বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ওপেন নিউজ ২৪

মনোনয়নের দাবিতে সীতাকুণ্ডে ৪০ কি.মি.জুড়ে জনতার ঢল: আসলাম চৌধুরীকে চায় হাজারো কর্মী-সমর্থক

মনোনয়নের দাবিতে সীতাকুণ্ডে ৪০ কি.মি.জুড়ে জনতার ঢল: আসলাম চৌধুরীকে চায় হাজারো কর্মী-সমর্থক

চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড ও আংশিক আকবরশাহ–পাহাড়তলী) সংসদীয় আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী, কেন্দ্রীয় নেতা আসলাম চৌধুরীর পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। দলীয় মনোনয়নের দাবিতে শনিবার একেখান মোড় থেকে শুরু করে সীতাকুণ্ডের শেষ প্রান্ত বড়দারোগাহাট পর্যন্ত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের প্রায় ৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ এলাকা জুড়ে বিশাল মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও সাধারণ মানুষ।


​শনিবার সকাল ১১টা থেকে দুপুর পর্যন্ত চলা এই অভূতপূর্ব মানববন্ধনে মহাসড়কের দু'পাশে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থকের ঢল নামে। সীতাকুণ্ড উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন, ১টি পৌরসভা এবং চট্টগ্রাম মহানগরের ২টি ওয়ার্ডের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিভিন্ন স্পটে একত্র হয়ে এই কর্মসূচিতে অংশ নেন।

​মানববন্ধন থেকে বক্তারা আসলাম চৌধুরীকে 'মজলুম জননেতা' ও 'ত্যাগের প্রতীক' হিসেবে অভিহিত করে তাঁর মনোনয়নের জোর দাবি জানান। বিএনপি নেতা ইউছুফ নিজামীসহ স্থানীয় পর্যায়ের অসংখ্য নেতা-কর্মী বক্তব্য রাখেন।


​বক্তারা আসলাম চৌধুরীর রাজনৈতিক জীবনের ত্যাগ ও ভূমিকার কথা তুলে ধরে বলেন, রাজনৈতিক কারণে চার দফায় প্রায় ১১ বছর কারাবরণ করেছেন তিনি। দলীয় আদর্শ রক্ষায় নিজের ব্যবসা-বাণিজ্য, ধনসম্পদ বিসর্জন দিয়ে প্রান্তিক মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন। তাঁর দৃঢ়চেতা মনোভাবের উদাহরণ দিতে গিয়ে নেতারা বলেন, কারাগারে থাকা অবস্থায় নিজের দুই ভাইয়ের মৃত্যু সংবাদ পেয়েও তিনি মনোবল হারাননি।


​নেতৃবৃন্দ মন্তব্য করেন, এমন নীতিতে অটল, আপোষহীন ও ত্যাগের মহিমা যার জীবনে, তাকে মনোনয়ন না দেওয়া সীতাকুণ্ডের জনগণের প্রতি একধরনের অবহেলা।

​বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, ফ্যাসিস্টবিরোধী আন্দোলনে আসলাম চৌধুরী শুরু থেকেই সাহসী ভূমিকা রেখে চট্টগ্রামে দুর্বার প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন। হামলা–মামলা, জেল–জুলুম, নির্যাতন—কোনো কিছুই তাঁকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। তারা আক্ষেপ করে বলেন, "দলীয় দুর্দিনে যিনি নিজের সর্বস্ব ত্যাগ করেছেন, তাঁকে মনোনয়ন না পেয়ে সীতাকুণ্ড নয়, পুরো জাতিই হতভম্ব।


​এলাকার উন্নয়ন, শিক্ষা-স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান সৃষ্টি থেকে শুরু করে খেলাধুলা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার প্রতিটি ক্ষেত্রে আসলাম চৌধুরীর অবদান 'অনন্য' বলে মনে করেন মানববন্ধনে অংশ নেওয়া সাধারণ মানুষ। 


তাদের দাবি, এমন মানবিক, পরোপকারী মানুষ এমপি হলে সীতাকুণ্ডের উন্নয়ন নিশ্চিত।


​মহাসড়কের পুরোটা জুড়েই ছিল ব্যানার–ফেস্টুনের ছড়াছড়ি। কর্মীদের কণ্ঠ থেকে হৃদয়স্পর্শী শ্লোগান ধ্বনিত হয়:

জেলখানার আসলাম ভাই, আমরা তোমায় ভুলি নাই—দুর্দিনের আসলাম ভাই, আমরা তোমায় ভুলি নাই।


​মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন কমল কদর, ইউছুফ নিজামী, জাকির হোসেন, ছালে আহমদ ছলু, মোজাহির উদ্দিন আশরাফ, মোস্তাফিজুর রহমান, আবুল কালাম, বদরুল আলম, ছালামত উল্লাহ, নুরুল আজিম সবুজ, এ্যাড. নাছিমা আক্তার চৌধুরী, আজম উদ্দিন, ইব্রাহিম খলিল নিশান, নুরুল আনোয়ার চেয়ারম্যান, খোরশেদ আলম মেম্বার, মুসলিম উদ্দিন রাজা, আব্দুল কাদের মাস্টার, মাহাবুব আলম, সোলাইমান রাজ, মো. আলী, নুরুন্নবী চৌধুরী, নুরুল আলম, জরি মিয়া, সালাউদ্দিন মেহেদী, বেলাল, জাহাঙ্গীর আলম, নুরুল আবছার, শাহদাত, দৌলা, দৌলতখান, শেখ সাহাবউদ্দিন, মো. মোরছালিন, লোকমান হাকিম, রুকন উদ্দিন মেম্বার, মন্জুরুল আলমসহ আরও অনেকে।

আপনার মতামত লিখুন

ওপেন নিউজ ২৪

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


মনোনয়নের দাবিতে সীতাকুণ্ডে ৪০ কি.মি.জুড়ে জনতার ঢল: আসলাম চৌধুরীকে চায় হাজারো কর্মী-সমর্থক

প্রকাশের তারিখ : ২৩ নভেম্বর ২০২৫

featured Image
চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড ও আংশিক আকবরশাহ–পাহাড়তলী) সংসদীয় আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী, কেন্দ্রীয় নেতা আসলাম চৌধুরীর পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। দলীয় মনোনয়নের দাবিতে শনিবার একেখান মোড় থেকে শুরু করে সীতাকুণ্ডের শেষ প্রান্ত বড়দারোগাহাট পর্যন্ত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের প্রায় ৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ এলাকা জুড়ে বিশাল মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও সাধারণ মানুষ।​শনিবার সকাল ১১টা থেকে দুপুর পর্যন্ত চলা এই অভূতপূর্ব মানববন্ধনে মহাসড়কের দু'পাশে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থকের ঢল নামে। সীতাকুণ্ড উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন, ১টি পৌরসভা এবং চট্টগ্রাম মহানগরের ২টি ওয়ার্ডের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিভিন্ন স্পটে একত্র হয়ে এই কর্মসূচিতে অংশ নেন।​​মানববন্ধন থেকে বক্তারা আসলাম চৌধুরীকে 'মজলুম জননেতা' ও 'ত্যাগের প্রতীক' হিসেবে অভিহিত করে তাঁর মনোনয়নের জোর দাবি জানান। বিএনপি নেতা ইউছুফ নিজামীসহ স্থানীয় পর্যায়ের অসংখ্য নেতা-কর্মী বক্তব্য রাখেন।​বক্তারা আসলাম চৌধুরীর রাজনৈতিক জীবনের ত্যাগ ও ভূমিকার কথা তুলে ধরে বলেন, রাজনৈতিক কারণে চার দফায় প্রায় ১১ বছর কারাবরণ করেছেন তিনি। দলীয় আদর্শ রক্ষায় নিজের ব্যবসা-বাণিজ্য, ধনসম্পদ বিসর্জন দিয়ে প্রান্তিক মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন। তাঁর দৃঢ়চেতা মনোভাবের উদাহরণ দিতে গিয়ে নেতারা বলেন, কারাগারে থাকা অবস্থায় নিজের দুই ভাইয়ের মৃত্যু সংবাদ পেয়েও তিনি মনোবল হারাননি।​নেতৃবৃন্দ মন্তব্য করেন, এমন নীতিতে অটল, আপোষহীন ও ত্যাগের মহিমা যার জীবনে, তাকে মনোনয়ন না দেওয়া সীতাকুণ্ডের জনগণের প্রতি একধরনের অবহেলা।​​বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, ফ্যাসিস্টবিরোধী আন্দোলনে আসলাম চৌধুরী শুরু থেকেই সাহসী ভূমিকা রেখে চট্টগ্রামে দুর্বার প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন। হামলা–মামলা, জেল–জুলুম, নির্যাতন—কোনো কিছুই তাঁকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। তারা আক্ষেপ করে বলেন, "দলীয় দুর্দিনে যিনি নিজের সর্বস্ব ত্যাগ করেছেন, তাঁকে মনোনয়ন না পেয়ে সীতাকুণ্ড নয়, পুরো জাতিই হতভম্ব।​এলাকার উন্নয়ন, শিক্ষা-স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান সৃষ্টি থেকে শুরু করে খেলাধুলা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার প্রতিটি ক্ষেত্রে আসলাম চৌধুরীর অবদান 'অনন্য' বলে মনে করেন মানববন্ধনে অংশ নেওয়া সাধারণ মানুষ। তাদের দাবি, এমন মানবিক, পরোপকারী মানুষ এমপি হলে সীতাকুণ্ডের উন্নয়ন নিশ্চিত।​মহাসড়কের পুরোটা জুড়েই ছিল ব্যানার–ফেস্টুনের ছড়াছড়ি। কর্মীদের কণ্ঠ থেকে হৃদয়স্পর্শী শ্লোগান ধ্বনিত হয়:​জেলখানার আসলাম ভাই, আমরা তোমায় ভুলি নাই—দুর্দিনের আসলাম ভাই, আমরা তোমায় ভুলি নাই।​মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন কমল কদর, ইউছুফ নিজামী, জাকির হোসেন, ছালে আহমদ ছলু, মোজাহির উদ্দিন আশরাফ, মোস্তাফিজুর রহমান, আবুল কালাম, বদরুল আলম, ছালামত উল্লাহ, নুরুল আজিম সবুজ, এ্যাড. নাছিমা আক্তার চৌধুরী, আজম উদ্দিন, ইব্রাহিম খলিল নিশান, নুরুল আনোয়ার চেয়ারম্যান, খোরশেদ আলম মেম্বার, মুসলিম উদ্দিন রাজা, আব্দুল কাদের মাস্টার, মাহাবুব আলম, সোলাইমান রাজ, মো. আলী, নুরুন্নবী চৌধুরী, নুরুল আলম, জরি মিয়া, সালাউদ্দিন মেহেদী, বেলাল, জাহাঙ্গীর আলম, নুরুল আবছার, শাহদাত, দৌলা, দৌলতখান, শেখ সাহাবউদ্দিন, মো. মোরছালিন, লোকমান হাকিম, রুকন উদ্দিন মেম্বার, মন্জুরুল আলমসহ আরও অনেকে।

ওপেন নিউজ ২৪

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ মোস্তফা কামাল 

কপিরাইট © ২০২৬ ওপেন নিউজ ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত