লোহাগাড়া মাদরাসার এডহক কমিটি গঠনে অনিয়ম
লোহাগাড়া মাদরাসার এডহক কমিটি গঠনে অনিয়ম
পাবনা সদর উপজেলার সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের লোহাগাড়া-স্বরূপপুর দাখিল মাদরাসায় এডহক কমিটি গঠনে এক প্রার্থীর জন্য বহিরাগত প্রভাবশালীর হস্তক্ষেপকে কেন্দ্র করে স্থানীয় দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি, কিল-ঘুষি ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।গত সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরের পর মাদরাসার এডহক গঠনের লক্ষ্যে মাদ্রাসার আশপাশের ৪-৫ গ্রামের মানুষকে নিয়ে এক নির্বাচনী বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হয় । উক্ত কমিটি গঠন বোর্ড সভায় সভাপতিত্ব করেন আব্দুল হামিদ মাস্টার । সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে,মাদরাসাটির এডহক কমিটির আহ্বায়ক পদে ৩ জন প্রার্থী হয়েছে এরা হলেন হাফিজ মোল্লা, ওয়াহিদুল ইসলাম ও মো. আজম উল্লাহ। তারা তিনজন প্রার্থী একটি রুমে একত্রিত হয়ে পরস্পর আলোচনা সাপেক্ষে একজন প্রার্থী নির্ধারণ করার অনুমতি প্রদান করেন। এতে গোপন রুমে ওয়াহিদুল ইসলাম দলীয় স্বার্থে এবং মাদ্রাসার উন্নতির জন্য মোঃ হাফিজ কে সমর্থন করেন । মাদ্রাসা সুপার ও বোর্ড সভাপতি হাফিজ কে বিজয়ী প্রার্থী হিসাবে নাম ঘোষণা করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করলে দুবলিয়া এলাকার দিয়ারপাড়া গ্রামের আলাউদ্দিন খান নামক এক ব্যক্তি সুপারের হাত থেকে কাগজটি নিয়ে ছিড়ে ফেলেন । হাফিজের বিজয় ঘোষণা পত্র ছিড়ে ফেলাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে মারামারি কিল ঘুষি শুরু হলে পুলিশ তাৎক্ষণিক ঘটনা স্থলে এসে উভয় পক্ষকে শান্ত করেন। ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য এ প্রতিবেদক মাদ্রাসা এলাকার আবু তালেব মোল্লা, প্রার্থী ওযাহিদুল ইসলাম, বোর্ড সভাপতি আব্দুল হামিদ মাস্টারের সাথে কথা হলে তারা বলেন, প্রার্থী আজম উল্লাহ দীর্ঘ প্রায় তিন যুগে সময় বিদেশে ছিল । এ মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা ও মাদ্রাসার নির্মাণ কাজে জমি জমা, অর্থ দিয়ে কোন প্রকারের সহযোগিতা করেন নাই, তার ন্যূনতম কোন অবদানও নাই । অথচ তিনি দুবলিয়া এলাকার এই আলাউদ্দিন খানকে ডেকে এনে এরকম নেককারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে , যাহা এলাকার গণ্যমান্য মানুষের মানহানি হয়েছে এবং মাদ্রাসা উন্নতিতে আগামীতে বাধাগ্রস্ত হবেসূত্র জানায়, কমিটির অভিভাবক সদস্য হিসেবে মোঃ হাফিজকে রাখার বিষয়ে সবাই একমত হন। পরে মাদরাসার হলরুমে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্টদের উপস্থিতিতে এডহক কমিটির আহ্বায়ক নির্বাচন নিয়ে আলোচনা ও প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষনার এই সভায় মাদ্রাসার বাহিরের এলাকার দিয়ারপাড়া গ্রামের আলাউদ্দিন খান প্রভাব খাটিয়ে এবং ঘোষণা পত্র ছিড়ে ফেলে শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেন। বাহির থেকে এসে আলাউদ্দিন খানের এই রহস্যজনক ভূমিকায় এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অত্যন্ত ক্ষুব্ধ এবং বিষয়টি মাননীয় সংসদ সদস্যকে তদন্ত পূর্ব ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানিয়েছে ।









মন্তব্য