ফরহাদুল হাসান মোস্তফা ||
৩ মে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম নগরীর সি.আর.বি তাসফিয়া গার্ডেনের কনফারেন্স রুমে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা চট্টগ্রাম মহানগরীর উদ্যোগে এক আলোচনা সভা ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।সংগঠনের সভাপতি এস. এম. আহসানুল কবির চৌধুরী (টিটু)-এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান (শাহীন)-এর সঞ্চালনায় আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের উপদেষ্টা এস. এম. আজিজ।প্রধান অতিথির বক্তব্যে এস. এম. আজিজ বলেন, “গণমাধ্যম একটি রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। স্বাধীন ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতা ছাড়া গণতন্ত্র কখনোই সুদৃঢ় হতে পারে না। বর্তমান সময়ে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।”প্রধান বক্তা হিসেবে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা চট্টগ্রাম বিভাগীয় সভাপতি মাসুদ আলম সাগর বলেন, “সাংবাদিকতা এখন শুধু পেশা নয়, এটি একটি দায়িত্বশীল সামাজিক অঙ্গীকার। সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার সাহস থাকতে হবে। একই সাথে অপসংবাদ ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে।বিশেষ বক্তা হিসেবে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক ও মাই টিভি চট্টগ্রামের ব্যুরো প্রধান নুরুল কবির বলেন, ডিজিটাল যুগে গণমাধ্যমের চ্যালেঞ্জ বহুগুণ বেড়েছে। তথ্য যাচাই-বাছাই ছাড়া সংবাদ প্রকাশ করলে সমাজ বিভ্রান্ত হয়। তাই পেশাগত নৈতিকতা বজায় রাখা এখন সময়ের দাবি।সভাপতির বক্তব্যে এস. এম. আহসানুল কবির চৌধুরী (টিটু) বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। কোনো প্রকার চাপ বা ভয়ভীতি উপেক্ষা করে সত্য প্রকাশের ধারাবাহিকতা বজায় রাখাই আমাদের মূল লক্ষ্য।এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মাজেদুল আলম ও মোঃ বিল্লাল হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ শহিদুল ইসলাম ও সুমন সেন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফরহাদুল হাসান মোস্তফা, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রিয়াজ উদ্দিন, দপ্তর সম্পাদক মোঃ নুরুল, অর্থ সম্পাদক এইচ. এম. মিজানুর রহমান ও আবসার কায়সার, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক শহীদুল আলম লিটন, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক আবদুল আজিজ, সহ-মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক মোঃ জামাল, পরিকল্পনা ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক বিধান ঘোষ, সদস্য আবদুল হালিম নীরব, মোঃ কামাল উদ্দিন প্রমুখ।আলোচনা সভা শেষে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে একটি মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। বক্তারা এ সময় স্বাধীন গণমাধ্যমের বিকাশ, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা এবং পেশাগত অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানান।