ওপেন নিউজ ২৪

বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিক পরিচালনায় মানতে হবে যেসব নির্দেশনা

বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিক পরিচালনায় মানতে হবে যেসব নির্দেশনা

বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের লাইসেন্স প্রবেশ পথে টানানো, তথ্য কর্মকর্তা নিয়োগ ও লেবার রুম প্রটোকল বাধ্যবাধকতাসহ ১০ দফা নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

এসব নির্দেশনা আবশ্যকভাবে পালন করতে হবে বলে জানিয়েছে নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানটি, অন্যথায় কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে। 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে এ নির্দেশ দেওয়া রয়েছে। 

নির্দেশনায় বলা হয় সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এ আদেশ জারি করা হয়েছে। 

বে-সরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো পরিচালনার ক্ষেত্রে বর্ণিত শর্তাবলি যতাযথভাবে পালন করার  নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

বিবিধ নির্দেশনার মধ্যে অতি গরুত্বপুর্ণ কয়েকটি নির্দেশনা তুলে ধরা হলো।

১. বেসরকারি ক্লিনিক হাসপাতাল ও ডায়াগনষ্টিকের লাইসেন্সের কপি প্রতিষ্ঠানের মূল প্রবেশ পথের সামনে দৃশ্যমান স্থানে অবশ্যই স্থায়ীভাবে ঝুলিয়ে রেখে প্রদর্শন করতে হবে।

২. সব বেসরকারি স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় তথ্যাদি সংরক্ষণ ও সরবরাহের জন্য একজন নির্ধারিত দায়িত্ব প্রাপ্ত তথ্য কর্মকর্তা থাকতে হবে। একইসঙ্গে তার ছবি ও মোবাইল নম্বর দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে হবে।

৩. যেসব প্রতিষ্ঠানের নাম ডায়াগনস্টিক ও হাসপাতাল হিসেবে আছে কিন্তু শুধুমাত্র ডায়াগনস্টিক অথবা হাসপাতালের লাইসেন্স রয়েছে তারা লাইসেন্স প্রাপ্ত ব্যতিরেকে কোনো ভাবেই ঐ নামে উল্লেখিত সেবা প্রদান করতে পারবে না। ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিকের আলাদা আলাদা লাইসেন্স থাকতে হবে।

৪. ডায়াগনস্টিক সেন্টার, প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরির ক্ষেত্রে যে ক্যাটাগরিতে লাইসেন্স প্রাপ্ত শুধুমাত্র সে ক্যাটাগরিতে নির্ধারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়া কোনো ভাবেই অন্যান্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা ঢালাও ভাবে করা যাবে না। 

ক্যাটাগরি অনুযায়ী প্যাথলজি বা মাইক্রোবায়োলজি, বায়োকেমিস্ট্রি ও রেডিওলজি বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করতে হবে। 

৫. বেসরকারি ক্লিনিক, হাসপাতালের ক্ষেত্রে লাইসেন্সের প্রকারভেদ ও শয্যা সংখ্যা অনুযায়ী সকল শর্তাবলী বাধ্যতামূলক ভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

৬. হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়োজিত সকল চিকিৎসক ও কর্মচারীর পেশাগত ডিগ্রির সনদ, বিএমডিসি'র হালনাগাদ নিবন্ধন ও নিয়োগ পত্রের কপি অবশ্যই সংরক্ষণ করতে হবে।

৭. হাসপাতাল, ক্লিনিকের ক্ষেত্রে যে কোনো ধরনের অপারেশন বা প্রসিডিউরের জন্য অবশ্যই রেজিস্ট্রার্ড চিকিৎসক কে সার্জনের সহকারী হিসেবে রাখতে হবে।

৮. কোনো অবস্থাতেই লাইসেন্স প্রাপ্ত বা নিবন্ধিত হাসপাতাল ও ক্লিনিক ব্যতীত চেম্বারে অথবা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অ্যানেস্থেশিয়া প্রদান করা যাবে না এবং লাইসেন্স অবশ্যই হালনাগাদ থাকতে হবে।

বিএমডিসি স্বীকৃত বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ছাড়া যে কোনো ধরনের অপারেশন/সার্জারি/ ইন্টারভেনশনাল প্রসিডিউর করা যাবে না।

৯. সব বেসরকারি নিবন্ধিত লাইসেন্স প্রাপ্ত হাসপাতাল, ক্লিনিকে লেবার রুম প্রটোকল অবশ্যই মেনে চলতে হবে।

১০. নিবন্ধিত বা লাইসেন্স প্রাপ্ত হাসপাতাল, ক্লিনিকে অপারেশন থিয়েটারে অবশ্যই ‘অপারেশন থিয়েটার এটিকেট (শিষ্টাচার) মেনে চলতে হবে।

প্রসূতির সিজার তথা অপারেশন কাজে অবশ্যই সার্জিক্যাল ডাক্তার এবং সহযোগি রেজিষ্ট্রার্ড ডাক্তারসহ উন্নত ও মানসম্মত আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার আবশ্যক।

একটি মানসম্মত গ্রহণযোগ্য নিরাপদ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার স্থাপন করে পরিচালনায় উল্লেখিত শর্তাবলি পালন করা সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য জরুরী ও সরকারী নির্দেশ। 

নির্দেশনাগুলো স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কর্তৃক অনুমোদিত এবং বহুল প্রচার করা হয়েছে। 

কিন্তু দিনাজপুরের বীরগঞ্জে ক্লিনিক ও ডায়গনেস্টিক সেন্টারের মালিকেরা  দু'একজন ছাড়া সবাই সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করেন না, কয়েক বছর থেকে লাইসেন্স নবায়ন ছাড়াই অবৈধভাবে চলছে এসব ক্লিনিক নামের কসাইখানা। ক্লিনিক সমুহে প্রসূতির অকাল মৃত্যু নিত্যদিনের ঘটনা, উত্তাল হয় জনতা, সড়ক অবরোধ, ভাংচুর, হামলা-মামলা, অতঃপর মোটা অংকের অর্থের বিনিময় আপোষ মিমাংসা। 

ক্ষতিগ্রস্ত ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ বীরগঞ্জ ক্লিনিকসহ ২৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৬টির লাইসেন্স নবায়ন করা হয় নাই। তাদের প্রশ্ন প্রশাসনের জ্ঞাতসারে এসব ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার চলে কিভাবে? 

সম্প্রতি বীরগঞ্জ ক্লিনিকে প্রসূতির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে নিহতের স্বজন ও ক্ষুব্ধ জনতা রাস্তা অবরোধসহ ভাংচুর অগ্নিসংযোগ করে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পুলিশ ও প্রশাসনকে হিমশিম খেতে হয়। 

বিক্ষুব্ধ জনতা বীরগঞ্জ ক্লিনিক আজীবনের তরে বন্ধ করার দাবিতে বিক্ষোভ করতে থাকলে প্রশাসন ঐ ক্লিনিকটি সীলগালা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। 

এমন ঘটনার কয়েকদিন পর গতকাল স্বাস্থ্য বিভাগ এবং উপজেলা প্রশাসন অভিযান চালিয়ে মর্ডান ক্লিনিক কে মাত্র ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে। 

এ ব্যপারে সচেতন জনতাসহ দিনাজপুর জজ কোর্টের এক বিজ্ঞ আইনজীবী বলেন লাইসেন্স বিহীন নিম্নমানের এসব ক্লিনিকের এত লঘুদন্ড হাস্যকর, শুধু লোক দেখানো অভিযান। ফলে অনিয়ম আরও বাড়তেই থাকবে।

বীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার আফরোজ সুলতানা লুনা'র সাথে কথা হলে তিনি বলেন আমরা আর কোন অনিয়ম হতে দিব না, অবৈধ ক্লিনিক গুলোর বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ করা হবে, লঘুদন্ড দিয়ে আরম্ভ, গুরদন্ডও আরোপ করা হবে সহ্য করা হবে না, ইতোমধ্যেই এসব প্রতিষ্ঠান নির্দেশনা মতে পরিচালনার জন্য সকল কে সতর্ক করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

ওপেন নিউজ ২৪

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬


বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিক পরিচালনায় মানতে হবে যেসব নির্দেশনা

প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের লাইসেন্স প্রবেশ পথে টানানো, তথ্য কর্মকর্তা নিয়োগ ও লেবার রুম প্রটোকল বাধ্যবাধকতাসহ ১০ দফা নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।এসব নির্দেশনা আবশ্যকভাবে পালন করতে হবে বলে জানিয়েছে নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানটি, অন্যথায় কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে এ নির্দেশ দেওয়া রয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয় সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এ আদেশ জারি করা হয়েছে। বে-সরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো পরিচালনার ক্ষেত্রে বর্ণিত শর্তাবলি যতাযথভাবে পালন করার  নির্দেশ দেয়া হয়েছে।বিবিধ নির্দেশনার মধ্যে অতি গরুত্বপুর্ণ কয়েকটি নির্দেশনা তুলে ধরা হলো।১. বেসরকারি ক্লিনিক হাসপাতাল ও ডায়াগনষ্টিকের লাইসেন্সের কপি প্রতিষ্ঠানের মূল প্রবেশ পথের সামনে দৃশ্যমান স্থানে অবশ্যই স্থায়ীভাবে ঝুলিয়ে রেখে প্রদর্শন করতে হবে।২. সব বেসরকারি স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় তথ্যাদি সংরক্ষণ ও সরবরাহের জন্য একজন নির্ধারিত দায়িত্ব প্রাপ্ত তথ্য কর্মকর্তা থাকতে হবে। একইসঙ্গে তার ছবি ও মোবাইল নম্বর দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে হবে।৩. যেসব প্রতিষ্ঠানের নাম ডায়াগনস্টিক ও হাসপাতাল হিসেবে আছে কিন্তু শুধুমাত্র ডায়াগনস্টিক অথবা হাসপাতালের লাইসেন্স রয়েছে তারা লাইসেন্স প্রাপ্ত ব্যতিরেকে কোনো ভাবেই ঐ নামে উল্লেখিত সেবা প্রদান করতে পারবে না। ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিকের আলাদা আলাদা লাইসেন্স থাকতে হবে।৪. ডায়াগনস্টিক সেন্টার, প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরির ক্ষেত্রে যে ক্যাটাগরিতে লাইসেন্স প্রাপ্ত শুধুমাত্র সে ক্যাটাগরিতে নির্ধারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়া কোনো ভাবেই অন্যান্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা ঢালাও ভাবে করা যাবে না। ক্যাটাগরি অনুযায়ী প্যাথলজি বা মাইক্রোবায়োলজি, বায়োকেমিস্ট্রি ও রেডিওলজি বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করতে হবে। ৫. বেসরকারি ক্লিনিক, হাসপাতালের ক্ষেত্রে লাইসেন্সের প্রকারভেদ ও শয্যা সংখ্যা অনুযায়ী সকল শর্তাবলী বাধ্যতামূলক ভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।৬. হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়োজিত সকল চিকিৎসক ও কর্মচারীর পেশাগত ডিগ্রির সনদ, বিএমডিসি'র হালনাগাদ নিবন্ধন ও নিয়োগ পত্রের কপি অবশ্যই সংরক্ষণ করতে হবে।৭. হাসপাতাল, ক্লিনিকের ক্ষেত্রে যে কোনো ধরনের অপারেশন বা প্রসিডিউরের জন্য অবশ্যই রেজিস্ট্রার্ড চিকিৎসক কে সার্জনের সহকারী হিসেবে রাখতে হবে।৮. কোনো অবস্থাতেই লাইসেন্স প্রাপ্ত বা নিবন্ধিত হাসপাতাল ও ক্লিনিক ব্যতীত চেম্বারে অথবা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অ্যানেস্থেশিয়া প্রদান করা যাবে না এবং লাইসেন্স অবশ্যই হালনাগাদ থাকতে হবে।বিএমডিসি স্বীকৃত বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ছাড়া যে কোনো ধরনের অপারেশন/সার্জারি/ ইন্টারভেনশনাল প্রসিডিউর করা যাবে না।৯. সব বেসরকারি নিবন্ধিত লাইসেন্স প্রাপ্ত হাসপাতাল, ক্লিনিকে লেবার রুম প্রটোকল অবশ্যই মেনে চলতে হবে।১০. নিবন্ধিত বা লাইসেন্স প্রাপ্ত হাসপাতাল, ক্লিনিকে অপারেশন থিয়েটারে অবশ্যই ‘অপারেশন থিয়েটার এটিকেট (শিষ্টাচার) মেনে চলতে হবে।প্রসূতির সিজার তথা অপারেশন কাজে অবশ্যই সার্জিক্যাল ডাক্তার এবং সহযোগি রেজিষ্ট্রার্ড ডাক্তারসহ উন্নত ও মানসম্মত আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার আবশ্যক।একটি মানসম্মত গ্রহণযোগ্য নিরাপদ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার স্থাপন করে পরিচালনায় উল্লেখিত শর্তাবলি পালন করা সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য জরুরী ও সরকারী নির্দেশ। নির্দেশনাগুলো স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কর্তৃক অনুমোদিত এবং বহুল প্রচার করা হয়েছে। কিন্তু দিনাজপুরের বীরগঞ্জে ক্লিনিক ও ডায়গনেস্টিক সেন্টারের মালিকেরা  দু'একজন ছাড়া সবাই সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করেন না, কয়েক বছর থেকে লাইসেন্স নবায়ন ছাড়াই অবৈধভাবে চলছে এসব ক্লিনিক নামের কসাইখানা। ক্লিনিক সমুহে প্রসূতির অকাল মৃত্যু নিত্যদিনের ঘটনা, উত্তাল হয় জনতা, সড়ক অবরোধ, ভাংচুর, হামলা-মামলা, অতঃপর মোটা অংকের অর্থের বিনিময় আপোষ মিমাংসা। ক্ষতিগ্রস্ত ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ বীরগঞ্জ ক্লিনিকসহ ২৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৬টির লাইসেন্স নবায়ন করা হয় নাই। তাদের প্রশ্ন প্রশাসনের জ্ঞাতসারে এসব ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার চলে কিভাবে? সম্প্রতি বীরগঞ্জ ক্লিনিকে প্রসূতির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে নিহতের স্বজন ও ক্ষুব্ধ জনতা রাস্তা অবরোধসহ ভাংচুর অগ্নিসংযোগ করে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পুলিশ ও প্রশাসনকে হিমশিম খেতে হয়। বিক্ষুব্ধ জনতা বীরগঞ্জ ক্লিনিক আজীবনের তরে বন্ধ করার দাবিতে বিক্ষোভ করতে থাকলে প্রশাসন ঐ ক্লিনিকটি সীলগালা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। এমন ঘটনার কয়েকদিন পর গতকাল স্বাস্থ্য বিভাগ এবং উপজেলা প্রশাসন অভিযান চালিয়ে মর্ডান ক্লিনিক কে মাত্র ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে। এ ব্যপারে সচেতন জনতাসহ দিনাজপুর জজ কোর্টের এক বিজ্ঞ আইনজীবী বলেন লাইসেন্স বিহীন নিম্নমানের এসব ক্লিনিকের এত লঘুদন্ড হাস্যকর, শুধু লোক দেখানো অভিযান। ফলে অনিয়ম আরও বাড়তেই থাকবে।বীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার আফরোজ সুলতানা লুনা'র সাথে কথা হলে তিনি বলেন আমরা আর কোন অনিয়ম হতে দিব না, অবৈধ ক্লিনিক গুলোর বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ করা হবে, লঘুদন্ড দিয়ে আরম্ভ, গুরদন্ডও আরোপ করা হবে সহ্য করা হবে না, ইতোমধ্যেই এসব প্রতিষ্ঠান নির্দেশনা মতে পরিচালনার জন্য সকল কে সতর্ক করা হয়েছে।

ওপেন নিউজ ২৪

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ মোস্তফা কামাল 

কপিরাইট © ২০২৬ ওপেন নিউজ ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত