদ্ভাসিত হলো পুঠিয়া কেন্দ্রীয় মহাশ্মশান। দীর্ঘদিন ধরে পর্যাপ্ত আলো না থাকায় রাতে চলাচলাসহ ধর্মীয় নানা আচার-অনুষ্ঠান পরিচালনায় স্থানীয়দের তীব্র ভোগান্তি পোহাতে হতো। সম্প্রতি পুঠিয়া পৌরসভার প্রশাসক শিবু দাশের বিশেষ উদ্যোগে মহাশ্মশান প্রাঙ্গণে লাইট স্থাপন করে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা হয়েছে।
স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, উপজেলার অন্যতম প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ এ মহাশ্মশানে দীর্ঘদিন আলোর কোনো সঠিক ব্যবস্থা ছিল না। ফলে রাতের বেলায় এখানে নানা অপ্রীতিকর পরিস্থিতির শঙ্কা থাকত এবং সার্বিক নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন পুণ্যার্থীরা। স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায় দীর্ঘদিন ধরে আলোকায়নের দাবি জানিয়ে আসছিলেন।
বিষয়টি নজরে আসার পর পুঠিয়া পৌরসভার প্রশাসক শিবু দাশ তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেন এবং দ্রুততম সময়ে আলোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করেন। আলো বাস্তবায়নের পর এখন শ্মশান প্রাঙ্গণ ও এর আশপাশের পরিবেশ আগের চেয়ে অনেক বেশি নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও ব্যবহারবান্ধব হয়ে উঠেছে।
এ উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাতের অন্ধকারে এখানে আসার ভয় কেটে গেছে। আলোর সুব্যবস্থা হওয়ায় এখন নিরাপত্তাও নিশ্চিত হয়েছে।
এ বিষয়ে পৌর প্রশাসক শিবু দাশ বলেন, "জনসাধারণ ও পুণ্যার্থীদের সুনির্দিষ্ট দাবির প্রতি সম্মান জানিয়েই আমরা দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছি। ধর্মীয় ও সামাজিক স্থানগুলোর সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে এবং যেকোনো নাগরিক সমস্যা সমাধানে পৌর প্রশাসন সবসময় সচেষ্ট থাকবে।"
পুঠিয়ার সর্বস্তরের মানুষ এই জনকল্যাণমুখী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এবং পৌরসভার উন্নয়ন ধারা অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন।

সম্পর্কিত সংবাদ

মন্তব্য