এস এস সুমন ||
আশুলিয়ার শিমুলিয়া রাঙামাটিয়া এলাকায় পরিবেশ দূষণ ও কৃষি জমির নষ্ট করে আবারও সক্রিয় চারটি ইটভাটা।একাধিক বার অভিযান ও ভাঙা ইটভাটা বন্ধের নির্দেশনা উপেক্ষা করে পুনরায় সক্রিয় হয়ে উঠেছে এইসব ইটভাটা গুলো।এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করছেন,এসব ইটভাটার কারণে মারাত্মক পরিবেশ দূষণ,ফসলের ক্ষতি ও স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।তবে ইটভাটার মালিকপক্ষ দাবি করছেন,তারা বৈধভাবে কাজের অনুমতি নিয়েই উৎপাদন কার্যক্রম চালাচ্ছেন এসব ভাটার মালিক পক্ষ।এদিকে সরেজমিন ও তথ্য সূত্রে জানা গেছে,গত কয়েক বছর ধরে শিমুলিয়া এলাকার ইটভাটা গুলো নিয়ে অভিযান হয়েছে বারবার।পরিবেশ অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের অভিযানে কিছুদিনের জন্য বন্ধ থাকলেও সেগুলো পুনরায় কার্যক্রম শুরু হয়ে যায়।সম্প্রতি চারটি ভাটা আবারো প্রকাশ্যে পুনঃসংস্কার করে চালু করা হয়েছে,যা নিয়ে স্থানীয় পরিবেশবাদী ও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।এছাড়াও স্থানীয় একাধিক কৃষক বলেন,ইটভাটার ধোঁয়ায় আমাদের ফসল নষ্ট হচ্ছে,শ্বাসকষ্টজনিত রোগে ভুগছি।আগে ভাটা ভাঙা হয়েছিল,এখন আবার গড়ে তোলা হচ্ছে।প্রশাসন কেন নীরব?”ইটভাটার মালিকপক্ষের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, তারা সরকারি নিয়ম মেনে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পরিবেশ ছাড়পত্রসহ সকল অনুমোদন নিয়েই ইটভাটা চালু রেখেছেন ।তিনি দাবি করেন,স্থানীয় কিছু মানুষ উদ্দেশ্য মূলক ভাবে তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছেন।স্থানীয় পরিবেশ কর্মী ও সচেতন নাগরিকরা প্রশাসনের নিষ্ক্রিয় তাকে এই সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার মূল কারণ হিসেবে দেখছেন।তারা দাবি করেন,শুধু অভিযানই যথেষ্ট নয়, ইটভাটাগুলো স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।সাভার পরিবেশ আন্দোলনের আহ্বায়ক বলেন,কৃষিজমি ও বসতি এলাকায় ইটভাটা চলতে দেওয়া পরিবেশ আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।প্রশাসনকে অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করে এলাকার জনস্বাস্থ্য ও কৃষির রক্ষা করতে হবে।স্থানীয় বাসিন্দারা সরকার ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছেন,তাদের দৈনন্দিন জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে ।তারা চান দ্রুত এই ইটভাটাগুলো স্থায়ীভাবে বন্ধ করে পরিবেশ ও কৃষিজমি রক্ষা করা হোক।এলাকার সচেতন মহল ও পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো প্রশাসনের দ্রুত ও কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।