আরিফ হোসেন, চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি ||
পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার জরিনা বেগম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের কম্পিউটার শিক্ষক হাসিনা হোসেন তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত একটি সংবাদকে মিথ্যা, মানহানিকর ও পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র বলে আখ্যায়িত করে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন।তিনি বলেন, গত ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে কয়েকটি অনলাইন পোর্টালে তার বিরুদ্ধে যে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর এবং সুস্পষ্টভাবে তার ব্যক্তিগত ও পেশাগত সম্মান ধ্বংসের অপচেষ্টা। সংবাদে তার নিয়োগ প্রক্রিয়া, রাজনৈতিক পরিচয়, কর্মজীবন ও শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা বাস্তবতার সঙ্গে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যাচার।হাসিনা হোসেন দৃঢ়ভাবে বলেন, তিনি ২০০২ সালে সকল নিয়মনীতি অনুসরণ করে জরিনা বেগম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে কম্পিউটার শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। সে সময় কোনো রাজনৈতিক প্রভাব, আত্মীয়তার সুযোগ কিংবা অবৈধ সুবিধা নেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। তার স্বামী বা কোনো আত্মীয়-স্বজন সে সময় কিংবা পরবর্তীতেও কোনো জনপ্রতিনিধি ছিলেন না বলেও তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন।সংবাদে নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত না থাকা ও ক্লাস না নেওয়ার অভিযোগকে তিনি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট দাবি করে বলেন, বিদ্যালয়ের হাজিরা খাতা, কম্পিউটার ল্যাবের রেকর্ড, প্রধান শিক্ষক এবং সহকর্মীদের বক্তব্যই এসব অপপ্রচারের জবাব দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনে কোনো শিক্ষার্থী বা অভিভাবকের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না থাকাই তার পেশাগত সততা ও নিষ্ঠার সবচেয়ে বড় প্রমাণ বলে তিনি জানান।তিনি আরও বলেন, ব্যক্তিগত আক্রোশ ও পূর্ব শত্রুতার জের ধরে একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে এ ধরনের মিথ্যা সংবাদ প্রচার করছে। এ ধরনের অপসাংবাদিকতা দণ্ডবিধির ৪৯৯ ও ৫০০ ধারায় শাস্তিযোগ্য গুরুতর অপরাধ।হাসিনা হোসেন অবিলম্বে মিথ্যা সংবাদ প্রত্যাহার, প্রকাশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। অন্যথায় তিনি আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হবেন বলেও কঠোর ভাষায় সতর্ক করেন।