ওপেন নিউজ ২৪

ঠাকুরগাঁওয়ের বুড়ির বাঁধে এক বছর পর বাঁধের পানি ছেড়ে দেওয়ায় শত শত মানুষের ঢল

ঠাকুরগাঁওয়ের বুড়ির বাঁধে  এক বছর পর বাঁধের পানি ছেড়ে দেওয়ায়  শত শত মানুষের  ঢল
ঠাকুরগাঁওয়ের বুড়ির বাঁধে এক বছর পর বাঁধের পানি ছেড়ে দেওয়ায় শত শত মানুষের ঢল ।

আজ শনিবার (১৮ অক্টোবর) ভোর থেকে জেলা সদরের বুড়ির বাঁধ এলাকায় মাছ ধরার উৎসবে মিলিত হন। স্থানীয় জেলেরা ছাড়াও উৎসুক জনতা ফিকা জাল, টানা জাল, খেলই, খেয়া জালসহ সব ধরনের সরঞ্জাম নিয়ে হাজির হন।তবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও কাঙ্ক্ষিত মাছ না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরেছেন সবাই।


স্থানীয় জেলেসহ মাছ শিকার করতে আসা মানুষেরা অভিযোগ করে বলেন, এক বছর পর বিলের পানি ছেড়ে দিলেও তেমন মাছ পাওয়া যায়নি, শুধুমাত্র অব্যবস্থাপনার কারণে। মাছ তো এক বছর আগেই ধরে রাখা পানিতে ছেড়েছিল মৎস্য বিভাগ। মাছ ছাড়ার পর দেখভাল না করার কারণে রিং জাল বসিয়ে মাছ ধরে ফেলেছে। সে কারণেই পানি ছেড়ে দিলেও মাছ পাওয়া যায়নি। তা না হলে দেশীয় প্রজাতির ব্যাপক মাছ পাওয়া যেত। এখন কয়েক বছর ধরে এই জলাশয়ে মাছ পাওয়া যাচ্ছে না।


পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতায় ১৯৫১-৫২ সালের দিকে শুষ্ক মৌসুমে এ অঞ্চলের কৃষি জমির সেচ সুবিধার জন্য সদর উপজেলার আকচা ও চিলারং ইউনিয়নের সীমানায় শুক নদীতে বাঁধ নির্মাণ করা হয়।


বুড়ির বাঁধে আটকে থাকা পানিতে প্রতিবছর মৎস্য অধিদপ্তর বিভিন্ন জাতের মাছের পোনা ছাড়ে। আর এই সময়টাতে বাঁধের পানি ছেড়ে দিলে মাছ উৎসবে মাতেন সবাই।


এ উপলক্ষে বাঁধের আশপাশে মণ্ডা-মিঠাইয়ের দোকান প্রসরা সাজিয়ে বসায় বাড়তি উৎসবের সৃষ্টি হয়।


এ বিষয়ে সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ খাইরুল ইসলাম জানান, জলাশয়ে মাছ ছাড়ার পর থেকে কিছু অসাধু ব্যক্তি রিং জাল দিয়ে মাছ ধরার চেষ্টা করে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বেশ কয়েকবার অভিযান চালিয়ে জাল উদ্ধার করে তা পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। তবে শুধু প্রশাসনিক তৎপরতা নয়, স্থানীয়দেরকেও ভূমিকা পালন করতে হবে। তাহলেই মাছ ধরা উৎসবের সফলতা মিলবে।

আপনার মতামত লিখুন

ওপেন নিউজ ২৪

শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫


ঠাকুরগাঁওয়ের বুড়ির বাঁধে এক বছর পর বাঁধের পানি ছেড়ে দেওয়ায় শত শত মানুষের ঢল

প্রকাশের তারিখ : ১৮ অক্টোবর ২০২৫

featured Image
আজ শনিবার (১৮ অক্টোবর) ভোর থেকে জেলা সদরের বুড়ির বাঁধ এলাকায় মাছ ধরার উৎসবে মিলিত হন। স্থানীয় জেলেরা ছাড়াও উৎসুক জনতা ফিকা জাল, টানা জাল, খেলই, খেয়া জালসহ সব ধরনের সরঞ্জাম নিয়ে হাজির হন।তবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও কাঙ্ক্ষিত মাছ না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরেছেন সবাই।স্থানীয় জেলেসহ মাছ শিকার করতে আসা মানুষেরা অভিযোগ করে বলেন, এক বছর পর বিলের পানি ছেড়ে দিলেও তেমন মাছ পাওয়া যায়নি, শুধুমাত্র অব্যবস্থাপনার কারণে। মাছ তো এক বছর আগেই ধরে রাখা পানিতে ছেড়েছিল মৎস্য বিভাগ। মাছ ছাড়ার পর দেখভাল না করার কারণে রিং জাল বসিয়ে মাছ ধরে ফেলেছে। সে কারণেই পানি ছেড়ে দিলেও মাছ পাওয়া যায়নি। তা না হলে দেশীয় প্রজাতির ব্যাপক মাছ পাওয়া যেত। এখন কয়েক বছর ধরে এই জলাশয়ে মাছ পাওয়া যাচ্ছে না।পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতায় ১৯৫১-৫২ সালের দিকে শুষ্ক মৌসুমে এ অঞ্চলের কৃষি জমির সেচ সুবিধার জন্য সদর উপজেলার আকচা ও চিলারং ইউনিয়নের সীমানায় শুক নদীতে বাঁধ নির্মাণ করা হয়।বুড়ির বাঁধে আটকে থাকা পানিতে প্রতিবছর মৎস্য অধিদপ্তর বিভিন্ন জাতের মাছের পোনা ছাড়ে। আর এই সময়টাতে বাঁধের পানি ছেড়ে দিলে মাছ উৎসবে মাতেন সবাই।এ উপলক্ষে বাঁধের আশপাশে মণ্ডা-মিঠাইয়ের দোকান প্রসরা সাজিয়ে বসায় বাড়তি উৎসবের সৃষ্টি হয়।এ বিষয়ে সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ খাইরুল ইসলাম জানান, জলাশয়ে মাছ ছাড়ার পর থেকে কিছু অসাধু ব্যক্তি রিং জাল দিয়ে মাছ ধরার চেষ্টা করে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বেশ কয়েকবার অভিযান চালিয়ে জাল উদ্ধার করে তা পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। তবে শুধু প্রশাসনিক তৎপরতা নয়, স্থানীয়দেরকেও ভূমিকা পালন করতে হবে। তাহলেই মাছ ধরা উৎসবের সফলতা মিলবে।

ওপেন নিউজ ২৪

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ মোস্তফা কামাল 

কপিরাইট © ২০২৫ ওপেন নিউজ ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত