হবিগঞ্জের বাহুবলে মোছা রাশেদা খাতুন দরিদ্র কল্যাণ সংস্থর ম্যানেজার নুরুল ইসলাম নুরুল হকের বিরুদ্ধে নারী লোভী ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ করেছে। মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও বাস্তবায়ন সংস্থার চীফ কো- অর্ডিনেটর মিলাদ আহমেদ বরাবর এ অভিযোগটি করেন রাশেদা খাতুন। বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন মিলাদ আহমেদ।
অভিযোগে রাশেদা খাতুন উল্লেখ করেন, নুরুল ইসলাম নুরুল হক একজন ঠক প্রতারক ও আর্থ আত্মসাৎকারী এবং নারী লোভী প্রকৃতি লোক। সে এলাকার সামাজিক বিচার অমান্য করে এবং বিচারকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে সমাজে নানা রকম অন্যায় কাজ করে আসছে । নুরুল ইসলাম নুরুল হক দীর্ঘদিন ধরে দরিদ্র কল্যাণ সংস্থার পরিচালক পরিচয় দিয়ে বাহুবল উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের মহাশয় বাজারে সংস্কার অফিস নির্মাণ করে বিভিন্ন প্রকার অনিয়ম, দুর্নীতি ও নারী কেলেঙ্কারি পরিচালনা করে আসছে। এলাকার অবিবাহিত মেয়েদের বিভিন্ন চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে তাদের সাথে জোরপূর্বক যৌন হয়রানি এবং গোপনে তাঁদের ছবি ও ভিডিও ধারন করে প্রতিনিয়ত ব্ল্যাকমেইল করতে থাকে। বিদেশে নারীদের পাঠাবে বলে প্রলোভন দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেয়। বিগত ১ মাস পূর্বে আমাকে( রাশেদা খাতুন) মানবাধিকার সংস্থায় চাকরি দেবে বলে তাঁর অফিসে আমাকে ডাকে। তার সাথে কথাবার্তা শেষে তাঁর দরিদ্র কল্যাণ সংস্থায় চাকুরীতে যোগদান করি। চাকুরীর ৩য় দিনের মাথায় আমাকে কুপ্রস্তাব দেয়, আমি রাজি না হলে আমাকে অর্থের প্রলোভন দেখায়। চাকরিতে বড় পোস্টে যোগদান সহ শেষমেশ বিদেশে পাঠাবে বলে আমাকে প্রলোভন দেখায় । আমি ওই সময় তার অফিস থেকে চলে এসে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ সাংবাদিকদের অবগত করি। ঘটনার প্রেক্ষিতে জানা যায় যে, এভাবে নুরুল ইসলাম নুরুল হক দরিদ্র পরিবারের ৪০/৫০ জন মেয়েদের চাকুরী, অর্থ ও নারী ক্ষমতায়নে উন্নত দেশে পাঠাবে বলে অফিসে ডেকে এনে শ্লীলতাহানি করে৷ দরিদ্র পরিবারের মেয়েরা তাঁর ভয়ে নিরবে এসব অত্যাচার সহ্য করে। মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও বাস্তবায়ন সংস্থার চীফ কো- অর্ডিনেটর মিলাদ আহমেদের নিকট জোর দাবি নুরুল ইসলাম নুরুল হককে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করার।

শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

আপনার মতামত লিখুন