ওপেন নিউজ ২৪

রাণীশংকৈলে মব সৃষ্ঠি করতে এসে মবের শিকার গণঅধিকার পরিষদ নেতা

রাণীশংকৈলে মব সৃষ্ঠি করতে এসে মবের শিকার গণঅধিকার পরিষদ নেতা
রাণীশংকৈলে মব সৃষ্ঠি করতে এসে মবের শিকার গণঅধিকার পরিষদ নেতা

 ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা পরিষদে মঙ্গলবার সন্ধায় অফিসিয়াল কাজ করছিলেন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নুরনবী সরকার। এসময় গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রিয় নেতা মামুননুর রশিদ মামুনু,উপজেলা সভাপতি সোহরাব আলী,সম্পাদক জাফর আলী  অফিসে গিয়ে জানতে চান আপনি এখন কেন অফিস করছেন? এনিয়ে বাকবিতন্ডার একপর্যায়ে মামুন ও তার সঙ্গীয় লোকজন পিআইও এবং দপ্তরি কে মব সৃষ্ঠি করে কিলঘুষি মারে। মুহুর্তের মধ্যে ভিডিওটি সোস্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়লে ছাত্রদল ও যুবদলের কিছু নেতা কর্মি সেখানে জড়ো হয় এবং গণঅধিকার পরিষদ নেতাদের উত্তম মাধ্যম দেয়। পুলিশ ঘটনা স্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।

বিষয়টি শুনে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা খাজিদা বেগম ও থানা অফিসার ইনচার্জ আমানুল্লাহ আল বারী ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেছেন।

এ প্রসঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের দপ্তরি আইয়ুব আলী বলেন, আমার স্যারকে তারা বেধরক মারপিট করেছে। আমি দরজা বন্ধ করতে গেলে তারা আমাকে মাথায় ও গালে মারপিট করেছে। আমি এমনিতে অসুস্থ লোক, আমিএর সুষ্ঠ বিচার দাবী করছি।

প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নুরনবী সরকার বলেন, এর আগে মামুন আমার কাছে বিভিন্ন সময় ভাগবাটোয়ারা চেয়েছেন আমি না দেওয়ায় সে খারাপ লেংগুয়েজ ব্যবহার করে। পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে সে আমার অফিসে এসে অর্তকিত হামলা চালিয়েছে। মামুন আমার শার্টের কলাট ধরেছে,জাফর ও সোহরাব আমাকে মারছে এবং অফিস তছনছ করেছে। বিষয়টি আমর উর্দ্ধতন কতৃপক্ষকে জানিয়েছি।

গণঅধিকার পরিষদ কেন্দ্রিয় নেতা মামুনুর রশিদ মামুনের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তবে তার ফেসবুকে এক ভিডিও বার্তায় জানাগেছে। সন্ধায় অফিস করায় আমি পিআইও অফিসে যায়। সেখানে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে ছাত্রদলের পলাশ চৌধুরী,মমিন,মুক্তারুল ও শাওয়ালের নেতৃত্বে ইউএনও অফিসের সিড়িতে আমার উপর হামলা চালায়।

এ প্রসঙ্গে পুলিশ পরির্দশক রফিকুল ইসলাম (তদন্ত) মুঠোফোনে বলেন, কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি ওসি স্যার ভাল জানেন। 

তবে থানা অফিসার ইনচার্জ আমানুল্লাহ আল বারীর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেনি।

আপনার মতামত লিখুন

ওপেন নিউজ ২৪

বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬


রাণীশংকৈলে মব সৃষ্ঠি করতে এসে মবের শিকার গণঅধিকার পরিষদ নেতা

প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
 ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা পরিষদে মঙ্গলবার সন্ধায় অফিসিয়াল কাজ করছিলেন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নুরনবী সরকার। এসময় গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রিয় নেতা মামুননুর রশিদ মামুনু,উপজেলা সভাপতি সোহরাব আলী,সম্পাদক জাফর আলী  অফিসে গিয়ে জানতে চান আপনি এখন কেন অফিস করছেন? এনিয়ে বাকবিতন্ডার একপর্যায়ে মামুন ও তার সঙ্গীয় লোকজন পিআইও এবং দপ্তরি কে মব সৃষ্ঠি করে কিলঘুষি মারে। মুহুর্তের মধ্যে ভিডিওটি সোস্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়লে ছাত্রদল ও যুবদলের কিছু নেতা কর্মি সেখানে জড়ো হয় এবং গণঅধিকার পরিষদ নেতাদের উত্তম মাধ্যম দেয়। পুলিশ ঘটনা স্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।বিষয়টি শুনে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা খাজিদা বেগম ও থানা অফিসার ইনচার্জ আমানুল্লাহ আল বারী ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেছেন।এ প্রসঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের দপ্তরি আইয়ুব আলী বলেন, আমার স্যারকে তারা বেধরক মারপিট করেছে। আমি দরজা বন্ধ করতে গেলে তারা আমাকে মাথায় ও গালে মারপিট করেছে। আমি এমনিতে অসুস্থ লোক, আমিএর সুষ্ঠ বিচার দাবী করছি।প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নুরনবী সরকার বলেন, এর আগে মামুন আমার কাছে বিভিন্ন সময় ভাগবাটোয়ারা চেয়েছেন আমি না দেওয়ায় সে খারাপ লেংগুয়েজ ব্যবহার করে। পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে সে আমার অফিসে এসে অর্তকিত হামলা চালিয়েছে। মামুন আমার শার্টের কলাট ধরেছে,জাফর ও সোহরাব আমাকে মারছে এবং অফিস তছনছ করেছে। বিষয়টি আমর উর্দ্ধতন কতৃপক্ষকে জানিয়েছি।গণঅধিকার পরিষদ কেন্দ্রিয় নেতা মামুনুর রশিদ মামুনের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তবে তার ফেসবুকে এক ভিডিও বার্তায় জানাগেছে। সন্ধায় অফিস করায় আমি পিআইও অফিসে যায়। সেখানে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে ছাত্রদলের পলাশ চৌধুরী,মমিন,মুক্তারুল ও শাওয়ালের নেতৃত্বে ইউএনও অফিসের সিড়িতে আমার উপর হামলা চালায়।এ প্রসঙ্গে পুলিশ পরির্দশক রফিকুল ইসলাম (তদন্ত) মুঠোফোনে বলেন, কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি ওসি স্যার ভাল জানেন। তবে থানা অফিসার ইনচার্জ আমানুল্লাহ আল বারীর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেনি।

ওপেন নিউজ ২৪

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ মোস্তফা কামাল 

কপিরাইট © ২০২৬ ওপেন নিউজ ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত