হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার মিরপুরে আলোচিত নূরুল হকের সাথে মানহানীকর অশ্লীল আচরণ করে ভিডিও ধারণ করার জন্য মোটা অংকের অর্থিকচুক্তি করেন ২ সহকর্মীর সাথে। জানাযায় , মিরপুরের আলোচিত নূরুল হক নামের একজন এনজিও পরিচালকের নামে নারাী কেলেঙ্কারির অভিযোগ এনে সম্প্রতি একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন তারই সহকর্মী দুইজন নারী, ভিডিওটি নিমিষেই বাইরাল হলে নূরুল হক মিয়াকে গ্রেফতার করেছে ব্যাটেলিয়ন র্যাব -৯ বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ বিভিন্ন মিডিয়ায় ঢালাওভাবে প্রচার হয়েছে কিন্তু নূরুল হকের গ্রেফতার হওয়ার বিষয়টি নিয়ে নানারকম আলোচনা সমালোচনা চলছে এলাকাসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অধিকাংশ লোকজন নারীদেরকেও দায়ী করছেন এবং নারীদের উদ্দেশ্যমূলক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে এ রকম অভিযোগ এনেছেন বলে জানিয়েছেন অনেকেই। অভিযোগকারী রাশেদা বেগম সহ নাদিয়া ও উর্মি আক্তার অসংখ্য প্রবাসীসহ নানাজনের সাথে অনলাইনে যুক্ত হয়ে অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাইরান হয়েছে। এছাড়াও নূরুল হকের সাথে অশ্লীল আচরণ করাে ভিডিও ফুটেজ ধারণ করতে শাহজাহান মিয়া নামের এক লন্ডন প্রবাসী রাশেদা বেগমের সাথে দেড় লক্ষ টাকায় চুক্তিবদ্ব হয়েছেন বলে জানিয়েছেন সহকর্মী উর্মি আক্তার। এ বিষয়ে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও বাস্তবায়ন সংস্থার সেন্ট্রাল অফিসের কো-অর্ডিনেটর মোঃ মিলাদ আহমেদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান এ বিষয়ে বাহুবল ব্রাঞ্চের পরিচালক নূরুল হকের বিরুদ্ধে নারীহেনস্তার অভিযোগ এনে একটি লিখিত অভিযোগ পাঠিয়েছেন রাশেদা বেগম নামের এক নারী, অভিযোগ পেয়ে আমরা ঘটনাস্থাল পরিদর্শন করি এবং বিষয়টি তদন্তের স্বার্থে নূরুল হক মিয়াকে তার স্ব পদ থেকে সাময়িক ভাবে বরখাস্ত করেছি কিন্তু বিষয়টি আরও গভীর ভাবে তদন্ত করে চুড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করার আগেই রাশেদা বেগম ফেইসবুক এবং বিভিন্ন অনলাইন প্লাটফর্ম সহ বেশ কয়েকটি অনলাইন মিডিয়ায় উদ্দেশ্যমূলক ভাবে সংস্থার নামে নানারকম মানহানিকর বক্তব্য দিয়ে প্রতিষ্ঠানের স্বনাম নষ্ট করতে মরিয়া হয়ে উঠে পড়ে লেগেছে। নূরুল হক মিয়া প্রশাসনের হাতে আটক হয়ে বর্তমানে জেল হাজতে রয়েছেন।