ওপেন নিউজ ২৪
রাজনীতি

রাজনীতি

জামায়াত ক্ষমতায় গেলে সকলের নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠিত হবে: মাওলানা সোহরাব হুসাইন

জামায়াত ক্ষমতায় গেলে সকলের নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠিত হবে: মাওলানা সোহরাব হুসাইন

ফরিদপুর- সংসদীয় আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এমপি প্রার্থী মাওলানা সোহরাব হুসাইন বলেছেন, “জামায়াত ক্ষমতায় গেলে সকলের নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশে ভিন্ন দল থাকবে, ভিন্ন মত থাকবে, ভিন্ন ধর্ম থাকবেসবার অংশগ্রহণেই সমাজ দেশের উন্নয়ন সম্ভব।

রবিবার (৩০ নভেম্বর) বিকেলে সালথা উপজেলার বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকটি পরিবারের বাড়ি-ঘর পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, “একটি রাজনৈতিক দল ক্ষমতার দাপট দেখাতে গিয়ে নিজেরাই দুই ভাগে বিভক্ত হয়েছে। নিজেদের দলের নেতাকর্মীদের ঘরবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, আসবাবপত্র ভাঙচুর করে অযোগ্য করে তুলেছে। এটি কোনো রাজনীতি নয়, এটি বর্বরতা।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন সালথা উপজেলা জামায়াতে ইসলামী আমির অধ্যাপক মাওলানা আবুল ফজল মুরাদ, উপজেলা নায়েবে আমির আজিজুর রহমান মজনু, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি চৌধুরী মাহবুব আলী সিদ্দিকী, গট্টি ইউনিয়ন জামায়াত সভাপতি মো. তুফাজ্জেল হোসেন, সেক্রেটারি আব্দুল মান্নান, বল্লভদী ইউনিয়ন সভাপতি মাওলানা মিকাইল হুসাইন, রামকান্তপুর ইউনিয়ন সভাপতি মো. ফারুক হুসাইন প্রমুখ।

উল্লেখ্য, শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকাল ৬টা থেকে বেলা পৌনে ১২টা পর্যন্ত আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপিসমর্থিত দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়। সালথা উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের বালিয়া বাজারের তিনটি স্থানে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।

সময় উভয় পক্ষের শতাধিক মানুষ আহত হয় এবং অন্তত ৫০টি বসতবাড়ি ভাঙচুর লুটপাট করা হয় বলে স্থানীয়রা জানান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

ওপেন নিউজ ২৪

সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫


জামায়াত ক্ষমতায় গেলে সকলের নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠিত হবে: মাওলানা সোহরাব হুসাইন

প্রকাশের তারিখ : ৩০ নভেম্বর ২০২৫

featured Image
ফরিদপুর-২ সংসদীয় আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এমপি প্রার্থী মাওলানা সোহরাব হুসাইন বলেছেন, “জামায়াত ক্ষমতায় গেলে সকলের নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশে ভিন্ন দল থাকবে, ভিন্ন মত থাকবে, ভিন্ন ধর্ম থাকবে—সবার অংশগ্রহণেই সমাজ ও দেশের উন্নয়ন সম্ভব।”রবিবার (৩০ নভেম্বর) বিকেলে সালথা উপজেলার বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকটি পরিবারের বাড়ি-ঘর পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, “একটি রাজনৈতিক দল ক্ষমতার দাপট দেখাতে গিয়ে নিজেরাই দুই ভাগে বিভক্ত হয়েছে। নিজেদের দলের নেতাকর্মীদের ঘরবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, আসবাবপত্র ভাঙচুর করে অযোগ্য করে তুলেছে। এটি কোনো রাজনীতি নয়, এটি বর্বরতা।”পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন সালথা উপজেলা জামায়াতে ইসলামী আমির অধ্যাপক মাওলানা আবুল ফজল মুরাদ, উপজেলা নায়েবে আমির আজিজুর রহমান মজনু, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি চৌধুরী মাহবুব আলী সিদ্দিকী, গট্টি ইউনিয়ন জামায়াত সভাপতি মো. তুফাজ্জেল হোসেন, সেক্রেটারি আব্দুল মান্নান, বল্লভদী ইউনিয়ন সভাপতি মাওলানা মিকাইল হুসাইন, রামকান্তপুর ইউনিয়ন সভাপতি মো. ফারুক হুসাইন প্রমুখ।উল্লেখ্য, শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকাল ৬টা থেকে বেলা পৌনে ১২টা পর্যন্ত আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপি–সমর্থিত দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়। সালথা উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের বালিয়া বাজারের তিনটি স্থানে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় উভয় পক্ষের শতাধিক মানুষ আহত হয় এবং অন্তত ৫০টি বসতবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয় বলে স্থানীয়রা জানান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

ওপেন নিউজ ২৪

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ মোস্তফা কামাল 

কপিরাইট © ২০২৫ ওপেন নিউজ ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত