বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ওপেন নিউজ ২৪

সুন্দরবনকে দস্যু মুক্ত করার অঙ্গীকার : বন পরিবেশ ও জলবায়ু প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম

সুন্দরবনকে দস্যু মুক্ত করার অঙ্গীকার : বন পরিবেশ ও জলবায়ু প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম
সুন্দরবনকে দস্যু মুক্ত করার অঙ্গীকার : বন পরিবেশ ও জলবায়ু প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম


সুন্দরবন বিশ্ব ঐতিহ্য ম্যানগোভ বন। যার আয়তন ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার,গাছপালা দ্বারা আচ্ছাদিত এলাকা। 


গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বন পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, সুন্দরবনকে দস্যু মুক্ত করার জন্য দ্রতই অভিযান শুরু হবে। আমি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে খুব দ্রুত বৈঠক করে এ বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করবো। যাতে জেলেরা সাগরে নির্বিঘ্নে মাছ ধরতে পারে।


উল্লেখ্য ২০১৮ সালের ১ নভেম্বার  সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত ঘোষণা করেন সরকার। কিন্তু দস্যুমুক্ত বলা সেই সুন্দরবনে এখন প্রায় ঘটছে জেলেদের ওপর হামলার ঘটনা। মুক্তিপণের দাবিতে অসহায় জেলেদের জিম্মি করছে দস্যুরা।এতে করে ভয়ে অনেকেই যাচ্ছেন না সুন্দরবনে, এর মধ্যে বলতে গেলে প্রায় লোকজন প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল সুন্দরবন ছাড়া তাদের আয়ের কোন আর কোন উৎস নেই। মধু মাছ কাকড়া ধরেই চলে তাদের সংসার। এমতো অবস্থায় সুন্দরবনে গেলে  বনদস্যুর সঙ্গে দেখা হলেই দিতে হবে মোটা অংকের মুক্তিপন ৫০ থেকে ১ লাখ টাকা এই টাকা জেলেদের নিজেদের জোগার করার মতো কোন সক্ষমতা নেই। মহাজন বা ধারদেনা করে দিতে হয় মুক্তিপনের টাকা এতে ভালো নেই উপকূলীয় অঞ্চলের সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল জেলেরা।


( গত ২১ ফেব্রুয়ারি শনিবার) বিকেলে বাগেরহাটের হযরত খানজাহান (রহ.) মাজার জিয়ারতের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, সুন্দরবন দস্যুমুক্ত করতে অচিরেই যৌথ অভিযান শুরু হবে। বর্তমানে সুন্দরবনে সক্রিয় পাঁচটি বনদস্যু বাহিনীর সদস্যদের তালিকা হালনাগাদ করা হয়েছে। চিহ্নিত বনদস্যুদের ওপর স্পেশাল  নজরদারি শুরু হয়েছে। খুব শিগগিরই সমন্বিত যৌথ বাহিনীর গ্রেফতার অভিযান কার্যকর করা হবে।


এই অভিযান সম্পর্কিত চূড়ান্ত কর্মপরিকল্পনা ঠিক করতে রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালেই খুলনা বিভাগীয় কমিশনারসহ বন বিভাগ, র‌্যাব, কোস্টগার্ড, পুলিশ ও নৌপুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী এ বনে বিষ দিয়ে মাছ শিকার, বনজ সম্পদ লুটপাট, জেলে ও বনজীবীদের বাধাগ্রস্ত করার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

ওপেন নিউজ ২৪

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


সুন্দরবনকে দস্যু মুক্ত করার অঙ্গীকার : বন পরিবেশ ও জলবায়ু প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম

প্রকাশের তারিখ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image
সুন্দরবন বিশ্ব ঐতিহ্য ম্যানগোভ বন। যার আয়তন ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার,গাছপালা দ্বারা আচ্ছাদিত এলাকা। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বন পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, সুন্দরবনকে দস্যু মুক্ত করার জন্য দ্রতই অভিযান শুরু হবে। আমি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে খুব দ্রুত বৈঠক করে এ বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করবো। যাতে জেলেরা সাগরে নির্বিঘ্নে মাছ ধরতে পারে।উল্লেখ্য ২০১৮ সালের ১ নভেম্বার  সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত ঘোষণা করেন সরকার। কিন্তু দস্যুমুক্ত বলা সেই সুন্দরবনে এখন প্রায় ঘটছে জেলেদের ওপর হামলার ঘটনা। মুক্তিপণের দাবিতে অসহায় জেলেদের জিম্মি করছে দস্যুরা।এতে করে ভয়ে অনেকেই যাচ্ছেন না সুন্দরবনে, এর মধ্যে বলতে গেলে প্রায় লোকজন প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল সুন্দরবন ছাড়া তাদের আয়ের কোন আর কোন উৎস নেই। মধু মাছ কাকড়া ধরেই চলে তাদের সংসার। এমতো অবস্থায় সুন্দরবনে গেলে  বনদস্যুর সঙ্গে দেখা হলেই দিতে হবে মোটা অংকের মুক্তিপন ৫০ থেকে ১ লাখ টাকা এই টাকা জেলেদের নিজেদের জোগার করার মতো কোন সক্ষমতা নেই। মহাজন বা ধারদেনা করে দিতে হয় মুক্তিপনের টাকা এতে ভালো নেই উপকূলীয় অঞ্চলের সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল জেলেরা।( গত ২১ ফেব্রুয়ারি শনিবার) বিকেলে বাগেরহাটের হযরত খানজাহান (রহ.) মাজার জিয়ারতের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, সুন্দরবন দস্যুমুক্ত করতে অচিরেই যৌথ অভিযান শুরু হবে। বর্তমানে সুন্দরবনে সক্রিয় পাঁচটি বনদস্যু বাহিনীর সদস্যদের তালিকা হালনাগাদ করা হয়েছে। চিহ্নিত বনদস্যুদের ওপর স্পেশাল  নজরদারি শুরু হয়েছে। খুব শিগগিরই সমন্বিত যৌথ বাহিনীর গ্রেফতার অভিযান কার্যকর করা হবে।এই অভিযান সম্পর্কিত চূড়ান্ত কর্মপরিকল্পনা ঠিক করতে রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালেই খুলনা বিভাগীয় কমিশনারসহ বন বিভাগ, র‌্যাব, কোস্টগার্ড, পুলিশ ও নৌপুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী এ বনে বিষ দিয়ে মাছ শিকার, বনজ সম্পদ লুটপাট, জেলে ও বনজীবীদের বাধাগ্রস্ত করার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হয়েছে।

ওপেন নিউজ ২৪

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ মোস্তফা কামাল 

কপিরাইট © ২০২৬ ওপেন নিউজ ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত