মোঃ মনিরুজ্জামান মুন্না ||
প্রেস বিজ্ঞপ্তিশবে কদরের দোয়ায় রেমিটেন্স যোদ্ধাদের অধিকারের জন্য বিশেষ প্রার্থনার আহ্বানপবিত্র শবে কদর উপলক্ষে “দেশবন্ধু” রেমিটেন্স যুদ্ধা সংসদ ইন্টারন্যাশনালের প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব এম এ রউফ (কাতার) এক যৌথ বিবৃতিতে বিশ্বজুড়ে অবস্থানরত সকল রেমিটেন্স যোদ্ধাদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়েছেন।বিবৃতিতে তারা বলেন, পবিত্র শবে কদরের এই মহিমান্বিত রাতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে কর্মরত রেমিটেন্স যোদ্ধারা যেন তাদের ব্যক্তিগত দোয়ার পাশাপাশি নিজেদের ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদার জন্যও আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ করেন।নেতৃদ্বয় বলেন, বাংলাদেশের কোটি কোটি প্রবাসী শ্রমিক নিজেদের পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও প্রিয় মাতৃভূমির কল্যাণে ত্যাগ স্বীকার করে বিদেশের মাটিতে কঠোর পরিশ্রম করছেন। যখন দেশের মানুষ পরিবার-পরিজন নিয়ে ধর্মীয় আনন্দে সময় কাটান, তখন অসংখ্য প্রবাসী একাকিত্ব ও নিঃসঙ্গতার জীবন যাপন করেন। এই ত্যাগ ও কষ্টের মূল্য জাতি কখনোই অস্বীকার করতে পারে না।তারা স্পষ্টভাবে বলেন,“আমরা কারো করুণা চাই না। আমরা চাই আমাদের ন্যায্য অধিকার এবং আমাদের শ্রমের সম্মানজনক স্বীকৃতি।”তাই নতুন সংসদসহ বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের প্রতি তারা বিনীতভাবে আহ্বান জানান, যেন প্রবাসী রেমিটেন্স যোদ্ধাদের ন্যায্য দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়। তাদের মতে, এই দাবিগুলো বাস্তবায়ন হলে দেশের অর্থনীতি ও সমাজের জন্যই মঙ্গল বয়ে আনবে।রেমিটেন্স যোদ্ধাদের ছয় দফা দাবি হলো—১. বিশ্বের ১৯৫টি দেশে অবস্থানরত রেমিটেন্স যোদ্ধা ও তাদের পরিবার-পরিজনের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে তাদের ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত ১ জন পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী এবং ১০ জন সংরক্ষিত সংসদ সদস্য দিতে হবে।২. প্রবাসীদের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং সকল ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সহায়তা প্রদান করতে হবে।৩. প্রবাসীদের মৃত্যু, পঙ্গুত্ব বা অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে জরুরি সহায়তার জন্য বিশেষ তহবিল গঠন করতে হবে।৪. বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য যাওয়ার অতিরিক্ত খরচ কমিয়ে আনতে হবে, যা বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে পার্শ্ববর্তী দেশের তুলনায় দুই থেকে চার গুণ বেশি।৫. আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা অনুযায়ী উন্নত শিক্ষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।৬. দীর্ঘদিন বিদেশে কর্মরত রেমিটেন্স যোদ্ধাদের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার জন্য একটি কার্যকর পেনশন ব্যবস্থা চালু করতে হবে।বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি হচ্ছে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স। তাই রেমিটেন্স যোদ্ধাদের মর্যাদা, নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যৎ সুরক্ষা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্ব।শেষে তারা দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সকল বাংলাদেশির প্রতি আহ্বান জানান, যেন পবিত্র শবে কদরের এই রাতে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি এবং প্রবাসী রেমিটেন্স যোদ্ধাদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য দোয়া করা হয়।সবিনয় নিবেদনে:অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসাপ্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় আহ্বায়কদেশবন্ধু রেমিটেন্স যুদ্ধা সংসদ ইন্টারন্যাশনালএম এ রউফ (কাতার)সদস্য সচিব, কেন্দ্রীয় কমিটিদেশবন্ধু রেমিটেন্স যুদ্ধা সংসদ ইন্টারন্যাশনাল.ফারুক আহমেদ চৌধুরী যুগ্ন আহ্বায়ক, মোসাদ্দেক মিয়া মানিক আহবায়ক যুক্তরাজ্য কমিটি, সৈয়দ খালেদ মিয়া ওলিদ, যুগ্ন আহবায়ক যুক্তরাজ্য কমিটি,